ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রবাসে ৪৭ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধনের অনুমোদন ঢাকাগামী ফ্লাইটে ওঠার আগে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার জাপানের কাছে হারের পর যা বললেন তিউনিসিয়া কোচ বাজেট ডিব্রিফিং সেশন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে: স্পিকার ইস্টার্ন ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন নেওয়া শুরু উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ৩০ মিটার বিলীন কামাদাকে প্রশংসায় ভাসালেন জাপান কোচ মোরিয়াসু বগুড়ায় এসএমই উদ্যোক্তাদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্যেগ নিল বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক চান্দগাঁও বিসিকে দিনদুপুরে ফাঁকা গুলি, যুবদল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা নিভে গেল ক্রীড়াঙ্গনের বাতিঘর: এক কিংবদন্তির প্রস্থান সিলেটে শাহজালাল (রহ.) মাজারের ‘ডেগকাণ্ডে’ ডিসি প্রত্যাহার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী কানসাসে আর্জেন্টিনার অনুশীলন, স্কালোনির একাদশে দুই সংশয় আখাউড়ায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে নেওয়ার পর যুবকের মৃত্যু ক্র্যাফটস ভিলেজেস আজীবন সম্মাননায় ভূষিত প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পাল গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি রাঙামাটিতে ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৯ ভাইরাল ভিডিওতে জেলেনস্কি-মেলোনি, ব্যাখ্যায় সরব নেটদুনিয়া স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার মাদক সেবনের ভিডিও কাণ্ডে বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি‎ রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ম্যারাডোনা-মেসির সঙ্গে ইয়ামালের তুলনা ভুল দারুণ সেভের পর কুরাসাও গোলরক্ষক বললেন, ‘আমার একটি ভাস্কর্য বানাও’ ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন ঝিনাইদহে বাসচাপায় ট্রাকচালক নিহত কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে ইরান কতটা এগিয়ে

প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে ইরান কতটা এগিয়ে
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন করে যে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে, সেটি ২০১৫ সালের জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশনের (জেসিপিওিএ) চেয়েও শক্ত ও কার্যকর হবে। তার ভাষায়, আগের চুক্তিটি ছিল ‘একপাক্ষিক’ এবং সেটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ পুরোপুরি রক্ষা করতে পারেনি। তবে অনেক পর্যবেক্ষকেরই ধারণা, সেটি থেকে ট্রাম্প এর আগে বের হয়ে যাওয়াতেই বর্তমান সমস্যা তৈরি হয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে তিনি ইরানের সঙ্গে চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন, যাতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু করা যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম কঠোর শর্ত হচ্ছে, ইরানকে সম্পূর্ণভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে হবে। এখানেই মূল দ্বন্দ্ব। কারণ ইরান বলছে তারা কখনোই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করবে না, যদিও সেটি তাদের মতে শুধুই বেসামরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।

ইউরেনিয়াম আসলে কী
ইউরেনিয়াম একটি ভারী, তেজস্ক্রিয় ধাতু–যা পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির মূল উপাদান। এটি প্রকৃতিতে খুব অল্প পরিমাণে ছড়িয়ে থাকে। পাথর, মাটি, এমনকি সমুদ্রের পানিতেও পাওয়া যায়।

বিশ্বের বেশির ভাগ ইউরেনিয়াম উৎপাদন হয় কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশে। এগুলো হলো, কাজাখস্তান, কানাডা, নামিবিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং উজবেকিস্তান।

খনি থেকে ইউরেনিয়াম সরাসরি ব্যবহারযোগ্য নয়। এটি কয়েকটি ধাপে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। প্রথমে আকরিক থেকে ‘ইয়েলোকেক’ নামের এক ধরনের গুঁড়া তৈরি করা হয়। এর পর সেটিকে রাসায়নিকভাবে পরিবর্তন করে গ্যাসে রূপান্তরযোগ্য যৌগ (ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লুরাইড) বানানো হয়, যা সমৃদ্ধকরণের জন্য প্রয়োজন।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কীভাবে হয়
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামের মধ্যে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইসোটোপ থাকে। এ দুটি আইসোটোপ হলো ইউ-২৩৮ ও ইউ-২৩৫। এর মধ্যে ইউ-২৩৫ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন তৈরি করতে পারে।

