এ পৃথিবী সম্পর্কে আমরা কতটুকুইবা জানি। যতটুকু জানি তার চেয়ে অজানা রয়েছে অনেক কিছুই। সেসব জানা-অজানা কিছু বিষয় নিয়েই এবারের লেখা। জানাচ্ছেন গাজী তাহির
-জিভ দেখে অনেক কিছু বোঝা যায়। জিভের নমুনা একেবারে অনন্য। তাই কাউকে জিভ দেখানোর সময় এটি বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
-ক্যাঙ্গারু এবং ইমু পেছন দিকে যেতে পারে না। পায়ের বিচিত্র গঠনের কারণে পেছন দিকে হাঁটা তাদের জন্য ঝামেলার।
-কোনো ব্যক্তির মুখে বিদ্যমান ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা পৃথিবীর মোট লোক সংখ্যার সমান বা তারও বেশি।
-পৃথিবীতে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি ভূমিকম্প হয়। কিন্তু এর বেশির ভাগই আমরা টের পাই না। তবে রিখটার স্কেলে তা ঠিকই ধরা পড়ে।
-মস্তিষ্কের স্পন্দনের গতি ঘণ্টায় প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
-আমাদের ধারণা চার ধরনের রক্ত রয়েছে আমাদের দেহে। আসলে রক্তের ধরন ২৯টি। তাদের মধ্যে বিরলতম হচ্ছে বোম্বাই সাব টাইপ।
-আমাদের হৃৎপিণ্ড বছরে ৩৫ মিলিয়ন বার বিট দেয়।
-মানবদেহ প্রতিদিন প্রায় ১ মিলিয়ন ত্বকের কোষ হারিয়ে ফেলে, যার পরিমাণ বছরে দুই কিলোগ্রাম হয়।
-আপনার ত্বকের প্রতি এক বর্গ সেন্টিমিটারে প্রায় শতাধিক ব্যথা সংবেদক রয়েছে।
-খরগোশ ও তোতাপাখিকে কখনো পেছন ফিরে তাকানোর দরকার হয় না। তারা মাথা সোজা রেখেও পেছনের দৃশ্য দেখতে পায়।
-ছেলেদের জিহ্বার পৃষ্ঠে মেয়েদের চেয়ে স্বাদের কুঁড়ি (টেস্ট বাড) কম থাকে।
-একজন ব্যক্তি তার জীবনে গড়পড়তায় প্রায় ৩৫ টন খাদ্যগ্রহণ করে।
-আপনার হাঁচির গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিমি।
-হাসিতে মুখের ১৭টি পেশিকে ‘ট্রিগার’ করে। অন্যদিকে কান্নায় ৪৩টি পেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাই বেশি বেশি করে হাসুন।
-প্রজাপতি কোনো খাবারের ওপর বসলেই ওই খাবারটির স্বাদ অনুভব করতে পারে। কারণ, প্রজাপতির টেস্ট রিসেপ্টর থাকে এর পায়ের তালুতে।
-ঘরের বেশির ভাগ ধুলোবালিই আমাদের দেহের মৃত চামড়া।
-মহাশূন্যে গেলে মানুষ কিছুটা লম্বা হয়। সেখানে মধ্যাকর্ষণ না থাকায় মেরুদণ্ডের ওপর কোনো চাপ থাকে না। ফলে মেরুদণ্ডের দৈর্ঘ্য কিছুটা বাড়ে।
-জলহস্তীকে দেখলে বোঝা যায় না আসলে এরা মানুষের চেয়েও জোরে দৌড়াতে পারে।
-চোখ খোলা রেখে হাঁচি দেওয়া অসম্ভব।
-মানুষের চোখ ১ কোটি পর্যন্ত নানা রঙের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে। কিন্তু আমাদের মস্তিষ্ক এর সবগুলো মনে রাখতে পারে না।
-আমাদের কান প্রায় অবিশ্বাস্য গতিতে জীবনব্যাপী বাড়তে থাকে। কান প্রতি বছর এক মিলিমিটারের এক-চতুর্থাংশ পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
-একটা অ্যানালগ ঘড়ি যদি নষ্টও হয়ে থাকে তা দিনে দুবার সঠিক সময় দেখাবে।
তারেক
.jpg)
.jpg)
.jpg)