ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঠেকালো বিজিবি, বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও সীমান্তে পুশইনের আশঙ্কা: বিজিবির নজরদারি জোরদার দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব ও বুবলী হাম উপসর্গে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগের গোপন সভা, গ্রেপ্তার ২ রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক ভেঙে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ,ভরসা বাঁশের সাঁকো বরগুনায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত টাঙ্গুয়ার হাওরে অপরিকল্পিত হাউজবোট চলাচল: বেলার উদ্বেগ প্রকাশ পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রান্তিক ধাপের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের সুবিধা পাবেন না বস্তিবাসী ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা গাছ লাগান, সওয়াব কামান পাসপোর্ট ও বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে জটিলতা দূর, বাংলাদেশে টিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা মাস্টার বাড়ি কোরবানির চামড়া বিক্রিতে ধস বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টা কৃষি শব্দকোষ নড়াইলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ঝিনাইদহের এসপি প্রত্যাহার টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ ঝিনাইদহে গাছ থেকে ঝুলন্ত নারীর মরদেহ উদ্ধার জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন সোনারগাঁয় মেঘনা টোলপ্লাজায় লরির ধাক্কায় আহত ৬
Nagad desktop

সেবার মান না বাড়ালে বিআরটিএর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: পরিবহন উপদেষ্টা

প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:২১ পিএম
সেবার মান না বাড়ালে বিআরটিএর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: পরিবহন উপদেষ্টা
‘সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ, ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসন এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক সভা শেষে গণমাধ্যমকে ব্রিফ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। ছবি: সংগৃহীত

এক মাসের মধ্যে সেবার মান বাড়াতে না পারলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। গাড়ির ফিটনেস ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে প্রয়োজনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা যাবে। সেই সঙ্গে পুলিশকে আগামী সাত দিনের মধ্যে রাজধানীতে যানজট সমস্যার দৃশ্যমান উন্নতি ঘটতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ, ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসন এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক এক সভায় এ কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের চারজন উপদেষ্টা, পুলিশ ও বিভিন্ন সরকারি সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান৷ তিনি সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বাস মালিক সমিতির নেতারা৷ 

ফাওজুক কবির খান বলেন, বিআরটিএকে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে। অবস্থার উন্নতি করতে হবে। বিশেষ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন রাস্তায় যেন চলতে না পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে এবং ফিটনেস দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে বেসরকারি খাতের সহায়তা নিতে হবে।

উপদেষ্টা বলেন, গত অক্টোবরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০ বছরের বেশি পুরোনো বাস আগামী বছরের মে মাসের মধ্যে সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। ট্রাকের ক্ষেত্রে এই সীমা ২৫ বছর। এ ব্যাপারে দেশের জাতীয় দৈনিকগুলোতে বিজ্ঞাপন প্রকাশ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যানজট কমাতে শিক্ষার্থীদের পরিবহনের জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে বাস ব্যবহার করতে বলা হবে। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

উপদেষ্টা বলেন, ঢাকায় যেসব জায়গায় যানজট হয়, সেগুলো চিহ্নিত করার কথা বলেন ফাওজুল কবির। বিশেষ করে রেলক্রসিং ও ফ্লাইওভারে ওঠা-নামার স্থানে যানজট হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

ট্রাফিক পুলিশকে দুই দিনের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যানজট পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়। রাস্তার মধ্যে কোনো গাড়ি অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে যানজট হলে, সেই গাড়িকে জরিমানার বদলে আটক করে নিয়ে আসতে হবে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পুরনো বায়ুদূষণকারী বাস তুলে স্ক্র্যাপ করা হবে। কিছু মানুষের স্বার্থে ঢাকার সব বাসিন্দাকে বায়ুদূষণের শিকার হতে দেওয়া যাবে না। বাস মালিকদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

রিজওয়ানা হাসান জানান, বায়ুদূষণ রোধে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্স ঢাকার রাস্তার ধুলা নিয়ন্ত্রণ, ভাঙা রাস্তা মেরামত এবং আইন প্রয়োগে কাজ করবে। ধুলা, কালোধোঁয়া, ইটভাটা এবং কলকারখানার দূষণ কমাতে কাজ করা হবে। এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী এগিয়ে যেতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে আশুলিয়াকে ইটভাটামুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হতে পারে। এয়ার পিউরিফায়ারের কর কমাতে এনবিআরকে অনুরোধ করা হয়েছে। ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে। তবে আইন প্রয়োগে মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

জয়ন্ত সাহা/এমএ/

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত
মো. নুরুল আমিন। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২২ জনের মধ্যে এক বাংলাদেশি রয়েছেন। তার নাম মো. নুরুল আমিন (৪৪)। তিনি কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের বাসিন্দা।

নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, গত বুধবারের ওই অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দেশের ২২ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া এবং নিহতের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। 

বৃহস্পতিবার রাতে মিশন থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিহতের মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

হাইমিশন জানায়, গত ৩ জুন সংঘটিত ওই অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাংলাদেশি পরিবার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিবার দুটি নয়াদিল্লির কাছাকাছি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং ওই হোটেলেই অবস্থান করছিলেন।

ভারতের রাজধানীতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত বাংলাদেশি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাইমিশন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সব বাংলাদেশি নাগরিককে দেখতে যান। এ সময় তিনি কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

এসএন/

হাম উপসর্গে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
হাম উপসর্গে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ৫১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ১৬৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৭৬ হাজার ৮৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২৪৩ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৫০৩ জন।

১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬২ হাজার ২৮৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১৫৪ জন।

এসএন/

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) মন্ত্রিসভার নবম বৈঠকে ‘প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রণোদনা স্কিম নীতিমালা, ২০২৬’ এবং ‘বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে প্রণীত ‘প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা স্কিম নীতিমালা, ২০২৬’-এর লক্ষ্য হলো প্রবাসী বাংলাদেশিসহ দেশের সব নাগরিককে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ দেশে আনতে উৎসাহিত করা। 

এদিকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় মুনাফাভিত্তিক (ফর-প্রফিট) অথবা অ-মুনাফাভিত্তিক (নট-ফর-প্রফিট) কোম্পানি বা সংগঠন গঠন করতে পারবে। পাশাপাশি এসব কোম্পানি বা সংগঠনের শেয়ার অর্জন ও ধারণের সুযোগও থাকবে। 

মন্ত্রিসভা বৈঠকে একটি বিবিধ সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ
ছবি: সংগৃহীত

আজ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে।

এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে–‘প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা: জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’। প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা হলো প্রকৃতিকে উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানকে গুরুত্ব দেওয়া।

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করে আসছে। ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত মানবিক পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় দিবসটির সূচনা হয়। দিবসটি উপলক্ষে দেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং সচেতনতামূলক নানা আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। কোথাও দাবানল, কোথাও ভয়াবহ বন্যা, দীর্ঘস্থায়ী খরা কিংবা তীব্র তাপপ্রবাহ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন, বন উজাড়, জলাভূমি ভরাট এবং জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে এই সংকট আরও গভীর হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, তাপপ্রবাহ এবং নগরাঞ্চলে পরিবেশ দূষণ দেশের মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্রমেই কঠিন করে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সংশ্লিষ্টরা পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ
ছবি: সংগৃহীত

‘রোড ডিভাইডারে গাছ লাগাই সবুজে সাজাই শহর সবাই’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে তেজগাঁওয়ের বিএসটিআই ও আমাদের সময়ের মাঝখানের সড়ক বিভাজকে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সংগঠনটি দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান ও দৈনিক আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি রণজিৎ সরকার, আমাদের সময়ের অনলাইন ইনচার্জ বিপুল হাসান, সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুল্লাহ ক্বাফী, গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের সদস্য গিরীশ গৈরিক, এমিলিয়া খানম, লাবণ্য লিপি, আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার শাহজাহান মোল্লাসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সার্বিক সহযোগিতা করেছেন শিকদার এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার আমিনুল ইসলাম।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে দৈনিক আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষা ও বাসযোগ্য করতে হলে পরিবেশের বিকল্প নেই। যেহেতু এই পৃথিবী দিন দিন উষ্ণ হয়ে উঠছে। আজ থেকে ১০ বছর আগে এই দেশে গড় তাপমাত্রা কত ছিল? এখন কত? বিষয়গুলো সবাইকে অনুধাবন করতে হবে। বাসযোগ্য দেশ গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। আমরা আজকে এখানে নিম গাছ রোপণ করলাম। প্রশ্ন আসতে পারে নিম গাছ কেন? কারণ নিম গাছ বেশি অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং বেশি করে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটা নাগরিকদের স্বস্তি দেবে। সবুজ পৃথিবী গড়তে প্রত্যেকের অন্তত একটা করে গাছ লাগানো উচিত। বর্তমান সরকার পরিবেশের বিষয়টাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা জুড়ে পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার। 

গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বলেন, পৃথিবীব্যাপী উষ্ণায়ন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এই দিবসকে ঘিরে আজ গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তেজগাঁও এলাকায় রোড ডিভাইডারের মাঝখানে গাছ লাগানো হলো। আমরা এখানে অনেকগুলো নিম গাছের চারা রোপণ করেছি। এটা একটা ঔষধিগাছ। আপনারা জানেন নিম গাছ খুবই উপকারী একটি গাছ। এটি মানুষের রূপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যচর্যায় বিভিন্ন উপকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আসুন সবাই একটি করে হলেও গাছ লাগাই। সবুজে ভরে উঠুক সারা পৃথিবী। 

গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি রণজিৎ সরকার বলেন, আজ আমরা একটি সুন্দর ও মানবিক উদ্যোগ নিয়ে একত্রিত হয়েছি- সড়কের ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে। একটি গাছ শুধু পরিবেশ সুন্দর করে না, এটি আমাদের জীবন রক্ষা করে, বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়, তাপমাত্রা কমায় এবং শহরকে বাসযোগ্যও করে তোলে। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, তীব্র গরম, বায়ুদূষণ ও পরিবেশ বিপর্যয় আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম এবং সচেতন প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ডিভাইডারে রোপিত প্রতিটি চারা হবে দূষণের বিরুদ্ধে একেকটি প্রতিবাদ, উষ্ণতার বিরুদ্ধে একেকটি প্রতিরোধ এবং জীবনের পক্ষে একেকটি সবুজ ঘোষণা। শুধু বৃক্ষরোপণ নয়, বৃক্ষ সংরক্ষণেও সমানভাবে দায়িত্বশীল হব। কারণ প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানে মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষা করা।

গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের সদস্য কবি ও সাংবাদিক গিরীশ গৈরিক বলেন, পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আমরা দেশব্যাপী গাছ লাগাতে চাই। এই প্রত্যাশা নিয়ে আজকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। সরকারের সবুজায়নের উদ্যোগকে শক্তিশালী করতে গ্রিন কনসার্ন’স সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

এসএন/