ঢাকা ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চুয়েটে ‘জামাল নজরুল ইসলাম মেমোরিয়াল সেমিনার’ অনুষ্ঠিত রাজধানী থেকে সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম গ্রেপ্তার মাধবদীতে ২ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেকার যুবকদের জন্য মোবাইল সার্ভিসিং কোর্সের উদ্বোধন সাংবাদিক মোহাম্মাদ শাহজাহান আর নেই ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হলো লিবিয়া, পরিবেশক হিসেবে আসর আল টেকনিয়ার চুক্তি স্বাক্ষর হঠাৎ কেন অবসরে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল পরিচালনা করা রেফারি ভিনচিচ? সীতাকুণ্ডে কিশোর হত্যার ঘটনায় গণপিটুনিতে সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ী ইরান নিহত অনুমোদনহীন এআই ব্যবহারে বাড়ছে তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি: ক্যাসপারস্কি নওগাঁয়  চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু মেসিকে আরও ‘অনেক বছর’ খেলে যাওয়ার আহ্বান ডি মারিয়ার অ্যাস্টন মার্টিন আনছে ‘ভ্যানকুইশ ২৫’ বরিশালকে ‘পরিচ্ছন্ন জ্বালানির শহর’ ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন মেমোরি কার্ড ছাড়া স্টোরেজ বাড়াবেন যেভাবে যেখানে বিদেশের উচ্চশিক্ষাবিষয়ক পরামর্শ দেওয়া হয় আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করুন টাঙ্গাইলে খাল পুনর্খনন শেষে, ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ফেরত শিক্ষিকা বিউটির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনে দোলাচল গোপালগঞ্জে প্রায় চার হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলের আনারস যাচ্ছে বিদেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা জামালপুরে ট্রাকচাপায় শ্রমিক নেতা নিহত হিলিতে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা পায়রা সেতুতে টোল কালেক্টরের মৃত্যু ১২ বছর পেরোলেই মেয়েরা হয়ে যায় ছেলে! আজব এ গ্রামের কাহিনি বিস্ময়ের বেরোবির সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারে ইয়াবাসহ আটক ৩ গাংনীতে এনসিপির সমাবেশস্থলের পাশ থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার ঢামেক চত্বরে ২ ভবঘুরে নারীর মৃত্যু আইন করে মৃত্যু নিষিদ্ধ! পৃথিবীর অদ্ভুত এক ‘মৃত্যুহীন’ গ্রাম

শেয়ারবাজার কারসাজিতে সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ সেপ্টেম্বর

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
শেয়ারবাজার কারসাজিতে সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ সেপ্টেম্বর
সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এ দিন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

২০২৪ সালের ১৭ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/১২০(বি)/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টে অবৈধভাবে সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক একটিভ ট্রেডিং, গেম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বাড়িয়ে কারসাজি করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারান। এই পদ্ধতিতে সর্বমোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা অপরাধলব্ধ অর্থ হিসেবে সংজ্ঞায়িত।

এর মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন। এছাড়া তার নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি মো. আবুল খায়েরের (হিরু) শেয়ারবাজারে কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লি., ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লি. ও সোনালী পেপারস লি.-এর শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন। এতে সাকিব মার্কেট ম্যানুপুলেশনে সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ করেন।

থিওটোনিয়াস/

শেয়ারবাজার কারসাজিতে সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ সেপ্টেম্বর

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
শেয়ারবাজার কারসাজিতে সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ সেপ্টেম্বর
সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এ দিন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

২০২৪ সালের ১৭ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/১২০(বি)/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টে অবৈধভাবে সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক একটিভ ট্রেডিং, গেম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বাড়িয়ে কারসাজি করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারান। এই পদ্ধতিতে সর্বমোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা অপরাধলব্ধ অর্থ হিসেবে সংজ্ঞায়িত।

এর মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন। এছাড়া তার নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি মো. আবুল খায়েরের (হিরু) শেয়ারবাজারে কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লি., ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লি. ও সোনালী পেপারস লি.-এর শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন। এতে সাকিব মার্কেট ম্যানুপুলেশনে সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ করেন।

থিওটোনিয়াস/

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।

সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে এ অভিযোগ জমা দেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মার্জিনা রায়হান।

এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এ মামলায় বর্তমানে ৯ জন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন- সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু।

অন্যদিকে, পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ আরও অনেকে। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদনও করেছে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ চারটি স্থানে ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ ও কুমিল্লায় একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে তদন্ত সংস্থা।

এসজি/

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক ২ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ এএম
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক ২ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ
সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি- মো. আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি- মো. আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি। 

অভিযোগে বলা হয়, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম, খুন ও গণহত্যার ঘটনায় তারা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নীরব থেকে এসব অপরাধের প্রতি পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছেন।

