ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রামু বৌদ্ধ বিহারে একদিন দ্রুত বিদায়ে হতাশ তুরস্ক কোচ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় বাবা রিকন্ডিশন্ড গাড়িতে বাড়তি কর প্রত্যাহারের আহ্বান বারভিডার আ. লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, তারা মাফিয়া পার্টি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর লজ্জিত আরদা গুলের বেনজিরকে শিগগিরই ফেরত আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ২৮ জন টিনএজ থেকে গ্লোবাল সুপারস্টার চকরিয়ায় শ্রীরামকে অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রূপগঞ্জে  ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নওগাঁয় ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের খাঁচায় ৩ ডাকাত আইওএস ২৭-এ আসছে নতুন ফিচার কেমন ছিল রাসুল (সা.)-এর প্রিয় পোশাক রাঙামাটিতে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে শিক্ষিকার মৃত্যু ব্রাজিলের কাছে হেরেও ফুটবলারদের নিয়ে গর্বিত হাইতির কোচ বরকে মিষ্টিমুখ করাতে গিয়ে প্রাণ গেল চাচা শ্বশুরের ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে চুক্তি হতে পারে ১৫-১৭টি : পররাষ্ট্র সচিব চট্টগ্রামে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় মাদরাসায় হামলা ও দেওয়ালে জয় বাংলা লেখার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’ অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হলো সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের ৯০ মিনিট খেলতে এখনও প্রস্তুত নন ইয়ামাল ৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল ৪ জনের কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক আর নেই

হিটলারের দেশ জার্মানির সামরিক শক্তির বিস্তারিত

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:৪৫ পিএম
আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:০৭ পিএম
হিটলারের দেশ জার্মানির সামরিক শক্তির বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত

জার্মানির সামরিক বাহিনী বেশ কয়েক যুগের বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমান অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। সাম্রাজ্যবাদ থেকে শুরু করে দুটো বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গেছে এই প্রভাবশালী দেশের সেনারা। জার্মানির সামরিক শক্তির ঐতিহাসিক বিবর্তন, বর্তমান সক্ষমতা, দেশটির পরমাণুনীতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিস্তারিত নিয়ে এই লেখা।

ইতিহাসের পাতায় জার্মানির সামরিক শক্তি
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষাংশে ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে জার্মানির সামরিক শক্তি ইউরোপের ত্রাস ছিল। দেশটির প্রুশান সাম্রাজ্যের কাইজার দ্বিতীয় উইলহেমের আমলে শক্তিশালী সেনাবাহিনী ও তৎপর নৌবাহিনীর কল্যাণে জার্মানির সামরিক শক্তি সমীহের জায়গা দখল করে নেয়।

এদিকে কঠোর সামরিক নীতি ও আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির কারণে প্রথম যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটানোয় জার্মানিকে দায়ী করেন বিশ্লেষকরা।

তবে ১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে দেশটির সামরিক খাতকে নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ করে ফেলে বিরোধী রাষ্ট্রের জোট।

১৯৩০-এর দশকে অ্যাডলফ হিটলারের নেতৃত্বে নাৎসি বাহিনী গঠনের মাধ্যমে গোপনে অস্ত্রের বহর শক্তিশালী করে বার্লিন। এর ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ছায়া পড়ে পৃথিবীতে। 

এই যুদ্ধের পর জার্মানির সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি দেশটিও বিভক্ত হয়ে পড়ে। ১৯৫৫ সালে দ্য ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (ওয়েস্ট জার্মানি) বুন্দেসওয়ের নামে সামরিক বাহিনী গঠন করে। অন্যদিকে জার্মান ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক (ইস্ট জার্মানি) গঠন করে সোভিয়েত ঘরানার ন্যাশনাল পিপলস আর্মি। 

১৯৯০ সালে জার্মানি পুনরায় একত্রিত হওয়ার পর ন্যাশনাল পিপলস আর্মি ভেঙে বুন্দেসওয়েরের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

