নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের ব্যাপারে তৃণমূল পর্যায়ের অংশীজনদের মতামত গ্রহণে আগামী ১৩ ডিসেম্বর থেকে বিভাগীয় জনমত জরিপ শুরু করবে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন। খুলনা বিভাগ থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সব বিভাগে এই জনমত জরিপ করা হবে বলে জানিয়েছেন কমিশন প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে বিগত তিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (ডিসি) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
এ সময় নির্বাচন কমিশন সংস্কারের বিষয়ে কমিশনের তৈরি প্রতিবেদন আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের কাছে জমা দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ জানান তিনি। ডিসি-ইউএনওদের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে জানতে চাইলে কমিশন প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘পুলিশি পাহারায় অনুষ্ঠিত হওয়া বিগত ওইসব নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো আমাদের জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, ভোটের মাঠে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে হয়েছে তাদের। এমনকি পুলিশ প্রশাসনের কাছেও অসহায় ছিলেন নির্বাচনি কর্মকর্তারা।’
সংস্কার কমিশনের প্রধান আরও জানান, আগামীতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পক্ষেও মত দিয়েছেন বৈঠকে অংশ নেওয়া নির্বাচন কর্মকর্তারা।
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বৈঠকে উপস্থিত থাকার ব্যবস্থা করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান বরাবর চিঠি দেন। সে অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কমিশনের প্রত্যাশিত কর্মকর্তাদের বৈঠকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়। তাদের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপালনকারী দুইজন বিভাগীয় কমিশনার, ১৩ জন ডিসি, ১৪ জন ইউএনও এবং ডিডিএলজি হিসেবে দায়িত্বপালনকারী একজনসহ ৩০ কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।