ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গ্রাহক আস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবায় সাফল্যের চূড়ায় পূবালী ব্যাংক ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত রাসুল (সা.)-এর রাতের অভ্যাস কি ছিল? মেসি-দ্যুতিতে রঙিন বিশ্ব ভুল পরিকল্পনায় ঝুলে গেল মন্ত্রীদের জন্য মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প মেসিতে মাতাল বিশ্ব বাঁশখালীতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু কুমিল্লায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ বিশ্বকাপে অভিষেকেই বিরল ভৌগোলিক কৃতিত্ব উজবেকিস্তানের ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান শেষ মুহূর্তের ইরেনকির গোলে পানামাকে হারিয়ে ঘানার জয়; খেলোয়াড়দের রেটিং দূরত্ব হাজার মাইল, উৎসব ক্যাম্পাসে তিস্তায় আরেকটি ব্যারেজ নির্মাণ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে পঞ্চম ব্যালন ডি’অর বিজয়ী হলেন ফাবিও ক্যানাভারো বিশেষ ‘লেগাসি’ ব্যাজ পরে মাঠে নামলেন রোনালদো, মেসি ও মদ্রিচ গ্রুপসেরার দৌড়ে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই শিশুদের স্বপ্নের কথা শুনলেন জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সিন্ডিকেট বিলুপ্তিসহ ৭ দাবি চট্টগ্রামে এইডসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা তরকারি পুড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মীকে পুলিশ দম্পতির নির্যাতন আমানত ফিরে পাওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামে ‘রোডমার্চ’ ময়মনসিংহ বিভাগ: নীরবে বাড়ছে এইচআইভির বিস্তার বরিশালে ভুয়া ভাড়ার তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক নীলিমাইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ নদী খননের মাটির নিচে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পশুর শিংয়ে নান্দনিক শিল্পকর্ম কসাইয়ের ‘এইভাবে পইড়া থাকলে বাচ্চা দুইডা মইরা যাইব’ ছড়িয়ে পড়ছে এইডস: আক্রান্ত তরুণ ও শিক্ষার্থীরা কালীগঙ্গা নদীর ওপর সেতু আছে, তবু খেয়া পারাপার ১৮ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল
Nagad desktop

আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির ২০২৫ সালের সালতামামি

প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩০ এএম
আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির ২০২৫ সালের সালতামামি

২০২৫ সাল আন্তর্জাতিক রাজনীতি, যুদ্ধুশান্তি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও জলবায়ু সংকটের দিক থেকে ছিল ঘটনাবহুল ও টালমাটাল এক বছর। ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধের ধারাবাহিকতা, বড় শক্তিগুলোর কূটনৈতিক পুনর্বিন্যাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জলবায়ু নীতিতে নতুন অগ্রগতি, সব মিলিয়ে বিশ্বব্যবস্থা নতুন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে।

বছরের দ্বিতীয়ার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনপূর্ব রাজনীতি, ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধের দীর্ঘায়ন, জলবায়ু সম্মেলন কপ৩০-এর প্রস্তুতি, এআই ও প্রযুক্তি শাসন নিয়ে নতুন চুক্তি, এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ধীরগতির প্রবণতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনকে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে নভেম্বর-ডিসেম্বরে জলবায়ু অর্থায়ন, যুদ্ধবিরতি ও বিশ্বব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা কেন্দ্রে থাকে।

২০২৫ সাল স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বিশ্ব একাধিক সংকটের যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে যুদ্ধ, জলবায়ু, প্রযুক্তি ও অর্থনীতি পরস্পর জড়িত। এই বছরের ঘটনাপ্রবাহ ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিচে মাসওয়ারি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সংক্ষিপ্ত সালতামামি উপস্থাপন করা হলো।

