ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
লেবাননে হামলার জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা তেহরানের রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ধ্রুব-সম্পাদক জিসান বরিশাল বিভাগ এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশর দিনব্যাপী নৌ-বিহার আগস্টে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলে মাতোয়ারা ‘প্রচেষ্টা’র এক দিন জিয়াউর রহমান জনগণের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও থামেনি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬ হরিণাকুণ্ডুতে আ.লীগ–বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৬ ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সাঈদা শম্পার ‘মন বোঝে না’ চট্টগ্রামে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর ‘বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’ প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমান কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা! প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’ নায়িকা ববির কথিত স্বামী আবুল বাশার গ্রেপ্তার সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার সম্পর্কের পর বিয়ে হয়নি বলে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রায় কোর্টের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র খোলা ড্রামে ভোজ্যতেল: ভোক্তার অধিকার কোথায়? আগস্টের মধ্যেই ঢাকা-পাবনা রুটে সরাসরি ট্রেন: নৌপরিবহনমন্ত্রী গাজী গিয়াস উদ্দিনকে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার প্রদান তীব্র তাপপ্রবাহে করণীয় আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করুন

কুমিল্লার শিদলাই আশরাফ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৪, ১০:৪৪ এএম
আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৪, ১০:৪৫ এএম
ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার শিদলাই আশরাফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষের পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। কিন্তু এই কক্ষের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে। ছবি: খবরের কাগজ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার শিদলাই আশরাফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হচ্ছে। ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টির চারটি ভবনের মধ্যে একটি ভবন এরই মধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ভবনগুলোতে এতদিন ক্লাস চললেও দুইটি ভবনের অবস্থা খুবই নাজুক। ক্লাস চলার সময় প্রায়ই পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও আতঙ্কে থাকেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকির মুখেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তারা ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এরই মধ্যে তাদের প্রতিনিধিদল সরেজমিন পরিদর্শন করেছে। উপজেলা প্রশাসন বলছে, শিক্ষা প্রকৌশল বরাবর চাহিদা পাঠানো হয়েছে। শিগগির সংস্কার কাজ শুরু হবে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৪৯ সালে শিদলাই আশরাফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে চারটি ভবন বানানো হয়। এসব ভবনের একটিকে আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর আরও দুইটি ভবন জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয়টিতে ১ হাজার ৫৬ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। সাম্প্রতিক সময়ের বন্যা শেষে বিদ্যালয়টির ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ওই দুই ভবনেই প্রায় ৬৫০ শিক্ষার্থী পাঠ নিচ্ছে। বাকিরা স্বাভাবিক ভবনে ক্লাস করে। তাদের সবার দায়িত্বে আছেন ২২ জন শিক্ষক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪৯ সালে একটি ভবন নিয়ে স্কুলটি যাত্রা শুরু করে। পরে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে আরও তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে চারটি ভবন শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও বিদ্যালয়ের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হতে থাকে। বেশ কয়েক বছর আগে চারটি ভবনের মধ্যে একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে তিনটি ভবনে কার্যক্রম চলে। সাম্প্রতিক সময়ের বন্যা পরিস্থিতির পর দেখা যায়, পরিত্যক্ত ভবনের পাশের আরও দুইটি ভবনের অনেক জায়গায় দেয়াল, ছাদ, বিম ও পিলারে ফাটল ধরেছে। খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা ও দেয়ালের আস্তর।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ফাটলের কারণে ক্লাস করার সময় তারা আতঙ্কে থাকে। ক্লাস চলা অবস্থায় প্রায়ই ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। তখন তাদের মধ্যে আতঙ্ক কয়েকগুণ বেড়ে যায়। একাধিকবার তারা নতুন ভবন বানানোর দাবি জানিয়েছে, কিন্তু কোনো ফল পায়নি।

ওই স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মিজানুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ের একটি ভবন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি আরও দুইটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমরা আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে আতঙ্কের মধ্যে থাকি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাই।