সমস্যা হলো, প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে ইউ-২৩৫-এর পরিমাণ মাত্র ০ দশমিক ৭ শতাংশ। তাই এটিকে বাড়াতে হয়। এই প্রক্রিয়াকেই বলা হয় সমৃদ্ধকরণ।

এই প্রক্রিয়ায় ইউরেনিয়ামকে প্রথমে গ্যাসে রূপান্তর করা হয়। তার পর সেটিকে দ্রুত ঘূর্ণায়মান সেন্ট্রিফিউজ মেশিনে পাঠানো হয়। ভারী অংশ ইউ-২৩৮ বাইরের দিকে চলে যায়, আর হালকা অংশ ইউ-২৩৫ কেন্দ্রে থাকে। এইভাবে ধাপে ধাপে ইউ-২৩৫-এর ঘনত্ব বাড়ানো হয়।

একটি সেন্ট্রিফিউজ খুব সামান্য কাজ করতে পারে, তাই শত শত বা হাজার হাজার সেন্ট্রিফিউজ একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়। এগুলোকে ‘ক্যাসকেড’ বলা হয়।

সমৃদ্ধকরণের স্তরগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ
ইউরেনিয়াম কতটা সমৃদ্ধ, সেটিই নির্ধারণ করে এটি কী কাজে ব্যবহার করা যাবে।

আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার হিসাবে ৩ থেকে ৫ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট। ৫ থেকে ২০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দিয়ে উন্নত রিঅ্যাক্টর বা গবেষণার কাজ করা যায়। উচ্চ সমৃদ্ধ হয় ২০ শতাংশের ঘর পার হলে, এটি ঝুঁকিপূর্ণ ধাপও। অন্যদিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য ইউরেনিয়ামকে ৯০ শতাংশেরও বেশি পরিশোধিত ও সমৃদ্ধ হতে হয়। 

এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইউরেনিয়াম ২০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ হওয়ার পর থেকে অস্ত্রমানের জন্য প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশে পৌঁছানো তুলনামূলক দ্রুত হয়ে যায়। তাই আন্তর্জাতিক মহল ২০ শতাংশের স্তরটিকে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে গণ্য করে।

ইরানের বর্তমান অবস্থা
আইএইএর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। বিশেষজ্ঞ টেড পোস্টলের মতে, এই পর্যায় থেকে ৯০ শতাংশে পৌঁছাতে খুব বেশি সময় লাগে না, বড়জোর কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। তিনি একটি সহজ উদাহরণ দেন।

শুরু থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত যেতে কয়েক বছর লাগে, কিন্তু ৬০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশে যেতে লাগে খুব অল্প সময়। কারণ তখন উপাদানটি ইতোমধ্যেই অনেকটাই সমৃদ্ধ। আর এ কারণেই পশ্চিমা দেশগুলো সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ৬০ শতাংশের স্তর নিয়ে।

ইরান কি সহজেই পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে পারবে
তাত্ত্বিকভাবে যদি ইরান চায়, তা হলে তাদের বর্তমান প্রযুক্তি দিয়ে দ্রুত অস্ত্রমান ইউরেনিয়াম তৈরি করা সম্ভব।

কারণ তাদের কাছে উন্নত সেন্ট্রিফিউজ আইআর-৬ আছে। দেশটির পারমাণবিক অনেক স্থাপনাই ভূগর্ভে অবস্থিত, যা ধ্বংস করা কঠিন।

এ ছাড়া ছোট জায়গায়ও সমৃদ্ধকরণ চালানো সম্ভব। তবে শুধু ইউরেনিয়াম থাকলেই বোমা তৈরি হয় না। এর জন্য ডিজাইন, বিস্ফোরণ ব্যবস্থা এবং ডেলিভারি সিস্টেম (ক্ষেপণাস্ত্রও) দরকার। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইরানের এসব ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি রয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন কী বলে
আন্তর্জাতিক আইন ট্রিটি অন দ্য নন-প্রলিফারেশন অব নিউক্লিয়ার উইপনস অনুসারে, দেশগুলো শান্তিপূর্ণ কাজে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারে। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে না।

ইরান এই চুক্তির সদস্য। তাই তারা যুক্তি দেয় যে তাদের কর্মসূচি বৈধ। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা আশঙ্কা করে, এই ‘শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি’ থেকেই দ্রুত অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।

