ঢাকা ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪
Khaborer Kagoj

টিএসসিতে মেট্রোরেল, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দ শোভাযাত্রা

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:১৫ পিএম
টিএসসিতে মেট্রোরেল, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দ শোভাযাত্রা
ছবি : খবরের কাগজ

আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশন উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এদিকে মেট্রোরেলের টিএসসি স্টেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যাদ জানিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ওই বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ পুনরায় রাজু ভাস্কর্য এসে শেষ হয়। 

এর আগে গান, নৃত্য পরিবেশন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনী, রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আল্পনা অঙ্কন, আর্ট ক্যাম্প, অ্যাকশন পেইন্টিং, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, রঙ উৎসব ইত্যাদি পরিবেশিত হয়।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মোছাদ্দেক বিল্লাহ, থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী রুদ্র সাওজাল, চারুকলা অনুষদের প্রিন্ট মেকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সানজিন শান্তা, অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী দিগন্ত সরকার ‘মেট্রো এট টিএসসি : থ্যাংক ইউ শেখ হাসিনা’ শীর্ষক এই প্রোগ্রামের আয়োজন করেন৷

এতে অংশ নেওয়া সুজন নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, টিএসসিতে স্বপ্নের মেট্রোরেল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। এটি সব থেকে আনন্দের কেননা যানজট ঠেলে সময় অপচয় করে দূরে যাওয়ার টেনশন অনেকটা লাঘব হবে। বিশেষ করে টিউশনি যাওয়াকে ঘিরে জ্যামে পড়ে, অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। সেটি থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছি, এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

আশিক ইকবাল নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আজকের যে শোভাযাত্রা এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে মেট্রোরেল আমাদের কাছে একটি বড় উপহার। কারণ দূরের পথে যেতে আমাদের যেমন সময় বেঁচে যাবে, তেমনি অনেকটা নিরাপদেও ফিরতে পারব।

এসময় ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, আজকের এ মেট্রোরেল আমাদের স্বপ্নজয়ের একটি মাধ্যম। অথচ এ মেট্রোরেল তৈরির সময় একদল মানুষ বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু আজকে এ মেট্রো কোন সমস্যা তৈরি ছাড়াই, পড়াশোনার কোনো রকম ব্যাঘাত না ঘটিয়েই চলছে। যখন প্রধানমন্ত্রী পদ্মাসেতু বানাতে চেয়েছিলেন তখনও একদল মানুষ বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়তার কারণে পদ্মাসেতু আজকে লাখো মানুষের জীবনমান উন্নত করতে ভূমিকা রাখছে। আজকে এই অনুষ্ঠান থেকে আমরা সমন্বিত স্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই, ‘থ্যাংক ইউ শেখ হাসিনা’।

এআর

গুচ্ছ ভর্তির আবেদন ৩ লাখ ছাড়িয়েছে, পছন্দের শীর্ষে জবি

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৪:০৯ পিএম
গুচ্ছ ভর্তির আবেদন ৩ লাখ ছাড়িয়েছে, পছন্দের শীর্ষে জবি
ফাইল ফটো

দেশের ২৪টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও বিবিএ প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের সময় শেষ হয়েছে। এবার মোট তিন লাখ পাঁচ হাজার ৩৪৬টি আবেদন জমা হয়েছে। এতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের পছন্দের পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে শীর্ষে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

শনিবার (২ মার্চ) এসব তথ্য জানিয়েছেন গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাছিম আখতার।

উপাচার্য অধ্যাপক নাছিম আখতার জানান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন প্রক্রিয়া গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হয়েছে। এবার মোট তিন লাখ পাঁচ হাজার ৩৪৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান শাখার ‘এ’ ইউনিটে এক লাখ ৭০ হাজার ৫৯৯টি, মানবিক শাখার ‘বি’ ইউনিটে ৯৪ হাজার ৬৩১টি ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ‘সি’ ইউনিটে ৪০ হাজার ১১৬টি আবেদন জমা পড়েছে। 

তিনি আরও জানান, ‘আবেদনকারীদের মধ্যে শুধুমাত্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য কেন্দ্র হিসেবে পছন্দ করেছেন ৯০ হাজার ৮৪১ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ৫৩ হাজার ৮৩২ জন, ‘বি’ ইউনিটে ১৯ হাজার ৭৭০ জন, ‘সি’ ইউনিটে ১৭ হাজার ২৩৯ জন শিক্ষার্থী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। যা মোট আবেদনকারীর প্রায় এক তৃতীয়াংশ।’

এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা এক মিনিট থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা আবেদন করার সুযোগ পান। পরবর্তীতে ভর্তির আবেদন চলাকালীন কারিগরি ত্রুটির কারণে একদিন আবেদন কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ায় ভর্তিচ্ছুদের সুবিধার্থে আবেদনের সময়সীমা একদিন বাড়ানো হয়।

এদিকে গুচ্ছ ভর্তিতে প্রাথমিক আবেদনের সময় আর বাড়ানো হবে না বলে ভর্তি কমিটির একাধিক সদস্য জানিয়েছেন।

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত সমন্বিত ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ‘এবছর আবেদনের সময় শেষ হয়েছে। নতুন করে এখন আর আবেদনের সময় বাড়ানো হবে না। এখন আমরা পরবর্তী ধাপের কাজ শুরু করবো।’

আগামী ২৭ এপ্রিল শনিবার (এ ইউনিট-বিজ্ঞান), ৩ মে শুক্রবার (বি ইউনিট-মানবিক) এবং ১০ মে শুক্রবার (সি ইউনিট-বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে ১টা এবং অন্য দুই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র ঠিক করা হয়। তন্মধ্যে শিক্ষার্থীদের যেকোনো একটি কেন্দ্র নির্বাচন করতে হয়েছে। শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন করতে পারবে না বলেও কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

ভর্তি পরীক্ষার সকল তথ্য গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে (https://gstadmission.ac.bd) পাওয়া যাবে।

এর আগে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে তিনটি ইউনিটে সর্বমোট তিন লাখ তিন হাজার ২৩১টি আবেদন জমা পড়ে।

গুচ্ছভুক্ত ২৪টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুলনা), হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (দিনাজপুর), মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (টাঙ্গাইল), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোয়াখালী), কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুমিল্লা), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যশোর), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবনা), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোপালগঞ্জ), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (বরিশাল), রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাঙ্গামাটি), রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (সিরাজগঞ্জ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (গাজীপুর), শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় (নেত্রকোনা), বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জামালপুর), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পটুয়াখালী), কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কিশোরগঞ্জ) এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চাঁদপুর), সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সুনামগঞ্জ) এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পিরোজপুর)

মুজাহিদ বিল্লাহ/জোবাইদা/অমিয়/

আবৃত্তি আর নাটকে শেষ হলো বোধনের ষষ্টিতম সমাবর্তন

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ১২:১০ পিএম
আবৃত্তি আর নাটকে শেষ হলো বোধনের ষষ্টিতম সমাবর্তন
ছবি : খবরের কাগজ

আবৃত্তি আর নাটকে শেষ হলো বোধন আবৃত্তি স্কুল চট্টগ্রামের ষষ্টিতম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। 

শুক্রবার (১ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম মিলনায়তনে এ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কবি মালেক মোস্তাকিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা বিশিষ্ট নাট্যনির্দেশক মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন শিকদার লিটন। 

বোধন আবৃত্তি পরিষদ চট্টগ্রামের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নারায়ণ প্রসাদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক প্রণব চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি শিমুল নন্দী।

অনুষ্ঠানে কবি মালেক মোস্তাকিম বলেন, 'বোধন একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের নাম। বোধন শুদ্ধ উচ্চারণের সহিত শুদ্ধ মানুষ তৈরি করার কারিগর। বোধনের মতো সংগঠন শুদ্ধ বাংলা সংস্কৃতি নির্মাণে কাজ করে এবং সোনার মানুষ তৈরি করে, যা বিশ্বজনীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করছে'।

বিশিষ্ট নাট্যনির্দেশক মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন শিকদার লিটন বলেন, 'বাংলাদেশে বাচিক শিল্প প্রতিষ্ঠায় বোধন অনবরত কাজ করে চলছে। বোধন আবৃত্তি স্কুল এই জনপদে আবৃত্তি শিল্প প্রতিষ্ঠায় শুরু থেকে কাজ করছে এবং যা এখন পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে'।