আধুনিক পৃথিবীতে জার্মানির সামরিক সক্ষমতা
বর্তমানে জার্মানির সামরিক বাহিনী স্বয়ংসম্পূর্ণ। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইন্ডেক্সের তথ্যমতে, ১৪৫টি দেশের মধ্যে জার্মানির অবস্থান ১৯। দেশটির সামরিক বাহিনীতে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার সামরিক সদস্য সরাসরি কর্মরত। সাম্প্রতিক বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকি ও পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের কথা বিবেচনা করে এই সংখ্যা দুই লাখ ৩০ হাজারে পরিণত করতে চায় বার্লিন।

সামরিক গঠন
● সেনাবাহিনী: জার্মানি সেনাবাহিনীর রয়েছে শক্তিশালী লেপার্ড-টু ট্যাংক। যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই ট্যাংক দারুণ কার্যকর। এ ছাড়া ‘পুমা সাঁজোয়া যান’ ও অত্যাধুনিক অস্ত্রের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা জাহির করেছে দেশটি।

● নৌবাহিনী (মেরিন): জার্মানির নৌবাহিনী আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন ও সাপোর্ট ভেসেলের মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরে কর্তৃত্ব কায়েম করেছে। জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে জার্মান নৌবাহিনীর বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।

● বিমান বাহিনী: বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অস্ত্রবহরসংবলিত বিমানবাহিনীগুলোর তালিকা করা হলে জার্মানির নাম শুরুর দিকেই থাকবে। ইউরোফাইটার টাইফুন, মাল্টিরোল ফাইটারস্ টর্নেডো এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে আকাশপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে জার্মান বিমানবাহিনী। এ ছাড়া প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও হামলার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই খাতের আধুনিকায়নে মনোযোগ দিয়েছে দেশটি। 

প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় ও আধুনিকায়ন
ন্যাটো সম্প্রতি জোটের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোকে বাজেটের অন্তত দুই শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। এই লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বার্লিন সরকার। এই প্রচেষ্টায় দেশের সামরিক বাহিনীতে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ইউরো ব্যায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধুনিক অস্ত্রসরঞ্জাম মজুদের পাশাপাশি সংকটাপন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। 

আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অভিযানে জার্মানির সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন সামরিক অভিযানের পাশাপাশি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে দেশটি।

জার্মানির পরমাণুনীতি
পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি (এনপিটি) স্বাক্ষরের কারণে বর্তমানে পারমাণবিক অস্ত্র সংরক্ষণে জার্মানি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞায় রয়েছে। তবে ন্যাটোর সদস্য হিসেবে জোটে পারমাণবিক কার্যক্রমে দেশটি সহায়তা করে।

এরই প্রেক্ষিতে দেশটির সার্বভৌম অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু ঘাঁটি রয়েছে। তবে দেশে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু ঘাঁটি থাকায় পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিতর্কের সম্মুখীন হচ্ছে দেশটির প্রশাসন। 

সমালোচনা সত্ত্বেও ন্যাটোর পরমাণু কার্যক্রমে জার্মানির পূর্ণ সহায়তা থাকবে বলে জানিয়েছে বার্লিন প্রশাসন। 

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও কৌশলগত বাধা
বর্তামানে জার্মানির সামরিক বাহিনী বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। রাশিয়ার সঙ্গে জটিল কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব, সাইবারস্পেসে নিরাপত্তার অভাব ও প্রতিরক্ষা বাস্তবায়নে জলবায়ু-সহায়ক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির মতো বেশ কিছু সমস্যা ভোগাচ্ছে জার্মানিকে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে জোট গঠন করছে দেশটি।

প্রতিরক্ষা খাতে উদ্ভাবন
সম্প্রতি জার্মানির সরকার প্রতিরক্ষা খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি ও অস্ত্রের বহর শক্তিশালী করায় মনোযোগ দিয়েছে। দেশেই আধুনিক অস্ত্র তৈরি মাধ্যমে ব্যয় কমিয়ে আরও উন্নতি প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অর্থ বরাদ্দ দিতে পারছে বার্লিন সরকার।

এ ছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, সামরিক খাতে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের পাশাপাশি ইউরোপীয় জোটের সহায়তায় প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নতির দিকেই যাচ্ছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

