ঢাকা ৬ বৈশাখ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

সাগর-রুনী হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১০৭ বারের মতো পেছাল

প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২৮ এএম
সাগর-রুনী হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১০৭ বারের মতো পেছাল
ছবি : সংগৃহীত

আরেক দফা পিছিয়ে গেল সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ। আদালত আগামী ১৬ মে এই প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন। এই নিয়ে ১০৭ বারের মতো পেছাল বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হকের আদালত নতুন দিন ধার্য করে মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) আদেশ দেন আদালত।

এই তথ্য নিশ্চিত করে আদালতের শেরে বাংলানগর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে এদিনও মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এদিন ধার্য করেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনী ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন। পরের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ভোরে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় রুনীর ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় প্রথমে তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন এসআই। 

এর চারদিন পর তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে হত্যা রহস্যের কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি ডিবি। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের নির্দেশে ওই বছরের ১৮ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে তখন থেকে একের পর এক সময় নেওয়ার পরও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেনি র‍্যাব। 

বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি আশফাকুল

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৫০ পিএম
বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি আশফাকুল
মো. আশফাকুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম। 

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন।

এর আগে বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির দায়িত্বে ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. বোরহান উদ্দিন। সম্প্রতি তিনি অবসর নিয়েছেন।

 

শপথ নিলেন পিএসসির সদস্য প্রদীপ কুমার

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:২৫ পিএম
শপথ নিলেন পিএসসির সদস্য প্রদীপ কুমার
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নবনিযুক্ত সদস্য অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে শপথ নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল গোলাম রাব্বানী।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ছিলেন অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে। তাকে গত ১৯ মার্চ পিএসসির সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 

প্রদীপ কুমার পাণ্ডে ১৯৮৯ সালে এসএসসি পাস করেন। ১৯৯১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৯৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক ও ১৯৯৫ সালে একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে তিনি প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। ২০০০ সালে নিজ বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন প্রদীপ কুমার পাণ্ডে। এরপর ২০০৩ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০১১ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৮ সালে পদোন্নতি পেয়ে অধ্যাপক হন।

অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে ২০১০ সালে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম স্টাডিজে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি), ইউনিসেফ, ইউএনডিপি, এশিয়া ফাউন্ডেশন, আর্টিকেল নাইনটিনের রিসোর্স পারসন ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন।

পরীমনিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:২২ পিএম
পরীমনিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি
চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি : সংগৃহীত

হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন আদালত। একই মামলায় পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকেও আদালতে হাজির হতে সমন জারি হয়েছে।

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এবং প্রতিবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে সমন জারির এই নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) এ আদেশ দেন। 

মামলার বাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদের পক্ষে তার আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, বাদীপক্ষ পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছিলেন কিন্তু আদালত তা গ্রহণ করেননি। গত মাসে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। পুলিশের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পরীমনি ও জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে পরীমনি ও তার সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে এই মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, পরীমনি ও তার সহযোগীরা ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর সাভারের বোট ক্লাবে ঢোকেন ও ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন। বাদী (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত ১টা ১৫ মিনিটে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি নাসিরকে ডেকে তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমনি একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। নাসির উদ্দিন এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন। বাদানুবাদের একপর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির মাথায় ও বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হন। বাদী জানান, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে মামলা করেন।

জামিন চেয়ে ফের আবেদনের প্রস্তুতি মিন্নির

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫৮ পিএম
জামিন চেয়ে ফের আবেদনের প্রস্তুতি মিন্নির
আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি জামিন চেয়ে ফের হাইকোর্টে আবেদন করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

এ বিষয়ে বুধবার (১৭ এপ্রিল) তার আইনজীবী শাহিনুজ্জামান শাহীন সাংবাদিকদের জানান, আগামী রবিবার (২১ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন দাখিল করা হবে। 

এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের বেঞ্চ গত বছর ১১ জানুয়ারি মিন্নির জামিনের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। পরে তিনি একই বছরের ৮ মে আবারও আবেদন করেন। এ আবেদনটি গত বছর ৯ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের বেঞ্চে শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ৪৯৭ নম্বরে ছিল। এ আবেদনেরও শুনানি হয়নি। ফলে ফের আবেদন করার প্রস্তুতি নেওয়া হলো। 

আলোচিত এ মামলায় ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১০ আসামির মধ্যে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। বাকি চারজনকে খালাস দেওয়া হয়।

পরে নিয়ম অনুসারে একই বছরের ৪ অক্টোবর ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি ৬ অক্টোবর মিন্নিসহ অন্য আসামিরা আপিল করেন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজ রোডের ক্যালিক্স একাডেমির সামনে স্ত্রী মিন্নির সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে জখম করে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর সহযোগীরা। গুরুতর অবস্থায় রিফাতকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত মারা যান।

এরপর রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ডকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রথমে মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করেছিলেন নিহত রিফাতের বাবা। পরে ওই বছরের ১৬ জুলাই মিন্নিকে তার বাবার বাসা থেকে বরগুনা পুলিশ লাইনসে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ হত্যায় তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে প্রতীয়মান হওয়ায় মিন্নিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছর ২৯ আগস্ট মিন্নিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুভাগে বিভক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। পরে সাক্ষ্য গ্রহণ, যুক্তিতর্ক শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে মিন্নি ছাড়া অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বী আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় ও মো. হাসান। খালাস পান মো. মুসা (পলাতক), রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

পরীমনির বিরুদ্ধে পিবিআইয়ের চার্জশিট শুনানি বৃহস্পতিবার

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১১:১৩ এএম
পরীমনির বিরুদ্ধে পিবিআইয়ের চার্জশিট শুনানি বৃহস্পতিবার

বোট ক্লাবের সাবেক সভাপতি নাছির ইউ মাহমুদের মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। চার্জশিটের ওপর শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দিন ধার্য রয়েছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) নাছির ইউ মাহমুদ দৈনিক খবরের কাগজকে বিষয়টি জানান।

জানা গেছে, পরীমনি ২০২১ সালের ১৪ জুন ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলার ছয় আসামি হলেন বোট ক্লাবের পরিচালক নাছির ইউ মাহমুদ, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও চারজন। ওই মামলার তদন্তের পর ধর্ষণ বা হত্যাচেষ্টার কোনো প্রমাণ পায়নি পুলিশ। এদিকে পিবিআই গত ১৮ মার্চ নাছিরের করা পাল্টা অভিযোগের সত্যতা পেয়ে পরীমনি ও জিমির বিরুদ্ধে তদন্তের চার্জশিট দাখিল করেছে। 

নাছির ইউ মাহমুদ বলেন, ‘ওই ঘটনায় আমি যে আহত হয়েছিলাম এবং হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম, পিবিআই তদন্তকালে আমার কাছ থেকে এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করেছিল।’ 

২০২২ সালের ৬ জুলাই পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও ক্লাবের মূল্যবান জিনিসপত্র ভাঙচুরের অভিযোগে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন নাছির ইউ মাহমুদ।