ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রান্তিক ধাপের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের সুবিধা পাবেন না বস্তিবাসী গাছ লাগান, সওয়াব কামান পাসপোর্ট ও বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে জটিলতা দূর, বাংলাদেশে টিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ মাস্টার বাড়ি কোরবানির চামড়া বিক্রিতে ধস বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টা কৃষি শব্দকোষ নড়াইলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ঝিনাইদহের এসপি প্রত্যাহার টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ ঝিনাইদহে গাছ থেকে ঝুলন্ত নারীর মরদেহ উদ্ধার জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন সোনারগাঁয় মেঘনা টোলপ্লাজায় লরির ধাক্কায় আহত ৬ খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ
Nagad desktop

অন্ধকার ঘুচাতে চাই সাংস্কৃতিক জাগরণ: কাদের গনি চৌধুরী

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:২০ পিএম
আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৩২ পিএম
অন্ধকার ঘুচাতে চাই সাংস্কৃতিক জাগরণ: কাদের গনি চৌধুরী
‘স্বাধীন শিল্প সংস্কৃতি চর্চা’ শীর্ষক আলোচনায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, অন্ধকার ঘুচাতে চাই সাংস্কৃতিক জাগরণ। সমাজের অন্যায়-অপরাধ নির্মূল করতে হলে বিশেষ করে তরুণদের সাংস্কৃতিক জাগরণ প্রয়োজন। তরুণদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভাবতে হচ্ছে। আমাদের তরুণদের এক আলোকিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত করতে হলে তাদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি উৎসাহিত করতে হবে। তাহলে তারা মননে ও আচরণে আলোকিত মানুষ হতে পারবে।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে মুক্ত বাংলাদেশে ‘স্বাধীন শিল্প সংস্কৃতি চর্চা’ শীর্ষক আলোচনা এবং জুলাই ২০২৪ ছাত্র আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘দ্যা রিমান্ড’ এর টিজার প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

অ্যাডভোকেট কে এম জাবিরের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, এনটিভির পরিচালক নুরুদ্দীন আহমেদ, ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, অ্যাডভোকেট শাহ আহমেদ বাদল, সাংবাদিক এরফানুল হক নাহিদ, কামরুল হাসান দর্পণ, সাদিক আল আরমান, নায়ক মারুফ আকিব ও আবির পারভেজ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংস্কৃতি মানবসভ্যতার একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। জীবনের পরতে পরতে সংস্কৃতির উপাদান জড়িয়ে রয়েছে। বিশ্বায়ন, শিল্পায়ন ও ডিজিটালাইজেশনের কারণে সংস্কৃতির উপাদানগুলো বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিনিময় হয়। সঙ্গত কারণে সংস্কৃতির সঙ্গে উপসংস্কৃতির একটি যোগসাজশ থাকে। উপসংস্কৃতির ও অপসংস্কৃতির প্রভাব যখন আধিক্য বিস্তার করে তখনই মূলত সাংস্কৃতিক সংকট তৈরি হয়, বিদেশনির্ভরতা চলে আসে অনেকের মধ্যে। বাংলাদেশে একটা সাংস্কৃতিক জাগরণের বড্ড প্রয়োজন। এ জাগরণের মধ্য দিয়ে সকল প্রকার অনিয়ম, অন্যায়, নৈরাজ্য চিরতরে রুখে দেওয়া সম্ভব। এ জাগরণের মধ্য দিয়ে অনাবিষ্কৃত সভ্যতার নিদর্শনগুলো জাতীয় সম্পদে পরিচিতি পাবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ করে পর্যটন খাতে অপার সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, সারা দুনিয়া সাংস্কৃতিক জাগরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছে। তারা অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছেন অনিয়ম, অসঙ্গতি, অপরাধ, নৈরাজ্য, সাম্প্রদায়িকতা থেকে জাতিকে সুরক্ষিত করার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারে সাংস্কৃতিক জাগরণ। একমাত্র সাংস্কৃতিক জাগরণই পারে সব পেশা-শ্রেণির মানুষকে একসূত্রে, এক কাঠামোয়, সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকারে দাঁড় করাতে।