ইউরোপের সহায়তা
ইউরোপের সহায়তা হারাতে চাইবে না জার্মানি। প্রতিরক্ষা খাতে ইউরোপীয় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে দেশটি মহাদেশীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতেও স্থিতাবস্থা কায়েম করবে বার্লিন।

প্রতিরক্ষা নীতিতে জনগণের অসন্তোষ
প্রতিরক্ষা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দেশে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু ঘাঁটি স্থাপনের  অনুমতি দেওয়ায় বিতর্কের মুখে পড়েছে জার্মানি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জন-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রত্যাশার বোঝাপড়া বার্লিন সফলভাবে করতে পারে কি না- এর ওপরই নির্ভর করছে ভবিষ্যতে দেশটির প্রতিরক্ষানীতি কোন দিকে যাবে।

ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যার দাগ গায়ে লেগে থাকা জার্মানির সামরিক বাহিনী সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে ঈর্ষণীয় উন্নতি করেছে। আন্তর্জাতিক সহায়তার মাধ্যমে দেশটির প্রতিরক্ষা খাত সাফল্যের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাবে বলেই মনে করেন বিশ্লেষকরা।
 
সূত্র: আইরিস ফ্রান্স, ক্লিন এনার্জি ওয়ার, গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইন্ডেক্স, রয়টার্স

নাইমুর/অমিয়/

৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন ঘিরে তার রাশিফল গণনা করেছেন জ্যোতিষীরা। তারা জানিয়েছেন, আগামী বছরটি ট্রাম্পের জন্য চরম উত্থান-পতন, বিতর্ক এবং শারীরিক দুর্বলতায় ভরা একটি বছর হতে চলেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে পুরো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর।

জ্যোতিষী লিসা স্টারডাস্টের মতে, ট্রাম্পের এই জন্মদিনে একটি ‘নতুন চাঁদ’ বা অমাবস্যার যোগ তৈরি হচ্ছে, যা তার ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিদ্রোহ ও বিরোধিতার ইঙ্গিত দেয়।

জ্যোতিষশাস্ত্রে জন্মদিনের সময় সূর্যের অবস্থানকে ‘সোলার রিটার্ন’ বলা হয়, যা আগামী এক বছরের রূপরেখা নির্ধারণ করে।

ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এই সময়টি মোটেও সুখকর হবে না। বিশেষ করে ‘ব্ল্যাক মুন লিলিথ’-এর প্রভাবে ট্রাম্পের ক্যারিয়ারে চারপাশ থেকে প্রবল বিরোধিতার সৃষ্টি হবে এবং মানুষ তার সঙ্গে তীব্র তর্কে জড়িয়ে পড়বে।

অন্যদিকে, জ্যোতিষী সেলেস্তে ব্রুকস জানিয়েছেন, ট্রাম্পের শারীরিক শক্তি বা জীবনীশক্তি আগামী দিনে আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। জন্মদিনের আগের সময়ে চাঁদের একটি বিশেষ অবস্থান বা 'বালসামিক ফেজ'-এর কারণে তার ভেতরের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি আরও বেশি স্পষ্ট হবে।

ব্রুকস বলেন, ‘আদালতে বা বিভিন্ন জায়গায় তার ঘন ঘন ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনাতেই এই ক্লান্তির প্রমাণ মেলে।’

তবে শক্তি কমলেও সিংহ রাশির প্রভাবে তার লড়াই করার মানসিকতা বজায় থাকবে।

জবাবে আগামী আগস্ট মাসে ট্রাম্পের রাশিতে বড় ধরনের একটি ধাক্কা আসতে চলেছে। জ্যোতিষীদের গণনা অনুযায়ী, ‘আগামী ২৬ জুলাই এবং ১২ আগস্টের সূর্যগ্রহণ ট্রাম্পের জীবনে এক বিশাল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এই গ্রহণ তার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যাগুলোকে সামনে এনে দাঁড় করাবে।’

লিসা স্টারডাস্টের আশঙ্কা, ‘এই সময়ে ট্রাম্প চরম বিভ্রান্তির মধ্যে পড়তে পারেন এবং এমনকি তিনি বড় কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়তে পারেন।’