জানুয়ারি ২০২৫

১ জানুয়ারি : ২০২৫ সালের জানুয়ারি বিশ্ব উষ্ণায়নের ধারাবাহিকতায় ‘সবচেয়ে গরম জানুয়ারি’ হিসেবে রেকর্ড।
২০ জানুয়ারি : ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
২০-২২ জানুয়ারি : যুক্তরাষ্ট্রের গলফ কোস্টে বিরল তুষারঝড় : ১৩ জন নিহত, লক্ষাধিক বাড়িতে বিদ্যুৎ বিপর্যয়।
১৪-২৪ জানুয়ারি : বিশ্ব নেতাদের সমীক্ষায় সশস্ত্র সংঘাত ও চরম আবহাওয়া বিশ্বের প্রধান ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত।
১৪-২৭ জানুয়ারি : ২০২৫ বিশ্ব মেনস হ্যান্ডবল চ্যাম্পিয়নশিপে ডেনমার্ক চ্যাম্পিয়ন হয়।
৫ জানুয়ারি : আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে বিদ্যমান সামরিক ও দারিদ্র্য সংকট নিয়ে জাতিসংঘ সতর্কতা।
১২ জানুয়ারি : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি উদ্যোগে নতুন বৈঠক: ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যস্থতাকারী আলোচনা।
১৫ জানুয়ারি : ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও শুল্ক ইস্যুতে নতুন আলোচনা শুরু।
১৮ জানুয়ারি : এশিয়ার দক্ষিণ অংশে বন্যা ও ভূমিধসে ৩০০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
২০ জানুয়ারি: ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
২২ জানুয়ারি : রাশিয়ার অর্থনীতি ও রুবেলের মান নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা।
২৫ জানুয়ারি : আফ্রিকার কিছু দেশে শিশু অধিকার ও শিক্ষা সংকট নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রকাশ।
২৮ জানুয়ারি : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন ভাইরাস সংক্রমণ সম্পর্কে সতর্কতা জারি।

ফেব্রুয়ারি ২০২৫

২ ফেব্রুয়ারি : আর্টিক বরফের আবরণ রেকর্ড ন্যূনতম; জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা।
৫ ফেব্রুয়ারি : মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর রাজনৈতিক অস্থিরতা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করে।
৮ ফেব্রুয়ারি : আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে খরা ও খাদ্য সংকট বৃদ্ধি।
১১ ফেব্রুয়ারি : এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে লাখাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
১৪ ফেব্রুয়ারি : ইউরোপে তাপপ্রবাহ: কিছু দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা।
১৬ ফেব্রুয়ারি : আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা গাজা ও ইয়েমেনের জন্য ত্রাণ সহায়তা ঘোষণা।
১৭ ফেব্রুয়ারি : যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তি ও বাণিজ্য ইস্যুতে বৈঠক।
২০ ফেব্রুয়ারি : আফ্রিকায় সামরিক শাসনবিরোধী বিক্ষোভ এবং রাজনৈতিক চাপ বৃদ্ধি।
২২ ফেব্রুয়ারি : প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়: কয়েকটি দ্বীপে বিপর্যয়।
২৪ ফেব্রুয়ারি : গ্লোবাল ব্যাংক ও ওগঋ:এর রিপোর্টে উন্নয়নশীল দেশের ঋণ সংকটের পুনঃমূল্যায়ন।
২৭ ফেব্রুয়ারি : ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো যৌথ সামরিক মহড়া।
২৮ ফেব্রুয়ারি : এআই নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক ডেটা নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক।

মার্চ ২০২৫

১ মার্চ : ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ বেড়ে যায়; পশ্চিমা দেশগুলো নিন্দা জানায়।
৫ মার্চ : গাজা পুনরায় সংঘর্ষের কবল: আইডিএফ ও স্থানীয় বাহিনীর হামলায় নাগরিক ক্ষয়ক্ষতি।
৮ মার্চ : আন্তর্জাতিক নারী দিবস: বিভিন্ন দেশে নারী অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে বিক্ষোভ।
১১ মার্চ : আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে সহিংসতা বৃদ্ধি; জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী সতর্ক।
১৪ মার্চ : আর্টিক বরফ দ্রুত গলছে; বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলেও গড় তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি।
১৭ মার্চ : এশিয়ার দক্ষিণ ও দক্ষিণ:পূর্বের দেশগুলোতে বন্যা ও ভূমিধসের ফলে লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
২০ মার্চ : বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক ফোরাম।
২২ মার্চ : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ।
২৪ মার্চ : ইউরোপে অভিবাসন সংকট ও রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র।
২৭ মার্চ : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা প্রকাশ।
২৯ মার্চ : গ্লোবাল শক্তি ও পরিবেশ নীতি নিয়ে ওইসিডি বৈঠক।
৩১ মার্চ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নতুন উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ঘোষণা।