সাংস্কৃতিক জাগরণের জন্য একটি আলোড়ন জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি শ্রেণি রয়েছে যারা দেশি সংস্কৃতির বিভিন্ন অনুষঙ্গ বয়কট করে বিজাতীয় সংস্কৃতির ওপর নির্ভর করে এবং বিজাতীয় সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী শ্রেণিটি সামগ্রিকভাবে বিজাতীয় সংস্কৃতি আমাদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায়। এদের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আবদুল হাকিম বলেছিলেন, ‘দেশী ভাষা বিদ্যা যার মনে ন জুরায়, নিজ দেশ ত্যাগী কেন বিদেশ ন যায়’। তিনি যথার্থই বলেছিলেন এবং বর্তমান সময়েও তার ভাষ্য প্রাসঙ্গিক। যারা এ দেশে থেকে, এ দেশের আলো-বাতাসে বড় হচ্ছে কিন্তু দেশি সংস্কৃতির ওপর আস্থা নেই, উপরন্তু তারা বিদেশি সংস্কৃতির ওপর নির্ভর করে নিজেদের আলাদা পরিচয় প্রদানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে তাদের বাংলাদেশে থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বিলেতে ইংরেজি ভাষায় তার কবিগুণ প্রকাশ করতে সেখানে থিতু হয়েছিলেন। পরে বিদেশি ভাষায় ব্যর্থ হয়ে দেশে ফিরে দেশি ভাষায় কাব্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন এবং সফল হন। তিনি তার কবিতায় বাংলা ভাষাকে অবজ্ঞা করে বিদেশি ভাষায় খ্যাতি অর্জনের ভুল সিদ্ধান্তের বিষয়ে তার পাঠকসমাজকে অবহিত করেন। এ ধরনের বহু ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে রয়েছে। নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা, কৃষ্টি অবজ্ঞা করে অন্য সংস্কৃতিতে থিতু হয়ে প্রতিষ্ঠা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। সে কারণেই সাংস্কৃতিক জাগরণ অত্যন্ত প্রয়োজন যে জাগরণের মাধ্যমে দেশি গান, নৃত্য, কবিতা, নাটক, পুঁথি, দেশি ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র ইত্যাদিকে ভালোবেসে স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রায় তরুণ প্রজন্মের শামিল হওয়া জরুরি।

তিনি বলেন, সংস্কৃতির উপাদান যত বেশি সমৃদ্ধ, সভ্যতার বিকাশেও ওই জাতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনয়ন সম্ভব। সংস্কৃতি ও সভ্যতার পরিচর্যা মূলত একটি অন্যটিকে প্রভাবিত করতে পারে।

সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, পূর্বপুরুষের হাত ধরে আবহমানকাল ধরে ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে যে আচারাদিগুলো বাঙালির জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে তা বাঙালির সংস্কৃতি। বাংলার গান, কবিতা, চলচ্চিত্র, সংলাপ, নাটক, উৎসব, পার্বণ ইত্যাদি উৎস মানবজীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে আছে। কাজেই এ বিষয়গুলোই বাঙালির জীবনের সংস্কৃতি। সংস্কৃতির ওপর ভর করেই সামাজিক কাঠামোগুলো স্থিতিশীল হয়, গতিশীলতা পায় সামাজিক কর্মকাণ্ডগুলো। নিজস্ব সংস্কৃতিতে যে জাতি যত বেশি শক্তিশালী এবং নিজস্ব সংস্কৃতির ওপর অব্যাহত চর্চায় অনুশীলন করে সে জাতি কৃষ্টি-কালচারের দিক দিয়ে সমৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ।

তিনি বলেন, সংস্কৃতি একটি জাতির সুস্থির তথা সমৃদ্ধ অবস্থা তুলে ধরতে সহায়তা করে। আঞ্চলিক ভাষাগুলো বিশেষ করে আদিবাসী ভাষাগুলো টিকিয়ে রাখতে হবে, সেজন্য পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, জারি, সারি, প্রবাদবাক্য প্রভৃতি বিষয়ের ব্যবহার ও অনুশীলন পর্যায়ক্রমে কমে আসছে। এ জায়গাগুলোয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে যেমন জাতীয় পর্যায়ে লোকসংগীত, পুরোনো দিনের গান এবং উল্লিখিত গানসমূহ উপজীব্য করে প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে। কেননা সংস্কৃতির চর্চা যত বেশি হবে সভ্যতার বিকাশমান ধারা তত বেশি পরিমাণে আলোড়িত হবে এবং আবিষ্কৃত হবে।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংস্কৃতিকর্মীদের মহড়ার জায়গা নেই, প্রদর্শনের মঞ্চ নেই। পড়াশোনার পাঠাগার নেই, আলোচনার জন্য নেই ফ্রি সেমিনার হল। অন্যদিকে জায়গা, ভবন ও মঞ্চ বেশুমার পতিত হয়ে আছে। অব্যবহৃত জেলা ও উপজেলা সদরের টাউন হলগুলো, পৌর মার্কেট, উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনগুলো। নদী, পুকুর, পার্ক ও হাট উৎসবহীন।

শিল্পীরা না খেয়ে মরেন, যাপন করেন অসম্মানিত জীবন। বই পড়ার সুযোগ নেই। শিল্পীদের পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ নেই। চিত্রশিল্পীদের ছবি প্রদর্শনের গ্যালারি নেই, সিনেমা দেখার সুযোগ নেই। ব্যক্তিমালিকানার হলগুলো বন্ধ হওয়ায় সিনেমা দেখাও প্রায় বন্ধ।

টাউন হলগুলোর ডিজাইন দেখলেই বোঝা যায়, হাসিনা সরকার টাউন হল চিনত না, কমিউনিটি সেন্টার চেনে। প্রত্যেক স্বৈরাচারের মতো তারাও চায়নি সংস্কৃতিচর্চার বিকাশ। এগুলোর টাইলস উঠিয়ে কিছু ইট ধাপে ধাপে বসালেই সত্যিকারের টাউন হলে পরিণত হবে। টাইলস বসানোর সংস্কৃতি থেকে বের হলে লাখখানেক টাকাতেই এটি সম্ভব। সে টাকাও স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তিরা দেবেন, যদি কোথাও দাতা হিসেবে তার নাম থাকে।

টাউন হল এলাকা সংস্কৃতিকর্মীদের এলাকা বলে চিহ্নিত করতে হবে। চত্বরের জমিতে ঘর তুলে সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য বরাদ্দ করলেই সংগঠন গড়ে তোলার জোয়ার ওঠবে। ঘর তুলে দেবেন স্থানীয় ধনাঢ্যরা। শ্বেতপাথরের ফলকে শত বছর ধরে দাতাদের নাম-পরিচয় জ্বলজ্বল করবে। এখনো কারমাইকেল কলেজে ১৯০৮ সালের দাতাদের নাম আমরা পড়তে পাই। ইউএনওরা ডাক দিলে তারা এগিয়ে আসবেন।

মাহফুজ

হরিণাকুণ্ডুতে সাংবাদিককে হাতুড়ি দিয়ে হাত-পা ভেঙে গুরুতর জখম

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:০৫ এএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
হরিণাকুণ্ডুতে সাংবাদিককে হাতুড়ি দিয়ে হাত-পা ভেঙে গুরুতর জখম
দৈনিক কালবেলা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সবুজ শাহরিয়ার। ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার স্থানীয় উপজেলা প্রতিনিধি সবুজ শাহরিয়ারের ওপর নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীরা তাকে হাতুড়িপেটা করে তার একটি হাত ও একটি পা ভেঙে দিয়েছে এবং তার মাথায় গুরুতর আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্মমভাবে আঘাত করেছে।

