ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কাতারের ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮ হাজারীবাগ থেকে হেমায়েতপুর পূর্ণতা পায়নি চামড়া শিল্পনগরী শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসার অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা, নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারাল মিশর বর্ষা এলেই জলজট স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন ‘হেলিও ৪৬’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: জেডি ভ্যান্স দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা মালেশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার আশা আছে জটিলতাও নায়ক হতে প্রস্তুত এমবাপ্পে সাতসকালে ঢাকার বায়ুমান নিয়ে দুঃসংবাদ রোনালদোকে পাস দেওয়ার জন্য খেলোয়াড়রা কি বাধ্য? বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের ‘সেঞ্চুরি’, অনন্য এক ইতিহাসের সামনে ফরাসি মহাতারকা আজও মেসি জাদুর অপেক্ষায় বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের ‘সেঞ্চুরি’, অনন্য এক ইতিহাসের সামনে ফরাসি তারকা নারী নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক মঞ্চে রুয়েটের দিপা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালান জিয়াউল ৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে ইরানই বিজয়ী ঐতিহ্যের স্থাপনা ‘গৌরীপুর লজ’ এখন ব্যাংকারদের গেস্ট হাউস নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রথম গোল করা কে এই ফিন সারম্যান? ২২ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ২২ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল রূপবতী সাদা মথ গাছফড়িং ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুতদের নতুন চাকরি মিলছে না আর্জেন্টিনার সামনে এবার ইউরোপীয় পরীক্ষা, অঘটনের স্বপ্ন অস্ট্রিয়ার জয়ের খোঁজে জর্ডান-আলজেরিয়া ফিলাডেলফিয়ায় ফ্রান্স ও ইরাকের অসম লড়াই ২২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আরেকটি ঐতিহাসিক রাতের অপেক্ষায় কুরাসাও

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: প্রযুক্তিগত আধিপত্যের পরীক্ষা

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৫, ০৪:১১ পিএম
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: প্রযুক্তিগত আধিপত্যের পরীক্ষা
ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে কয়েক দশকের সামরিক উদ্ভাবনের প্রয়োগ ঘটায় ইসরায়েল। এর মধ্যদিয়ে দেশটি প্রযুক্তিগত আধিপত্য এবং কৌশলগত সমন্বয়ের নজির গড়েছে বলে টাইমস অব ইসরায়েলের বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে। ১ জুলাই ‘ইসরায়েলস টুয়েলভ ডে ওয়ার উইথ ইরান ওয়াজ আ টেস্ট অব টেকনোলজিক্যাল ডোমিন্যান্স’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হুমকির বিরুদ্ধে যুদ্ধের চেহারাই বদলে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। 

টাইমস অব ইসরায়েলের সামরিক প্রতিবেদক স্টিভ লেভাটন তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করেছেন, সংঘাত শুরু হয় ১৩ জুন ইসরায়েলের ‘সুনির্দিষ্ট, প্রতিরোধমূলক হামলা’ দিয়ে। এটি ছিল ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় ও প্রাণঘাতী সামরিক লড়াই। ‘রাইজিং লায়ন’ নামের ওই অভিযানে ইসরায়েল ইরানের অভ্যন্তরে শত শত বিমান হামলা চালায়। ইরানের পাল্টা হামলার জবাবে ইসরায়েল ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং বহু স্তরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও সক্রিয় করে তোলে। ২৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এ সংঘাতের ইতি ঘটে।

বিমান প্রতিরক্ষা দৃঢ় ছিল
প্রথম দিকে প্রতিরোধব্যবস্থাকে দুর্বল মনে হলেও তথ্য অনুযায়ী ইসরায়েলের বহু স্তরের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইরান থেকে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রায় ৮৬ শতাংশ সফলতা দেখিয়েছে; যা আগেও দেখা গেছে। যুদ্ধ শুরুর ঠিক এক সপ্তাহ আগে নতুন আপগ্রেডের অ্যারো সিস্টেম মোতায়েন করার ফলে সফলতার হার আরও বেড়ে যায়। ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের সংখ্যা যদিও বেশি মনে হয়েছে। এর মূল কারণ ইরানের কৌশলগত সিদ্ধান্ত। তারা আঘাতের জন্য বেসামরিক জনবহুল এলাকাকে টার্গেট করে। প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাই বেশি ক্ষতি হয় এবং মানুষের নজরে আসে। এসব ইরানি হামলায় ২৮ জন নিহত হন। তিন হাজারের বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন। আরও ১৩ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। তবে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কারণে যে সম্ভাব্য ধ্বংসকে প্রতিহত করা হয়েছে, তার পরিমাণ ছিল প্রকৃত ক্ষতির চেয়ে প্রায় সাত গুণ বেশি। এর আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ এখন পর্যন্ত ১০ বিলিয়ন শেকেল (প্রায় ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

