দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের অভিশংসনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সহায়তায় কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা লি জায়ে মুন।
রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।
গণমাধ্যমটি জানায়, দেশটির রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের অভিশংসনের একদিন পর বিরোধী দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নেতা লি গণমাধ্যমকে এ তথ্য দেন।
এদিকে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি দেশটির অর্থ বিভাগ বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনে বিভিন্ন প্যাকেজ ঘোষণার পরামর্শ দিয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মার্কিন-কোরিয়া সম্পর্ককে ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য’ আখ্যায়িত করেছেন। দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হান ডাক সুয়ের সঙ্গে এক ফোনালাপে বাইডেন এ কথা বলেন।
গত ৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট দেশটিতে সামরিক আইন জারি করেন। কিন্তু পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতা ও জনগণের ক্ষোভের মুখে মাত্র ছয় ঘণ্টা পর সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হন।
৪ ডিসেম্বর দেশটির ২০৪ জন আইনপ্রণেতা প্রেসিডেন্টের অভিশংসনের পক্ষে রায় দেন। পরে বিষয়টি দেশটির সাংবিধানিক আদালতে পাঠানো হয়। পর্যবেক্ষকদের মতে, খুব শিগগিরিই এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।
যদি আদালত অভিশংসনের পক্ষে রায় দেন তবে ইউন হবেন অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারিত দেশটির দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট।
এর আগে ২০১৫ সালে সাংবিধানিক আদালতের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক জিউন হাই। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
নাবিল/অমিয়/