বুধবার (৩ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার জোড়াদহ ইউনিয়নের বেলতলা গ্রামের সজিব ও ইসরাবের চায়ের দোকানের সামনে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিকের ভাই সেলিম জানান, বুধবার রাতে তার ভাই সবুজ শাহরিয়ার বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় বেলতলা গ্রামের সজিব ও ইসরাবের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে বাবু চেয়ারম্যানের ক্যাডার রকি, সুজন, সার্জন ও সোহেলসহ ৭/৮ জন সাংবাদিক সবুজ শাহরিয়ার ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলাকারীরা লোহার হাতুড়ি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এতে তার একটি হাত ও পা ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ১১টার দিকে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। জোড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) জাহিদুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

একজন সাংবাদিকের ওপর এমন নৃশংস হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সহকর্মীরা অভিযোগ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন বা কোনো সংবাদের জের ধরে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

আহত সাংবাদিক সবুজ শাহরিয়ারের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে রাতেই তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান শুরু করেছেন।

মাহফুজুর রহমান/নাঈম

ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আত্মপ্রকাশ

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:১০ এএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আত্মপ্রকাশ
সম্পাদক শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমান

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা, সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং সম্পাদকদের পেশাগত স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল বা এনইসি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২জুন) দৈনিক আমার দেশ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিভিন্ন দৈনিকের সম্পাদকরা এই কাউন্সিল গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বৈঠকে যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমানকে আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন– নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল, সংগ্রাম সম্পাদক আযম মীর শাহীদুল আহসান, নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, লোকসমাজ সম্পাদক শান্তনু ইসলাম সুমিত, ডেইলি পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর ও জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস উন নূর।

বৈঠকে সংগঠনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিকের সম্পাদকদের নিয়ে জাতীয় কনভেনশন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে ১০ দফা সুপারিশ সিপিজের

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে ১০ দফা সুপারিশ সিপিজের
ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিকদের ওপর দলীয় নিপীড়নের চক্র ভেঙে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। 

গতকাল মঙ্গলবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই আহ্বান জানিয়ে ১০ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্ষমতা গ্রহণের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর এ সুপারিশ জানালো সংগঠনটি। 

সিপিজে এশিয়া-প্যাসিফিক প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী কুনাল মজুমদার বলেন, বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে প্রায়শই প্রতিটি নতুন সরকারের জন্য পূর্ববর্তী প্রশাসনের অনুসারী হিসেবে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনকে ব্যবহার করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার ভিন্ন হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ১০০ দিন পরও অর্থপূর্ণ অগ্রগতি সীমিত। 

তিনি আরও বলেন, ‘কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহারের মাধ্যমে সরকার কাজ শুরু করতে পারে। 

সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধ করা, সাংবাদিকদের মব ভায়োলেন্স থেকে রক্ষা করা, কুৎসা রটানো বন্ধ করা এবং যে আইনগুলোর কারণে এসব সম্ভব হচ্ছে তা সংশোধন করা প্রয়োজন।’

সিপিজে বলেছে, প্রত্যেকবার ক্ষমতার পরিবর্তনের সময় সাংবাদিকদের আটক, বিচার, নজরদারি, আক্রমণ এবং হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে, যার বড় কারণ ছিল সদ্য পতন হওয়া সরকারের প্রতি তাদের কথিত আনুগত্য। 

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সিপিজে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে ১০টি প্রধান পদক্ষেপের পরামর্শ দিয়েছে। 

এগুলোর মধ্যে রয়েছে- সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ব্যবহার বন্ধ করা, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ব্যবহার বন্ধ করা, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, মব ভায়োলেন্স থেকে সাংবাদিক ও নিউজরুম রক্ষা করা, সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬ পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাইবার ক্রাইম মামলা খারিজ করা, সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ সংস্কার করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এর ব্যবহার বন্ধ করা, খসড়া গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ প্রত্যাহার এবং মিডিয়া সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের নীরব করতে ব্যবহৃত পুরোনো আইন এবং নজরদারি কাঠামো বাতিল বা সংশোধন, অ্যাক্রিডিটেশন ব্যবস্থার সংস্কার এবং হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো এবং হেয়প্রতিপন্ন করা বন্ধ করা।

