ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

তাইওয়ান দখলের ‘সক্ষমতা পরীক্ষা’ চীনের

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ০৮:৪০ এএম
আপডেট: ২৫ মে ২০২৪, ০৮:৪০ এএম
তাইওয়ান দখলের ‘সক্ষমতা পরীক্ষা’ চীনের
ছবি: সংগৃহীত

তাইওয়ানের চারপাশে যে মহড়া চলছে তার মধ্য দিয়ে আদতে ‘ক্ষমতা দখলের’ সক্ষমতা পরীক্ষা করছে চীন। মহড়াটি সেভাবেই সাজানো হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের সামরিক বাহিনী। গতকাল শুক্রবার চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) দ্বিতীয় দিনের মতো সামরিক মহড়া চালায় স্বশাসিত ভূখণ্ডটিকে ঘিরে। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স চীনের টেলিভিশন সিসিটিভির বরাত দিয়ে জানায়, ওই স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মহড়াও করেছে চীন। দুই দিনের অনুশীলনের অংশ হিসেবে গতকাল লাইভ মিসাইল ও বোমারু বিমান বহনকারী ফাইটার জেটও পাঠায় তারা।

এর আগে বেইজিং বলেছিল, তাইওয়ানের নতুন প্রেসিডেন্ট লাই চিঙ-তেকে শাস্তি দিতেই তারা ওই মহড়া শুরু করেছে। লাই চিঙ-তে শপথ নেওয়ার পরপরই সামরিক মহড়া শুরু করে চীন। এ ছাড়া নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লাইকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ও আখ্যা দেয় তারা।
স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের অঞ্চল বলে দাবি করে বেইজিং। তবে তাইওয়ান বরাবরই নিজেদের আলাদা বলে দাবি করে এসেছে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর চীনের কড়া সমালোচনা করেছিলেন লাই। তিনি তাইওয়ানকে হুমকি না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন বেইজিংয়ের প্রতি। পাশাপাশি প্রণালির দুই দিক ‘একে অপরের অধীনস্থ নয়’ বলেও দাবি করেন।

তাইওয়ানের আশপাশে যে মহড়াটি হচ্ছে, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড সেটির নাম দিয়েছে ‘জয়েন্ট সোর্ড-২০২৪ এ’। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, এই মহড়ার উদ্দেশ্য ‘সম্মিলিতভাবে ক্ষমতা দখল, যৌথ আক্রমণ চালানো এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখলের সক্ষমতা পরীক্ষা করা।’

তাইওয়ানের একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, বাসি চ্যানেলের পূর্বপ্রান্তের কাছে বেশ কয়েকটি চীনা বোমারু বিমান পশ্চিমের দ্বীপাঞ্চলের ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ কীভাবে নেওয়া যায়, সেটির মহড়া করেছে।

অন্যদিকে চীনের কোস্ট গার্ড বলেছে, তারা শুক্রবার তাইওয়ানের পূর্ব জলসীমায় ‘আইন প্রয়োগসংক্রান্ত মহড়া’ করেছে। সে মহড়ায় যাচাইকরণ, শনাক্তকরণ, সতর্কতা ও প্রতিহত করার মতো বিষয়গুলোতে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সূত্র: সিএনএন, রয়টার্স 

পিয়ংইয়ং সফরে পুতিন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০৮:৫৭ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০৯:১৩ এএম
পিয়ংইয়ং সফরে পুতিন
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে স্বাগত জানাচ্ছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। ছবি: কেসিএনএ

অবশেষে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে অবতরণ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আনুষ্ঠানিকভাবে ২৪ বছর পর তিনি উত্তর কোরিয়া সফর করছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাতে তিনটার দিকে পুতিনকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি পিয়ংইয়ংয়ে অবতরণ করে। এ সময় তাকে বিমানবন্দরের স্বাগত জানান উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা তাস এ খবর জানিয়েছে।

এই সফরে দুই নেতা রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে শক্ত বন্ধনের বহিঃপ্রকাশ।  

পুতিনের নীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে দুই দেশ একটি নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব স্বাক্ষর করতে পারে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ২০০০ সালে তিনি উত্তর কোরিয়া সফর করেছিলেন। তখন দেশটির নেতৃত্বে ছিলেন কিম জং ইল, যিনি ২০১১ সালে মারা যান। পরে তার ছেলে কিম জং উন তার স্থলাভিষিক্ত হন।

তাস জানিয়েছে, রুশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পিয়ংইয়ংয়ে পুতিনের সঙ্গে সফর করছেন। এর মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ, প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্টুরভ, উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসভ, উপ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আলেক্সি ক্রিভোরুচকো, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো, পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রধান রোমান স্টারোভয়েট, রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রোসকসমস ইউরি বোরিসভের প্রধান, রাশিয়ান রেলওয়ের প্রধান ওলেগ বেলোজারভ, রাশিয়ার সুদূর পূর্বের প্রিমোরির গভর্নর ওলেগ কোজেমিয়াকো রয়েছেন।

