ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি আনচেলত্তির সন্তুষ্টি, স্কটল্যান্ড ম্যাচেই ফিরছেন নেইমার কাতারের দেওয়া 'উড়ন্ত হোয়াইট হাউস' উন্মোচন করলেন ট্রাম্প জি-৭ সম্মেলনের ‘আমি বস’ মন্তব্য ছিল শুধুই মজা, বললেন ট্রাম্প চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা তুমুল হট্টগোল, জাতিসংঘ কর্মকর্তাকে ‘চুপ থাকতে’ বললেন ইসরায়েলি দূত আন্তর্জাতিক তহবিল কাটছাঁট: মানবিক সংকটে রোহিঙ্গারা রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ স্কটল্যান্ড কোচ ক্লার্ক শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট-শপিংমল বন্ধ জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরানো অন্যতম চ্যালেঞ্জ প্যারাগুয়ে বনাম তুরস্ক ম্যাচে যে কারণে মিগুয়েল আলমিরনকে লাল কার্ড দেখানো হলো অভিমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন বিএনপির অনেক নেতা জিতলেই নকআউটে জার্মানি গতির রাজা জর্ডান মরোক্কোর রেকর্ড ভেঙে দ্রুততম গোল প্যারাগুয়ের ব্রাজিল ম্যাচের চেয়েও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো খেলেছে মরক্কো: ওয়াহবি হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন ব্রাজিলের রাফিনহা ৯ বছরেও খোলেনি রোহিঙ্গাদের ফেরার পথ বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোলে সাগরিকায় ক্রিকেটের উন্মাদনা শ্রীমঙ্গলে হারমোনি ফেস্টিভ্যালের বর্ণিল উদ্বোধন ইসমাইল সাইবারিকে ছাড়িয়ে এবার ৬৪ সেকেন্ডে দ্রুততম গোল গ্যালারজারের দূষণের শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার অবস্থান কত? ব্রেকে হাওয়া না থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর পাড়ে ঝুলে পড়ল যাত্রীবাহী বাস আর্জেন্টিনা ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফায় আলজেরিয়ার অভিযোগ সিরিজ বাঁচাতে পারল না বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া জয়ী ৭ রানে নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান ফেসবুকে কান্না করা সেই নয়ন পেলেন ছাত্রদলে পদ

গাইবান্ধায় ধানের অচেনা রোগে আতঙ্কে কৃষক

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২২ পিএম
গাইবান্ধায় ধানের অচেনা রোগে আতঙ্কে কৃষক
আমন ধানের খেতে অজানা রোগ ছড়িয়ে পড়ায় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর কুমারগাড়ী গ্রাম থেকে তোলা।ছবি: খবরের কাগজ

গাইবান্ধার কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জেলার সাত উপজেলার আমন ধানের খেতে অজানা রোগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে পলাশবাড়ী ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। আক্রান্ত ধানগাছের পাতা দুই সপ্তাহের মধ্যে শুকিয়ে বাদামি হয়ে যাচ্ছে। শিষ গঠনের আগেই গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাজারে প্রচলিত কীটনাশক ব্যবহার করেও ফসল রক্ষা করা যাচ্ছে না। এতে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা বলছেন, এখনই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আমন মৌসুমে ধানের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এতে তারা লোকসানের মুখে পড়বেন। প্রতি বিঘা ধান উৎপাদনে তাদের ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে তারা ১ ছটাক ধানও পাবেন না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার সাত উপজেলায় ১ লাখ ৩৩ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৪ টন। 

গাইবান্ধা শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে মনোহরপুর ইউনিয়ন। ইউনিয়নটি পড়েছে পলাশবাড়ী উপজেলায়। ওই ইউনিয়নে কুমারগাড়ী গ্রামের হালিমনগর এলাকার তুলামের বিলে গিয়ে দেখা যায় রোগাক্রান্ত আমন ধানের খেতের চিত্র। ধানের গাছ আছে, কিন্তু তাতে ধান বা শিষ নেই। ধানের গোড়া ঠিক আছে। তবে ওপরের অংশ পচে যাচ্ছে। প্রায় ৩ শতাধিক বিঘা জমিতে একই অবস্থা। দূর থেকে দেখলে মনে হতে পারে ধানগুলো পাকছে।

কৃষকরা বলছেন, ধান রোপণের প্রায় দুই মাস পর এই রোগ দেখা দেয়। পরে কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। কোনো গাছে ধান নেই। ঠিক কী কারণে এমন হচ্ছে তাও তাদের জানা নেই। অনেকে ধারদেনা করে আমন রোপণ করেছেন। ধান তুললে সেই ঋণ পরিশোধ করতে পারতেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে একাধিকবার মাঠ পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। 