জ্যোতিষী মার্টিনের মতে, ট্রাম্পের রাশি মিথুন হওয়ায় তার স্বভাবসুলভ ‘দ্বিমুখী আচরণ’ এবং অতিরিক্ত কথা বলার প্রবণতা আগামী বছর আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

সব মিলিয়ে জ্যোতিষীদের দাবি, ৮০তম বছরটিতে ট্রাম্পের জীবনে এমন কিছু বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে, যা তাকে ও তার চারপাশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে পুরোপুরি নাড়িয়ে দেবে। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

আজহার/অমিয়/

৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক
প্রতীকী ছবি

মা-বাবার চাপে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিও কলে পরিচয় হওয়া এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন চীনের এক যুবক। কিন্তু বিয়ের মাত্র ৯ দিনের মাথায় তিনি আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন। চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ৩২ বছর বয়সী গু নামের ওই যুবক এই অদ্ভুত দাম্পত্য সংকটে পড়েছেন।

ছেলের দ্রুত বিয়ে হোক- এমন ইচ্ছা থেকেই তার বাবা-মা একটি স্থানীয় ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারের মাধ্যমে উত্তর-পশ্চিম চীনের শানজি প্রদেশের ৩০ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেন।

বিয়ের মধ্যস্থতাকারী যে প্রোফাইল দিয়েছিল, তাতে উল্লেখ ছিল যে, ওই তরুণীর কোনো ঋণ নেই, কোনো অপরাধমূলক অতীত নেই এবং কোনো গুরুতর রোগও নেই। এরপর দুজনের মধ্যে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিওকলে কথা হয়। 

সরাসরি এক বারও দেখা না করেই মাত্র তিন দিনের মধ্যে তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়।

কনের পরিবারকে দেওয়া কনেপণ এবং ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারকে দেওয়া কমিশনসহ মোট প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৮ লাখের বেশি) খরচ হয় যুবকের পরিবারের।

কিন্তু বিয়ের পর স্ত্রীর ক্রেডিট রিপোর্ট পরীক্ষা করে যুবক হতবাক হয়ে যান। তিনি জানতে পারেন, ওই তরুণীর বিপুল ঋণ রয়েছে এবং তার লিভার-সংক্রান্ত কিছু স্বাস্থ্য সমস্যাও আছে। এতে নিজেকে প্রতারিত মনে করে বিয়ের নবম দিনেই তিনি বিচ্ছেদের আবেদন করেন।

প্রথমে এতে সম্মতি দিলেও পরে মত পরিবর্তন করেন তরুণী। তিনি দাবি করেন, বিবাহবিচ্ছেদের খবর তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে এবং তিনি বিষণ্নতায় ভুগছেন। এই অভিযোগে তিনি যুবকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন এবং ৫০ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

অন্যদিকে, নিজেদের প্রতারিত করেছে বলে অভিযোগ তুলে ওই ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারের বিরুদ্ধেও আইনি লড়াই শুরু করেছেন যুবক। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:০৭ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন
ছবি: প্রতীকী (এআই)

একজন নারীর বিশেষ সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসকে উদযাপন করতেই আজ ২০ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘টল গার্ল অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা ‘লম্বা মেয়েদের প্রশংসা দিবস’। 

এই দিনটি কেবল বাহ্যিক রূপের উদযাপন নয়; এটি মূলত লম্বা মেয়েদের দৃপ্ত উপস্থিতি, ভেতরের শক্তি এবং সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার সুন্দর অনুভূতিকে সম্মান জানানোর দিন। প্রতিটি লম্বা মেয়েরই অধিকার রয়েছে নিজেকে পরিমাপের ঊর্ধ্বে গিয়ে অনন্য হিসেবে দেখার।

ভিড়ের মধ্যে আলাদাভাবে নজর কাড়া- কখনো আনন্দের, আবার কখনো বা কিছুটা অস্বস্তির। লম্বা মেয়েদের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা প্রতিদিনের। রাস্তায় চলতে গেলে মানুষের তাকিয়ে থাকা, অদ্ভুত সব প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া কিংবা সস্তা রসিকতার শিকার হওয়া তাদের জন্য নতুন কিছু নয়। কিন্তু সমস্ত অস্বস্তিকে পাশে ঠেলে নিজের উচ্চতা আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে যখন একজন নারী কোনো ঘরে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তৈরি হয় এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় আবহ।

অনেক লম্বা মেয়েই কৈশোরে বা বড় হওয়ার দিনগুলোতে নিজেদের উচ্চতা নিয়ে কিছুটা দ্বিধা বা হীনম্মন্যতায় ভোগেন। এই দিনটি সেই অস্বস্তিকে ঝেড়ে ফেলে বুক চিতিয়ে গর্ব করার সাহস জোগায়। যখন সমাজ তাদের এই অনন্যতাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে, তখন তাদের ফ্যাশন, শারীরিক ভাষা এবং আত্মবিশ্বাস এক নতুন মাত্রা পায়।

যেভাবে উদযাপন করতে পারেন এই দিনটি
খুব সাধারণ কিন্তু দারুণ কিছু উপায়ের মাধ্যমে আপনি আপনার পরিচিত লম্বা মেয়েদের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন এবং এই দিবসটিকে অর্থবহ করে তুলতে পারেন:

খোলামনে প্রশংসা করুন: আপনার পরিচিত কোনো লম্বা মেয়ের উচ্চতা বা চমৎকার ফ্যাশন সেন্সের মন খুলে প্রশংসা করুন। আপনার আন্তরিক ও সুনির্দিষ্ট প্রশংসাসূচক শব্দগুলো তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

ইতিবাচক গল্প শেয়ার করুন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লম্বা মেয়েদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প বা ছবি শেয়ার করুন। ইতিবাচক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তাদের অনন্য অভিজ্ঞতাগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরুন।

একসাথে সৃজনশীল কিছু করুন: আপনার লম্বা কোনো বান্ধবীকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যান বা কোনো খেলায় অংশ নিন। চমৎকার কোনো ফটোশুট করতে পারেন, যেখানে তাঁর উচ্চতা একটি বড় শক্তি হিসেবে ফুটে উঠবে।

ফ্যাশন ও স্টাইল নিয়ে আলোচনা: লম্বা গড়নের নারীদের জন্য মানানসই পোশাকের খোঁজখবর নিতে পারেন। কীভাবে পোশাক পরলে তারা আরও আরামদায়ক ও আত্মবিশ্বাসী বোধ করবেন, সেই স্টাইল টিপসগুলো একে অপরের সাথে শেয়ার করুন।

সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন: একদম সাধারণ মুহূর্তগুলোতেও আনন্দ খুঁজুন। যেমন—নিচু কোনো তাক থেকে কোনো জিনিস নামাতে কাউকে সাহায্য করুন, আবার উঁচু কোনো তাকের জিনিস নাগাল পেতে হাসিমুখে তাদের সাহায্য নিন (যদি উভয়ই এতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন)।

এই দিবসের ইতিহাস
কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণা বা বহুজাতিক কোম্পানির প্রচারণায় এই দিনের সৃষ্টি হয়নি। এর শুরুটা হয়েছিল ইন্টারনেটের বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ এবং ছোট ছোট ওয়েবসাইটে লম্বা মেয়েদের অধিকার ও সৌন্দর্য নিয়ে সাধারণ কিছু আলোচনার মাধ্যমে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে এই ধারণাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

লম্বা নারী এবং তাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা যখন নিজেদের জীবনের সত্য গল্প, ছবি এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করা শুরু করেন, তখন ডিজিটাল দুনিয়ায় একটি ইতিবাচক সাড়া পড়ে। ২০২০ সালের দিকে এই আন্দোলনটি আরও জোরালো রূপ নেয়। দেখা যায়, প্রতি বছরের ২০ জুন তারিখটিতে এই সংক্রান্ত পোস্ট, মিম এবং হ্যাশট্যাগের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। কোনো সরকারি স্বীকৃতি না থাকলেও, লম্বা মেয়েদের প্রতি ভালোবাসা আর সম্মান থেকেই দিনটি ‘টল গার্ল অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।