এপ্রিল ২০২৫

২ এপ্রিল : মধ্যপ্রাচ্যে লেবানন ও সিরিয়ার সীমান্তে রাজনৈতিক অস্থিরতা: স্থানীয় অর্থনীতি ও নাগরিক নিরাপত্তার উপর প্রভাব।
৫ এপ্রিল : এশিয়ার একটি দেশ অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে; আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও অর্থনীতিতে প্রভাব।
৭ এপ্রিল : ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকার হর্নে মানবিক ত্রাণ বিতরণে সহযোগিতা।
১০ এপ্রিল : দক্ষিণ আমেরিকায় বন্যা ও ভূমিধস: ৫০০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
১২ এপ্রিল : আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে শিশু ও নারী অধিকার নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা।
১৫ এপ্রিল : বৈশ্বিক প্রযুক্তি সংস্থাগুলোতে এআই ও ডেটা নিরাপত্তা নীতিমালা সংক্রান্ত আলোচনা।
১৭ এপ্রিল : মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি আলোচনা: ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যস্থতাকারী বৈঠক।
২০ এপ্রিল : আফ্রিকায় সামরিক শাসনবিরোধী বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক চাপ বৃদ্ধি।
২২ এপ্রিল : আর্টিক বরফের গলন দ্রুত বৃদ্ধি; জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা।
২৪ এপ্রিল : ইউরোপে তাপপ্রবাহ: জরুরি অবস্থার ঘোষণা।
২৬ এপ্রিল : আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সতর্কতা।
২৮ এপ্রিল : বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য ফোরামে জ্বালানি ও পরিবেশ নীতি নিয়ে আলোচনা।

মে ২০২৫

১ মে : আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস: বিভিন্ন দেশে শ্রমিক আন্দোলন ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিক্ষোভ।
৩ মে : মধ্যপ্রাচ্য ও ইয়েমেনে যুদ্ধ ও শরণার্থী সংকট; আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি।
৫ মে : বৈশ্বিক জলবায়ু সচেতনতা আন্দোলন: বিক্ষোভ ও সমাবেশ।
৭ মে : এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বের দেশগুলোতে বন্যা ও ভূমিকম্পের প্রভাব।
১০ মে : আফ্রিকায় খাদ্য সংকট ও দুর্যোগ মোকাবেলায় জাতিসংঘের ত্রাণ কর্মসূচি।
১২ মে : ইউরোপ ও এশিয়ায় বাণিজ্য ও প্রযুক্তি ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আলোচনা।
১৪ মে : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন স্বাস্থ্য নীতি ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রকাশ।
১৭ মে : আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ ও নৌপরিবহন নিরাপত্তা বিষয়ে বৈঠক।
২০ মে : আফ্রিকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক বাহিনীর প্রভাব।
২২ মে : বৈশ্বিক জ্বালানি ও পরিবেশ নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক ফোরাম।
২৫ মে : লাতিন আমেরিকায় সামাজিক আন্দোলন ও বিক্ষোভ।
২৭ মে : আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও মানবাধিকার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বৈঠক।
৩০ মে : এআই ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা।