তামান্না রুপা/

সিরাজদীখানে আলোকচিত্রীকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
সিরাজদীখানে আলোকচিত্রীকে কুপিয়ে জখম
ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলায় প্রথম আলোর ফিচার বিভাগের প্রধান আলোকচিত্রী কবির হোসেনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এ ছাড়া কবির হোসেনের ছোট ভাইকেও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের দোসরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, লতব্দী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর মাদবরের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।

আহত কবির হোসেন (৪৫) ও তার ছোট ভাই তকবির হোসেন (৪৪) দোসরপাড়া গ্রামের প্রয়াত মালেক মাদবরের ছেলে। স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সিরাজদীখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে কবির হোসেনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দোসরপাড়া গ্রামে কবির হোসেন পরিবারের দ্বারা পরিচালিত একটি লালন আখড়া রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর মাদবর ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন মাদবর আখড়া এবং এর জমি দখল করে সেখানে ইটভাটা নির্মাণের চেষ্টা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে কবির হোসেনকে হুমকিও দেওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে কবির হোসেন আখড়ার সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ তদারকি করছিলেন। এ সময় জাহাঙ্গীর মাদবর, তার ছেলে তৌহিদ মাদবর, জাহেদ মাদবর, আলাউদ্দিন মাদবর, শাহরিয়ার মাদবর, সংগ্রাম, সাহিল ও আহম্মদ মাদবরসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে হামলা চালান। একপর্যায়ে কবির হোসেনের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার ভাই তকবির হোসেনের ওপরও হামলা চালানো হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কবির হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে জাহাঙ্গীর ও আলাউদ্দিনরা লালনের আখড়া দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। আখড়া রক্ষা করার বিনিময়ে তারা আমার কাছে টাকা চেয়েছিল। আমি রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে আখড়ার লোকজনকে মারধর করেছে। 

আখড়ায় এসে মাদক সেবন ও ব্যবসা করত। দর্শনার্থীদেরও হয়রানি করত। তারা আখড়াটি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল। আজ আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছে। তবে মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তিনি স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারছিলেন না।

স্থানীয় বাউলশিল্পী ও কবির হোসেনের ছোট ভাই তকবির হোসেন বলেন, সময় মতো না গেলে তারা আমার ভাইকে মেরে ফেলত। আমিও আহত হয়েছি। লালনের আখড়া রক্ষা করতে গিয়ে আমরা হামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কায় আছি।

সিরাজদীখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জাহানারা আক্তার জানান, দুপুর দেড়টার দিকে আহত দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে কবির হোসেনের মাথা ও দাঁতে গুরুতর আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হায়দার আলী বলেন, অপরাধী কেউ দলের নাম ব্যবহার করে রেহাই পাবে না। ঘটনার কথা জানার পর আমরা থানায় গিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে অনুরোধ করেছি। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

সিরাজদীখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হান্নান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ইতোমধ্যে প্রধান অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর মাদবরকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তামান্না রুপা/

মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ৬ সাংবাদিক

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ৬ সাংবাদিক
মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড

সিলেটে সাংবাদিকদের জন্য ঘোষিত মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন সিলেটের চার সাংবাদিক। এরই সঙ্গে আরও দুজন সাংবাদিককে দেওয়া হবে সম্মাননা।

আগামী শুক্রবার (৫ জুন) নির্ভানা ইন হলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার এবং সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। 

মাহমুদ হোসাইন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন এ পুরস্কারের উদ্যোক্তাসংস্থা মিডিয়াগাইড-এর নির্বাহী প্রধান মো. ফয়ছল আলম।

তিনি জানান, মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদানের জন্য গঠিত জুরিবোর্ড এ ছয়জনের নাম চূড়ান্ত করেছে। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৫ জুন শুক্রবার সিলেটের মির্জাজাঙ্গালস্থ নির্ভানা ইন হলরুমে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ পুরস্কার এবং সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। 

পুরস্কার হিসেবে আর্থিক সম্মানীর পাশাপাশি সনদপত্র এবং ক্রেস্ট দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অমিয়/