থ্যালাসিমিয়ায় আক্রান্তদের বাঁচাতে নিয়মিত ও নিরাপদ রক্তের প্রয়োজন । কিন্তু নিরাপদ রক্তের পর্যাপ্ত পাওয়া যায় না। সংকট রয়েছে। যা জাতীয় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। এ সংকট নিরসনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, মেডিকেল শিক্ষার্থী ও তরুণদের আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল ইসলাম।
শনিবার (২১ জুন) বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী ১৪ জুন রক্তদাতা দিবস পালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন দিবসটি পালন করে ২১ জুন। রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং সমাজে রক্তদানের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ‘রক্ত দিন, আশার আলো দিন–একসাথে আমরা জীবন বাঁচাই’- প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, বর্তমানে রক্তের সংকট একটি জাতীয় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে থ্যালাসিমিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত শিশুদের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন হয় নিয়মিত ও নিরাপদ রক্ত। এ সংকট উত্তরণে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, মেডিকেল শিক্ষার্থী ও তরুণদের আরও এগিয়ে আসতে হবে।
ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা মাসুমা রহমান বলেন, আমাদের হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ১২০ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়। অথচ ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত আমাদের প্রয়োজনীয়তা ছিল ১৮ হাজার ব্যাগ, যার বিপরীতে সংগৃহীত হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ব্যাগ রক্ত। এটা একটি বিপজ্জনক সংকেত। এখন সময়, বিশ্ববিদ্যালয়, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার।
আরিফ/মেহেদী/