পুতিন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে কমপক্ষে ৯ ঘন্টা কাটাবেন। স্থানীয় সময় দুপুরে আনুষ্ঠানিক স্বাগত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে।

তারপর বেশ কয়েকটি যৌথ নথি স্বাক্ষর ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই সফর শেষ হবে।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভ্লাদিমির পুতিন এবং কিম জং উনের শেষ দেখা হয়েছিল রাশিয়ায়। তখন রাশিয়ার এই বৈঠকেই কিম রুশ নেতাকে তার সুবিধামতো সময়ে পিয়ংইয়ং সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

অমিয়/

চরম অর্থসংকটে ইয়েমেন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৪, ০৩:৪১ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ০৪:১৪ পিএম
চরম অর্থসংকটে ইয়েমেন
ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহী ও সরকারের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে অর্থসংকট তীব্র হচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, প্রায় এক দশকের চলমান এই যুদ্ধের কারণে ইয়েমেনের ধসে যাওয়া অর্থনীতির জন্য আরও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল ও রাজধানী হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে দুই অঞ্চলে ভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাশাপাশি মুদ্রাও ভিন্ন।

ক্রমবর্ধমান অর্থ বিভাজনের কারণে ইয়েমেনের মুদ্রা, রিয়ালের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় ইদুল আজহার আগে রবিবার পোশাক ও মাংসের দাম বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে হুথি বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক এবং সরকারি ব্যাংকগুলোতে অর্থ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে তারল্য সংকটে অ্যাকাউন্ট থেকে ইয়েমেনিরা অর্থ তুলতে পারেনি। এতে করে তারা ব্যাংকের সামনের বিক্ষোভ করে। পরে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করে দেয়। 

২০১৫ সালে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সানা এবং ইয়েমেনের উত্তর ও কেন্দ্রের বেশিরভাগ অংশ দখল করার পর থেকে ইয়েমেন গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। আর আরব আমিরাত, দক্ষিণ বন্দর শহর এডেন, দক্ষিণ এবং পূর্বাঞ্চল শাসন করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় অপারেশন পরিচালক এডেম ওসোর্নু জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘এই সমস্ত কারণে দারিদ্রতা আরও বাড়বে, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও অপুষ্টি আরও বৃদ্ধি পাবে। গৃহযুদ্ধটি এমন এক পর্যায়ে যাচ্ছে যা বিপর্যয়কর প্রভাব ফেলবে।’

২০১৬ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এডেনে স্থানান্তরিত করে নতুন নোট চালু করে। যা হুতিরা নিষিদ্ধ করে। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ গুরুত্বপূর্ণ সদর দপ্তর দক্ষিণ শহরে স্থানান্তরিত করার জন্য ৬০ দিন সময় দিয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের একজন উম আহমেদ বলেন, ‘আমার ছেলেকে স্কুটার কিনে দেওয়ার জন্য টাকা তুলব কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা তুলতে দিচ্ছে না। আমি ৩৫ বছর শিক্ষক হিসেবে এই দেশের সেবা করেছি। আমার টাকা ব্যাংকে জমা রেখেছি, কিন্তু তারা সব নিয়ে গেছে। এই টাকা আমার স্বামী, আমার এবং আমাদের সন্তানদের জন্য।’ সুত্র: আরব নিউজ

সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ইরানের অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে ৬ প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর বিতর্ক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ০২:১৭ পিএম
ইরানের অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে ৬ প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর বিতর্ক
তেহরানের ভ্যালিয়াসর স্কোয়ারে একটি বিলবোর্ডে আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী ছয় প্রার্থীর ছবি প্রদর্শন

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে আগামী ২৮ জুন দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের আগে সোমবার (১৭ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে চার ঘণ্টা লাইভ বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন ছয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী।

নির্বাচনের বাকী আর ১০ দিন। এর মধ্যে মোট পাঁচটি বিতর্কের পরিকল্পনা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হলো প্রথম বির্তক।
 
বিতর্কে প্রার্থীরা যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লড়াই করা এবং ইরানের টালমাটাল অর্থনীতি নিয়ে তাদের প্রস্তাব এবং পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

এ সময় তারা নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার এবং সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি প্রার্থীরা। 

পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, বাজেট ঘাটতি, ইরানের আবাসন সমস্যা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের উপায় নিয়েও কথা বলেছেন প্রার্থীরা।

বিতর্কে অংশ নেওয়া প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি-

মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ:
এ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ৬২ বছর বয়সি গালিবাফ গত চার বছর ধরে ইরানের সংসদে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি এর আগেও তিনবার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হয়ে দুই বার হেরেছেন এবং ২০২১ সালে ইব্রাহিম রাইসির পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