প্রধান শিক্ষক মমিনুল হক ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যালয়ের তিনটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্কুল চলাকালে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। বন্যার পর থেকে এসব ভবনের বিম, ছাদ ও দেয়ালে ফাটলসহ শ্রেণিকক্ষের মেঝে নিচের দিকে দেবে গেছে। প্রতিটি ভবনই পুরাতন হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘ বছর ধরে আমরা নতুন একটি একাডেমিক ভবনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আমাদের নতুন ভবন করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স ম আজহারুল ইসলাম বলেন, শিদলাই আশরাফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এরই মধ্যে জেলা শিক্ষা প্রকৌশল কার্যালয় থেকে প্রকৌশলী এসে এস্টিমেট (হিসাব) নিয়ে গেছে। কাজ শুরু হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সম্প্রতি ভারী বর্ষণের কারণে কাজ আপাতত স্থগিত আছে। তবে আমরা শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি, যেন তাদের কোনো ক্ষতি না হয়। সে লক্ষ্যে শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিমুক্ত জায়গায় ক্লাস করাতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল বরাবর আমরা এটির জন্য চাহিদা চেয়েছি। জেলা প্রশাসকের কাছে আলাদা করে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই নতুন ভবন ও মেরামতের জন্য বরাদ্দ পাব।

বরিশাল বিভাগ এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশর দিনব্যাপী নৌ-বিহার

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
বরিশাল বিভাগ এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশর দিনব্যাপী নৌ-বিহার
ছবি: সংগৃহীত

‘স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে, এসো মিলি প্রাণের বন্ধনে’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশ, বরিশাল বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী নৌবিহার-২০২৬।

আষাঢ়ের স্নিগ্ধ আবহ, নদীর বুকে মৃদুমন্দ বাতাস এবং দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের মিলনমেলায় মুখর হয়ে ওঠে অভিজাত লঞ্চ অ্যাডভেঞ্চার-৯। আনন্দ, স্মৃতিচারণ ও প্রাণবন্ত আড্ডায় অংশগ্রহণকারীরা কাটান এক অনন্য দিন।

শনিবার (২০ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এ নৌবিহার পরিণত হয় স্মৃতি, আনন্দ ও বন্ধুত্বের এক অনন্য উৎসবে। নদীর বুকে ভেসে চলা লঞ্চজুড়ে ছিল প্রাণবন্ত পরিবেশ। গান, আড্ডা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হাস্যরস ও স্মৃতিচারণায় অংশগ্রহণকারীরা ফিরে যান চার দশক আগের সেই স্কুলজীবনের দিনগুলোতে। অনেকের কাছে এটি ছিল বহুদিন পর হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের সঙ্গে পুনর্মিলনের এক বিরল সুযোগ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে আয়োজকেরা বলেন, ‘সময়ের ব্যবধানে জীবনের পথ বদলে গেলেও বন্ধুত্বের বন্ধন কখনো ম্লান হয় না। বরং বয়সের পরিপক্বতা সেই সম্পর্ককে আরও গভীর ও অর্থবহ করে তোলে। নৌ-বিহারটি কেবল একটি ভ্রমণ নয়, বরং হৃদয়ের টানে বন্ধুদের একত্র হওয়ার উপলক্ষ।’

আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন গাজী কামাল মাহমুদ, ফসিহ উদ্দীন মাহতাব, কাজী সাইফুল হাসান, খালিদ হাসান তালুকদার, যুগ্মসচিব আলী আকবর এবং অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের মালিক নিজাম উদ্দীন।

বক্তারা বলেন, ‘স্কুলজীবনের বন্ধুত্ব মানুষের জীবনের সবচেয়ে নির্মল ও নিঃস্বার্থ সম্পর্কগুলোর একটি। কর্মব্যস্ততা, পারিবারিক দায়িত্ব এবং জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যেও এই বন্ধন মানুষকে বারবার শেকড়ের কাছে ফিরিয়ে আনে। তারা এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।’

ফসিহ উদ্দীন মাহতাব তার বক্তব্যে বলেন, ‘সময়ের স্রোত আমাদের অনেক দূরে নিয়ে গেছে, কিন্তু আজকের এই মিলনমেলা প্রমাণ করে বন্ধুত্বের কোনো বয়স নেই। নদীর মতোই আমাদের সম্পর্ক বহমান, প্রাণবন্ত এবং চিরসবুজ।’