এর পেছনে আরেকটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। ১৯৩৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘টল ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল’ (Tall Clubs International) নামের একটি সংস্থা গঠিত হয়েছিল। কায়ে সামনার আইনফেল্ড নামের এক নারী নিজের উচ্চতা নিয়ে সামাজিক সংগ্রামের কথা লিখে একটি পত্রিকায় কলাম প্রকাশ করেছিলেন। সেই লেখা পড়ে আরও অনেক লম্বা মানুষ তাঁর সাথে যোগ দেন। ইন্টারনেট আসার বহু বছর আগেই এই ক্লাবটি লম্বা মানুষদের একত্রিত করতে এবং তাদের মনে আত্মবিশ্বাস জোগাতে কাজ শুরু করেছিল।

লম্বা নারীদের নিয়ে কিছু আকর্ষণীয় ও বৈজ্ঞানিক তথ্য
উচ্চতার বৈশ্বিক মানচিত্র: জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারীরা বাস করেন উত্তর ও পূর্ব ইউরোপে। নেদারল্যান্ডস, লাটভিয়া, এস্তোনিয়াসহ বাল্টিক ও বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর নারীরা গড়ে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা হয়ে থাকেন। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার নারীদের গড় উচ্চতা তুলনামূলকভাবে বেশ কম।

হৃদরোগের ঝুঁকি কম: চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক বিশাল গবেষণায় দেখা গেছে, জিনগতভাবে লম্বা মানুষের হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি সাধারণদের চেয়ে অনেকটাই কম থাকে।

নার্ভ ও রক্তনালীর সমস্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ লাখের বেশি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, লম্বা মানুষদের পায়ে ভেরিকোজ ভেইন (রক্তনালী ফুলে যাওয়া), রক্ত জমাট বাঁধা এবং পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (স্নায়ুর সমস্যা)-র মতো সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত উচ্চতার কারণে শরীরের নিচের অংশে রক্ত সঞ্চালনে বেশি চাপ পড়ার কারণে এমনটি হতে পারে।

উচ্চ আয় ও জীবন সন্তুষ্টি: অর্থনীতিবিদ ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, লম্বা ব্যক্তিরা ক্যারিয়ারে তুলনামূলকভাবে বেশি আয় করেন এবং নিজেদের জীবন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট থাকেন। গ্যালাপ-হেলথওয়েজ ওয়েল-বিয়িং ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চতার প্রতি ইঞ্চি বৃদ্ধির সঙ্গে পারিবারিক আয় ৪.৫% থেকে ৮.৫% বৃদ্ধির সমপরিমাণ মানসিক সন্তুষ্টির সংযোগ রয়েছে।

বুলিং ও বডি শেমিং: অ্যান্টি-বুলিং সংস্থাগুলোর মতে, রূপ বা শারীরিক গঠন নিয়ে যে ‘অ্যাপিয়ারেন্স-টার্গেটেড বুলিং’ বা হেনস্থা করা হয়, তার অন্যতম বড় শিকার হন লম্বা মেয়েরা। অতিরিক্ত লম্বা বা খাটো হওয়া নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা একজন কিশোরীর আত্মবিশ্বাসে মারাত্মক আঘাত হানে। তাই সমাজকে সচেতন করতে এবং বডি শেমিং রুখতে এই ধরণের দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।

তামান্না রুপা/

ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক
ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরে মাইকেল জ্যাকসনের অনুপ্রাণিত নৃত্য পরিবেশন করে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন এক ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার নাচের ভঙ্গি, ভারসাম্য এবং সৃজনশীল উপস্থাপনা নেটিজনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কোমল কুমারীকে কিং অব পপ মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয় গান ‘বিলি জিন’-এর তালে নাচতে দেখা যায়।

তবে এই পরিবেশনাকে বিশেষ করে তুলেছে শুধু তার দক্ষতাই নয়, বরং শাড়ি পরে অত্যন্ত সাবলীলভাবে জটিল নৃত্যভঙ্গিগুলো তুলে ধরার ক্ষমতা।

