ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাঁশখালীতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু কুমিল্লায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ বিশ্বকাপে অভিষেকেই বিরল ভৌগোলিক কৃতিত্ব উজবেকিস্তানের ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান শেষ মুহূর্তের ইরেনকির গোলে পানামাকে হারিয়ে ঘানার জয়; খেলোয়াড়দের রেটিং দূরত্ব হাজার মাইল, উৎসব ক্যাম্পাসে তিস্তায় আরেকটি ব্যারেজ নির্মাণ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে পঞ্চম ব্যালন ডি’অর বিজয়ী হলেন ফাবিও ক্যানাভারো বিশেষ ‘লেগাসি’ ব্যাজ পরে মাঠে নামলেন রোনালদো, মেসি ও মদ্রিচ গ্রুপসেরার দৌড়ে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই শিশুদের স্বপ্নের কথা শুনলেন জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সিন্ডিকেট বিলুপ্তিসহ ৭ দাবি চট্টগ্রামে এইডসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা তরকারি পুড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মীকে পুলিশ দম্পতির নির্যাতন আমানত ফিরে পাওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামে ‘রোডমার্চ’ ময়মনসিংহ বিভাগ: নীরবে বাড়ছে এইচআইভির বিস্তার বরিশালে ভুয়া ভাড়ার তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক নীলিমাইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ নদী খননের মাটির নিচে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পশুর শিংয়ে নান্দনিক শিল্পকর্ম কসাইয়ের ‘এইভাবে পইড়া থাকলে বাচ্চা দুইডা মইরা যাইব’ ছড়িয়ে পড়ছে এইডস: আক্রান্ত তরুণ ও শিক্ষার্থীরা কালীগঙ্গা নদীর ওপর সেতু আছে, তবু খেয়া পারাপার ১৮ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৮ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল প্রথম জয়ের খোঁজে… বসনিয়া চ্যালেঞ্জ সুইসদের ১৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি কানাডার সামনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা ৬ গোলের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ইংল্যান্ড
Nagad desktop

ফুরিয়ে আসছে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর মিসাইল

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
ফুরিয়ে আসছে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর মিসাইল
ইসরায়েলের ‘আয়রন ডোম’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানিয়েছে যে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিরোধক বা ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত বিপজ্জনকভাবে কমে গেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সেমাফোর’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত বছর ইরানের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় বিপুলসংখ্যক ইন্টারসেপ্টর ব্যবহারের ফলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আগে থেকেই কিছুটা দুর্বল ছিল। বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইরানের পক্ষ থেকে নিরবচ্ছিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরায়েলের দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনের কাছ থেকে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র (ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে এমন ক্ষেপণাস্ত্র) নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনালাপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। খবর ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম Ynet-এর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ইয়েভজেন করনিচুক নিশ্চিত করেছেন যে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ফোনালাপের অনুরোধ জেলেনস্কির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে জেলেনস্কির ব্যস্ততার কারণে এখন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলার সময়সূচি নির্ধারণ হয়নি।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ইরান তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার মিউনিশন’ (গুচ্ছ বোমা) ব্যবহার করছে। এটি একদিকে যেমন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করাকে আরও জটিল করে তুলছে, অন্যদিকে ইসরায়েলের মজুতও দ্রুত শেষ করে দিচ্ছে। ওয়াশিংটন এই সমস্যা সম্পর্কে কয়েক মাস আগে থেকেই অবগত ছিল। একজন মার্কিন কর্মকর্তা সেমাফোর’কে বলেন, ‘এটি এমন একটি বিষয়, যা আমরা আগেই প্রত্যাশা করেছিলাম।’

তবে ওই কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মজুতে এ ধরনের কোনো ঘাটতি নেই এবং তাদের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ইন্টারসেপ্টর রিজার্ভ রয়েছে। এই মন্তব্যটি এমন একসময়ে এল, যখন উদ্বেগ বাড়ছে যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জামকে দ্রুত নিঃশেষ করে দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে অতিরিক্ত ইন্টারসেপ্টর সরবরাহ করবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এর আগের সামরিক সহায়তা প্যাকেজগুলোতে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকলেও নতুন করে বড় কোনো চালান পাঠালে তা মার্কিন নিজেদের মজুতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ওই মার্কিন কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘অঞ্চলে আমাদের ঘাঁটি, কর্মী এবং স্বার্থ রক্ষা করার জন্য যা প্রয়োজন তার সবকিছুই আমাদের কাছে রয়েছে।’ তিনি আরও যোগ করেন যে ইসরায়েল তাদের এই ঘাটতি মেটাতে নিজস্ব সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সামরিক সরঞ্জামের ‘কার্যত সীমাহীন’ সরবরাহ রয়েছে। তবে তার এই দাবির কোনো নিরপেক্ষ সত্যতা পাওয়া যায়নি।

‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুনে ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টিরও বেশি থাড (THAAD) ইন্টারসেপ্টর নিক্ষেপ করেছিল, যা তৎকালীন মার্কিন মজুতের প্রায় এক-চতুর্থাংশ। এ ছাড়া চলমান যুদ্ধের শুরুর দিনগুলোতে ওয়াশিংটন প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে বলেও জানা গেছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্ক কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের লক্ষ্য নিয়ে ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) প্রস্তুত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন এই খসড়া চুক্তির একটি অনুলিপি হাতে পেয়েছে।

ফ্রান্সে চলমান জি-৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়া একজন কূটনীতিক এবং আলোচনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আরও দুটি কূটনৈতিক সূত্র এই খসড়া দলিলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই খসড়াটি চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারকের প্রকৃত রূপ নয়। অন্যদিকে ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম এই ফাঁসের ঘটনাকে ‘ভুল তথ্য’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