জেসিপিওএ কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিল
২০১৫ সালে বারাক ওবামার সময়ে করা জেসিপিওএ চুক্তিতে ইরান সম্মত হয়েছিল। কারণ সমৃদ্ধকরণ ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে সীমিত রাখতে তারা সম্মত হয়েছিল। সেন্ট্রিফিউজ সংখ্যা কমাতেও তারা একমত হয়েছিল।

এর বিনিময়ে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। কিন্তু ২০১৮ সালে ট্রাম্প এই চুক্তি থেকে বের হয়ে গেলে পুরো কাঠামো ভেঙে পড়ে। এর পর ইরান ধাপে ধাপে সমৃদ্ধকরণ বাড়াতে শুরু করে এবং এখন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

বর্তমান আলোচনা কেন জটিল
বর্তমান আলোচনায় মূল সমস্যা তিনটি। প্রথমত যুক্তরাষ্ট্র চাইছে সম্পূর্ণ সমৃদ্ধকরণ বন্ধ হোক। দ্বিতীয়ত ইরান চাইছে নিজেদের অধিকার বজায় রাখতে। আর তৃতীয়ত বিশ্বাসের সংকটের কারণে আগের চুক্তি ভেঙে গেছে।

ইরান আপাতত একটি প্রস্তাব দিয়েছে যে তারা ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়ামকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করতে পারে। এটি আংশিক সমাধান হতে পারে, কিন্তু পুরো সমস্যার সমাধান নয়।

বিশ্বে কার কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে
২০২৬ সালের হিসাবে বিশ্বে প্রায় ১২ হাজারের বেশি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি আছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। এ ছাড়া চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া এবং ইসরায়েলের কাছেও পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে (ইসরায়েল তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে না)।

সবচেয়ে ব্যতিক্রমী উদাহরণ হলো দক্ষিণ আফ্রিকা, তারা স্বেচ্ছায় তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করে দিয়েছে।

বর্তমানে পুরো পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দু হলো ‘সমৃদ্ধকরণ’। ইরান বলছে এটি তাদের অধিকার, আর যুক্তরাষ্ট্র বলছে এটি বড় ঝুঁকি।

এই দ্বন্দ্বের সমাধান না হলে নতুন কোনো চুক্তি টেকসই হবে না। আর পারমাণবিক ঝুঁকির যে দাবি যুক্তরাষ্ট্র তুলেছে, সেটিরও অবসান হবে না। এর আগে ইরান বরাবরই বলেছে, তারা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই ইউরেনিয়াম পরিশোধন করছে। অস্ত্র তৈরির কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের। নতুন বাস্তবতায় তাদের এ বিষয়ে অবস্থানগত পরিবর্তন এসেছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়। তবে গোটা বিষয়টি থেকে উদ্ভূত যুদ্ধ, হামলা-পাল্টা হামলা ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া পুরো বিশ্বেই প্রভাব ফেলেছে। এ রকম পরিস্থিতিতে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের আশায় রয়েছে গোটা বিশ্ব। সূত্র: আল জাজিরা

রাশিয়ার ২০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০২:০০ পিএম
রাশিয়ার ২০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার তিউমেন অঞ্চলের একটি প্রধান তেল শোধনাগারে দূরপাল্লার ড্রোন দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরে অবস্থিত এই শোধনাগারটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি তেল প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র।

তিউমেন অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার মুর জানিয়েছেন, হামলার পর শোধনাগার এলাকায় ধ্বংসাবশেষ পড়েছে এবং কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শোধনাগারটির বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তারা তিন হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম এমন নতুন দূরপাল্লার ড্রোন তৈরি করেছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইউক্রেন হামলা জোরদার করায় চলতি জুন মাসে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের হার গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। এর ফলে মস্কোসহ রাশিয়ার বেশ কয়েকটি দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় ইতোমধ্যে জ্বালানিসংকট ও পেট্রলের দাম বেড়েছে।

শনিবার (২০ জুন) এই ড্রোন হামলার কারণে উরাল অঞ্চলের বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। একইদিনে ইউক্রেনীয় বাহিনী দখল করা ক্রিমিয়া ও বেলগোরোড অঞ্চলে রাশিয়ার রসদ সরবরাহের একটি সেতু এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা করেছে। 

