মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ‘নিরাপদভাবে দুধ, ডিম, মাছ ও মাংস উৎপাদন নিশ্চিত করা হলে জনগণের প্রয়োজনীয় আমিষ ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে এবং সে ক্ষেত্রে মানুষের চিকিৎসার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যাবে।
রবিবার (১৩ জুলাই) চন্দনাইশ উপজেলা মিলনায়তনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় খামারিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের দেশে হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু ও মাছ উৎপাদনে কীটনাশকের ব্যবহার যতটুকু সম্ভব কমাতে হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে খামারিদের মাঝে নিরাপদ উৎপাদনের বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বর্তমানে খামারিরা নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের জনবল সংকট থাকলেও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তারা নিরলসভাবে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। এতে অনেক খামারি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আতিয়ার রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাজিব হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফেরদৌস আক্তার, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তানভীরসহ প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খামারিরা।