ড্রোন বদলে দেয় যুদ্ধের রূপরেখা
ইরানি ড্রোনের ৯৯ শতাংশের বেশি ইসরায়েল প্রতিহত করতে পেরেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। এই সাফল্যের পেছনে ছিল আপডেট করা নতুন প্রযুক্তি এবং আগের সফল পরীক্ষিত আয়রন ডোম। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. ড্যানিয়েল গোল্ড বলেন, ইসরায়েলের এই প্রচেষ্টা রক্ষাকবচ ও আক্রমণ- দুই ক্ষেত্রেই খুব সফল হয়েছে। তার মতে, ‘ইরানের শক্তিশালী সক্ষমতা ছিল, কিন্তু ইসরায়েলের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও কৌশলগত পরিকল্পনা সেই ক্ষমতাকে হার মানিয়েছে।’ বড় পরিবর্তন ঘটেছে ইসরায়েলের ড্রোন ব্যবহারে। ইরানের গভীরে ঢুকে পাঁচ শতাধিক হামলা ও প্রতিরোধমূলক আঘাত চালানো হয়। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। গোল্ড বলেন, ‘এটা ছিল গাজার কৌশল ইরানে নিয়ে যাওয়া, অর্থাৎ ইসরায়েল ইরানের আকাশে যেমন দক্ষতা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে কাজ করেছে, তেমনটা করেছিল গাজাতেও।’ এই ড্রোনের ব্যবহার পাইলটদের ঝুঁকি কমিয়েছে এবং ইরানের অভিযান পরিচালনার ক্ষমতাও হঠাৎ করে ভেঙে দিয়েছে।

নজরদারির দৃষ্টান্ত
ইসরায়েলি স্যাটেলাইটগুলো সংঘাত চলাকালে দিনে ও রাতে উচ্চ রেজল্যুশনে কোটি কোটি বর্গকিলোমিটার চিত্র ধারণ এবং ১২ হাজারের বেশি স্যাটেলাইট চিত্র সংগ্রহ করেছে। এসব ছবি বিশ্লেষণ করে প্রতিদিন শত শত লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা হয় এবং তা গোপনে পরিচালনা করা হয়। এই স্যাটেলাইট নজরদারি ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সকে (আইডিএফ) রিয়েল টাইমে (চলমান সময়ে) কৌশল পরিবর্তন করতে সহায়তা করেছে এবং যুদ্ধের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্তগ্রহণে ব্যাপক সাহায্য করেছে।

সিদ্ধান্তমূলক শুরু
১৩ জুন ভোরে ইসরায়েল ‘রেড ওয়েডিং’ নামের অপারেশন শুরু করে। এটি ছিল ইরানি পারমাণবিক স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও উচ্চপদস্থ নেতাদের ওপর নির্ভুল আগাম হামলা। এই অভিযানে ২০০-এর বেশি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান অংশ নেয় এবং ৩৩০টির বেশি বোমা প্রায় ১০০টি লক্ষ্যবস্তুর ওপর ফেলা হয়। এই বোমাগুলো ছিল উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি, যা গত দুই দশকে প্রস্তুত করা হয়েছিল। এই অস্ত্রগুলো ইলেকট্রনিক যুদ্ধাবস্থায়ও নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। এ ছাড়া ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান নিজস্ব আত্মরক্ষামূলক সিস্টেমও মোতায়েন করে, যা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রমাণিত হয়।