অন্যদিকে, রাশিয়াও ইউক্রেনের খারকিভ, জাপোরিঝিয়া ও সুমি অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে খারকিভে রুশ গাইডেড বোমার আঘাতে দুজন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/

শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের শান্তি ও পরমাণু আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

স্থানীয় সময় রবিবার (২১ জুন) ভোরে তিনি সুইজারল্যান্ডের এমমেন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেন।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, রবিবার ভোর ৫টা৫৯ মিনিটে জেডি ভ্যান্স এবং তার স্ত্রী সেখানে পৌঁছান।

সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক রিসোর্টে মূলত এই দ্বিপক্ষীয় কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিকে স্থায়ী রূপ দেওয়াই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।

মার্কিন প্রতিনিধি দলে জেডি ভ্যান্সের পাশাপাশি বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারও রয়েছেন।

অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরাও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন।

গত শুক্রবারই এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা নিয়ে ইরান-মার্কিন উত্তেজনার কারণে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দিন পিছিয়ে যায়।

ওয়াশিংটন ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের জেডি ভ্যান্স জানান, আগামী কয়েক দিনের এই আলোচনায় ইরানের পরমাণু ইস্যু এবং লেবাননের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয় দুটি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে। সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান নিহত

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:১৯ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান নিহত
ছবি: আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান আহমেদ উইশাহ

ফিলিস্তিনের গাজার বুরেজ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান আহমেদ উইশাহ নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুন) একটি বাড়িতে চালানো ওই হামলায় আহমেদ উইশাহসহ অন্তত দুজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

এক বিবৃতিতে আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক এই হত্যাকাণ্ডকে ‘পরিকল্পিত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আল জাজিরার ১২ জন সংবাদকর্মী নিহত হলেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল আহমেদ উইশাহর ভাই মোহাম্মদ উইশাহও ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। দুই ভাইয়ের ক্ষেত্রেই ইসরায়েলি বাহিনী কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাদের ‘হামাস সন্ত্রাসী’ বলে দাবি করে।

আল জাজিরা এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার’ বলে নাকচ করে দিয়েছে। সাংবাদিক অধিকার রক্ষা সংস্থা ‘কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস’ (সিপিজে) জানিয়েছে, প্রমাণ ছাড়াই ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেওয়া ইসরায়েলের একটি নিয়মিত প্রবণতা।

সিপিজের তথ্যমতে, চলমান এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ২৬০ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে। এমনকি গত অক্টোবরে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার পরও ইসরায়েলি হামলায় আরও ১,০০৭ জন নিহত হয়েছেন। সূত্র: আল- জাজিরা

তামান্না রুপা/

বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা
বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলে এস্তাদো মেয়র সদর দপ্তরের বাইরে একজন সৈনিক এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকেন

টানা ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা অবরোধ এবং পদত্যাগের দাবিতে লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।

শনিবার (২০ জুন) তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রেসিডেন্ট জানান, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার সব পথ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

দেশের প্রধান শ্রমিক ইউনিয়ন ফেডারেশনের নাম সিওবি। জরুরি অবস্থা ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই আলোচনার মূল লক্ষ্যই ছিল বিক্ষোভ বন্ধ করা। প্রেসিডেন্টের নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনার প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল। আলোচনার মাধ্যমে বড় একটি অংশের বিক্ষোভ শেষ হলেও একটি মহল এখনো অবরোধ কর্মসূচি বজায় রেখেছে।

প্রেসিডেন্ট পাজ টেলিভিশনে একটি ভাষণ দিয়ে বলেন, ‘আমরা আলোচনার সব পথ ব্যবহার করে যাদের দাবি যৌক্তিক ছিল, তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি। কিন্তু কিছু মহল বলিভিয়াকে অস্থিতিশীল করতে চায় এবং সহিংসতা বাড়াতে চায়। আমরা তাদের চিহ্নিত করার পরই দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

