বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ হলো গবেষণা। বিএসএমএমইউর বর্তমান প্রশাসন গবেষণার ক্ষেত্রে সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম।
বুধবার (১ জানুয়ারি) বিএসএমএমইউর চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ ও কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক ও রেডিডেন্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এমন গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে যেসব গবেষণাসমূহ আন্তর্জাতিক জার্নালে গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করা হয়। তাই গবেষণার মান বৃদ্ধির দিকেও নজর দিতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ও রোগ নির্ণয়ের দিকে আরও বেশি নজর দিতে হবে।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিএসএমএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমিন, প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ, কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. শওকত কবীর, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. রেজাউর রহমান প্রমুখ।
এর আগে সকালে শিশু সার্জারি বিভাগে বর্ষবরণ, ১০তম ব্যাচের রেসিডেন্টদের বিদায় অনুষ্ঠানে যোগ দেন উপাচার্য।
অনুষ্ঠানে শিশু সার্জারি বিভাগের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. অধ্যাপক ডা. কে এম দিদারুল ইসলামকে বরণ করে নেওয়া হয় এবং সদ্য সাবেক বিদায়ী চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সুশংকর কুমার মন্ডলকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, শিশু সার্জারি বিভাগে ২০২৪ সালে ইনডোর ও আউটডোরে প্রায় ১০ হাজার রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এরমধ্যে এক হাজার তিন শতাধিক রোগীর অপারেশন করা হয়েছে। শিশু সার্জারি বিভাগে ২০২৪ সালে তিনটি জোড়া লাগানো শিশুর অত্যন্ত জটিল অপারেশন সফলভাবে করা হয়েছে। এরমধ্যে তিন মাস বয়সী শিশু আবু বকর ও ওমর ফারুক এবং এক বছর ছয় মাস বয়সী শিশু নূহা ও নাবাকে বিভিন্ন ধাপে জটিল অস্ত্রোচারের মাধ্যমে তাদের সফলভাবে পৃথকীকরণ করা হয়েছে। এক বছর তিন মাস বয়সী শিশু সুমাইয়া ও খাদিজার প্রথম দুই ধাপের জটিল অস্ত্রোপচারের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আরিফ সাওন/মেহেদী