ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রোনালদোর পর্তুগালকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস বিশ্বকাপে প্রথম গোলে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতায় কঙ্গো ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল মেসির পর রোনালদোর কীর্তি পর্তুগালের একাদশে রোনালদো ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন অনুষ্ঠান হবে জুনের শেষ সপ্তাহে ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া হবে, ভারত সীমান্তেও পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যারা বলে ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ তাদের থেকে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী নাসার আর্টেমিস থ্রি মিশনের নভোচারীদের নাম চূড়ান্ত নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ৮০৭ প্রবাসীর হাতে যাচ্ছে এনআইডি হেরোইনসহ মা-বাবা ও ছেলে আটক, বাড়িতে আগুন সমুদ্রের নিচে চীনের নতুন ডেটা সেন্টার সোনারগাঁয়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল, দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল ৫ শতাংশের বেশি সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে ২ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
Nagad desktop

ভাঙা কুঁড়েঘরই তাদের পৃথিবী: গোকুল–লক্ষ্মী দম্পতির মানবেতর দিনযাপন

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:১৪ পিএম
আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৩ এএম
ভাঙা কুঁড়েঘরই তাদের পৃথিবী: গোকুল–লক্ষ্মী দম্পতির মানবেতর দিনযাপন
গোকুল–লক্ষ্মী দম্পতি ও তাদের ভাঙা কুঁড়েঘর। ছবি: খবরের কাগজ

বাগেরহাটের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কোড়ামারা গ্রামের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে একটি ভাঙা কুঁড়েঘর। ছেঁড়া পলিথিনে মোড়ানো তার ছাউনি। হোগলা আর নারকেল পাতার বেড়া প্রায় বিধ্বস্ত। ঘরের অর্ধেক অংশ হেলে পড়েছে। সামান্য বাতাসেই পাখির বাসার মতো উড়ে যেতে পারে এই ঝুপড়িটি।

এই জীর্ণ কুঁড়েঘরেই দিন কাটে ৭৮ বছর বয়সী গোকুল সরদার এবং তার ষাট বছর বয়সী স্ত্রী লক্ষ্মী রানী সরদারের। দারিদ্র্যের কঠিন চক্রে একে অপরের সঙ্গ ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই তাদের। একমাত্র পলিথিনে মোড়ানো এই কুঁড়েঘরটিই তাদের জীবনের শেষ আশ্রয়। এখানে প্রতিনিয়তই বৃষ্টি, বাতাস, শীতের কনকনে ঠাণ্ডা হাওয়া ঢোকে, কিন্তু আশার আলো কখনই প্রবেশ করে না।

গোকুল সরদারের বয়স ৭৮ এবং ৬০ বছর বয়সী লক্ষ্মীর জীবনে সুখের কোনো স্মৃতি নেই। তাদের জীবনে আছে শুধু সংগ্রাম, অনাহার, বঞ্চনা আর বেদনার গল্প। বয়সের ভারে হাঁটাচলা কঠিন হলেও, ক্ষুধার যন্ত্রণা পিছু ছাড়ে না। তাই কখনো দিনমজুরি, কখনো প্রতিবেশীর বাড়িতে কাজ—যা পান, তা দিয়েই দু’মুঠো ভাতের ব্যবস্থা করেন। তবে অনেক রাতই কাটে ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই করে। তবুও তারা কারও কাছে হাত পাতেননি। নিজের ঘাম ও শ্রম বিক্রি করে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এখন বয়সের কাছে হেরে গেছেন। কাজের শক্তি নেই, পথ চলার জোর নেই। আর সেই সঙ্গে প্রায় ভেঙে পড়ছে তাদের একমাত্র ঘরটিও। রাতভর বাতাসে দুলতে থাকে ছেঁড়া পলিথিন। বৃষ্টি আর শীতের রাতের শিশিরে বিছানা ভিজে যায়, পোশাক ভিজে যায়, শরীর ভিজে যায়। সকালের রোদ তাদের পোশাক শুকিয়ে দিলেও, তাদের অন্তরের ক্ষত কখনই শুকায় না।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে লক্ষ্মী রানী বলেন, ‘আমাদের মত এমন অসহায় আশেপাশে কোথাও নাই। বর্ষাকালে সারারাত ঘুমাতে পারিনি। আমাদের সবকিছু ভিজে গেছে। পলিথিন মুড়ি দিয়ে খেয়ে না খেয়ে রাত কাটিয়েছি। চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে অনেকবার গিয়েছি। আমরা আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই পাইনি। এই শীতের সময় ভাঙ্গা বেড়া দিয়ে ঠাণ্ডা বাতাস ঢোকে, উপর থেকে শিশির পড়ে আমাদের বিছানা ভিজে যায়। আমরা নিজেরাই ঠিকমত খাবার খেতে পারি না, ঘর মেরামত করবো কি দিয়ে? আমার স্বামী দিনমজুরি করে যা পায় তাই দিয়ে খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। জীবনের শেষ বয়সে এসে একটু মাথা গোজার ঠাঁই ছাড়া কিছুই চাওয়ার নেই।’

গোকুল সরদার বলেন, ‘আমরা খুবই অসহায় মানুষ। তারপরও কারো কাছ থেকে হাত পেতে কিছুই নেইনি। এখনো পর্যন্ত দিনমজুরি করে যা পাই তাই দিয়ে দুবেলা খাই, না পেলে না খেয়ে থাকি। বিগত সরকারের সময় ঘর দিছে শুনে একটি ঘর পাবার জন্য চেয়ারম্যান, মেম্বার, ইউএনও অফিসে অনেকবার ঘুরেছি। সবাই আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কিছুই পাইনি।’

এই দম্পতির মানবেতর জীবনযাপন চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও সরকারি সহায়তা না মেলায় বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষের মধ্যে রয়েছে বিস্তর ক্ষোভ।

স্থানীয় বাসিন্দা সাগর দাস, জালাল শেখ, সেকেন্দারসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, ‘এই ঝুপড়ি ঘরে এই দুই দম্পতি মানবেতর জীবন যাপন করে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়, চেয়ারম্যান মেম্বার বহুত আসছে গেছে কিন্তু এই অসহায় দম্পতিকে কেউ দেখেনি। অনেকের অনেক কিছু থাকার পরেও তারা ঘর পেয়েছে। প্রকৃতপক্ষে তারা ঘর পাওয়ার যোগ্য হলেও তাদেরকে ঘর দেওয়া হয়নি। এই ঝুপড়ি ঘরটি যেকোনো সময় পড়ে গিয়ে তারা চাপা পড়তে পারে।’

এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। প্রতি বুধবার আমাদের গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানিতে তারা বিষয়টি উত্থাপন করলে, আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সুমন/

ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
মোটরসাইকেল চোরচক্রের তিন সদস্য। ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের অভিযানে মোটরসাইকেল চোরচক্রের তিন সদস্যসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি বিশেষ টিম কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মোটরসাইকেল চোরচক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, কালীগঞ্জের মস্তফাপুর গ্রামের জাহিদ হাসান, ফরাসপুর গ্রামের মেহেদী হাসান সান্টু এবং চাঁচড়া গ্রামের রাজ কুমার।

পুলিশ জানায় এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মোটরসাইকেল চুরি এবং চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতো। অভিযানে চুরি করা দুইটি মোটরসাইকেল, ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা, ফেনসিডিল-জাতীয় মাদকদ্রব্য এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ।

ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ জানায়, জেলায় যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। মাদক, জুয়া ও চুরি-ছিনতাই রোধে জেলা পুলিশের এই বিশেষ সমন্বিত অ্যাকশন ও ঝটিকা অভিযান আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার করা হবে।

এছাড়া অন্যান্য অভিযানে আটক ১৭ আসামিকে বুধবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মাহফুজুর/আমান

রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম
রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী
ছবি: খবরের কাগজ

রংপুরে ফ্যামিলি কার্ড পেলেন পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ৬৬৫ জন নারী।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল ৪ টায় মৌলভীবাজারের জনসভা থেকে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এসময় পীরগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে বসে থাকা উপকারভোগীরা মোবাইলে টাকা পেয়ে যান সঙ্গে সঙ্গে। এ নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন তারা। পরে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

রিতা বর্মন বলেন, ‘মোবাইলে আমি টাকা পেয়েছি। প্রতিমাসে এই টাকা পাবো। এটা আমার পরিবারের জন্য অনেক উপকার হবে। তাই প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’

ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পেয়েছেন বিধবা সাহারা বান। পরিবার পরিজন নিয়ে খুবই কষ্টে জীবন কাটে তার। টাকা পেয়ে খুব খুশি তিনি এবং ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রীকে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সামু জানান, ‘বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে, যা প্রসংশনীয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি জিবা আমিনা খান জানান, ‘ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেয়া টাকা দিয়ে নারীরা তাদের পরিবারের জন্য পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার, স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং হাইজিন খাতে ব্যয় করার সুযোগ পাবে। এতে একটি পরিবার ধীরে ধীরে উন্নত হতে থাকবে।’

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি সবার আগে বাংলাদেশ। কোন ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।’

রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, সমাজসেবা মন্ত্রণালয় থেকে প্রথমে চতরা ইউনিয়নের  ৪ নং ওয়ার্ডের ৮৫৫ জনকে প্রাথমিকভাবে সিলেকশন করা হয়। পরে তার মধ্য হতে অতি গুরুত্ব বিবেচনায় ৬৬৫ জনকে চূড়ান্ত হিসেবে এই কার্ড দেয়া হলো।

আজ তারা এ মাসের টাকা পেলেন। এভাবে প্রতি মাসে তারা তাদের মোবাইলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পেয়ে যাবেন।

সেলিম/আমান 

নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম
নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন থেকে পড়ে দুইজন নির্মাণশ্রমিক নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল পাঁচটার দিকে নগরীর কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুইজনের মধ্যে একজনের নাম মাসুদ রানা (৩০)। তিনি চাপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা। অপর একজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভবন নির্মাণ কাজের সুবাদে তারা ময়মনসিংহ শহরে বসবাস করছিলেন। বিকেল পাঁচটার দিকে কলেজ রোড এলাকায় একটি বহুতল ভবনের লিফট স্থাপনের কাজ করছিল কয়েকজন শ্রমিক। এসময় দুই শ্রমিক আটতলা থেকে নিচে পড়ে যায়। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

বক্তব্য জানতে চাইলে বহুতল ভবন মালিক মো. বেলাল বলেন, ভবন নির্মাণের জন্য কন্ট্রাক্টরকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। তিনিই শ্রমিক নিয়ে এসেছেন। এ ঘটনায় আমার কোন ধরনের গাফিলতি নেই।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এসএন

শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. কাশেম মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে পৌর শহরের খমড়পুর বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কাশেম মিয়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের রুটি নুরপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে। তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আখাউড়াগামী একটি ট্রাক খড়মপুর বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে বিজয়নগরমুখী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা কাশেম মিয়া গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।

স্বজনেরা জানান, এক আত্মীয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে কাশেম মিয়া লাশ দেখতে ও জানাজায় অংশ নিতে বিজয়নগর উপজেলায় যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তাঁর প্রাণহানি ঘটে।

দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যান। ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশাটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনে আপত্তি না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুটন বনিক/এসএন

সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
ছবি: খবরের কাগজ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকের দূর্গম উদয়পুর সীমান্ত এলাকায় দুই শতাধিক পাহাড়ি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ ও অনুদান বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি ২৭ মারিশ্যা জোন।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে সাজেক উদয়পুর সীমান্তে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানে বিজিবির পক্ষ থেকে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন ছাড়াও সেলাই মেশিন, ঢেউটিন, পানির ট্যাংকি বিতরণ করা হয়।

২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (পিএসসি) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সহায়তা প্রদান করেন। তিনি বলেন 'বিজিবি সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও জানমালের নিরাপত্তার পাশাপাশি জনকল্যাণমুখী কাজের নিয়মিত অংশ হিসেবে এসব সহায়তা প্রদান করা হয়েছে'।

সভায় ২৭ বিজিবির মেডিকেল অফিসার মেজর অমিত কুমার সাহা ও স্থানীয় গ্রাম প্রধান হেডম্যান কারবারিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জিয়াউর/আমান