ভবিষ্যতের উদ্ভাবন
এই যুদ্ধ ছিল স্থল, আকাশ, মহাকাশ ও সাইবার জগৎজুড়ে প্রযুক্তির বাস্তব এবং যৌথ ব্যবহারের এক বিশাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা। প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, প্রযুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে যে লাভ হয়েছে তা এই সংঘাতে প্রমাণিত হয়। যুদ্ধের খরচ অনেক কম হয়েছে। কারণ, প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কয়েক গুণ বেশি ক্ষতিকে প্রতিরোধ করা গেছে। ইরান এই যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে তার অস্ত্র ও কৌশল উন্নত করছে। তবে ইসরায়েলও থেমে নেই। তাদের প্রযুক্তিগত সুবিধাও স্পষ্ট। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা প্যাটেল বলেছেন, ‘আমরা প্রতিটি বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পরবর্তী প্রজন্মের উদ্ভাবনের দিকে যাচ্ছি… আমরা ইরানকে চমকে দেওয়ার জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুত করছি।’ তবে ইরানও যে এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবে না, ইসরায়েল সেটা জানে।

কাতারের ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
কাতারের ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮
ছবি: বিস্ফোরণের পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনও জানা যায়নি

বোমাবর্ষণের পর পুনরায় কার্যক্রম শুরু করার চেষ্টার সময় কাতারের প্রধান প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি টার্মিনালে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রবিবারের (২১জুন) এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও পরবর্তী অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরও আরও ১৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ কাতারের রাস লাফান শিল্প এলাকার এই বিস্ফোরণ বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে হোর্মুজ প্রণালীতে ইরানের কঠোর অবরোধের কারণে গ্রাহকদের কাছে চালান পাঠাতে না পেরে কাতার তার উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল।

চলমান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা চলায় ইরান ওই প্রণালীর ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করার পর, কাতার তাদের রপ্তানি টার্মিনালটি পুনরায় সচল করার কাজ শুরু করে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘কাতারএনার্জি’ জানিয়েছে, রবিবার রাতে সেই কাজ করার সময়ই ‘বারজান’ গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

বিস্ফোরণে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে মাত্র কয়েকজন আহত হওয়ার কথা বললেও, কয়েক ঘণ্টা পর কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতাহতের এই বিশাল সংখ্যা নিশ্চিত করে।

বারজান প্ল্যান্টটির দৈনিক প্রায় ১.৪ বিলিয়ন স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক ফুট সেলস গ্যাস উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। কাতার এই গ্যাস মূলত স্থানীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং আরব উপদ্বীপের মরু অঞ্চলে তাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পানি শোধন (ডেসালিনেশন) প্ল্যান্টগুলো সচল রাখতে ব্যবহার করে থাকে।

এই প্ল্যান্টের সিংহভাগের মালিক কাতার, তবে মার্কিন তেল কোম্পানি এক্সনমবিলেরও এতে সামান্য অংশীদারিত্ব রয়েছে। অবশ্য এ বিষয়ে মন্তব্য চেয়ে যোগাযোগ করা হলে এক্সনমবিলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

কর্তৃপক্ষ জানায়, গত মার্চ মাসে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র রাস লাফানে আঘাত হেনেছিল, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ইরানি হামলার কারণেই কাতার সেখানে আগেই উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত বিশ্বের বিশালতম অফশোর প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রটি কাতার ও ইরান যৌথভাবে শেয়ার করে। এই বিপুল প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কাতারকে আর্থিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ করেছে। এই অর্থ ব্যবহার করেই কাতার ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন, আল জাজিরা নিউজ নেটওয়ার্ক তৈরি এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সুইজারল্যান্ডে চলমান আলোচনাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিশ্বজুড়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: জেডি ভ্যান্স

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:২১ এএম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: জেডি ভ্যান্স
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আঞ্চলিক শান্তি এবং সমৃদ্ধি বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। গতকাল রবিবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের প্রথম দফার আলোচনা শেষে তিনি এ কথা জানান।