যুগ্মসচিব আলী আকবর বলেন, ‘পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের ব্যস্ততার ভিড়ে এমন আয়োজন আমাদের মানসিক প্রশান্তি দেয়। পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে কিছু সময় কাটানো মানে নিজের কৈশোরকে আবার ছুঁয়ে দেখা।’

অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের মালিক নিজাম উদ্দীন অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘নদীমাতৃক বাংলাদেশের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি বন্ধুত্বের এমন মহৎ আয়োজনের অংশ হতে পেরে তিনি আনন্দিত।’

গাজী কামাল মাহমুদ বলেন, ‘এসএসসি ১৯৮৬ শুধু একটি ব্যাচের নাম নয়, এটি আমাদের আত্মিক বন্ধনের একটি পরিবার। জীবনের নানা পর্যায়ে আমরা ভিন্ন ভিন্ন পথে চললেও এই বন্ধুত্ব আমাদের এক সুতোয় গেঁথে রেখেছে। আজকের এই নৌ-বিহার প্রমাণ করেছে, আন্তরিকতা ও ভালোবাসা থাকলে দূরত্ব কোনো বাধা নয়। এমন আয়োজন আগামী প্রজন্মের কাছেও বন্ধুত্বের অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

খালিদ হাসান তালুকদার বলেন, ‘বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো সময় সবসময়ই বিশেষ, তবে দীর্ঘদিন পর এমন মিলনমেলা হৃদয়কে অন্যরকম আবেগে ভরিয়ে দেয়। নদীর বুকে আজকের এই আনন্দঘন আয়োজন আমাদের শৈশব ও কৈশোরের অসংখ্য স্মৃতিকে আবার জীবন্ত করে তুলেছে।’

দিনব্যাপী আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন- কাজী আনম সাইফুল হাসান আজীম, আল আমিন লিটন, কাজী শরীফুল ইসলাম শফিক, আলী মোর্তজা, সেলিম খান, মাহে আলম সাবু, মাহবুল, এনামুল হকসহ বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশ এর সদস্যরা।

আষাঢ়ের মেঘলা আকাশ, নদীর ঢেউ আর বন্ধুদের উচ্ছ্বসিত হাসি যেন দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখে। বিদায়ের ক্ষণে অনেকের চোখে-মুখে ছিল আবেগের ছাপ। আবারও এমন কোনো আয়োজনে মিলিত হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সবাই ঘরে ফেরেন। তবে নদীর বুকের সেই দিনভর ভেসে থাকা মুহূর্তগুলো, স্মৃতির অ্যালবামে আরও একটি উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে রয়ে যাবে-বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও আত্মিক বন্ধনের এক অনন্য সাক্ষ্য হিসেবে।

আনিসুর রহমান/রিফাত/

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলে মাতোয়ারা ‘প্রচেষ্টা’র এক দিন

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলে মাতোয়ারা ‘প্রচেষ্টা’র এক দিন
ছবি: খবরের কাগজ

ব্লাড ব্যাংকিং, ছিন্নমূল মানুষদের জন্য ফুড ব্যাংকিং, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই নগর উন্নয়ন, নগর কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন ‘ইয়ুথ প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ’ – এর সারা বছরের ব্যস্ততা। তবে এখন যে বিশ্বকাপ, ফুটবলের মৌসুম। তাই সব কাজের মধ্যে তারাও মাতোয়ারা ফুটবল নিয়ে।

এরমধ্যে শুক্রবার (১৯ জুন) তারা মাঠে নেমে পড়েছিল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি পরে।

সংগঠনের কর্মীদের আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টার্ফ ন্যাশন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয় এই ম্যাচ। টানটান উত্তেজনার মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে উভয়পক্ষ একটি করে গোল দেয়। মানে খেলার ফলাফল ড্র।

মাঝে পাঁচ মিনিটের বিরতিসহ মোট ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়ে এই ম্যাচ। খেলায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন সালমান, মিলন, মেহেদি, ইব্রাহিম, রেজওয়ান, রিজভী, রিপন ও ফাহাদ হোসেন। ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে ছিলেন রাকিবুল ইসলাম, ইকরাম উদ্দিন আবির, রাফসান বাবু, সাব্বির, আফফান, আবদুল বারিক, কায়েদে আজম ও ওয়াসিফ খান।