জুন ২০২৫

১ জুন : বিশ্ব ব্যাংক ও ওগঋ বৈশ্বিক অর্থনীতির পূর্বাভাস প্রকাশ।
৫ জুন : আফ্রিকার সুনির্দিষ্ট অঞ্চলে সহিংসতা এবং মানবিক সংকট বৃদ্ধি।
৭ জুন : ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন (থি হেগ, নেদার্ল্যান্ডস) নতুন সেক্রেটারি জেনারেল কার্যকর; প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি।
১০ জুন : বিশ্ব জ্বালানি ও বাণিজ্য নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক বৈঠক।
১২ জুন : এশিয়ার দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধস; লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
১৫ জুন : বৈশ্বিক পরিবেশ নীতি ও পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ফোরাম।
১৭ জুন : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ।
২০ জুন : ইউরোপে শীতকালীন জ্বালানি সংকটের শঙ্কা; প্রস্তুতি বৃদ্ধি।
২২ জুন : বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি সংস্থা এআই ও সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা ঘোষণা।
২৪ জুন : প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়; দ্বীপদেশগুলোতে বিপর্যয়।
২৬ জুন : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও শিশু অধিকার বিষয়ক বৈঠক।
২৮ জুন : আন্তর্জাতিক জলবায়ু ও নিরাপত্তা বিষয়ক নীতিমালা নিয়ে আলোচনা।
৩০ জুন : বৈশ্বিক অর্থনীতি ও রাজনৈতিক অস্থিরতার পর্যালোচনা; বছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য সতর্কবার্তা।

জুলাই ২০২৫

১ জুলাই : দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ উদ্ভাবনী জলবায়ু নীতি ঘোষণা, আন্তর্জাতিক প্রশংসা।
৩ জুলাই : আফ্রিকায় খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি; জাতিসংঘের জরুরি হস্তক্ষেপ।
৫ জুলাই : ইউরোপে তাপপ্রবাহের কারণে কৃষি উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি।
৭ জুলাই : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা: ইরান ও সৌদি আরব নতুন মধ্যস্থতাকারী বৈঠক।
১০ জুলাই : প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়; দ্বীপগুলোতে বিপর্যয়।
১২ জুলাই : আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামরিক বাহিনীর প্রভাব।
১৫ জুলাই : বিশ্ব জ্বালানি ও পরিবেশ নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন।
১৭ জুলাই : দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধস; লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
২০ জুলাই : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন মহামারী সতর্কতা জারি।
২২ জুলাই : প্রযুক্তি সংস্থাগুলোতে এআই ও সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রবর্তন।
২৫ জুলাই : আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শুল্ক ইস্যুতে বিশ্ব অর্থনীতি ফোরাম।
২৮ জুলাই : আফ্রিকার শিশু ও নারী অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘ রিপোর্ট প্রকাশ।
৩০ জুলাই : ইউরোপ ও এশিয়ার মানবাধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আলোচনায় জোর বৃদ্ধি।

আগস্ট ২০২৫

১ আগস্ট : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বিষয়ে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ।
৩ আগস্ট : এশিয়ার দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিকম্পে মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি।
৫ আগস্ট : ইউরোপে গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহ; জরুরি অবস্থার ঘোষণা।
৭ আগস্ট : আফ্রিকার হর্নে সামরিক ও রাজনৈতিক সংঘর্ষ বৃদ্ধি।
১০ আগস্ট : বৈশ্বিক পরিবেশ নীতি ও পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বৈঠক।
১২ আগস্ট : আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য ফোরাম: জ্বালানি ও পরিবেশ নীতি আলোচনায়।
১৫ আগস্ট : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহামারী প্রস্তুতি ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
১৭ আগস্ট : মধ্যপ্রাচ্যে শরণার্থী সংকট; আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি।
২০ আগস্ট : এআই ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা বিষয়ে আন্তর্জাতিক বৈঠক।
২২ আগস্ট : ইউরোপ ও আফ্রিকায় জলবায়ু পরিবর্তন ও তাপপ্রবাহ নিয়ে সতর্কতা।
২৫ আগস্ট : বিশ্ব জ্বালানি ও পরিবেশ নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনার নতুন ধারা।
২৮ আগস্ট : আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও মানবাধিকার বিষয়ক বৈঠক।
৩০ আগস্ট : দক্ষিণ আমেরিকায় সামাজিক আন্দোলন ও বিক্ষোভ।