রবিবার (২৬ জুলাই) অভিযোগ দাখিলের পর বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশের জনগণের করের অর্থে বেতন-ভাতা গ্রহণ করলেও সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি।

তাদের দাবি, দেশের বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গুম, খুন, কথিত আয়নাঘর, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং ৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় তারা কোনো প্রতিবাদ বা কার্যকর ভূমিকা পালন করেননি।

তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বাধিনায়ক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বে থাকেন এবং সংবিধানপ্রদত্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু জনগণের জানমাল রক্ষা কিংবা সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে এসব ক্ষমতা প্রয়োগে তারা কোনো উদ্যোগ নেননি। অভিযোগকারীদের মতে, দায়িত্ব পালন সম্ভব না হলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত ছিল।

বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা বলেন, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপ্রধানরা যাতে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, সে লক্ষ্যেই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে দলটির এক প্রতিনিধি বলেন, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন এবং কথিত আয়নাঘরসহ বিভিন্ন গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সময় তারা রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বা ‘উচ্চতর দায়’ নামে একটি স্বীকৃত নীতি রয়েছে। এ নীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্র বা বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ব্যক্তি তার অধীনস্থদের দ্বারা সংঘটিত গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধ বা প্রতিকার করতে ব্যর্থ হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তারও দায়বদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন, সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সংঘটিত ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে এসব ঘটনার দায় থেকে তারা সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি পেতে পারেন না।

অভিনেতা ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম
অভিনেতা ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা
অভিনেতা ডিপজল। ছবি: সংগৃহীত

দেশের চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত অভিযোগ তদন্ত করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপকমিশনারকে (ডিসি) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এর আগে বিচারক মামলার বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

মামলার বাদী ডিপজলের খালাতো ভাই 'এ ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশ' -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক টাইগার। মামলায় ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।

বাদী-র আইনজীবী মাজহারুল ইসলাম মারুফ জানান, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, আজিজুর রহমান টাইগারের সুনাম, সুখ্যাতি, ব্যাবসায়িক সফলতা, দেশ-বিদেশে পরিচিতিতে ঈষান্বিত হয়ে ডিপজল বিভিন্নভাবে অপচেষ্টায় লিপ্ত। এর ধারাবাহিকতায় ম্যানেজার আব্দুল গণি গত বছরের ৩ আগস্ট আজিজুর রহমান টাইগারের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

সেখানে অভিযোগ করা হয়, টাইগারের নির্দেশে ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিলশাদ, সাইদুর রহমানসহ ১০-১৫ জন তাদের (ডিপজলের) ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজিতে জোর করে সাইনবোর্ড ভেঙে তাদের নামে লাগানোর চেষ্টা করে। তারা জমির মালিকানা দাবি করে সামনের মাস থেকে ভাড়া দাবি করে।

তবে জিডির তদন্তে টাইগারের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ। পরদিন ডিপজল তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দেন।

টাইগার দাবি করেন, ওই সম্পত্তির (নাভানা সিএনজি) মালিক তিনি নিজে। ডিপজল ওই সম্পত্তি তার দাবি করে তাকে সমাজে তাকে হেয় করতে চেয়েছেন।

বাদী অভিযোগ করেন, ডিপজল শুধু ফেসবুক পোস্টে ক্ষ্যান্ত হননি। টেলিভিশন, বিভিন্ন পত্রিকায়, অনলাইন নিউজপোর্টালে বিষয়টি প্রচার করে। এতে তার সামাজিক সম্মানহানি করে, ব্যাবসায়িক সুনাম ও কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন।

এম এ জলিল উজ্জ্বল/এএফ

৭ মাসের মেয়েকে আছড়ে হত্যা, বাবা রিমান্ডে

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম
৭ মাসের মেয়েকে আছড়ে হত্যা, বাবা রিমান্ডে
ছবি: সংগৃহীত
স্ত্রীর সঙ্গে কলহের জেরে সাত মাসের কন্যাকে আছড়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় শিশুটির বাবা কবির ইসলামকে তিন দিন রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। 
 
রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। শুনানির জন্য ধার্য তারিখে কারাগার থেকে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
 
শুনানিতে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
 
প্রসিকিউশন শাখার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক হেলাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 
২৩ জুলাই আসামির তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন‌ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান ফয়সাল। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়।
 
১৫ জুলাই সন্ধ্যায় নিজের শিশু কন্যা রাফা মনিকে রাস্তায় আছাড় মারেন বাবা কবির ইসলাম। ঘটনার পরপরই উপস্থিত জনতা তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। পরদিন তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হলে  তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
 
আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরেরদিন দুপুরে শিশুটি মারা যায়।
 
এ ঘটনায় ১৭ জুলাই  কবিরকে একমাত্র আসামি করে শিশুটির নানি শারমীন আক্তার রাজধানীর তুরাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে এই মামলায় কবিরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
 
এম এ জলিল উজ্জ্বল/এএ