সুদানের সেনাবাহিনী রাজধানী খার্তুমের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে সেনাবাহিনী (সুদানিজ আর্মড ফোর্সেস) বিভিন্ন জায়গায় খুব দ্রুত গতিতে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। এর ফলে দেশটির আধা সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) ও সেনাবাহিনীর মধ্যে দুই বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধ একটি চূড়ান্ত পরিণতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিলে যুদ্ধ শুরুর পরপরই র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস রাজধানীর অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেয়।
এদিকে, র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস এর প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালোকে (হেমেত্তি) গত কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এতে সে নিহত হয়েছে, নাকি পালিয়ে গিয়েছে, নাকি অন্যকিছু- তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে।
এরই মধ্যে, খার্তুম থেকে শতশত আরএসএফ যোদ্ধা পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুরে পিছু হটেছে, যা হেমেত্তির অনুপস্থিতির সঙ্গে সময়ের দিক থেকে মিল রয়েছে। ফলে হেমেত্তিকে নিয়ে বিভিন্ন কল্পনা আরও ডানা মেলছে।
সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলেও মিশর সুদানের সেনাবাহিনীকে সমর্থন দিচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে সমর্থন দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, গত বছরের নভেম্বর অবধি ৬১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই যুদ্ধে। সূত্র: আল জাজিরা
মাহফুজ/