অনুষ্ঠানে একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন কানিজ ফাতেমা, কান্তা রানী পাল, সিমলা চৌধুরী,  মো. মোস্তফা হায়দার আজাদ, অরুণিমা ধর, মো. শাহাজাদা, মিথিলা চৌধুরী কৃপা, অনিন্দিতা চক্রবর্ত্তী, সুলতা চৌধুরী, ঋতু দে, সরযু ভট্টাচার্য্য, ময়ুখ চৌধুরী, মোহাম্মদ আহমদ তাহসিন, মেহেরুন নিসা আসমা, পাপিয়া দাশ, সুচিত্রা ভট্টাচার্য্য, নীহারিকা বড়ুয়া, অঙ্কিতা বড়ুয়া, দীপা দাশ, বিশাখা তালুকদার, প্রিয়ন্তী দেব দীগা, বীর বিক্রম ত্রিপুরা, আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, হৃদি দত্ত। এছাড়াও একক আবৃত্তি পরিবেশন করে খুদে শিক্ষার্থী তূর্য দাশ, অরিঞ্জয় সেনগুপ্ত,  প্রত্যুষা সেনগুপ্তা, জ্যেতির্ময় দাশ,  অনুরাগ সরকার, শামরিন আহমেদ, সপ্তর্ষী দাশ, দীপ্তর্ষী সেনগুপ্ত, অনুষা নন্দী, স্মিতা বড়ুয়া, অন্বেষা দাশ, প্রথা দেব,  দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, প্রিয়তা পারিয়াল, অদিতি চক্রবর্তী, অভ্রনীল দাশ, সারন্যা দত্ত, সৌম্যজিৎ বড়ুয়া, এস এম শাহরিয়ার, সমৃদ্ধি দাশ, অন্বেষা ধর, আদিত্য চক্রবর্তী, অভ্রনীল দে,  সৃজীতা বড়ুয়া, স্বীকৃতি তালুকদার, অর্চিশা ধর, সত্যজিৎ ভৌমিক।

অনুষ্ঠানে কবি উৎপল কান্তি বড়ুয়া রচিত এবং মাইনুল আজম চৌধুরীর নির্দেশিত বড়দের বৃন্দ আবৃত্তি 'শোন মুজিবুর' পরিবেশিত হয়। হোসনে আরা তারিন, সন্দীপন সেন একা, পৃথুলা চৌধুরী এবং যশস্বী বণিকের নির্দেশনায় ছড়া ও কবিতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করে 'এই ছড়াটা অন্য রকম'। সবশেষে লুৎফর রহমান রিটনের রচনায়, হোসনে আরা তারিন ও সন্দীপন সেন একার নির্দেশনায় শ্রুতি নাটক 'ভূতের যাদু' পরিবেশিত হয়। 

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী প্রণিতা দেব চৈতী ও স্মরণ ধর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী জাভেদ হোসেন, সৌরভ দে, সেতার রুদ্র, পৃথুলা চৌধুরী, মমি ভট্টাচার্য্য, তারমিন পুষ্পা, প্রিয়ন্তী বড়ুয়া, লাবণ্য দেব শ্রেয়া প্রমুখ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বোধনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আজম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বোধন আবৃত্তি স্কুলের ষাটতম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় একক ও বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশিত হয় এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সনদপত্র প্রদান করা হয়।

মনির/জোবাইদা/

নেওয়া হবে বিশেষ ব্যবস্থা বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষার আশ্বাস রাবি উপাচার্যের

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ১০:৩৫ এএম
বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষার আশ্বাস রাবি উপাচার্যের
ছবি : সংগৃহীত

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের পাঁচ বিভাগীয় শহরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষা  নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার তাপু। 

শুক্রবার (১মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

উপাচার্য বলেন, ‘আগামী বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ছাড়াও ঢাকা, রংপুর, চট্টগ্রাম ও খুলনার বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ডিনদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সার্বিকভাবে সচেষ্ট আছে। এখানে কোনো ধরনের জালিয়াতির সুযোগ নেই। গত বছরগুলোতে যারা জালিয়াতিতে জড়িয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া  হয়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ আছে। ভর্তিচ্ছুদের থেকে যেন মেস মালিকরা অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে না পারেন, সেজন্য প্রক্টর অফিস মেস মালিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করেছে। ক্যাম্পাস ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু থাকবে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘অসাধু চক্রের সদস্যদের তাৎক্ষণিক শাস্তি দেওয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষা চলার সময় রাবি চিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালিত একটি মেডিকেল টিম কাজ করবে। এ ছাড়া কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পরিচালিত দুই সদস্যের একটি মেডিকেল টিম চিকিৎসা সহায়তা দেবে। একই সঙ্গে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের একটি অ্যাম্বুলেন্স ও দুই সদস্যের মেডিকেল টিম কাজ করবে।’

