ঢাকা ৭ বৈশাখ ১৪৩১, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

পিলখানা ট্র্যাজেডির রহস্য ধামাচাপা দেওয়া যাবে না: রিজভী

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:০৫ পিএম
পিলখানা ট্র্যাজেডির রহস্য ধামাচাপা দেওয়া যাবে না: রিজভী
ছবি : খবরের কাগজ

পিলখানা ট্র্যাজেডির রহস্য ধামাচাপা দেওয়া যাবে না, একদিন প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হবেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। 

তিনি বলেন, ‘সরকার পুরানো কায়দায় ১৫ বছর পর পিলখানার ঘটনার দায় বিএনপির ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এর সঙ্গে কারা জড়িত ছিল, পাশের কোন দেশ জড়িত ছিল তাও বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।’

মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।  

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. সাহিদা রফিক, তাহসিনা রুশদীর লুনা, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের সদস্যসচিব আব্দুর রহিম, সাবেক নেতা অধ্যাপক ইমতিয়াজ বকুল, যুবদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহবুব মাসুম শান্ত প্রমুখ।

‘বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার পেছনে বিএনপি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত এবং ষড়যন্ত্র তারাই যে করেছে তা স্পষ্ট’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের এমন বক্তব্যর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘সেদিন পিলখানায় কি ঘটেছিল, কারা ঘটিয়েছিল, কেন ঘটেছিল, ঘটনার নেপথ্যের নায়ক কারা, কারা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে হাছান মাহমুদ। তিনি স্বীকার না করলেও দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে সত্য ঘটনা সোমবারও প্রকাশিত হয়েছে।সোমবার পিলখানার সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা নিয়ে বিডিআর এর সাবেক ডিজি লে. জে. (অব.) মো. মইনুল ইসলাম গণমাধ্যমে যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তা দেখে কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আওয়ামী নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে? তিনি সাক্ষাৎকারে বলেছেন- বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে যে তদন্ত কমিটি হয়েছিল তাদেরকে কাজ করতে দেয়নি আওয়ামী সরকার। একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা বিদ্রোহীদের সাথে জড়িত ছিল। যা সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।’

২০০৯ সালের পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে একটি স্বাধীন দেশের ৫৭ জন দেশপ্রেমিক চৌকষ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ করে বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘তাদের পরিবারের নারী ও শিশুদের ওপর বর্বর অত্যাচার করা হয়েছিল। কেবল বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয়, এমনকি বিশ্বের ইতিহাসেও এই নারকীয় বর্বরতা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এটি দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত। এমন একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আওয়ামী লীগ দেশ এবং জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে মনুষ্যত্বহীন ছেলেখেলা শুরু করেছে।’

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ১৫ বছর পর এসে ‘ডামি সরকারে’র মন্ত্রীরা বলছেন, ঘটনার সঙ্গে নাকি বিএনপি জড়িত! একটি সরকার কতটা দায়িত্বহীন হলে এ ধরণের অভিযোগ করতে পারে। সব ঘটনা যদি বিএনপিই করে, তাহলে ক্ষমতা দখলকারী শেখ হাসিনা কি করছেন? লুটপাট, দুর্নীতি আর টাকা পাচার করা?’’

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ১ মার্চ থেকে আবারও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন এমন জানিয়ে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘জনজীবনকে ভয়াবহ দুর্বিষহ করতেই গণবিরোধী সরকার সর্বনাশা পথে হাঁটছে।’

‘বিএনপি বিদেশিদের কাছে শুধু নালিশ করে’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেন,  ‘২০০১ থেকে ২০০৬ তারা কি করেছেন। শুধু দেশে নয় বিদেশেও গিয়ে নালিশ করেছেন তারা। আওয়ামী শুধু দেশে নয় বিদেশে গিয়েও সরকারের বিরুদ্ধে জোরালো নালিশ করেছে। আর আমরা যে নালিশ করেছি সেটি উনি কি করে জানলেন, উনি কি কোন গোপন যন্ত্র ব্যবহার করেন নাকি? মনে হয় ওবায়দুল কাদের বিএনপির বিকল্প স্থায়ী কমিটির সদস্য।’

তিনি বলেন, বিএনপি নয়, খেসারত তো আওয়ামী লীগকে দিতে হবে। এরশাদের সাথে ভোটে গিয়ে জাতীয় বেইমান হিসেবে প্রমাণ করেছিলেন। তাদের মিথ্যাচারের পরিণতি একদিন ভোগ করতে হবে।

শফিকুল ইসলাম/অমিয়/

শোষকশ্রেণির বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জামায়াতের

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৪১ পিএম
শোষকশ্রেণির বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জামায়াতের
মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি : সংগৃহীত

জুলুম-নির্যাতন ও শোষণের অবসান ঘটাতে শোষকশ্রেণির বিরুদ্ধে সবাইকে এক কাতারে এসে কঠিন গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ হারানো গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায়। লুটেরাদের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে চায়। অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে চায়।’ 

শনিবার (২০ এপ্রিল) নরসিংদী জেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক দায়িত্বশীল শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

জেলা আমির মাওলানা মোছলেহুদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আমজাদ হোসাইন প্রমুখ। 

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘৭ জানুয়ারি দেশে কোনো নির্বাচন হয়নি। ডামি নির্বাচনে দেশের মানুষ যায়নি। ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার জনসমর্থনহীন হয়ে পড়েছে। জনগণকে সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সেকুলার, আল্ট্রা সেকুলার রূপ দিয়ে দেশের মানুষকে ধর্মহীন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। মুসলমানদের ধর্মীয় কাজকর্ম সংকুচিত করা হচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত বিরাজনীতিকরণের কারণে দেশের মানুষ সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা।’ 

মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য আমাদের ভূমিকা অব্যাহত রাখতে হবে। জীবনের বাঁকে বাঁকে জমে থাকা জঞ্জাল ঠেলে সামনে এগিয়ে যেতে  হবে। সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

শফিকুল/সালমান/

১০ দিনে পাঁচ লাখ গাছ লাগাবে ছাত্রলীগ

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩৯ পিএম
১০ দিনে পাঁচ লাখ গাছ লাগাবে ছাত্রলীগ
ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবছর নিয়মিতভাবে ছাত্রলীগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে থাকে। পরিবেশ দিবস ২০২৪-কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এক কোটি বৃক্ষরোপণ করে গিনেজ বুকস অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্তির কর্মসূচি পরিকল্পনা করেছে। সাম্প্রতিক এই তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে ছাত্রলীগ আগামী ১০ দিনে পাঁচ লাখের বেশি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। 

শনিবার (২০ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

এক্ষেত্রে সংগঠনের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও রয়েছে। তা হলো চলতি এপ্রিল মাসের ২১-৩০ তারিখের মধ্যে এই কর্মসূচি শেষ করতে হবে; কৃষি বিশেষজ্ঞ ও সরকারের কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহযোগিতা নিয়ে উপযুক্ত স্থানে নিয়মমাফিক বৃক্ষরোপণ করবে; শুষ্ক মৌসুম বিধায় নিয়মিত গাছে পানি দিতে হবে; রোপণকৃত বৃক্ষের পরিচর্যা করতে হবে; প্রতিটি উপজেলা ইউনিট এক হাজার এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইউনিট ৫০০ বৃক্ষরোপণ করবে; বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে; বৃক্ষরোপণের ছবি, ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করতে হবে; একই সঙ্গে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রত্যেক নেতা-কর্মী ও অন্যান্য সাংগঠনিক ইউনিটকে নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছে সংগঠনটি।

প্রধানমন্ত্রীর আতঙ্ক এখনো কাটেনি : রিজভী

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:২৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর আতঙ্ক এখনো কাটেনি : রিজভী
ছবি : খবরের কাগজ

বিনা কারণে লাল দেয়ালের কারাগার এখন বিএনপি নেতা-কর্মীদের ঠিকানা বেশি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, “অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আতঙ্ক এখনো কাটেনি। আতঙ্কিত হওয়ার কারণ তিনি (প্রধানমন্ত্রী) তো জানে জনগণ তো তাকে ভোট দেয়নি। দেশের ৯৫ শতাংশ জনগণ তাকে ভোট দেয়নি। ‘আমি আর ডামি’ ‘আমরা আর মামুদের’ মার্কা নির্বাচন হয়েছে।”

শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে ‘বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবের মুক্তি’র দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

রিজভী বলেন, ‘এই অবৈধ সরকার চোরাবালির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো সময় এই সরকারের গদি বালির মধ্যে ডুবে যাবে। সেই কারণে সরকার ভয়ে হাবিবুন নবী খান সোহেল, সাইফুল আলম নীরব, আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ নেতা-কর্মীদের আটক করে রেখেছে।’

রাজনৈতিক কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা বন্দি নেই- প্রধানমন্ত্রীর গতকাল শুক্রবারের বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘এক এগারোর সময়ে আপনার বিরুদ্ধেও তো মামলা হয়েছিল, সেই মামলাগুলো গেল কোথায়? ব্যাংক লুট হচ্ছে, ঘরবাড়ি লুট হচ্ছে তাদের আপনি ধরতে পারেন না। এর প্রত্যেকটির সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা জড়িত। আর আপনি গ্রেপ্তার করেন আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিবদের।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এই প্রচণ্ড রোদের মধ্যে আপনাদের যে আত্মপ্রত্যয় দেখেছি আমি বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার পতন হবেই। শেখ হাসিনা সরকার টিকবে না। পৃথিবীতে ভালোর জয় হয়, মন্দের পরাজয় হয়। সুতরাং শেখ হাসিনার পতন অনিবার্য।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক আব্দুস সালাম আজাদ, কৃষকদলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব কাজী আবুল বাশার, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ওমর ফারুক কাওসার প্রমুখ।

শফিকুল/সালমান/

শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১৯ পিএম
শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
ছবি : সংগৃহীত

গণঅধিকার পরিষদের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মোহিবুল্লাহ মহিব এবং সদস্যসচিব মাসকুর আলম মামুন সরকার।

শনিবার (২০ এপ্রিল) গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কর্নেল অব. মিয়া মশিউজ্জামান ও সদস্য সচিব ফারুক হাসান বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেন।

কমিটি প্রসঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ফারুক হাসান বলেন, ‘শ্রমিক অধিকার পরিষদ হবে সত্যিকারের শ্রমিকবান্ধব সংগঠন। তারা আমাদের মূল দলের পেছনে ভ্যানগার্ড হয়ে কাজ করবে না, বরং তারা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সব সময়ই সচেষ্ট থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি শ্রমিক অধিকার পরিষদের নতুন নেতৃত্ব শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাবে। কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করবে যে সত্যিকারের শ্রমিক সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ।’

সবুজ/সালমান/

শুক্রবার রাজধানীতে সমাবেশ করবে মহানগর দক্ষিণ বিএনপি

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১৬ পিএম
শুক্রবার রাজধানীতে সমাবেশ করবে মহানগর দক্ষিণ বিএনপি
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী ও যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ হারুনসহ নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে সমাবেশ ও মিছিল করবে মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।

আগামী ২৬ এপ্রিল শুক্রবার বেলা ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তারা সমাবেশ ও মিছিল করবে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) সাইদুর রহমান মিন্টু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম ও সঞ্চালনায় থাকবেন সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু। 

সবুজ/সালমান/