এই খসড়া চুক্তি অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে চূড়ান্ত নথিতে স্বাক্ষর করবেন। তার আগে গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ডিজিটালভাবে এই খসড়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা এই স্মারককে একটি ‘রাজনৈতিক দলিল’ হিসেবে অভিহিত করে এর গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তাদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্দার আড়ালে যে মূল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা এই নথিতে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।

খসড়া চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে দুই দেশ এবং তাদের মিত্রদের মধ্যকার যুদ্ধ অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে শেষ হবে। দুই দেশ একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকবে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবে।

চুক্তির আওতায় স্বাক্ষর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেবে এবং পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরান মাইন অপসারণসহ সব প্রযুক্তিগত বাধা দূর করবে। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চল থেকে তার সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। এ ছাড়া ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক সহযোগীরা অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল নিশ্চিত করবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরানের ওপর থাকা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা এবং সব ধরনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হবে। নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সময়ে ইরান যাতে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানি করতে পারে, সে জন্য মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র বা ওয়েভার ইস্যু করবে। একই সঙ্গে ইরানের ফ্রিজ বা আটকে থাকা সব তহবিল ও সম্পদ অবমুক্ত করা হবে এবং ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাংক তা ব্যবহার করতে পারবে।

পারমাণবিক ইস্যুতে ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তবে ইরানের উচ্চ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এই খসড়ায় সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশই বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখবে। অর্থাৎ ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি বাড়াবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবে না বা ওই অঞ্চলে সেনা বাড়াবে না। এই ঐতিহাসিক চুক্তি বাস্তবায়নের পর পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করার জন্য একটি যৌথ বাস্তবায়ন কমিটিও গঠন করা হবে। আগামীকাল এই স্মারক স্বাক্ষরের পর চূড়ান্ত চুক্তি নির্ধারণের জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে।

 সূত্র: সিএনএন

ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও লেবাননে আবারও মানবিক সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন।

বুধবার (১৭ জুন) বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “ইরান সংঘাত এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট মানবিক সংকটে তারা ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’। ‘বর্তমান বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় চীন ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে সেখানে পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে সহায়তা করা যায়।”

এটি চলমান সংঘাত শুরুর পর দ্বিতীয়বারের মতো ইরানে চীনের মানবিক সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ। এর আগে মার্চ মাসেও বেইজিং তেহরানে সহায়তা পাঠিয়েছিল।

চীনের সহয়তা দেওয়ার ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে এবং শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।

প্রস্তাবিত চুক্তিতে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৩,৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে চীনের এমন পদক্ষেপ ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অংশ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমান/

ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনাকে উপক্ষা করেই লেবাননে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

বুধবার (১৭ জুন) লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকা এবং পাশের কফর তেবনিতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে।

এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

তবে এর আগে তারা বলেছিল, তাদের লক্ষ্য ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের জন্য হওয়া চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান বলেছে, ওই সমঝোতায় লেবানন-সংক্রান্ত বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেছেন, লেবাননের বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আরও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত।

ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল "অনেক দিন ধরে" হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং এতে "অনেক মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে।"

এসএন/

চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর বাস্তবায়নে তিনি সন্তুষ্ট না হলে আবারও ইরানের ওপর বোমা হামলা চালানো হতে পারে।

সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “এটি একটি সমঝোতা স্মারক। যদি আমার পছন্দ না হয়, তাহলে আমরা আবার গুলি চালাবো এবং তাদের ওপর বোমা ফেলবো।"

"তারা যদি ঠিকভাবে আচরণ না করে, তাহলে আবার বোমা হামলা শুরু হবে।”

ট্রাম্প আরও বলেন, এই সমঝোতা স্মারকে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে তুলে নেওয়ার কোনো বিষয় নেই।

এ বিষয়ে পরে আরও বিস্তারিত জানাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফ্রান্সের এভিয়ঁ লে বেঁ শহরে সোমবার শুরু হওয়া জি–৭ শীর্ষ সম্মেলন বুধবার শেষ হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপানের নেতারা অংশ নেন। বৈঠকে তাঁরা লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ রুটে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনার কথাও বলেন, যাতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।

এসএন/

জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি
ছবি: সংগৃহীত

যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে মূলত বাঙালি মুসলমানদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংস্থাটি জানিয়েছে, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, ঠেলে পাঠানো ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে বাংলাদশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)। এতে করে বহু পরিবার দুই দেশের সীমান্তের শূন্য রেখায় (জিরো লাইন) আটকা পড়েছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, গত পহেলা জুন থেকে বিএসএফের ২১টি পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় শিশুসহ ২০০ জনের বেশি মানুষকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ঠেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যকে উল্লেখ করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে যে বিজেপি সরকারের "ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট" নীতির আওতায় শত শত “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে” আটক করা হয়েছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে "ফিরে যেতে" বাধ্য করা হয়েছে।

সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাকশী গাঙ্গুলী বলেন, "মৌলিক মানবাধিকারকে উপেক্ষা করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নির্মমভাবে পরিবারগুলোকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে বা সীমান্তে আটকে রাখছে"।

তিনি আরও বলেন যে ভারত সরকারের উচিত এই জোরপূর্বক বহিষ্কার বন্ধ করা, আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, নাগরিকত্ব যাচাইয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা ও মুসলমানদের প্রতি বৈরিতাপূর্ণ আচরণ বন্ধ করা।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আরও জানায়, তারা এমন নয়জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে, যারা দেখেছেন যে বিএসএফ রাতের অন্ধকারে লোকজনকে সীমান্তে এনে কাঁটাতারের বেড়ার কাটা অংশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি প্রবেশে বাধা দিলে বিএসএফ শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিদের আবার ফিরিয়ে নেয়।

এসএন/