বলিভিয়ায় গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট চলছে। পাজ একজন মার্কিন-সমর্থিত প্রেসিডেন্ট। এই সংকট মোকাবিলায় তিনি কিছু পরিকল্পনা করেছিলেন। এর বিরুদ্ধে গত মে মাসের শুরুতে আন্দোলন শুরু করে সিওবি। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সাধারণ শ্রমিক, কৃষক ও খনিশ্রমিক, ট্রাকচালক এবং শিক্ষকরাও ছিলেন। তারা এই মধ্য-ডানপন্থি প্রেসিডেন্টের অর্থনৈতিক সংস্কার বাতিলসহ তার পদত্যাগ দাবি করেন। পাজ মাত্র সাত মাস আগে ক্ষমতায় এসেছেন। তার এই জয়ের মাধ্যমে দেশটিতে টানা ২০ বছরের সমাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটেছিল।

দেশজুড়ে চলা এই অবরোধের কারণে রাজধানী লা পাজসহ প্রধান প্রধান শহরে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া খাদ্য এবং ওষুধেরও তীব্র অভাব তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।

এরপর গত শুক্রবার সিওবির সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় সরকার। সিওবির নেতা মারিও আরগোলো ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এখন থেকে দেশব্যাপী সব ধরনের অবরোধ প্রত্যাহার করা হলো।’ চুক্তিটিকে সমর্থন করে প্রেসিডেন্ট পাজ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘শক্তির চেয়ে আলোচনাই বেশি শক্তিশালী।’

কিন্তু সিওবির একটি পক্ষ চুক্তি মেনে নিলেও আরেকটি পক্ষ এটিকে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলিভিয়াকে অস্থিতিশীল করতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই প্রেসিডেন্ট দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শতাধিক লেবার এমপি-মন্ত্রীর

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শতাধিক লেবার এমপি-মন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের ওপর লেবার পার্টির এমপি ও মন্ত্রীদের চাপ বাড়ছে। তাকে পদত্যাগের সময়সূচি নির্ধারণ করতে বলেছেন দলটির মোট ১০৪ জন সংসদ সদস্য। গত বৃহস্পতিবার মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহামের জয়ের পর নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি আরও জোরালো হয়। 

স্টারমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সর্বশেষ এমপিদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র এমপি ফ্যাবিয়ান হ্যামিল্টন, যিনি গত মাসের স্থানীয় নির্বাচনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরেও তার প্রতি অনুগত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী দিন ও সপ্তাহগুলোতে প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা জানাতে হবে এবং অ্যান্ডি বার্নহামকে সেই পরিবর্তন আনার সুযোগ দিতে হবে, যার জন্য আমরা নির্বাচিত হয়েছি।’ লেবার এমপিদের ‘রেড ওয়াল গ্রুপ’-এর চেয়ারম্যান জো হোয়াইট এবং বার্নহামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী লুক চার্টার্সও গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দলত্যাগ করে স্টারমারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

লেবার পার্টির বেশির ভাগ এমপি চান, সম্ভাব্য বিভক্তিকর নেতৃত্ব নির্বাচনের পরিবর্তে স্টারমার স্বেচ্ছায় ক্ষমতা বার্নহামের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করুক। তবে স্টারমার স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন এবং ‘ছেড়ে যাবেন না’। বার্নহামের ঘনিষ্ঠরা স্টারমারকে ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবার এবং মন্ত্রিসভা, এমপি ও পরিবারের মতামত শোনার আহ্বান জানিয়েছেন।

বার্নহামের শিবির এবং সম্ভাব্য আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, তারা এই সপ্তাহে কোনো গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেবেন না। প্রধানমন্ত্রীকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সময় দেওয়া হবে।

সাবেক ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও ভবিষ্যতের যেকোনো প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মন্ত্রিসভার সদস্যরাও স্টারমারকে বলছেন, ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়রের জন্য তাকে অবশ্যই পথ ছেড়ে দিতে হবে। পরিবহনমন্ত্রী হেইডি আলেকজান্ডারসহ অনেকেই ‘দায়িত্ব হস্তান্তরের’ দাবি করছেন।

গত মাসে স্থানীয় নির্বাচনে লেবারের খারাপ ফলাফলের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ ও জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডসহ কয়েকজন মন্ত্রী স্টারমারকে পদত্যাগের সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছিলেন। জানা গেছে, বার্নহামের জয়ের পর থেকে শাবানা মাহমুদ ও স্টারমারের মধ্যে আর কোনো কথা হয়নি। আগামী মঙ্গলবার সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরা একত্রিত হলে সেটি স্টারমারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে। সূত্র: বিবিসি ও দ্য টেলিগ্রাফ