বৈঠকে ভ্যান্স ইরানকে ‘আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রধান চালিকাশক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে পরিস্থিতির জন্য তাদের ওপর দোষারোপ করলেও একই সঙ্গে জানান, গত কয়েক ঘণ্টার আলোচনায় উভয় পক্ষের মধ্যে চমৎকার অগ্রগতি হয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসানে গতকাল সুইজারল্যান্ডে সরাসরি আলোচনা শুরু করে। গত সপ্তাহে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের কর্মকর্তারা এ আলোচনায় বসেছেন। চুক্তি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এতে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে লেবাননে ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় গত শনিবার হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয় তেহরান। যদিও সামুদ্রিক ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রবিবারও কয়েকটি জাহাজ প্রণালিটি ব্যবহার করেছে।

আলোচনা শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ইরানকে সতর্ক করে বলেন, লেবাননে তেহরানের ‘অত্যধিক অর্থায়ন করা প্রক্সি বাহিনীকে’ অবিলম্বে থামাতে হবে, অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের ওপর কঠোর হামলা চালাবে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনার আগে বলেন, ওয়াশিংটন পারমাণবিক ইস্যু ও লেবানন প্রশ্নে অগ্রগতি আশা করছে। অন্যদিকে ইরান জানায়, বিদ্যমান প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের ওপরই চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা নির্ভর করবে।

সুইজারল্যান্ডের বুরগেনস্টক রিসোর্টে ভ্যান্স বলেন, ট্রাম্প আলোচকদের নতুনভাবে সম্পর্ক শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরান যদি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের মৌলিক পরিবর্তনে প্রস্তুত। ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, সব সামরিক অভিযান বন্ধসহ বিদ্যমান প্রতিশ্রুতি কার্যকর হওয়ার ওপরই চূড়ান্ত চুক্তি নির্ভর করছে। মূলত এসব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ঘিরেই এই আলোচনা।

মার্কিন প্রতিনিধিদলে জেডি ভ্যান্স ছাড়াও রয়েছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

আলোচনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও যোগ দিয়েছেন।

প্রাথমিক চুক্তির আওতায় ইরানের হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার কথা ছিল। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর সামরিক অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেয়। পাশাপাশি ইরানের পুনর্গঠনে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সূত্র: বিবিসি, আলজাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে ইরানই বিজয়ী

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে ইরানই বিজয়ী
ক্যাপশন: গত ১৩ জুন জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে বিক্ষোভকারীরা। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতার ফলাফল নিয়ে ইসরায়েলি নাগরিকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ, হতাশা ও তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামরিক শক্তি প্রদর্শন ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েও যুদ্ধ ক্ষেত্রের লক্ষ্য অর্জনে ইসরায়েলের ব্যর্থতা এখন দেশের ভেতরেই বড় ধরনের সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে। আগাম ইনস্টিটিউট ও হিব্রু ইউনিভার্সিটির যৌথ জরিপে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী ইসরায়েলিদের ৯২ দশমিক ১ শতাংশই মনে করেন, এই দীর্ঘ সংঘাত ও কূটনৈতিক দর-কষাকষিতে শেষ পর্যন্ত ইরানই প্রকৃত বিজয়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। গত ১৭ থেকে ২০ জুন এই জরিপ পরিচালিত হয় এবং গতকাল রবিবার টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করেছে।

সামরিক আগ্রাসনের নেতিবাচক প্রভাব ও ব্যর্থতা

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের আগ্রাসী সামরিক কৌশল কেবল আঞ্চলিক ব্যবস্থাকেই অস্থিতিশীল করেনি, বরং দেশটির নিজের নিরাপত্তাকেও চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। হিব্রু ইউনিভার্সিটির জরিপে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ চিত্র। এতে ৮২ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই সামরিক অভিযান ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তাব্যবস্থাকে আরও দুর্বল ও ভঙ্গুর করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে চালানো এসব হামলার নেতিবাচক প্রভাব এখন খোদ ইসরায়েলিরাই টের পাচ্ছেন।

