সিরাজগঞ্জে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় গত কয়েক দিন ধরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হঠাৎ শীত বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা বিপাকে পড়েছেন যমুনা পাড়ের জেলার মানুষ। অনেকেই কাজে বের হতে পারছে না।
সন্ধ্যা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় চারপাশ। অনেকের মধ্যে গরম কাপড়ের অভাব দেখা দিয়েছে। অনেকেই পুরানো গরম কাপড়ের দোকানে ছুটছেন। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক ও অঞ্চলিক সড়ক দিয়ে রাতে ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। এ ছাড়াও ভোরে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওর্য়াডের সিনিয়র স্টাফ নার্স আমিনা খাতুন জানান, গত এক সপ্তাহে ২০৭ জন শিশু এ ওর্য়াডে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রতিদিনই নতুন নতুর রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এ ছাড়াও জেলার বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
এদিকে তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, বুধবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েকদিন ধরে ঘনকুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে যা জানুয়ারি মাস পযন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
সিরাজুল ইসলাম/অমিয়/