ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা লালমনিরহাটের ৩ সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে ডাকবাংলোয় মা-মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু: খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত
Nagad desktop

মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ব চায় ডিটিসিএ

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৫, ১০:৩৪ এএম
আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৩ এএম
মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ব চায় ডিটিসিএ
ছবি: সংগৃহীত

মেট্রোরেল পরিচালনা কর্তৃপক্ষ ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ব দাবি করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে আবেদন জানিয়েছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) অধীনে ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) নামে কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সে প্রস্তাবনার পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোরেল বাস্তবায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি হিসেবে ডিএমটিসিএল গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। ডিএমটিসিএল গঠন করার পর ডিটিসিএর অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বে ম্যাস ট্রানজিট উইং প্রতিষ্ঠা করা হয়।

সে কথা উল্লেখ করে নীলিমা আখতারের চিঠিতে বলা হয়, 'সরকারে নির্দেশনা মোতাবেক ডিটিসিএ হলো ডিএমটিসিএলের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ। ডিএমটিসিএল কোম্পানি গঠনের পর তাদের সব রিপোর্টিং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে ডিটিসিএর কাছে পাঠাতো। কিন্তু এখন সেটি করা হয় না। ডিএমটিসিএলের ঊর্ধ্বতন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিটিসিএ কিন্তু ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা এ নির্দেশনা না মেনে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।'

চিঠিতে বলা হয়, 'ডিএমটিসিএলের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ডিটিসিএর মাধ্যম ব্যতীত ডিএমটিসিএল থেকে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ বা অন্যান্য কোনো সরকারি দপ্তরে পত্র/চিঠিপত্র পাঠানো মন্ত্রিসভার বৈঠকের নির্দেশনা পরিপন্থি বলে প্রতীয়মান হয়।'

ডিএমটিসিএলকে সতর্ক করে ডিটিসিএর চিঠিতে বলা হয়, ডিএমটিসিএল ডিটিসির কাছে দায়বদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান। তাই অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান হিসেবে মন্ত্রণালয় বা অন্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ডিটিসিএর মাধ্যমে যেকোনো প্রস্তাব বা চিঠি পাঠানো আবশ্যক।

নীলিমা আখতারের ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, দেশে ও বিদেশে ডিএমটিসিএলের মতো কোম্পানি একটি স্বতন্ত্র বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অধীনে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। কিন্তু ডিএমটিসিএল তার ঊর্ধ্বতন প্রতিষ্ঠান ডিটিসিএকে উপেক্ষা করায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ডিটিসিএ সবকিছু অবহিত হচ্ছে না।

ডিটিসিএর অভিযোগ, মেট্রোরেল ব্যবস্থাপনার জন্য নানা সিদ্ধান্ত নিলেও তা বাস্তবায়ন করছে না ডিএমটিসিএল।

এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, মেট্রোরেলের যাত্রী ও তৃতীয় পক্ষের বীমা করা, এমআরটি লাইনের নির্মাণ পরিকল্পনার অনুমোদন, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, দেশি-বিদেশি নানা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর।

ডিটিসিএ অভিযোগ এনেছে, ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত নানা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে ডিএমটিসিএল।

ঢাকার উত্তরা-উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল লাইন-৬ বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত এবং অনুমোদন, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান (JICA) নিয়োগ, নতুন কোম্পানি হিসেবে এর মূল সনদ প্রস্তুত এবং অনুমোদন, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কাছে আবেদন-এসব কার্যক্রম ডিটিসিএ সম্পন্ন করেছিল।

এসব বিষয়ে জানতে ডিএমটিসিএল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান  এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হককে ফোন করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও আশানুরূপ সাড়া মেলেনি।

পরে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম খবরের কাগজকে বলেন, 'এ ধরনের চিঠির কথা জেনেছি আমরা। নিয়ম অনুযায়ী, যেসব বিষয় সরাসরি ডিটিসিএর মাধ্যমে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে জানাতে হয়, আমরা তা ডিটিসিএর মাধ্যমে জানাই। তবে দৈনন্দিন নানা বিষয়, যেমন মেট্রোরেল পরিচালনা, প্রশাসনিক নানা সিদ্ধান্ত আমরা সরাসরি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করি। সেভাবেই ডিএমটিসিএলকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।' 