অভিভাবকদের সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা চলার সময় অভিভাবকদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ১১টি তাঁবু টাঙানো হবে। প্রতিটি তাঁবুতে বসার জন্য ২০০টি করে চেয়ার থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যবহারের জন্য ১১টি স্থানে ওয়াশরুমের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন আবাসিক হল ও বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেসিয়ামে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের ফটোকপি ও নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিয়ে অভিভাবকরা ক্যাম্পাসে থাকতে পারবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম ও অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক তারিকুল হাসান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে, বিভিন্ন অনুষদ অধিকর্তা ও বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ৫ থেকে ৭ মার্চ রাবির স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় এ, বি এবং সি ইউনিটের কোটাসহ ৪ হাজার ৪৩৮টি আসনের বিপরীতে মোট  ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। 

বেইলি রোডের আগুনে জবির সাবেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৪, ০৯:০১ পিএম
বেইলি রোডের আগুনে জবির সাবেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে মারা যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাবেক শিক্ষার্থী মো. নুরুল ইসলাম। তার বাড়ি পুরান ঢাকার বংশালে। তিনি জবির এমবিএর শিক্ষার্থী ছিলেন। 

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের পর নিহতদের লাশ ও দগ্ধদের নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজে। এ সময় নুরুল ইসলামের মানিব্যাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড পাওয়া যায়। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘মারা যাওয়া শিক্ষার্থী আমাদের সাবেক ছাত্র। তিনি এমবিএর সান্ধ্যকালীন ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এমন মৃত্যু খুবই দুঃখজনক।’

রাবিতে আন্তক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৪, ০৫:৪৪ পিএম
রাবিতে আন্তক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
ছবি : খবরের কাগজ

‘যুক্তির শাণিত স্রোতে আঁকি মুক্তির মহাকাল’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী স্মারক আন্তক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বিতর্ক একটি শিল্প আন্দোলন। এই আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ তৈরি করা সম্ভব। বিতর্ক মানুষকে সচেতন করে। আজকের বিতর্কের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের কথাগুলো তর্কের মাধ্যমে না তুলে যুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরবে। এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় যারা অংশগ্রহণ করেছে তাদের সবাইকে শুভ কামনা।’

বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা ফজলুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিতর্ক এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে জ্ঞানের আলো বিকশিত হয়। আমাদের মেধা শাণিত করার জন্য বিতর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সত্যকে সত্য বলে গ্রহণ করা, শোনার মানসিকতা থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও এখনো অসাম্প্রদায়িক মানসিকতা নিয়ে থাকতে পারি না। এদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে র‍্যাগ ডে নামে কি অপসংস্কৃতি লালন করছি, সেটা কী খেয়াল রাখছি। র‍্যাগ ডেতে সাদা গেঞ্জি পরে তাতে বিভিন্ন অকথ্য যে শব্দগুলো লিখি তা মুখে আনার মতো না। আমরা কী শিখিয়ে যাচ্ছি জুনিয়রদের। বিদায়ের সময় আমরা তো ১০টা গাছ লাগিয়ে যেতে পারি বা জুনিয়রদের জন্য ১০টা বই কিনে দিতে পারি। তা কিন্তু আমরা করি না। এসব বিষয়ের প্রতি আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।’

উদ্বোধন শেষে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় ৩০ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী হল বিতর্ক পাঠশালার সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় ও সভাপতি মো. আল আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কারমাইকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক রিপন মিয়া ও রিও পাবলিকেশনের প্রতিনিধি সুমন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী হল বিতর্ক পাঠশালা’ নবমবারের মতো এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এবারের প্রতিযোগিতায় টাইটেল স্পন্সর হিসেবে আছে জনপ্রিয় ইংরেজি শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম English Moja। সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছে রিও পাবলিকেশন ও বণিক। এ ছাড়া মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে খবরের কাগজ, তর্কজাল এবং আরইউ ইনসাইডারস।

এস আই সুমন/জোবাইদা/