সেপ্টেম্বর ২০২৫

১ সেপ্টেম্বর : মধ্যপ্রাচ্যের নতুন শান্তি প্রক্রিয়া: ইরান, সৌদি আরব ও অন্যান্য দেশ অংশগ্রহণ।
৩ সেপ্টেম্বর : এশিয়ার দক্ষিণ:পূর্বে বন্যা ও ভূমিধসের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত।
৫ সেপ্টেম্বর : আফ্রিকার খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ও মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি।
৭ সেপ্টেম্বর : বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফোরাম।
১০ সেপ্টেম্বর : ইউরোপে তাপপ্রবাহ ও জ্বালানি সংকট; জরুরি প্রস্তুতি।
১২ সেপ্টেম্বর : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন ভাইরাস সতর্কতা জারি।
১৫ সেপ্টেম্বর : প্রযুক্তি সংস্থাগুলোতে এআই ও সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রবর্তন।
১৭ সেপ্টেম্বর : আফ্রিকায় সামরিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।
২০ সেপ্টেম্বর : আন্তর্জাতিক পরিবেশ নীতি ও পুনর্নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংক্রান্ত আলোচনায় নতুন ধারা।
২২ সেপ্টেম্বর : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও শিশু অধিকার বিষয়ক বৈঠক।
২৫ সেপ্টেম্বর : দক্ষিণ আমেরিকায় সামাজিক আন্দোলন ও বিক্ষোভ।
২৮ সেপ্টেম্বর : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ।
৩০ সেপ্টেম্বর : বিশ্ব জ্বালানি ও পরিবেশ নীতি বিষয়ে আন্তর্জাতিক বৈঠক।

অক্টোবর ২০২৫

১ অক্টোবর : মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মানবিক সংকটের রিপোর্ট প্রকাশ।
৩ অক্টোবর : এশিয়ার দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধস।
৫ অক্টোবর : ইউরোপে তাপপ্রবাহ এবং কৃষি ক্ষতি।
৭ অক্টোবর : আফ্রিকায় সামরিক ও রাজনৈতিক সংঘর্ষ বৃদ্ধি।
১০ অক্টোবর : বিশ্ব পরিবেশ নীতি ও শক্তি পুনর্নবায়ন আলোচনায় আন্তর্জাতিক ফোরাম।
১২ অক্টোবর : আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য ফোরাম।
১৫ অক্টোবর : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারী প্রস্তুতি ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
১৭ অক্টোবর : এআই ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা।
২০ অক্টোবর : দক্ষিণ আমেরিকায় সামাজিক আন্দোলন ও বিক্ষোভ।
২২ অক্টোবর : ইউরোপ ও আফ্রিকায় জলবায়ু পরিবর্তন ও তাপপ্রবাহ।
২৫ অক্টোবর : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও শিশু অধিকার বিষয়ক বৈঠক।
২৮ অক্টোবর : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ।

নভেম্বর ২০২৫

১ নভেম্বর : বিশ্ব জ্বালানি শক্তি ও পরিবেশ নীতি বিষয়ে আন্তর্জাতিক বৈঠক।
৩ নভেম্বর : আফ্রিকায় খাদ্য নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি।
৫ নভেম্বর : এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বে বন্যা ও ভূমিধসের ফলে লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
৭ নভেম্বর : ইউরোপে তাপপ্রবাহ এবং জ্বালানি সংকট; জরুরি প্রস্তুতি।
১০ নভেম্বর : প্রযুক্তি সংস্থাগুলোতে এআই ও সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা।
১২ নভেম্বর : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক কূটনীতি।
১৫ নভেম্বর : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও শিশু অধিকার বিষয়ক বৈঠক।
১৭ নভেম্বর : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারী প্রস্তুতি ও সতর্কতা।
২০ নভেম্বর : দক্ষিণ আমেরিকায় সামাজিক আন্দোলন ও বিক্ষোভ।
২২ নভেম্বর : আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও মানবাধিকার বিষয়ক বৈঠক।
২৫ নভেম্বর : আফ্রিকায় সামরিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।
২৮ নভেম্বর : বিশ্ব জ্বালানি ও পরিবেশ নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনার নতুন ধারা।