জয়ন্ত/মেহেদী/অমিয়/

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) মন্ত্রিসভার নবম বৈঠকে ‘প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রণোদনা স্কিম নীতিমালা, ২০২৬’ এবং ‘বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে প্রণীত ‘প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা স্কিম নীতিমালা, ২০২৬’-এর লক্ষ্য হলো প্রবাসী বাংলাদেশিসহ দেশের সব নাগরিককে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ দেশে আনতে উৎসাহিত করা। 

এদিকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় মুনাফাভিত্তিক (ফর-প্রফিট) অথবা অ-মুনাফাভিত্তিক (নট-ফর-প্রফিট) কোম্পানি বা সংগঠন গঠন করতে পারবে। পাশাপাশি এসব কোম্পানি বা সংগঠনের শেয়ার অর্জন ও ধারণের সুযোগও থাকবে। 

মন্ত্রিসভা বৈঠকে একটি বিবিধ সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ
ছবি: সংগৃহীত

আজ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে।

এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে–‘প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা: জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’। প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা হলো প্রকৃতিকে উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানকে গুরুত্ব দেওয়া।

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করে আসছে। ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত মানবিক পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় দিবসটির সূচনা হয়। দিবসটি উপলক্ষে দেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং সচেতনতামূলক নানা আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। কোথাও দাবানল, কোথাও ভয়াবহ বন্যা, দীর্ঘস্থায়ী খরা কিংবা তীব্র তাপপ্রবাহ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন, বন উজাড়, জলাভূমি ভরাট এবং জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে এই সংকট আরও গভীর হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, তাপপ্রবাহ এবং নগরাঞ্চলে পরিবেশ দূষণ দেশের মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্রমেই কঠিন করে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সংশ্লিষ্টরা পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ
ছবি: সংগৃহীত

‘রোড ডিভাইডারে গাছ লাগাই সবুজে সাজাই শহর সবাই’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে তেজগাঁওয়ের বিএসটিআই ও আমাদের সময়ের মাঝখানের সড়ক বিভাজকে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সংগঠনটি দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান ও দৈনিক আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি রণজিৎ সরকার, আমাদের সময়ের অনলাইন ইনচার্জ বিপুল হাসান, সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুল্লাহ ক্বাফী, গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের সদস্য গিরীশ গৈরিক, এমিলিয়া খানম, লাবণ্য লিপি, আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার শাহজাহান মোল্লাসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সার্বিক সহযোগিতা করেছেন শিকদার এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার আমিনুল ইসলাম।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে দৈনিক আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষা ও বাসযোগ্য করতে হলে পরিবেশের বিকল্প নেই। যেহেতু এই পৃথিবী দিন দিন উষ্ণ হয়ে উঠছে। আজ থেকে ১০ বছর আগে এই দেশে গড় তাপমাত্রা কত ছিল? এখন কত? বিষয়গুলো সবাইকে অনুধাবন করতে হবে। বাসযোগ্য দেশ গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। আমরা আজকে এখানে নিম গাছ রোপণ করলাম। প্রশ্ন আসতে পারে নিম গাছ কেন? কারণ নিম গাছ বেশি অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং বেশি করে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটা নাগরিকদের স্বস্তি দেবে। সবুজ পৃথিবী গড়তে প্রত্যেকের অন্তত একটা করে গাছ লাগানো উচিত। বর্তমান সরকার পরিবেশের বিষয়টাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা জুড়ে পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার। 

গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বলেন, পৃথিবীব্যাপী উষ্ণায়ন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এই দিবসকে ঘিরে আজ গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তেজগাঁও এলাকায় রোড ডিভাইডারের মাঝখানে গাছ লাগানো হলো। আমরা এখানে অনেকগুলো নিম গাছের চারা রোপণ করেছি। এটা একটা ঔষধিগাছ। আপনারা জানেন নিম গাছ খুবই উপকারী একটি গাছ। এটি মানুষের রূপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যচর্যায় বিভিন্ন উপকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আসুন সবাই একটি করে হলেও গাছ লাগাই। সবুজে ভরে উঠুক সারা পৃথিবী। 

গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি রণজিৎ সরকার বলেন, আজ আমরা একটি সুন্দর ও মানবিক উদ্যোগ নিয়ে একত্রিত হয়েছি- সড়কের ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে। একটি গাছ শুধু পরিবেশ সুন্দর করে না, এটি আমাদের জীবন রক্ষা করে, বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়, তাপমাত্রা কমায় এবং শহরকে বাসযোগ্যও করে তোলে। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, তীব্র গরম, বায়ুদূষণ ও পরিবেশ বিপর্যয় আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম এবং সচেতন প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ডিভাইডারে রোপিত প্রতিটি চারা হবে দূষণের বিরুদ্ধে একেকটি প্রতিবাদ, উষ্ণতার বিরুদ্ধে একেকটি প্রতিরোধ এবং জীবনের পক্ষে একেকটি সবুজ ঘোষণা। শুধু বৃক্ষরোপণ নয়, বৃক্ষ সংরক্ষণেও সমানভাবে দায়িত্বশীল হব। কারণ প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানে মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষা করা।

গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের সদস্য কবি ও সাংবাদিক গিরীশ গৈরিক বলেন, পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আমরা দেশব্যাপী গাছ লাগাতে চাই। এই প্রত্যাশা নিয়ে আজকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। সরকারের সবুজায়নের উদ্যোগকে শক্তিশালী করতে গ্রিন কনসার্ন’স সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

এসএন/

দিল্লিতে দগ্ধ ৮ বাংলাদেশির ৩ জনের অবস্থা গুরুতর

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
দিল্লিতে দগ্ধ ৮ বাংলাদেশির ৩ জনের অবস্থা গুরুতর
আগুনে পুড়ে যাওয়া হোটেল। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির মালব্য নগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় বাংলাদেশিদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও হতাহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এ তথ্য জানায়।

হাইকমিশন জানায়, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আহতদের দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছে। এ দুর্ঘটনার পরপরই ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

দিল্লিতে বুধবারের এই অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত ভারতের ৯ জন নাগরিক নিহত এবং ৩ জন আহত হন। এ ছাড়া মোজাম্বিকের ২ জন, লাইবেরিয়ার ১ জন, নাইজেরিয়ার ৪ জন এবং উজবেকিস্তানের ১ জন নাগরিক নিহত হন।

আহতদের মধ্যে নেপাল, ক্যামেরুন, কেনিয়া ও কিরগিজস্তানের ২ জন করে, লাইবেরিয়ার ৩ জন, নাইজেরিয়ার ১ জন এবং কাজাখস্তানের ৩ জন নাগরিক রয়েছেন। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ২৮ জন আহত হন।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:০০ পিএম
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে জলবায়ু সংকট সমগ্র মানবজাতির জন্য অন্যতম বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, দাবদাহ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, খরা এবং জৈববৈচিত্রের অবক্ষয় বিশ্বজুড়ে পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ বৈশ্বিক গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে খুবই সামান্য অবদান রাখলেও ভৌগোলিক অবস্থান, উচ্চ জনঘনত্ব এবং জলবায়ু-সংবেদনশীল অর্থনীতির কারণে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স-২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকির সম্মুখীন। লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা আমাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ এর মধ্যে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও দূরদর্শী নীতি কাঠামো অনুসরণ করছে। পাশাপাশি উপকূলীয় সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’

বর্তমান সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এ লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে।’

কার্বন ক্রেডিট ও বৈশ্বিক কার্বন মার্কেটের সম্ভাবনা কাজে লাগাতেও কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার জোরদার করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান অভিঘাত আজ বিশ্ববাসীর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদ্যাপন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) ঘোষিত এ বছরের প্রতিপাদ্য “ক্লাইমেট অ্যাকশন” বৈশ্বিক জলবায়ু উদ্যোগকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানিয়েছে।’

বাণীতে তিনি সমন্বিত উদ্যোগ, পরিবেশ সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ, বাসযোগ্য ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসএন/