ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৬ষ্ঠ জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬-এ ইস্পাহানির অনন্য অর্জন মোহাম্মদপুরের সন্ত্রাসী ‘মাওরা সোহেল’ গ্রেপ্তার দিনাজপুরে পুরাতন বইয়ের বাজারে মন্দা, কমেছে পাঠক বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে চালক ও সহকারী নিহত মা-বাবাকে অবহেলা করো না, জাহান্নাম নেমে আসবে পৃথিবীতে! রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার তামু ও তার সুপারহিরো বাবার গল্প বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচ ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকায় ১২তম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত আমরা শুধু কেপ ভার্দে নই, পুরো আফ্রিকার জন্য খেলছি: বুবিস্তা বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ খবরের কাগজের বাগেরহাট প্রতিনিধিকে প্রাণনাশের হুমকি! আজ বিশ্ব সংগীত দিবস সৃজনশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ইতিহাসের পাতায় তিউনিসিয়া-জাপান ম্যাচ: ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০০তম লড়াই ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান স্পেনের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন এলোয় রুম: কুরাসাও গোলরক্ষকের বিশ্বরেকর্ড ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের সাম্বা সাম্বা সাম্বা, ফিরে এল সাম্বা নৃত্য ২১ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ড্রাগন-মাল্টার বাগান গড়ে সফল প্রবাসফেরত সাদেক ২১ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় কারাবন্দি এক ম্যাজিস্ট্রেট যশোরে জাপার ২৫ নেতার পদত্যাগ

সিলেটের ভোটচিত্র উৎকণ্ঠার ‘পঁতাবেলা’ পেরিয়ে শান্ত সারাদিন

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
উৎকণ্ঠার ‘পঁতাবেলা’ পেরিয়ে শান্ত সারাদিন
ভোটের দিনে শান্ত পরিবেশে মাঠে দেখা হওয়ায় কোলাকুলি করছেন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ও জয়নাল আবেদীন। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেট অঞ্চলের একটি পুরোনো হাটের নাম সালুটিকর। মহাসড়কলাগোয়া স্থানটি তিনটি উপজেলার মিলনস্থল। একপাশে সিলেট সদর, আরেক পাশে কোম্পানীগঞ্জ। বাকিটা গোয়াইনঘাট উপজেলায়। গৃহস্থ রফিক মিয়া ভোট দিয়ে স্বস্তিতে বসেছিলেন সড়কপাশের একটি টং দোকানে। কথার শুরুতে ছিল উৎকণ্ঠা। শেষে অবশ্য উচ্ছ্বাস। রফিক বলেন, ‘পঁতাবেলা থাকি হজাগ (শেষ রাত থেকে জেগে থাকা), পয়লাই ভোট দিছি। গরু চরানো শেষে ফিরমু। যারে ভোট দিছি, তার পাস-ফেল দেখমু। এর বাদে বাড়িত যাইমু!’

রফিকের বলা ‘পঁতাবেলা’ শব্দটি অঞ্চলসংস্কৃতির একটি মাহাত্ম্যপূর্ণ অভিব্যক্তি। অধীর আগ্রহ থেকে বলা হয়। সময়টি হচ্ছে, রাত পোহানোর আগেই জেগে থাকা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণে গত বুধবার রাত থেকে ছিল উৎকণ্ঠা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট নগরীর মিরাবাজার এলাকার একটি ভোটকেন্দ্রে পাহারায় ধরা পড়ে পর্যবেক্ষক পরিচয়ে প্রবেশ। এ ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টার পর সিলেট-৪ আসনের জৈন্তাপুরের সারিঘাট এলাকায় ঘাটে আরেক ঘটনা। সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে একটি বাড়িতে রহস্যজনক ব্যাগ বহনকালে জনতার হাতে ধরা পড়েন। এ দুই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। উৎকণ্ঠার মধ্যে শেষ রাতে ঘটে আরেক ঘটনা। সিলেট-৩ আসনের বালাগঞ্জ এলাকায় ভোটকেন্দ্র ঘিরে রাখা। রাতভর তিন ঘটনায় উত্তপ্ত ওই তিনটি স্থানে বৃহস্পতিবার ভোটের দিন দেখা গেছে শান্ত।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এই ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম। সরজমিনে নগরীর বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, মানুষজন কেন্দ্রে আসতে শুরু করছেন। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সারিবদ্ধ হয়ে ভোট দিতে দাঁড়াতে দেখা গেছে। তবে শীতের দিন হওয়ায় সকালে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম। সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকে নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো ধরনের সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাতে সিলেট জেলার বেশ কিছু আসনের বিভিন্ন ‘জালভোট’, পর্যবেক্ষক পরিচয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ, জামায়াতের স্থানীয় নেতাদের কেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে সভা, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারদের জামায়েত নেতার বাসায় যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উতপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। সিলেট-১ আসনে সিলেট নগরীর মিরাবাজার এলাকায় শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভেতরে পর্যবেক্ষক পরিচয়ে প্রবেশের চেষ্টাকালে তিন তরুণকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন এলাকাবাসী। একইভাবে নগরীর সাগরদিঘির পাড় এলাকার ব্লু-বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রেও কয়েকজন প্রবেশের চেষ্টা করলে স্থানীয় মানুষজন ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে তারা বেরিয়ে আসেন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মিরাবাজার এলাকায় এবং রাত ১০টার দিকে সাগরদিঘির পাড় এলাকার ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। সিলেট-৩ আসনে বালাগঞ্জ উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ‘জালভোট’ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১১-দলীয় জোট ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রাতে উপজেলার পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির তারিকুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তি ওই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে আশেপাশে থাকা বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাদের কেন্দ্রের ভেতরেই ঘেরাও করেন। এ সময় প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এ ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করেছেন রিটর্নিং কর্মকর্তা।

সিলেট -৪ আসনের জৈন্তাপুরে উপজেলার ভিত্রিখেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দুই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার কেন্দ্রের পাশে জামায়াত নেতার বাড়িতে যাওয়ায় স্থানীয়রা তাদের আটক করেন। এতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে দুই কর্মকর্তাকে আটক করেন স্থানীয় জনতা।

জৈন্তাপুরের যেখানে আগের রাতে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নিয়ে উৎকণ্ঠার অবসান হয়েছে দুজনকে দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়ায়। জৈন্তাপুর থেকে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জে ছিল শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। দুপুরের পর ভোটের মাঠে পথে হঠাৎ দেখা হয় দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী ও জামায়াতের জয়নাল আবেদীন। দুজনই ‍কুশল বিনিময় করে করমর্দন ও কোলাকুলি করেন। প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর এ দৃশ্য কর্মীসমর্থক থেকে শুরু করে ভোটারদের মধ্যে ছিল স্বস্তির।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। সিলেট জেলার ৬টি আসনে মোট ভোটার ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৯৫৩ এবং নারী ভোটার ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৬১০ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৬ জন। ৬টি আসনে মোট ভোটকেন্দ্র আছে সংখ্যা ১ হাজার ১৬টি। 

সিলেটের ছয়টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার রয়েছে সিলেট-১ আসনে। সিলেট সিটি করপোরেশনের ৩৬টি ওয়ার্ড, সাত ইউনিয়ন ও একটি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নিয়ে গঠিত সিলেট-১ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৬ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৩৭ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ২৩ হাজার ৬৮০ জন।  লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৩। এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র আছে ২১৫টি।

দুপুরের দিকে সিলেটে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম সংবাদ কর্মীদের ব্রিফ করেন। 

তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলে সাধারণত মানুষ সকালে একটু দেরিতে ভোটকেন্দ্রে আসেন। সেই তুলনায় বিভিন্ন কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত যে ভোটের হার দেখা গেছে, তা মোটামুটি সন্তোষজনক। দিন শেষে ৫০–৬০ শতাংশের বেশি হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি আরও বাড়বে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, তবে গত রাতে দু-একটি স্থানে সামান্য সমস্যা হলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।প্রার্থী ও ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সবাইকে সহনশীল আচরণ করতে হবে এবং কোনো ধরনের সহিংসতা বা নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকতে হবে। জেলার ছয়টি আসনে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, নির্বাচিত হবেন ছয়জন। জনগণ যাকে নির্বাচিত করবেন, সেই ফলাফল সবাইকে মেনে নেওয়ার আহ্বান আমার।’

এবার সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে রাষ্ট্র সংস্কারে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নিয়ে বলা হচ্ছিল ভোটগ্রহণ বিলম্বিত হতে পারে। সিলেট নগরীর ভাতালিয়া ভোট কেন্দ্রে বেলা আড়াইটার দিকে ভোট দেন লিটন চৌধুরী। ভোটারের চাপ কম থাকায় তিনি ব্যালেট হাতে নিয়ে তিন মিনিট সময়ের মধ্যে ভোট দিতে পেরেছেন জানিয়ে খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমারও ধারণা হয়েছিল ভোট দিতে গিয়ে না জানি কত সময় লাগবে। কিন্তু গিয়ে দেখি তিন মিনিটেই দিতে পেরেছি ।’

এদিকে, দিনভর বিভিন্ন কেন্দ্রে সরেজমিন অবস্থান ও খোঁজ নিয়ে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। বিকেল চারটার পর থেকে সকলের নজর ফল গণনার দিকে। সিলেটের গ্রাম, শহরতলী ও নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রের পাশে জনতার ভিড় লক্ষ্যণীয়ভাবে দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তৎপর হয়।

ভোটগ্রহণ শেষে সিলেটের সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা সাঈদা পারভীন খবরের কাগজকে বলেন, ‘সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ফলাফল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে আসা মাত্র তা বেসরকারিভাবে ঘোষণা শুরু হবে।

অমিয়/

দিনাজপুরে পুরাতন বইয়ের বাজারে মন্দা, কমেছে পাঠক

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
দিনাজপুরে পুরাতন বইয়ের বাজারে মন্দা, কমেছে পাঠক
দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনের সড়কের ভ্যানের উপর পুরাতন বইয়ের দোকান/ছবি: খবরের কাগজ

একসময় শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রত্যাশী ও বইপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর থাকত দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ কোর্টের সামনের সড়কের পুরাতন বইয়ের বাজার। কম দামে প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহের জন্য জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভিড় জমাতেন দোকানগুলোতে। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে সেই চিত্র এখন পাল্টে গেছে।

পাঠাভ্যাস কমে যাওয়া, অনলাইনে বই ও পিডিএফের সহজলভ্যতা এবং শিক্ষাক্রমে পরিবর্তনের কারণে দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে পুরাতন বইয়ের বাজার এমনটাই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। ফলে জীবিকার সংকটে পড়েছেন এ পেশার সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা।

দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ কোর্টের সামনের সড়কে ৩৫টি পুরাতন বইয়ের দোকান রয়েছে। এসব দোকানে পাঠ্যবই, সাহিত্য, ধর্মীয়, আইন, উপন্যাস, ইতিহাস ও চাকরির প্রস্তুতিমূলক এবং বিভিন্ন রেফারেন্স বই বিক্রি করা হয়।

ব্যবসায়ীরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির উদ্যোগ, পুরাতন বইয়ের বাজারকে সুশৃঙ্খল করা এবং বইমুখী সংস্কৃতি গড়ে তোলা গেলে এ খাত আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। অন্যথায় দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী এই পুরাতন বইয়ের বাজার এক সময় হারিয়ে যাবে।

পুরাতন বই বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, একসময় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় থাকতো এই বাজারে। শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের পাশাপাশি পুরাতন বই কিনত। এখন মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের কারণে অনেকেই বই পড়তে চায় না। আগের মতো বিক্রি নেই। সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে।

আরেক বিক্রেতা মঞ্জু মিয়া বলেন, আগে প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী পুরাতন বই কিনতে আসত। কিন্তু এখন পাঠ্যবইয়ের সিলেবাস পরিবর্তন হওয়ায় আগের বছরের বইয়ের চাহিদা কমে গেছে। নতুন সংস্করণ বের হলে পুরাতন বই অনেক সময় বিক্রিই করা যায় না। এতে আমাদের লোকসান গুনতে হয়।

দিনাজপুর সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী রায়হান কবির বলেন, আমি কয়েকটি বই কিনতে এসেছি। এখানে নতুন বইয়ের তুলনায় অনেক কম দামে বই পাওয়া যায়। শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বেশ উপকারী।

কলেজছাত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, রেফারেন্স ও সাহিত্যবিষয়ক অনেক বই এখানে সহজে পাওয়া যায়। তবে আগের তুলনায় দোকানগুলোতে মানুষের উপস্থিতি কম দেখছি। বই পড়ার আগ্রহ বাড়ানো গেলে এ বাজার আবার প্রাণ ফিরে পাবে।

দিনাজপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক আকরাম হোসেন বাবলু বলেন, বই মানুষের জ্ঞান ও মননের বিকাশ ঘটায়। তাই ডিজিটাল যুগেও বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তাহলে পুরাতন বইয়ের বাজারের হারানো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে এবং এ পেশার সঙ্গে জড়িত শতাধিক মানুষের জীবিকাও সুরক্ষিত হবে।

সুলতান/আমান

কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে চালক ও সহকারী নিহত

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:১৫ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে চালক ও সহকারী নিহত
কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে উল্টে পড়া পাথর বোঝাই ট্রাক; এ সময় ধোঁয়া উড়তে থাকা দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয় উৎসুক জনতা। । ছবি: খবরের কাগজ

কুষ্টিয়ার বাইপাস সড়কে পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে খাদে পড়ে চালক ও তার সহকারী নিহত হয়েছেন।

রবিবার (২১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কের ত্রিমহনী এবং বটতৈলের মাঝামাঝি এলাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ট্রাক চালকের নাম আনিচুর রহমান আনিস। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলায়। তবে চালকের সহকারীর নাম পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলি জানান, সোনা মসজিদ এলাকা থেকে পাথরবোঝাই করে ট্রাকটি খুলনার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ট্রাকটি কুষ্টিয়া বাইপাস সড়ক এলাকায় পৌছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কালভার্টের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাকটিতে আগুন ধরে যায়।

পরে ফায়ার সার্ভিস ট্রাকের আগুন নেভায় এবং চালক আনিসের মরদেহ উদ্ধার করে। চালকের সহকারী পাথরের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় থাকায় তার মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস।

মিলন উল্লাহ/আজহার/

রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:১৩ এএম
রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

রংপুরে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে ধাপ জেল রোড এলাকার আরজি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশের ভবনের নিচতলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (২০ জুন)  দুপুরে রংপুর মহানগর ডিবি কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি রুমে অবস্থানরত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, রংপুর মহানগর কোতয়ালী থানার তাওরাত আকরাম, সাতগাড়া এলাকার বাধন মিয়া, ধাপ মোহাম্মদপুর এলাকার সাহেব আলী, বদরগঞ্জের তালুক দামোদরপুর এলাকার আতিকুর রহমান, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের তেলীপাড়া এলাকার হাফিজ আল মামুন ও আশরাফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের একটি নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে বলে তথ্য পাওয়া যায়। অভিযানে ১৫টি স্বাক্ষরিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, ৮টি স্বাক্ষরিত ব্ল্যাংক চেক, ৩টি জাতীয় পরিচয়পত্র, ৪টি মূল সার্টিফিকেট এবং ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি সাপ্লাই ও ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। চক্রটি প্রার্থীদের কাছ থেকে স্ট্যাম্প, চেক ও অর্থ সংগ্রহ করে প্রতারণা করে বলে জানা গেছে।

তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সেলিম/আমান

দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ রাখা ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। 

তবে এ ঘটনায় জড়িত মূল অভিযুক্ত আমির হামজা প্রকাশ মিলন (৩২) পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (২০ জুন) রাত ১১ টায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২০ জুন) টেকনাফ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পানবাজার এলাকায় টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত হাজী আব্দুল করিম মার্কেটের ‘এস এস মোবাইল মিডিয়া অ্যান্ড ডিজিটাল স্টুডিও’ নামের একটি দোকানের পেছনের অংশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে দোকানটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় দোকানের মেঝেতে রাখা ২০টি কার্টনের মধ্যে প্রতি কার্টনে ৭২ ক্যান হিসেবে মোট ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশে উৎপাদিত ‘হান্টার ৫%’ বিয়ার জব্দ করা হয়।

তবে অভিযুক্ত আমির হামজা প্রকাশ মিলন ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের অবৈধ উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিক্রির বিরুদ্ধে তাদের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অব্যাহত রয়েছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, দোকানটির মালিক সেবক পালের কাছ থেকে উপ-ভাড়া নিয়ে আমির হামজা প্রকাশ মিলন দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে বিয়ার সংরক্ষণ ও ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

মো. শাহীন/অন্তরা/

টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের
ছবি: খবরের কাগজ

বান্দরবানের দুর্গম এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থী উখ্যাইংওয়ং মারমা। তিনি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু চরম দারিদ্র্য তার উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভর্তি ও প্রাথমিক খরচের জন্য এখন তার জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।

জানা গেছে, উখ্যাইংওয়ং মারমা বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম চান্দা হেডম্যানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সীমিত আয়ের পরিবারে জন্ম নেওয়া এই শিক্ষার্থী ছোটবেলা থেকেই নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন। জীবনের অনেকটা সময় তিনি সরকারি শিশু সদনে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও তিনি কখনো শিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন থেকে সরে যাননি।

উখ্যাইংওয়ং জানান, ২০২৩ সালে ফরহাদাবাদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.৬১ অর্জন করেন। পরে ২০২৫ সালে হাটহাজারী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ধারাবাহিক এই সাফল্যের ফল হিসেবে তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধাতালিকায় ৩৫৩৯তম স্থান অর্জন করেন ও বিবিএ (মার্কেটিং) বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফি, আবাসন, যাতায়াতসহ প্রাথমিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার টাকার প্রয়োজন তার। দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এই অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই এখনো তিনি ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেননি।

কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উখ্যাইংওয়ং। তিনি বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন নিয়ে নিজের মেধা আর পরিশ্রমের ওপর ভর করে এতদূর এসেছি। কিন্তু এখন অর্থের অভাবে যদি ভর্তি হতে না পারি, তাহলে শুধু আমার নয়, আমার বাবা-মায়েরও বহুদিনের স্বপ্ন ভেঙে যাবে। আমি চাই পড়াশোনা করে সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করতে।’
 
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, উখ্যাইংওয়ং মারমার মতো মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও মানবিক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। সামান্য আর্থিক সহায়তা একটি মেধাবী তরুণের জীবন বদলে দিতে পারে ও তাকে দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।

উখ্যাইংওয়ং মারমা তার ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি, দাতা সংস্থা ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। সময়মতো প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা না হলে তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থমকে যেতে পারে।

মেধা ও ইচ্ছাশক্তি থাকা সত্ত্বেও যেন অর্থের অভাবে একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ হারিয়ে না যায়- এমনটাই প্রত্যাশা তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের।