আজ পালিত হচ্ছে “জাতীয় সাঁতার শেখা দিবস”। প্রতি বছরের মে মাসের তৃতীয় শনিবার দিবসটি পালন করা হয়।
দিবসটির উদ্দেশ্য শিশু ও অভিভাবকদের পানিতে নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করা এবং সাঁতার শেখার গুরুত্ব তুলে ধরা।
সর্বপ্রথম Swimways Corp ২০১৪ সালে “ন্যাশনাল লার্ন টু সুইম ডে” চালু করে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ছিল শিশু ও পরিবারগুলোর মধ্যে পানিতে নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সাঁতার শেখাকে উৎসাহিত করা। পরবর্তীতে দিবসটি বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাঁতার শুধু বিনোদন বা খেলাধুলা নয়, এটি জীবন রক্ষাকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। গ্রীষ্মকালে নদী, হ্রদ ও সুইমিং পুলে মানুষের উপস্থিতি বাড়ায় পানিতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সাঁতার শেখানো জরুরি।
বাংলাদেশে প্রতি বছর পানিতে ডুবে বহু মানুষের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে অধিকাংশই শিশু। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাঁতার না জানা এবং পানিতে নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতার অভাব এ ধরনের দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ। বাংলাদেশের শহরে বসবাসরত শিশুদের সাঁতার শেখার সুযোগ কম। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সাঁতার শেখানো এবং পানিতে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাঁতার শেখার মাধ্যমে শরীরের পেশি শক্তিশালী হয়, হৃদ্যন্ত্র ভালো থাকে এবং মানসিক চাপ কমে। এটি সব বয়সের মানুষের জন্য উপকারী একটি ব্যায়াম হিসেবেও বিবেচিত।
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সুইমিং ক্লাব ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও সাঁতার প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #LearnToSwimDay হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে দিবসটি সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার
আমান/