যুদ্ধের সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে ৮৬ শতাংশ নাগরিক চরম নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। যুদ্ধের মাধ্যমে শান্তি বা স্থায়িত্ব আনার যে দাবি তেল আবিব করেছিল, তা যে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর ছিল, জনগণের এই ক্ষোভ তারই প্রমাণ। এ ছাড়া ৮৭ দশমিক ৮ শতাংশ নাগরিক মনে করেন, ইসরায়েল হয় তার ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, অথবা বড়জোর আংশিক সফল হয়েছে। নির্বিচারে হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষের জানমালের ক্ষতি করা ছাড়া ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) কৌশলগত কোনো সুবিধাই আদায় করতে পারেনি।

নেতানিয়াহুর মিথ্যাচার ও নেতৃত্বের সংকট

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বরাবরই দাবি করে আসছিলেন, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইসরায়েল উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে এবং দেশটির অস্তিত্বগত হুমকি চিরতরে দূর করতে সক্ষম হয়েছে। তবে তার এই রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা ও মিথ্যাচার এখন ঘরের মাঠেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৭২ দশমিক ৫ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক নেতানিয়াহুর এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তা বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন।

নেতানিয়াহুর যুদ্ধংদেহী নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনার তীব্র সমালোচনা করে ৫৬ দশমিক ৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কর্মকৌশল অত্যন্ত দুর্বল ছিল অথবা তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে নেতানিয়াহু যেভাবে ইসরায়েলি অর্থনীতি ও জননিরাপত্তাকে বাজি ধরেছেন, তা দেশের ভেতরেই তাকে চরম বিতর্কিত ও সমালোচিত করে তুলেছে।

হিজবুল্লাহর সঙ্গে নতুন সংঘাতের ঝুঁকি

এদিকে চলমান ব্যর্থতার মধ্যেও ইসরায়েলি সমাজের একটি বড় অংশের মধ্যে উগ্র সামরিক আগ্রাসনের মানসিকতা কাটেনি। জরিপে দেখা গেছে, ৪৮ দশমিক ২ শতাংশ ইসরায়েলি আবারও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর পক্ষে মত দিয়েছে। এমনকি এই হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন বা বিরোধ তৈরি হলেও তারা সেই ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত। সমালোচকরা বলছেন, মার্কিন সমর্থনের ওপর অন্ধভাবে নির্ভরশীল হয়েও ইসরায়েলের এই বেপরোয়া মনোভাব মধ্যপ্রাচ্যকে আরও এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

জরিপের নির্ভরযোগ্যতা

আগাম ইনস্টিটিউট ও হিব্রু ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই জরিপটিতে ১৭ বছর বা তার বেশি বয়সী ৩ হাজার ৬৪৪ জন ইসরায়েলির মতামত নেওয়া হয়। জনসংখ্যার সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এর নমুনা নির্বাচন করা হয়েছিল। গবেষকরা জানিয়েছেন, ৯৯ শতাংশ নির্ভরযোগ্যতার মাত্রায় জরিপটির সম্ভাব্য ত্রুটির হার মাত্র ২ দশমিক ২ শতাংশ।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, এএফপি, হিন্দুস্তান টাইমস 

যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় প্রথম দফার বৈঠক শেষ, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় প্রথম দফার বৈঠক শেষ, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান
ছবি: সংগৃহীত

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যকার প্রথম দফার সরাসরি আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।

 রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি রিসোর্ট বার্গেনস্টকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এক সপ্তাহ আগে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী এটিই ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা।

 দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেন।

এসএন/

যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায়

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায়
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা সুইজারল্যান্ডে শুরু হয়েছে।

এই আলোচনায় অংশ নিয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল, আয়োজক দেশ সুইজারল্যান্ড এবং মধ্যস্থতাকারী দুই দেশ পাকিস্তান ও কাতারের প্রতিনিধিরা।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করে বলেছে, এই বৈঠকগুলো সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) অন্তর্ভুক্ত সব বিষয় নিয়ে একটি বিস্তৃত ও স্থায়ী চুক্তি সম্পন্ন করার পথ তৈরি করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষায়িত কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সই করা একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিকে এগিয়ে নিতেই মূলত সুইজারল্যান্ডে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে ইরানি প্রতিনিধি দলে রয়েছেন আব্বাস আরাঘচি।

এদিকে এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. ভ্যান্সের সাথে বৈঠক করেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুসারে, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে একটি চতুর্পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।