বাঘের গালিবাফ তেহরানের সাবেক মেয়র। এ ছাড়া দেশটির ক্ষমতাধর আধাসামরিক বাহিনী রেভল্যুশনারি গার্ডের সদস্য তিনি। রেভল্যুশনারি গার্ডের সাবেক জেনারেল গালিবাফ কট্টরপন্থী নেতা হিসেবে দেশটিতে বেশি পরিচিত।

ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ১৯৯৯ সালের ছাত্র আন্দোলন কঠোরভাবে দমনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঘের গালিবাফের নাম। তিনি দেশটির পুলিশপ্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সালে এ দায়িত্ব পালনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আমিরহোসেন গাজিজাদে হাসেমি:
৫৩ বছর বয়সি ডা. আমিরহোসেন গাজিজাদে হাসেমি একজন নাক, কান ও গলার সার্জন।

আমিরহোসেন ইরানের রক্ষণশীল আদর্শের বাজনীতিক। এর আগে চার বার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০২১ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

সাঈদ জালিলি:
সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সদস্য ৫৮ বছর বয়সি সাঈদ জালিলি। এর আগে এ কাউন্সিলের সেক্রেটারি ছিলেন তিনি। চার বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক মধ্যস্থতাকারী দলের নেতৃত্বও দেন জালিলি।

তিনি এর আগে দুইবার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হয়েছিলেন এবং ২০২১ সালের নির্বাচনে ইব্রাহিম রাইসির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ান।

মাসউদ পেজেশকিয়ান:
৭০ বছর বয়সি ডা. মাসউদ পেজেশকিয়ান একজন হার্ট সার্জারি বিশেষজ্ঞ। তিনি পাঁচ বার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং চার বছর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

মোস্তফা পুরমোহাম্মদী:
মোস্তফা পুরমোহাম্মদী (৬৫) বছর বয়সী রাজনীতিবিদ এবং ছয় প্রার্থীর মধ্যে গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমোদিত একমাত্র ধর্মগুরু।

আলীরেজা জাকানি:
আলীরেজা জাকানির বয়স ৫৯ বছর। গত তিন বছর ধরে তেহরানের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। জাকানি রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত।

তিনি বিপ্লবী গার্ডের একটি সহযোগী বাহিনী বাসিজের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং চারবার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সূত্র: আরব নিউজ 

পপি/অমিয়/

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হংকং

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৪, ১১:০৪ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ১১:৩৩ এএম
বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হংকং
বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে চীনের হংকং শহর। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে চীনের হংকং শহর।

সোমবার (১৭ জুন) প্রকাশিত মারসার কস্ট অব লিভিংয়ের এক পরিসংখ্যানে এই বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। 

এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে সুইজারল্যান্ডের চারটি শহর- জুরিখ, জেনেভা, বাসেল এবং বার্ন। 

২০২২ ও ২৩ এ এই তালিকার শীর্ষে ছিল সিঙ্গাপুর।

তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের শহর নিউইয়র্ক রয়েছে সপ্তম স্থানে। গত বছর এই তালিকায় লন্ডন ছিল ১৭তম স্থানে কিন্তু এই বছর লন্ডন রয়েছে অষ্টম স্থানে। নবম স্থানে রয়েছে যৌথভাবে বাহামার রাজধানী শহর নাসাউ ও বাহামা শহর। সর্বশেষ দশম স্থানে রয়েছে লস এঞ্জেলেস।

বিশ্বের ২২৬টি শহরের উপর পরিবহণ খরচ, খাবার, পোশাক, গৃহস্থালী সামগ্রী এবং বিনোদনসহ আরও ২০০টিরও বেশি বিষয়ের তুলনামূলক খরচের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যয়বহুল আবাসন বাজার এবং পরিবহন ব্যবস্থা, পণ্য ও পরিষেবার জন্য শহরগুলোতে বসবাসের খরচ বিশেষভাবে বেশি। সূত্র: সিএনএন

সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে পুড়েছে সাড়ে ১৫ হাজার একর জমি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৪, ১০:৪৪ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ১১:০৭ এএম
ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে পুড়েছে সাড়ে ১৫ হাজার একর জমি
দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে অগ্নিনির্বাপক কর্মী

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে পুড়ে গেছে ১৫ হাজার ৬০০ একর জমি। 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সিবিএস নিউজ এ তথ্য জানায়। 

শনিবার (১৫ জুন) রাত থেকে লস অ্যাঞ্জেলসের গরমান এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে দাবানল।

সিবিএস নিউজ, লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, গরম, শুষ্ক আবহাওয়া ও তীব্র বাতাসের কারণে দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে আগুন। নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে লস অ্যাঞ্জেলস অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা। তবে বাতাসের তীব্রতায় ব্যাহত হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ কাজ।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, দিনজুড়ে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮১ কিলোমিটার থাকবে। আগুন জনপদে ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা রয়েছে। 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন লোকালয়ে পৌঁছে যাওয়ায় স্থানীয়দের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। হেলিকপ্টার থেকে আগুন নিরোধক ফেলা হচ্ছে। সূত্র: সিবিএস নিউজ ও লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস

পপি/