ভিডিওটিতে একটি মজার নাটকীয় উপস্থাপনাও রয়েছে। সেখানে কল্পনা করা হয়েছে, ২০২৬ সালের সংগীতনির্ভর চলচ্চিত্র ‘মাইকেল’ দেখার পর যদি তার মা হঠাৎ করেই মাইকেল জ্যাকসনের নাচের প্রতি ভীষণ অনুরাগী হয়ে ওঠেন, তাহলে কী ঘটতে পারে।

সঙ্গীত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোমল একের পর এক মাইকেল জ্যাকসন-অনুপ্রাণিত নৃত্যভঙ্গি পরিবেশন করেন। তার পারফরম্যান্সে ছিল নিখুঁত শরীরী অঙ্গভঙ্গি, রোবোটিক পপিং এবং কিংবদন্তিতুল্য ‘মুনওয়াক’। 

শাড়ির ভারী ভাঁজ এবং স্বাভাবিক চলাফেরার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনি প্রতিটি মুদ্রা অসাধারণ নিখুঁততা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন।

ভারতীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বজনীন পপ সংস্কৃতির এই অভিনব মেলবন্ধন দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পরই প্রশংসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর। 

অনেকেই নৃত্যশিল্পীর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ, সমন্বয় ও দক্ষতার প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, সাধারণ নাচের পোশাকেও যেসব মুদ্রা পরিবেশন করা কঠিন, শাড়ি পরে সেগুলো করা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং।

আবার অনেকে ভিডিওটির হাস্যরসাত্মক উপস্থাপনারও প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, এই মজার ধারণাটি চিত্তাকর্ষক পারফরম্যান্সে বিনোদনের বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।

কয়েকজন দর্শক রসিকতা করে মন্তব্য করেছেন, স্বয়ং মাইকেল জ্যাকসনও হয়তো এই শ্রদ্ধাঞ্জলিকে সাধুবাদ জানাতেন। 

অন্যদের মতে, এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় পপ সংস্কৃতি এবং ভারতীয় ঐতিহ্যের অনন্য মেলবন্ধনের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও
ছবি: সংগৃহীত

রাস্তা জুড়ে যেন বয়ে চলেছে আগুনের স্রোত। দেখে মনে হচ্ছে, কেউ যেন আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তবে সেটি কোনো পানির স্রোত নয়, বরং ফুটন্ত লাভার প্রবাহ। 

গত ১৪ জুন জেগে উঠেছে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের কিলাউইয়া আগ্নেয়গিরি। হাওয়াই ভলক্যানোজ ন্যাশনাল পার্কের ভেতরে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভা আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই দৃশ্যের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান অগ্ন্যুৎপাত নিয়ে এটি কিলাউইয়ার ৪৯তম অগ্ন্যুৎপাত। 

স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভার ফোয়ারা প্রায় ৭০০ মিটার উচ্চতায় পৌঁছায়। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আশপাশের এলাকা। 

কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরে অগ্ন্যুৎপাত চললেও লাভা জাতীয় উদ্যানের সীমানার বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। নিরাপত্তার স্বার্থে বর্তমানে পার্কটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, জ্বালামুখ থেকে অবিরাম বেরিয়ে আসছে গলিত লাভা। চারদিকে ছিটকে পড়ছে আগুনের ফুলকি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাভার প্রবাহ আরও তীব্র ও বিস্তৃত হয়ে উঠছে। একসময় তা নদীর মতো গতিপথ তৈরি করে এগিয়ে যেতে শুরু করে। 

কালো আগ্নেয়ছাইয়ে ঢাকা বিস্তীর্ণ ভূমির ওপর দিয়ে বয়ে চলা উজ্জ্বল কমলা-লাল লাভার স্রোত এবং চারপাশে ছড়িয়ে পড়া ধূসর ধোঁয়ার দৃশ্য প্রকৃতির ভয়ংকর অথচ মোহনীয় রূপকেই তুলে ধরেছে।

‘ফক্স ওয়েদার’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। 

প্রকাশের পর থেকেই ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই প্রকৃতির এই বিরল দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।