স্টার্ট রেভুলেশন ব্যাক টু বাইক’ স্লোগানকে ধারণ করে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে সাইকেল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন ১০ তরুণ।
‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ নিয়ে দেশের ৬৪ জেলায় সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়ার জন্য ৩০ দিনের এই ভ্রমণ শুরু করেছেন তারা ।
প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা বার্তার প্ল্যাকার্ডও বহন করছেন তারা। চলতি পথে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাদের বার্তা পৌঁছে দেবেন।
গ্রুপের অ্যাডমিন শামীম মাশুক আলম খবরের কাগজকে বলেন, ’চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতু এলাকা থেকে শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাত ১২টায় তারা বান্দরবানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। দেশের সব জেলা ঘুরে কক্সবাজার এসে ভ্রমণ শেষ করবেন। ভ্রমণে অংশগ্রহণকারী সবাই ইউনিয়ন সাইক্লিস্ট অব বাংলাদেশের সদস্য। সাইকেল একটি পরিবেশবান্ধব বাহন। তাই তারা সাইকেল নিয়েই সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ নিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবার জন্য উদ্বেগের বিষয় হল গ্লোবাল ওয়ার্মিং। মূলত গ্রীণহাউস গ্যাসের অধিক নিঃসরণের কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি। পৃথিবীতে অতিবৃষ্টি হয়, মেরু অঞ্চলের বরফ দ্রুত গলে সমুদ্রের উচ্চতা বেড়ে যা্ওয়া, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়া, নদী-নালা, খাল-বিল ইত্যাদি পলিথিন, প্লাস্টিক ইত্যাদি অপচনশীল দ্রব্য দ্বারা পরিপূর্ণ থাকায় বন্যার তীব্রতা বেড়ে যাওয়াসহ প্রতিনিয়ত নানা জটিল সমস্যায় পতিত হচ্ছে এই বিশ্ব।
এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে গাছ লাগাতে হবে, পরিবেশবান্ধব যানবাহন ব্যবহার, কলকারখানা ইত্যাদি গড়ে তুলতে হবে। সাইকেল যেহেতু পরিবেশবান্ধব বাহন, তাই তারা ১০ জন তরুণ সাইকেল দিয়ে সমগ্র বাংলাদেশের ৬৪ জেলা পরিভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ পরিভ্রমণ ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী জনগণকে উৎসর্গ করবেন তারা।’
তিনি ছাড়াও দলের অন্য সদস্যরা হলেন, রিদওয়ানুল রিদু, মিউ নাই মং, বোরহান উদ্দিন রাফি, মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, অর্ণব কুমার রায়, সাগর নাথ, সুমিত নাথ ও মুহাম্মদ উল্লাহ।
নাবিল/এমএ/