যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেস চলতি সপ্তাহে একটি প্রস্তাবের ওপর ভোট দিতে যাচ্ছে, যা পাস হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য করতে পারে।
যুদ্ধ ক্ষমতা আইন কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিদেশে সেনা পাঠানোর ক্ষমতাকে সীমিত করে।
কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্য, যাদের অনেকেই ডেমোক্র্যাট, ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
তবে ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, আসন্ন হুমকির কারণে তাদের এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।
সবশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে ইরানে মোট নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৭৪২। এর মধ্যে ১৭৬ জন শিশু রয়েছে।
আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টকে ‘সম্ভব সব ক্ষেত্রে’ যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীকে যুদ্ধে যুক্ত করার আগে অথবা এমন পরিস্থিতিতে পাঠানোর আগে যেখানে অচিরেই জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা স্পষ্ট, তাহলে কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।
এছাড়া, কংগ্রেস যুদ্ধ ঘোষণা না করলে সে ক্ষেত্রে সেনা মোতায়েনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসকে অবহিত করতে হবে এবং সেই পদক্ষেপের সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি ব্যাখ্যা করতে হবে।
ট্রাম্প যুক্তি দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানটি কেবল আকাশপথে হামলার মধ্যে সীমিত এবং এতে কোনো স্থলসেনা জড়িত নেই।
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে কংগ্রেস সদস্যরা কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের বিষয়ে দ্বিতীয়বারের মতো গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন।
২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন স্থানে প্রাণঘাতী হামলা চালায়। এতে শতাধিক মানুষ নিহত হন। - আল-জাজিরা
অমিয়/