ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইরানের রক্ষণদুর্গে আটকে গেল বেলজিয়াম গোল বাতিল ইরানের, গোলশূন্য প্রথমার্ধ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড পেলের কীর্তিতে ভাগ বসালেন ইয়ামাল জন্মবার্ষিকীতে স্মরণানুষ্ঠান: সুফিয়া কামালের ব্যক্তিত্ব সবাইকে আলোকিত করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা সৌদিকে উড়িয়ে দিল স্পেন যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় প্রথম দফার বৈঠক শেষ, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান ডোকুর ‘বিশ্বকাপ ছাড়ার’ সিদ্ধান্তে সমালোচনার ঝড় মালয়েশিয়ায় কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তিতে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রথমার্ধে সৌদি আরবের জালে ৩ গোল স্পেনের তীব্র গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি প্রথম গোলেই ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের দাফন সম্পন্ন সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা কুড়িগ্রামে এক বাঘা আইড় ৮৫০০০ অজু করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ মাদরাসাছাত্রের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলায় দণ্ডিত ৫৯ জন: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘অসত্য’ বক্তব্য, উত্তপ্ত সংসদ স্পেনের শুরুর একাদশে ইয়ামাল সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু মানিকগঞ্জে ঝোপে মিলল স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়: ইসি সচিব বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে সোনারগাঁওয়ের এমপি পুত্র সজীব আটক

ব্রিটেন কি অশাসনযোগ্য হয়ে উঠছে

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ০৯:২১ এএম
ব্রিটেন কি অশাসনযোগ্য হয়ে উঠছে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ছবি: সংগৃহীত

অ্যান্টনি সেলডন সাবেক আটজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর জীবনী লিখেছেন। নব্বইয়ের দশকে যখন তিনি এই কাজ শুরু করেন, তখন বিষয়টি ছিল বিশাল কিন্তু সুশৃঙ্খল। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাসিন্দারা তখন কয়েক বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকতেন। এটি সেলডনকে তাদের সময়কাল ও কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে পর্যালোচনা করার সুযোগ করে দিত। কিন্তু সেলডন এখন সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। রক্ষণশীল সরকারের শেষ সময়ে মাত্র এক বছরে তিনজন নেতাকে বদলে যেতে দেখেছেন। এর পরও সেলডন আশা করেছিলেন, ২০২৪ সালে কিয়ার স্টারমারের বিশাল জয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাবে। লেবার পার্টি পার্লামেন্টে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসে জাতীয় নবজাগরণের ‘এক দশকের’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

কিন্তু স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্বের দুই বছর পার হওয়ার আগেই তার বিদায়ের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে। ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার প্রার্থীদের শোচনীয় পরাজয়ের পর স্টারমারকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তার সহকর্মীরাই। আগামী আগস্টে সেলডনের লেখা ঋষি সুনাকের জীবনী প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু ততদিনে ব্রিটেন হয়তো তার সপ্তম বছরে ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে যেতে পারে। ৭২ বছর বয়সী সেলডন হতাশ হয়ে বলেন, “হয়তো খুব শিগগিরই আমাকে ‘নম্বর ১০-এ অ্যাঞ্জেলা রেনার’ শিরোনামে বই লিখতে হবে।”

ডাউনিং স্ট্রিটের এই অস্থিরতা দেশজুড়ে একটি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—ব্রিটেন কি অশাসনযোগ্য হয়ে পড়ছে? দেশটির সমস্যা বহুমুখী। ২০০৮ সালের আর্থিক সংকট থেকে ব্রিটেন কখনোই পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও প্রকৃত মজুরি স্থবির হয়ে আছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া বা ব্রেক্সিট মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৮ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে বলে ধারণা করা হয়। জি-৭ দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেনের সরকারি বন্ডের মুনাফা সবচেয়ে বেশি এবং শিল্প বিদ্যুতের খরচও সর্বোচ্চ।

এ ছাড়া ব্রিটেনের নির্বাচনি ব্যবস্থাও চাপের মুখে রয়েছে। দেশটির ‘ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট’ পদ্ধতি মূলত দুটি বড় দলের জন্য কার্যকর। এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে লেবার ও কনজারভেটিভ পার্টি আধিপত্য বিস্তার করে আছে। তবে এখন তারা লিবারেল ডেমোক্র্যাটস, গ্রিন পার্টি, রিফর্ম ইউকে ও জাতীয়তাবাদী দলগুলোর কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে। স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্বাধীনতার দাবি যুক্তরাজ্যের অখণ্ডতাকেও হুমকির মুখে ফেলছে।

এত সমস্যার মাঝে অনেকে মনে করেন ব্রিটেনকে শাসন করা এখন অসম্ভব। তবে ইতিহাসবিদ সেলডন মনে করেন, ‘এই হতাশা কেবল স্টারমার ও তার পূর্বসূরিদের ব্যর্থতাকে আড়াল করার অজুহাত মাত্র।’ তার মতে, ‘ব্রিটেন মোটেও অশাসনযোগ্য নয়, বরং সাম্প্রতিক প্রধানমন্ত্রীরাই দেশটিকে অকার্যকর করার চেষ্টা করেছেন।’ 

