যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে নতুন আলটিমেটাম দিয়েছেন। দুই সপ্তাহ আগে দেওয়া ৫০ দিনের সময়সীমা থেকে কমিয়ে ট্রাম্প এবার বলেছেন, পুতিনকে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছতে হবে ১০ বা ১২ দিনের মধ্যে। অন্যথায় তাকে পরিণতি ভোগ করতে হবে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিনি সোমবার রাত বা মঙ্গলবারেই দেবেন বলে জানান।
সোমবার (২৯ জুলাই) যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে স্কটল্যান্ডে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে এই নতুন আলটিমেটাম দেন। প্রথমবার আলটিমেটাম দেওয়ার সময় ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ৫০ দিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে না পারলে রাশিয়ার বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর মারাত্মক শুল্ক আরোপ করা হবে।
এখন তিনি বলছেন, অপেক্ষা করে থাকার কোনো কারণ নেই। যদি আপনার জানা থাকে উত্তরটা কী হবে? নতুন সময়সীমার মধ্যে কোনো অগ্রগতি না হলে ট্রাম্প রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এবং রুশ রপ্তানি পণ্য যারা কেনে তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা চাপানোর হুমকি দিয়েছেন।
এদিকে ইউক্রেনে হামলা অব্যাহত রাখায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে নিয়ে ফের হতাশা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেন, যুদ্ধের ইতি টানতে যুক্তরাষ্ট্র যে চেষ্টা চালাচ্ছে, তার তোয়াক্কা না করে পুতিন একই পথে থাকছেন।
গতকাল যুক্তরাজ্যে এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওপর হতাশ। আমি তাকে ৫০ দিনের যে সময়সীমা দিয়েছিলাম, সেটি কমিয়ে আনব। কারণ আমি জানি, শেষ পর্যন্ত কী হতে যাচ্ছে। ভেবেছিলাম, আমরা সমাধানে পৌঁছেছি। তারপর হঠাৎ প্রেসিডেন্ট পুতিন কিয়েভের মতো কোনো শহরে রকেট ছুড়ে বসেন, হাসপাতালে মানুষ মারা যায়, এভাবে আর কতদিন চলবে?’
অন্যদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতির চেষ্টা নিয়েও ট্রাম্প হিমশিম খাচ্ছেন। তবে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকে বড় করে তুলে ধরেছেন তিনি। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান কিংবা রুয়ান্ডার সঙ্গে কঙ্গোর সংঘাত অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। সূত্র: বিবিসি