জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সররকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ভাষণ শুরু করেন তিনি।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করছে।
রিফাত/
জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সররকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ভাষণ শুরু করেন তিনি।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করছে।
রিফাত/
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সংস্কার করা হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করবে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, ‘এ প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।’
তিনি আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করবে এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এতে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা মতামত তুলে ধরেন।
অন্তরা/
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পর্যায়ক্রমে ‘ম্যাথ ল্যাব’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিক্ষার্থীদের গণিত শেখাকে আরও সহজ, আনন্দদায়ক ও বাস্তবভিত্তিক করার পাশাপাশি যৌক্তিক চিন্তাশক্তি এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর সাতারকুলে অবস্থিত গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর জ্ঞান অর্থনীতির গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। তাই শিশুদের ছোটবেলা থেকেই গণিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক শিক্ষাসহায়ক অবকাঠামো হিসেবে ম্যাথ ল্যাব চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ম্যাথ ল্যাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ব্যবহারিক ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে গণিতের বিভিন্ন ধারণা সহজে বুঝতে পারবে। এতে তাদের বিশ্লেষণী ক্ষমতা, সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের শিক্ষা-দর্শনের অন্যতম লক্ষ্য হলো এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি শিশু ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, গবেষক কিংবা প্রযুক্তি উদ্ভাবক হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ পাবে। ম্যাথ ল্যাব সেই দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সভায় উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্দেশে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রযুক্তিবান্ধব ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণিতভীতি কমবে এবং তারা বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধানে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।
অন্তরা/
উন্নয়নের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া ব্রিজ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নয়নে বিশ্বাস করেন। এ উন্নয়নের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলব। উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে জনগন আমাদের নির্বাচিত করেছেন। উন্নয়ন দিয়েই সেই প্রত্যাশা পূরণ করব।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, কায়েতপাড়া-নগরপাড়া ব্রিজটি দীর্ঘদিন যাবত প্রত্যাশিত। জনগণের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা পূরণ ও ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য এ ব্রিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী বছরের মধ্যে এ ব্রিজ চালু করা হবে।
এ সময় নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. মেহেদী ইসলামসহ অনেকে।
রুবেল/তামান্না রুপা/
রাজধানীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে সরকার। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০টি ট্রাফিক মোড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল ও ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৭৬টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআইভিত্তিক ট্রাফিক সিগন্যাল ও ক্যামেরা চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন ও যানজট নিরসন-সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ উদ্যোগ উপস্থাপন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ডিএমপি, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধান সড়কগুলোর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ধাপে ধাপে স্বয়ংক্রিয় করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশেষ বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না, পুলিশের নিজস্ব তহবিল থেকেই ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে।
গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব সিগন্যাল ধাপে ধাপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হলেও ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার ইতিহাস দীর্ঘদিন ধরেই অকার্যকারিতার চিত্র বহন করছে। ১৯৬০-এর দশকে প্রথমবারের মতো রাজধানীতে সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু হলেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তা অচল হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ৬৮টি স্থানে সিগন্যাল স্থাপন করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।
২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে জাইকার সহায়তায় চারটি মোড়ে এআই-ভিত্তিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হলেও কিছুদিনের মধ্যেই সেগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে।
অন্তরা/
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫৮ হাজার ৬৩৯ জন বাংলাদেশি হাজি নিরাপদে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) হজ বুলেটিন থেকে জানা যায়, তিনটি নির্ধারিত বিমান সংস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশ সময় ১৮ জুন রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ১৪৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।
সূত্র জানায়, হাজিদের ফিরিয়ে আনতে দেশের তিনটি নির্ধারিত বিমান সংস্থা নিয়োজিত রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সর্বোচ্চ ৭২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫২টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। ফেরত আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে ৫৪ হাজার ৩২০ জন রয়েছেন।
চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন, যার মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী। স্থানভেদে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান। এছাড়া, অসুস্থতার কারণে সৌদির বিভিন্ন হাসপাতালে ৪১৫ জন বাংলাদেশি চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১৬ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। মক্কা-মদিনার মেডিকেল সেন্টার ও আইটি হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে যথাক্রমে ৬৫ হাজার ৮৮৮ জন এবং ২৮_১৬৭ জন হাজিকে বিভিন্ন জরুরি সেবা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ১৭ এপ্রিল ৪১৮ জন যাত্রী নিয়ে বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ে এবং ২১ মে প্রাক-হজ কার্যক্রম শেষ হয়। হজ সমাপন শেষে গত ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলমান থাকবে।
অন্তরা/