ডিসেম্বর ২০২৫

১ ডিসেম্বর : মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মানবিক সংকট।
৩ ডিসেম্বর : এশিয়ার দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধস।
৫ ডিসেম্বর : ইউরোপে তাপপ্রবাহ ও কৃষি ক্ষতি।
৭ ডিসেম্বর : আফ্রিকায় সামরিক ও রাজনৈতিক সংঘর্ষ বৃদ্ধি।
১০ ডিসেম্বর : বিশ্ব পরিবেশ নীতি ও শক্তি পুনর্নবায়ন আলোচনা।
১২ ডিসেম্বর : আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য ফোরাম।
১৫ ডিসেম্বর : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারী প্রস্তুতি ও সতর্কতা।
১৭ ডিসেম্বর : এআই ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা।
২০ ডিসেম্বর : দক্ষিণ আমেরিকায় সামাজিক আন্দোলন ও বিক্ষোভ।
২২ ডিসেম্বর : ইউরোপ ও আফ্রিকায় জলবায়ু পরিবর্তন ও তাপপ্রবাহ।
২৫ ডিসেম্বর : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও শিশু অধিকার বিষয়ক বৈঠক।
২৮ ডিসেম্বর : মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক উদ্যোগ।
৩১ ডিসেম্বর : বিশ্ব জ্বালানি ও পরিবেশ নীতি বিষয়ে বছরের শেষ আন্তর্জাতিক বৈঠক।

 

রিফাত/

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্ক কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের লক্ষ্য নিয়ে ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) প্রস্তুত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন এই খসড়া চুক্তির একটি অনুলিপি হাতে পেয়েছে।

ফ্রান্সে চলমান জি-৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়া একজন কূটনীতিক এবং আলোচনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আরও দুটি কূটনৈতিক সূত্র এই খসড়া দলিলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই খসড়াটি চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারকের প্রকৃত রূপ নয়। অন্যদিকে ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম এই ফাঁসের ঘটনাকে ‘ভুল তথ্য’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

এই খসড়া চুক্তি অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে চূড়ান্ত নথিতে স্বাক্ষর করবেন। তার আগে গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ডিজিটালভাবে এই খসড়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা এই স্মারককে একটি ‘রাজনৈতিক দলিল’ হিসেবে অভিহিত করে এর গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তাদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্দার আড়ালে যে মূল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা এই নথিতে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।

খসড়া চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে দুই দেশ এবং তাদের মিত্রদের মধ্যকার যুদ্ধ অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে শেষ হবে। দুই দেশ একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকবে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবে।

চুক্তির আওতায় স্বাক্ষর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেবে এবং পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরান মাইন অপসারণসহ সব প্রযুক্তিগত বাধা দূর করবে। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চল থেকে তার সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। এ ছাড়া ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক সহযোগীরা অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল নিশ্চিত করবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরানের ওপর থাকা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা এবং সব ধরনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হবে। নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সময়ে ইরান যাতে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানি করতে পারে, সে জন্য মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র বা ওয়েভার ইস্যু করবে। একই সঙ্গে ইরানের ফ্রিজ বা আটকে থাকা সব তহবিল ও সম্পদ অবমুক্ত করা হবে এবং ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাংক তা ব্যবহার করতে পারবে।

পারমাণবিক ইস্যুতে ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তবে ইরানের উচ্চ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এই খসড়ায় সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশই বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখবে। অর্থাৎ ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি বাড়াবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবে না বা ওই অঞ্চলে সেনা বাড়াবে না। এই ঐতিহাসিক চুক্তি বাস্তবায়নের পর পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করার জন্য একটি যৌথ বাস্তবায়ন কমিটিও গঠন করা হবে। আগামীকাল এই স্মারক স্বাক্ষরের পর চূড়ান্ত চুক্তি নির্ধারণের জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে।