সেখানে নারী সমর্থকদের জন্যেও ছিল বিশেষ আয়োজন পেনাল্টি শ্যুট-আউট কমপিটিশন। এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন জান্নাত, রিচি, কাজল, সাবিহা সুলতানা (শিমু), অদিতি, তোয়া, সাদিয়া, ওয়াজদা।

প্রসঙ্গত, সংগঠনটি বর্তমানে ReWET (Revitalising Wetlands for Climate Resilience) প্রকল্পের স্থানীয় অংশীদার হিসেবে কাজ করছে, যা UK International Development-এর সহায়তায় এবং The University of Sheffield-এর সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকা শহরের জলাভূমি, খাল ও জলাশয়ভিত্তিক জীবিকা, নগর কৃষি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

সংগঠনটি বর্তমানে Jheel Krishi (Lake Agriculture Initiative) বাস্তবায়ন করছে, যেখানে হাতিরঝিল, বেগুনবাড়ী খাল এবং অন্যান্য জলাশয়ভিত্তিক এলাকায় ভাসমান ও জলাভূমি উপযোগী কৃষি, কমিউনিটি ফার্মিং, খাদ্য উৎপাদন এবং জীবিকাভিত্তিক কার্যক্রম উন্নয়নের জন্য গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও পাইলট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

একইসঙ্গে সংগঠনটি Urban Oasis উদ্যোগের মাধ্যমে শহরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি (Urban Heat Stress), বায়ুদূষণ এবং জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো নগর এলাকায় ক্ষুদ্র সবুজ অবকাঠামো, ছায়া, শীতলীকরণ ব্যবস্থা এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক পরিবেশগত সমাধানের মাধ্যমে আরও বাসযোগ্য ও জলবায়ু সহনশীল শহর গড়ে তোলা।

এছাড়াও Youth Prochesta Foundation of Bangladesh বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় কমিউনিটির সাথে সমন্বয় করে Climate Action, Sustainable Cities, Food Security, Urban Resilience, Community Development এবং Youth Leadership বিষয়ক গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। 

মাহমুদুল আলম/রিফাত/

প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমান
মো. মনিরুল ইসলাম (মনির)-আমানতউল্লাহ আমান। ছবি: সংগৃহীত

প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)-এর ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলন ২০২৬ তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্মেলনে আগত কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে মো. মনিরুল ইসলাম (মনির) চেয়ারম্যান এবং আমানতউল্লাহ আমান মহাসচিব নির্বাচিত হন।

এছাড়াও কো-চেয়ারম্যান কাজী আদনান তাজীম, ভাইস চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান, হারুন আল রশীদ খান, মো. আরব আলী ও হাবিব; যুগ্ম মহাসচিব ফরহাদ রেজা, মো. হেদায়েত উল্লাহ জামালী, ইসরাত জাহান বিথী ও মো. খালেদুল ইসলাম; দপ্তর সম্পাদক মো. জুয়েল আকন এবং আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান নির্বাচিত হন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু এমপি। সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন চৌধুরী, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সমন্বয়কারী ডা. সামছুল আলম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড ডা. এম. এ. সামাদ, জনতার অধিকার পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন সম্রাট, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক খান নুরে আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।

গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট
ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল কলেজ গেট (মাইজগাঁও) এলাকায় একটি তেল উৎপাদনকারী কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিটের প্রায় আধ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে অটো গ্রীন অয়েল কোম্পানি নামের কারখানাটিতে এ ঘটনা ঘটে । 

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে কারখানার একটি বয়লার বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ডিউটি অফিসার ম. সবুজ মিয়া বলেন, বয়লার বিস্ফোরণে কারণে কারখানায় আগুন লাগে। আমাদের ৩টা ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। আগুনে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একইস্থানে অবস্থিত কারখানাটিতে এর আগেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২০১৬ সালের ২৩ জানুয়ারি তখনকার স্মার্ট মেটাল অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ নামের কারখানাটিতে বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় ছয়জন শ্রমিক নিহত হন। পরে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটিতে পুরোনো টায়ার প্রক্রিয়াজাত করে তেল উৎপাদন করা হয়।

পলাশ/রিফাত/

তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’
ছবি: খবরের কাগজ

তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাসে ক্ষুব্ধ তিস্তা পাড়ের মানুষ এবার সরাসরি কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে। চলতি বাজেটের সংশোধিত বরাদ্দে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু না হলে রংপুর বিভাগ থেকে রাজধানী ঢাকায় খাদ্যশস্য সরবরাহ বন্ধ এবং প্রয়োজনে ‘ঢাকা ঘেরাও’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনের নেতারা।

শনিবার (২০ জুন) রংপুর মহানগরীর কাচারীবাজার এলাকায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম সরকার বলেন, “তিস্তা পাড়ের মানুষের দুর্ভোগের কথা সবাই জানে। বছরের পর বছর ধরে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এখন আর আশ্বাস নয়, প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু দেখতে চায় মানুষ। সরকারের সংশোধিত বাজেটেই এ প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি বলেন, তিস্তা অববাহিকার লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, নদীভাঙন ও পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে মহাপরিকল্পনাটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য দাবিকে আর উপেক্ষা করা যাবে না।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আরিফুর রহমান আরিফ। বক্তব্য দেন কমিটির উপদেষ্টা ও রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আযম খান, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল রংপুর ইউনিটের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, এনসিপি নেতা আল মামুন, ডা. মো. হোসেন, ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ, অ্যাডভোকেট তারেকুজ্জামান তারেক, অ্যাডভোকেট উমর ফারুক এবং আব্দুল মান্নান তালিবসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, তিস্তা নদীকে ঘিরে পরিকল্পিত উন্নয়ন ছাড়া উত্তরাঞ্চলের কৃষি, সেচ, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। তাই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাইরে গিয়ে অবিলম্বে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করতে হবে।

এদিকে একই সময়ে রংপুর মহানগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত দশটি পয়েন্টে একযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংক মোড়, ডিসি মোড়, কাচারীবাজার, পুলিশ লাইন্স মোড়, সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেসক্লাব চত্বর, ওয়ালটন মোড় ও শাপলা চত্বরে শত শত মানুষ অংশ নেন।

প্রেসক্লাব পয়েন্টে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাজেদুর রহমান মাজেদ। এছাড়া শিক্ষাবিদ আবু বক্কর সিদ্দিক, আজহার আলী শাহ, আমিনুর রহমান, হাফিজ উদ্দিন, ফরহাদ হোসেন মণ্ডল, ইঞ্জিনিয়ার মামুন মিয়া, ব্যবসায়ী শাহনৎ মিয়া ও ড. আজিজুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

শুধু রংপুর নয়, শনিবার একযোগে তিস্তা অববাহিকার বিভিন্ন এলাকায়ও একই দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। গঙ্গাচড়ার বুড়িরহাট থেকে মহিপুর তিস্তা সড়ক সেতু পর্যন্ত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন রায়হান সিরাজী এমপি। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার শৈলমারী চর এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেন ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী এমপি ও আনোয়ারুল ইসলাম এমপি।

নীলফামারীর জলঢাকার কাঁকড়া এলাকা থেকে তিস্তা ব্যারেজ পর্যন্ত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মওলানা আব্দুস সাত্তার এমপি, আল ফারুক আব্দুল লতিফ এমপি, ওবায়দুল্লাহ সালাফি ও আব্দুল মুনতাকিম এমপি। অপরদিকে তিস্তা বাসস্ট্যান্ড থেকে তিস্তা সেতু পর্যন্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক গোলাম রব্বানী এমপি ও মওলানা নুরুল আমিন এমপি।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নেতারা বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা তিস্তা অববাহিকা পরিদর্শন করে গেলেও বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে তিস্তা পাড়ের মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে।

তাদের ভাষ্য, আগামী দিনগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না এলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তরাঞ্চলের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচিও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

সেলিম সরকার/এসএন