আর জি কর মেডিকেল হাসপাতালে এক বছর আগে ঘটে যাওয়া ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের সুবিচারের দাবিতে আয়োজিত হয়েছিল বিক্ষোভ মিছিল ‘নবান্ন অভিযান’। সে কর্মসূচিতে লাঠিপেটা করেছে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ। রাজ্যের একাধিক স্থান থেকে বের হওয়া মিছিল রাস্তাতেই আটকে দেওয়া হয়। ব্যারিকেড ও বিপুল পুলিশ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্ন ঘিরে রেখেছিল রাজ্য সরকার।
ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং থেকে শুরু হওয়া মূল মিছিলটি কিছুদূর এগোনোর পরেই বেপরোয়া লাঠিপেটা শুরু করে কলকাতা পুলিশ। সেই লাঠিপেটায় ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার তরুণীর মা-বাবাসহ শতাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রসঙ্গত, ভুক্তভোগী অভয়ার মা-বাবার ডাকেই নবান্ন অভিযান আয়োজিত হয়েছিল।
এদিন নবান্ন চত্বরে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছিল। তাই সেখানে কোনো আন্দোলন করা যাবে না, তা আগেই জানিয়েছিল পুলিশ। আন্দোলনকারীদের আটকাতে পার্কস্ট্রিট এলাকাতেও পুলিশ লাঠিপেটা করে। এ ছাড়া বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বাধা পেয়ে রাস্তাতেই বসে পড়েন তিনি।