 সূত্র: সিএনএন

ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও লেবাননে আবারও মানবিক সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন।

বুধবার (১৭ জুন) বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “ইরান সংঘাত এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট মানবিক সংকটে তারা ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’। ‘বর্তমান বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় চীন ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে সেখানে পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে সহায়তা করা যায়।”

এটি চলমান সংঘাত শুরুর পর দ্বিতীয়বারের মতো ইরানে চীনের মানবিক সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ। এর আগে মার্চ মাসেও বেইজিং তেহরানে সহায়তা পাঠিয়েছিল।

চীনের সহয়তা দেওয়ার ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে এবং শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।

প্রস্তাবিত চুক্তিতে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৩,৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে চীনের এমন পদক্ষেপ ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অংশ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমান/

ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনাকে উপক্ষা করেই লেবাননে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

বুধবার (১৭ জুন) লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকা এবং পাশের কফর তেবনিতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে।

এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

তবে এর আগে তারা বলেছিল, তাদের লক্ষ্য ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের জন্য হওয়া চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান বলেছে, ওই সমঝোতায় লেবানন-সংক্রান্ত বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেছেন, লেবাননের বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আরও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত।

ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল "অনেক দিন ধরে" হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং এতে "অনেক মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে।"

এসএন/

চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর বাস্তবায়নে তিনি সন্তুষ্ট না হলে আবারও ইরানের ওপর বোমা হামলা চালানো হতে পারে।

সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “এটি একটি সমঝোতা স্মারক। যদি আমার পছন্দ না হয়, তাহলে আমরা আবার গুলি চালাবো এবং তাদের ওপর বোমা ফেলবো।"

"তারা যদি ঠিকভাবে আচরণ না করে, তাহলে আবার বোমা হামলা শুরু হবে।”

ট্রাম্প আরও বলেন, এই সমঝোতা স্মারকে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে তুলে নেওয়ার কোনো বিষয় নেই।

এ বিষয়ে পরে আরও বিস্তারিত জানাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফ্রান্সের এভিয়ঁ লে বেঁ শহরে সোমবার শুরু হওয়া জি–৭ শীর্ষ সম্মেলন বুধবার শেষ হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপানের নেতারা অংশ নেন। বৈঠকে তাঁরা লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ রুটে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনার কথাও বলেন, যাতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।

এসএন/

জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি
ছবি: সংগৃহীত

যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে মূলত বাঙালি মুসলমানদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংস্থাটি জানিয়েছে, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, ঠেলে পাঠানো ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে বাংলাদশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)। এতে করে বহু পরিবার দুই দেশের সীমান্তের শূন্য রেখায় (জিরো লাইন) আটকা পড়েছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, গত পহেলা জুন থেকে বিএসএফের ২১টি পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় শিশুসহ ২০০ জনের বেশি মানুষকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ঠেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যকে উল্লেখ করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে যে বিজেপি সরকারের "ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট" নীতির আওতায় শত শত “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে” আটক করা হয়েছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে "ফিরে যেতে" বাধ্য করা হয়েছে।

সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাকশী গাঙ্গুলী বলেন, "মৌলিক মানবাধিকারকে উপেক্ষা করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নির্মমভাবে পরিবারগুলোকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে বা সীমান্তে আটকে রাখছে"।

তিনি আরও বলেন যে ভারত সরকারের উচিত এই জোরপূর্বক বহিষ্কার বন্ধ করা, আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, নাগরিকত্ব যাচাইয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা ও মুসলমানদের প্রতি বৈরিতাপূর্ণ আচরণ বন্ধ করা।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আরও জানায়, তারা এমন নয়জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে, যারা দেখেছেন যে বিএসএফ রাতের অন্ধকারে লোকজনকে সীমান্তে এনে কাঁটাতারের বেড়ার কাটা অংশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি প্রবেশে বাধা দিলে বিএসএফ শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিদের আবার ফিরিয়ে নেয়।

এসএন/