পূর্বকুমারগাড়ী গ্রামের কৃষক ছামছুল জামান মার্জু বলেন, ‘এবার প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে আমনের আবাদ করেছি। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু জমির সব ধান নষ্ট হয়ে গেছে। ৫ বিঘা জমি থেকে ১ ছটাক ধানও পাওয়ার আশা নেই। অনেক কীটনাশক দিয়েছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আক্রান্ত ধানের গাছগুলো গরুও খায় না। চোখের সামনে ধানের জমিগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’ 

একই গ্রামের আরেক কৃষক খুশি মিয়া বলেন, ‘আমার নিজের কোনো জমি নেই। ১ বিঘা ১৭ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে ধান চাষ করেছি। প্রায় ২০ দিন আগে হঠাৎ জমিতে অজানা রোগ দেখা দেয়। বালাইনাশক ব্যবহার করি। তবুও গাছ বাঁচাতে পারছি না।’ 

হালিমনগর এলাকার আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমার ৬৫ শতাংশ জমির ধানের পাতায় প্রথমে বাদামি দাগ হয়, পরে পুরো পাতা শুকিয়ে যায়। রোগটা কী বুঝতে পারছি না। কৃষি অফিসে জানিয়েছি। তারা এসে দেখে গেছে কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা দিতে পারেনি। তুলামের বিলে আমার ৩ শতাধিক বিঘা জমি আছে। সব জমির ধানের একই অবস্থা। আমরা চাই, কৃষি অফিস থেকে এখানে লোকজন আসুক। কেন এমন হলো তা জানাক। আমরা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাই।’

গোবিন্দগঞ্জের কৃষক উজ্জ্বল মিয়া বলেন, ‘আমরা সারা বছর কষ্ট করে চাষ করি, কিন্তু এমন রোগে ধান নষ্ট হলে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়বে। এখন আমাদের একটাই দাবি, সরকার যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।’ 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গাইবান্ধা কার্যালয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক রোস্তম আলী বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে আক্রান্ত ধানের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধানের গাছগুলো ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট (বিএলবি) রোগে আক্রান্ত। জমিগুলো জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত। ধান চাষাবাদের অনুপযোগী। রোপা আমনের চারা পুষ্টিকর উপাদানের ব্যবহার না হওয়ায় বৃদ্ধিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে শিষ বা পাতা রোগাক্রান্ত হচ্ছে। এই রোগ নিয়ে আমাদের মাঠকর্মীরা নিয়মিত কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সীমান্তের শূন্যলাইনে অবস্থান করা ২০ জন পুরুষ, নারী ও শিশু। ছবি: খবরের কাগজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রতিরোধের মুখে এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে চৌকা সীমান্তের শূন্যলাইনে এ ঘটনা ঘটে। এই ২০ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৫টি শিশু রয়েছে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে চৌকা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৭৭/২ এস দিয়ে বিএসএফ ওই ২০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সেখানে অবস্থান নেয়। বিজিবির বাধার মুখে তারা এখন ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।

মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চৌকা বিওপির সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে  পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবির অবস্থানের কারণে শূন্যলাইনে ভারতের অভ্যন্তরেই ওই ২০ জনকে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

মো.আসাদুল্লাহ/আজহার/

শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট-শপিংমল বন্ধ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৩২ এএম
শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট-শপিংমল বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পায় সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব।

প্রতিদিনই মানুষের কিছু না কিছু কেনাকাটার প্রয়োজন হয়। এছাড়া মানুষ ঘুরতেও বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে থাকেন। প্রয়োজনীয় কেনাকাটা কিংবা ঘুরতে গিয়ে যদি দেখেন ওই এলাকার মার্কেট বন্ধ, তাহলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে নষ্ট হয় সময়ও।

তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নিন শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকান

শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেন্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শাঁখারী বাজার। 

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট

ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, নয়াবাজার, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার, শারিফ ম্যানসন ও আজিমপুর সুপার মার্কেট।

যে দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে

শিশু একাডেমি জাদুঘর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।

আমান/

ব্রেকে হাওয়া না থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর পাড়ে ঝুলে পড়ল যাত্রীবাহী বাস

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
ব্রেকে হাওয়া না থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর পাড়ে ঝুলে পড়ল যাত্রীবাহী বাস
নদীর তীরের দিকে ঝুলে আছে সেলফি পরিবহন । ছবি খবরের কাগজ

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে একটি যাত্রীবাহী বাস। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটির সামনের অংশ নদীর তীরের দিকে ঝুলে পড়লেও শেষ পর্যন্ত নদীতে পড়েনি।

শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাটুরিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেলফি পরিবহনের একটি বাস ঘাট এলাকায় সিরিয়ালের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল। ট্রিপের সিরিয়াল আসার পর বাসটি ঘাট এলাকা থেকে স্ট্যান্ডের দিকে নেওয়ার জন্য চালু করা হয়। এ সময় ব্রেকে পর্যাপ্ত হাওয়া না থাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে বাসটির দুটি চাকা রাস্তার বাইরে চলে যায় এবং বাসটি নদীর পাড়ের কিনারে বিপজ্জনক অবস্থায় আটকে পড়ে।

তবে বাসটিতে কোনো যাত্রী ছিল না। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে চালক দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে আসেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির র্যাকার দিয়ে বাসটিকে উদ্ধার করে সড়কে তোলা হয়।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুস সালাম বলেন, ‘তারা বাসটিকে বাস বা ট্রাক স্ট্যান্ডে না রেখে আমাদের ঘাট এলাকায় রাখে। বারবার নিষেধ করার পরও কথা শোনে না। আজ যদি বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটত, তাহলে মানুষ জানত ফেরিঘাট থেকে আবারও বাস নদীতে পড়ে গেছে। আসলে তারা আমাদের ৩ নম্বর ঘাটের হাই ওয়াটার লেভেল এলাকায় অবৈধভাবে পার্কিং করে রেখেছিল।’

মানিকগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমরাও বাস ও ট্রাক চালকদের নির্ধারিত স্ট্যান্ডে গাড়ি রাখার জন্য বলে থাকি। কিন্তু তারা বিভিন্ন স্থানে নিজেদের সুবিধামতো পার্কিং করে। পাটুরিয়া এলাকায় আমাদের মাত্র দুইজন সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ফলে সব বিষয় সার্বক্ষণিক তদারকি করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে আমরা কঠোর নির্দেশনা দেব। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আসাদ জামান/আজহার/

নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম
নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা
ছবি: প্রতীকী

নাটোর সদর উপজেলার কাফুরিয়া ইউনিয়নের ঢালান এলাকায় দীর্ঘদিন প্রেমের পরও বিরহ নেমে আসে এক প্রেমিক-প্রেমিকার জীবনে। দুজনার রাস্তা হয় দুদিকে। কিন্তু প্রেমের পূর্ণতা পেতে মরিয়া ছিলেন তারা। অবশেষে বিয়ে করলেও জীবনাবসান হলো মাত্র দুই মাসেই। নিজ ঘরে এক ওড়নায় আত্মহত্যা করলেন ওই দম্পতি।
 
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে সদর থানা পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

মৃতরা হলেন রাহাত (২৩) ও তানিয়া (২০)। 

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান এবং কাফুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃতদের প্রতিবেশী আনোয়ার আলী জানান, শিক্ষাজীবনে তানিয়া-রাহাতের পরিচয় থেকে প্রেম। সাত-আট বছর প্রেম চললেও উভয়ের পরিবার মেনে না নেওয়ায় দুইজনেরই পৃথক সংসার হয়। এক পর্যায়ে রাহাত ঢাকায় চাকরি শুরু করেন। কিন্তু কিছুদিন পর উভয়ের আবারও যোগাযোগ হয়। এরপর প্রেমের পূর্ণতা দিতে প্রথম সংসার ত্যাগ করে উভয়ে গত প্রায় দুই মাস আগে বিয়ে করেন।

রাহাতের স্বজনদের দাবি, শুক্রবার জুম্মা নামাজ পড়ে নিজ ঘরে যান রাহাত। বিকেল হলেও দরজা না খোলায় ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে দরজা ভাঙার পর তাদের গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উভয়ে এক ওড়নায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, নিজেরা দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যা করেন ওই যুগল। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে নিজেদের ইমোশনেই এমন সিদ্ধান্ত নেন তারা। পরিবারের আবেদন পেয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

কামাল মৃধা/খাদিজা রুমি/

ঈশ্বরদীতে রুশ নাগরিকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
ঈশ্বরদীতে রুশ নাগরিকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পে কর্মরত এক রাশিয়ান নাগরিক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। 

শুক্রবার (১৯ জুন) জুম্মা নামাজের পর শহরের পিয়ারপুর কোর্টপাড়া জামে মসজিদের ইমামের পড়ানো কালেমা পড়ে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ সময় মসজিদে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। 

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগে রাশিয়ান এই নাগরিকের নাম ছিল সেরগি। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার নাম রাখা হয়েছে মো. আব্দুল্লাহ। 

মো. আব্দুল্লাহ রূপপুর প্রকল্পের মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমে কর্মরত। 

পিয়ারপুর কোর্টপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মো. এনামুল হক খবরের কাগজকে বলেন, রাশিয়ান নাগরিক স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে ও স্বপ্রণোদিত হয়ে কালেমা পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি নিজের সুস্থ ও দীর্ঘজীবন কামনা করেন। 

জাহাঙ্গীর হোসেন/থিওটোনিয়াস