সেলডনের দৃষ্টিতে বরিস জনসন ছিলেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী কিন্তু বাস্তবায়নে ব্যর্থ। লিজ ট্রাস ছিলেন কট্টর বাজার অর্থনীতির সমর্থক, যার কর ছাড়ের পরিকল্পনা ব্রিটেনের আর্থিক বাজারে ধস নামিয়েছিল। ফলে ক্ষমতার মাত্র ৪৯ দিনের মাথায় তাকে বিদায় নিতে হয়। ঋষি সুনাক যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন কনজারভেটিভ পার্টির ওপর মানুষ এতটাই বিরক্ত ছিল যে, তার পক্ষে ২০২৪-এর নির্বাচনে জেতা অসম্ভব ছিল।

স্টারমারের ক্ষেত্রে সেলডন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মিল খুঁজে পান। তিনি স্টারমারকে একজন সৎ, আন্তরিক ও নীতিবান মানুষ হিসেবে দেখেন। তবে পরিস্থিতির তুলনায় তিনি ‘যথেষ্ট যোগ্য’ নন বলে মনে করেন সেলডন। 

গত সপ্তাহের নির্বাচনের পর ডাউনিং স্ট্রিটে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে স্টারমার একটি ভাষণ দিলেও সেলডনের মতে সেখানে নতুন কোনো দিকনির্দেশনা ছিল না। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বেন আনসেল স্টারমারকে এমন একজন ডাক্তারের সঙ্গে তুলনা করেছেন যিনি রোগীর সামনে দাঁড়িয়ে কেবল বিলাপ করেন, কিন্তু কোনো কার্যকর ওষুধ দেন না। নির্বাচনের সময় কর না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় স্টারমার এখন অর্থ সংগ্রহের জন্য বেসরকারি স্কুল বা খামারিদের মতো ছোট ছোট গোষ্ঠীর ওপর নির্ভর করছেন। এটি তাকে জনপ্রিয় করার বদলে নতুন শত্রু তৈরি করছে।

স্টারমার অবশ্য পদত্যাগ না করার অঙ্গীকার করেছেন ও দেশটিতে বিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে না আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার সহযোগীরা বলছেন, এনএইচএস বা স্বাস্থ্য খাতের ওয়েটিং লিস্ট কমতে শুরু করেছে। এ ছাড়া ব্রেক্সিট-পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্রিটেনের মর্যাদা পুনরুদ্ধার হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মানুষ উন্নতি দেখতে পাচ্ছে না এবং রিফর্ম বা গ্রিন পার্টির মতো দলগুলোর ‘আবেগী’ কথায় বিভ্রান্ত হচ্ছে। তবে বেন আনসেলের মতে, ‘একজন প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই ভালো বিক্রয়কর্মী হতে হয়। যদি পণ্য ভালোও হয় কিন্তু বিক্রেতা তা জনগণের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে না পারেন, তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয় না।’

এই পরিস্থিতিতে অনেক লেবার সংসদ সদস্য এখন অ্যান্ডি বার্নহামের দিকে তাকিয়ে আছেন। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র বার্নহাম বর্তমানে ব্রিটেনের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ। স্টারমারের যেখানে কোনো ভিশন নেই বলে অভিযোগ রয়েছে, সেখানে বার্নহাম ‘ম্যানচেস্টারইজম’ বা জনবান্ধব সমাজতন্ত্রের মাধ্যমে সফল হয়েছেন। তবে বার্নহামের ডাউনিং স্ট্রিটে যাওয়ার পথ সহজ নয়। তাকে প্রথমে পার্লামেন্ট সদস্য হতে হবে। এ জন্য মেকারফিল্ডের একটি আসনে উপনির্বাচন হতে যাচ্ছে, যেখানে বার্নহাম রিফর্ম ইউকের প্রার্থীর মুখোমুখি হবেন। এই নির্বাচনের ফলাফলই নির্ধারণ করবে ব্রিটেনের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে। যদি বার্নহাম পরাজিত হন, তবে লেবার পার্টির সম্ভাবনা দীর্ঘ সময়ের জন্য শেষ হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে ব্রিটেন সত্যি সত্যিই অশাসনযোগ্য হয়ে পড়ার পথে এগিয়ে যাবে। সূত্র: সিএনএন

যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় প্রথম দফার বৈঠক শেষ, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় প্রথম দফার বৈঠক শেষ, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান
ছবি: সংগৃহীত

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যকার প্রথম দফার সরাসরি আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।

 রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি রিসোর্ট বার্গেনস্টকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এক সপ্তাহ আগে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী এটিই ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা।

 দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেন।

এসএন/

যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায়

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায়
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা সুইজারল্যান্ডে শুরু হয়েছে।

এই আলোচনায় অংশ নিয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল, আয়োজক দেশ সুইজারল্যান্ড এবং মধ্যস্থতাকারী দুই দেশ পাকিস্তান ও কাতারের প্রতিনিধিরা।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করে বলেছে, এই বৈঠকগুলো সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) অন্তর্ভুক্ত সব বিষয় নিয়ে একটি বিস্তৃত ও স্থায়ী চুক্তি সম্পন্ন করার পথ তৈরি করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষায়িত কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সই করা একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিকে এগিয়ে নিতেই মূলত সুইজারল্যান্ডে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে ইরানি প্রতিনিধি দলে রয়েছেন আব্বাস আরাঘচি।

এদিকে এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. ভ্যান্সের সাথে বৈঠক করেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুসারে, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে একটি চতুর্পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

গোপনে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বিপ্লব দেব

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
গোপনে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বিপ্লব দেব
ছবি: সংগৃহীত

ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বিজেপি সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে রাজনৈতিক মহল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিনি সম্প্রতি নতুন জীবনে পা রেখেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

খবরে বলা হয়, নববধূ দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বাসিন্দা এবং অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত। তবে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। 

আগামী ২৪ জুন আগরতলার একটি অভিজাত হোটেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতে পারে বলেও বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে বিপ্লব দেব ও তার স্ত্রী নীতি দেবের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের অবসানের পর তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। বিপ্লব দেব ও নীতি দেবের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

ত্রিপুরার গোমতী জেলার উদয়পুর মহকুমার রাজধরনগর গ্রামে জন্ম নেওয়া বিপ্লব দেব ছাত্রজীবন শেষে দীর্ঘ সময় দিল্লিতে কাটিয়েছেন। পরে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে বিজেপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 

২০১৬ সালে তিনি ত্রিপুরা বিজেপির সভাপতি হন এবং তার নেতৃত্বেই ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। এরপর তিনি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

২০২২ সালে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর তিনি রাজ্যসভার সদস্য হন। পরে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা পশ্চিম আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে লোকসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বিজেপির বিভিন্ন সাংগঠনিক ও জাতীয় পর্যায়ের কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় রয়েছেন।

দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিপ্লব দেব বা বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল থাকলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে ত্রিপুরাবাসী। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

রাশিয়ার ২০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০২:০০ পিএম
রাশিয়ার ২০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার তিউমেন অঞ্চলের একটি প্রধান তেল শোধনাগারে দূরপাল্লার ড্রোন দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরে অবস্থিত এই শোধনাগারটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি তেল প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র।

তিউমেন অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার মুর জানিয়েছেন, হামলার পর শোধনাগার এলাকায় ধ্বংসাবশেষ পড়েছে এবং কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শোধনাগারটির বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তারা তিন হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম এমন নতুন দূরপাল্লার ড্রোন তৈরি করেছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইউক্রেন হামলা জোরদার করায় চলতি জুন মাসে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের হার গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। এর ফলে মস্কোসহ রাশিয়ার বেশ কয়েকটি দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় ইতোমধ্যে জ্বালানিসংকট ও পেট্রলের দাম বেড়েছে।

শনিবার (২০ জুন) এই ড্রোন হামলার কারণে উরাল অঞ্চলের বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। একইদিনে ইউক্রেনীয় বাহিনী দখল করা ক্রিমিয়া ও বেলগোরোড অঞ্চলে রাশিয়ার রসদ সরবরাহের একটি সেতু এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা করেছে। 

অন্যদিকে, রাশিয়াও ইউক্রেনের খারকিভ, জাপোরিঝিয়া ও সুমি অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে খারকিভে রুশ গাইডেড বোমার আঘাতে দুজন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/

শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের শান্তি ও পরমাণু আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

স্থানীয় সময় রবিবার (২১ জুন) ভোরে তিনি সুইজারল্যান্ডের এমমেন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেন।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, রবিবার ভোর ৫টা৫৯ মিনিটে জেডি ভ্যান্স এবং তার স্ত্রী সেখানে পৌঁছান।

সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক রিসোর্টে মূলত এই দ্বিপক্ষীয় কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিকে স্থায়ী রূপ দেওয়াই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।

মার্কিন প্রতিনিধি দলে জেডি ভ্যান্সের পাশাপাশি বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারও রয়েছেন।

অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরাও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন।

গত শুক্রবারই এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা নিয়ে ইরান-মার্কিন উত্তেজনার কারণে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দিন পিছিয়ে যায়।

ওয়াশিংটন ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের জেডি ভ্যান্স জানান, আগামী কয়েক দিনের এই আলোচনায় ইরানের পরমাণু ইস্যু এবং লেবাননের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয় দুটি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে। সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/