ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে  রাবিতে ইফতার

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫৭ পিএম
সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে  রাবিতে ইফতার

মুসলিম দেশগুলোতে রমজান মাস এলে সবাই রোজা রাখার প্রস্তুতির সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের দৈনন্দিন কার্যাবলির সময়সূচির মধ্যেও পরিবর্তন নিয়ে আসে। এ মাসে বিকেল থেকেই ইফতারের জন্য বিভিন্ন আয়োজন শুরু হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরাও বিকেল থেকে ঠিক একই আয়োজনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে শহরে বা গ্রামের নিজ বাড়িতে ইফতারের যে আয়োজন করা হয় তার থেকে ক্যাম্পাসের আয়োজন কিছুটা ভিন্ন।

বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ইফতার করলেও ক্যাম্পাসে এ আয়োজনে অংশ নেন বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণের মানুষ। এখানে একজনের সঙ্গে আরেকজনের সম্প্রীতির বন্ধনে সম্পর্ক হয়ে ওঠে ভ্রাতৃত্বের। কিন্তু এই সম্প্রীতির বন্ধনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি। এ কারণে সবাই বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নিতে পারছেন না। কেউ কেউ খরচ বহন করতে না পেরে ইফতার করছেন মসজিদেও।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, শহিদ হবিবুর রহমান হল মাঠ, শেখ রাসেল মাঠ, জুবেরি মাঠ, সাবাস বাংলাদেশ মাঠ, শাহ্ মখদুম হল মাঠসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের গ্যালারি কক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন সংগঠন, বিভাগ, ব্যাচ ও বন্ধুদের ইফতার। জানা যায়, প্রত্যেকটি হলের কক্ষ ও ছাদেও মিলেমিশে ইফতার করেন শিক্ষার্থীরা। মেয়েরাও সিনিয়র-জুনিয়র মিলে নিজ নিজ হলে ইফতার করেন। এদিকে মেসে ও বিভিন্ন ছাত্রাবাসে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে নেই। বিকাল হলেই তারা ইফতারের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইফতারির এমন চিত্র জানান দেয় শিক্ষার্থীদের  সম্প্রীতি ও বন্ধনের কথা। কিন্তু শিক্ষার্থীরা জানান, একসঙ্গে ইফতার করার অনেক আনন্দ থাকলেও বিপত্তি বাধে ইফতারসামগ্রী কিনতে গিয়ে। আকাশছোঁয়া দামে মনমতো কিছুই কিনতে পারেন না তারা। শুধু মুড়ি, ছোলা, জিলাপি, পিঁয়াজুতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে তাদের।

বন্ধুদের সঙ্গে শহিদ মিনার চত্বরে ইফতার করতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রাহাতুল ইসলাম বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে ইফতার করলে রোজার মাসে পরিবারের সঙ্গে ইফতার করতে না পারার অপূর্ণতা আর থাকে না। সবার সঙ্গে মিলেমিশে ইফতার করলে মনে হয় পরিবারের সঙ্গেই আছি। তবে সবকিছুর দাম বেশি হওয়ার কারণে আশানুরূপ ইফতার করতে পারি না।

ইফতারের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী। নাম না প্রকাশ করে আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমার বন্ধুবান্ধবরা একসঙ্গে ইফতার করলেও তাদের সঙ্গে আমি সবসময় থাকতে পারি না। যেখানে ৩০-৪০ টাকার মধ্যে আমি প্রতি বেলার খাবার খাই, সেখানে ইফতার করতেই শতাধিক টাকা চলে যায়। তাই মাঝে মাঝে একাই হালকা খাবার দিয়ে ইফতারি করি অথবা আশপাশের মসজিদে চলে যাই।

ইফতারের নানা আয়োজনে ব্যস্ত থাকেন মেয়েরাও। বিকাল হলেই শুরু হয় তাদের প্রস্তুতি। ইফতার আয়োজন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী প্রিয়া বলেন, আশপাশের কক্ষের শিক্ষার্থী অথবা বান্ধবীদের সঙ্গে ইফতার করেন তিনি।

জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ার কারণে হলেই ছোলা, পিঁয়াজু, বেগুনি তৈরি করেন তারা। সবসময় তাদের ফলমূল খাওয়া হয় না। তবে সবাই একসঙ্গে ইফতারে অংশ নিয়ে নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন জোড়দার করছেন।

কলি

ইবিতে এমফিল-পিএইচডিতে ভর্তি নিয়ে বিড়ম্বনায় ইচ্ছুকরা

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ০৯:৪৭ এএম
ইবিতে এমফিল-পিএইচডিতে ভর্তি নিয়ে বিড়ম্বনায় ইচ্ছুকরা
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এমফিল ও পিএইচডি গবেষণায় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ভর্তিচ্ছুদের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। সনাতনী আবেদন পদ্ধতির কারণে এমনটি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ভর্তিচ্ছুদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে সশরীরে ক্যাম্পাসে আসতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভর্তিচ্ছুদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ব্যাংক থেকে ভর্তির আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হয়। এরপর তা পূরণ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দিতে হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ১৪ মে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং গত ২০ মে থেকে আবেদন শুরু হয়। আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত।

এদিকে এমফিল ও পিএইচডির জন্য আলাদাভাবে মোট ২০০টি আবেদন ফরম দেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রণী ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রথম পাঁচ দিনে আবেদন ফরম বিক্রি হয়েছে মাত্র ৬টি। এখনো অবশিষ্ট রয়েছে ১৯৪টি ফরম।

বিশ্ববিদ্যালয় সাপ্তাহিক বন্ধ থাকা এবং দূরদূরান্ত থেকে সশরীরে আসার অনাগ্রহই আবেদন কম হওয়ার জন্য দায়ী। এ কারণে খুব কমসংখ্যক আবেদন জমা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া বুদ্ধপূর্ণিমা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ব্যাংক বন্ধ থাকছে ৪ দিন। ফলে সাত দিনের মধ্যে আবেদনের সুযোগ থাকছে মাত্র ৩ দিন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার মো. বদিউজ্জামান বলেন, ‘বিগত সময়ে সনাতন পদ্ধতিতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এবারও গতবারের অর্ডিন্যান্সের আলোকে সনাতন পদ্ধতিতেই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে আগ্রহীরা যদি অনলাইনকেন্দ্রিক আবেদনের আগ্রহ প্রকাশ করে, সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ চাইলে অনলাইনে আবেদন নিতে পারে।’

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আমরা ভেবে দেখব। যদি সবার সুবিধা হয়, তবে অনলাইনে আবেদনের ব্যবস্থা করব।’

বিষয়টি নিয়ে আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. তপন কুমার বলেন, ‘এসব আবেদন অনলাইনে সহজেই করা যায়। কর্তৃপক্ষ আইসিটি সেলকে অবগত করলে সহজেই করে দেওয়া যেত।’

চবিতে ক্যারিয়ার ফেস্ট শনিবার

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ০৯:৪৪ এএম
চবিতে ক্যারিয়ার ফেস্ট শনিবার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলার সবচেয়ে বড় ক্যারিয়ার উৎসব ‘কীরণ মাস্টারকার্ড প্রেজেন্ট চট্টগ্রাম ক্যারিয়ার ফেস্ট-২০২৪।’ এক্সিলেন্স বাংলাদেশ ও মার্কেটিং সোসাইটি ফর লিডারশিপ প্রোলিফারেশনের যৌথ উদ্যোগে শনিবার (২৫ মে) এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) চবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এক্সিলেন্স বাংলাদেশের এক্সিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার মাহবুব এ রহমান এবং মার্কেটিং সোসাইটি ফর লিডারশিপ প্রোলিফারেশনের (এমএসএলপি) সাধারণ সম্পাদক রাফি মিনহাজ। 

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তনে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ জেলার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তুনাজ্জিনা সুলতানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আয়োজন উদ্বোধন করবেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু তাহের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সেকান্দর চৌধুরী ও অধ্যাপক বেনু কুমার দে।

এ আয়োজনের সহযোগিতায় থাকছে বিএসআরএম এবং বি গ্লোবাল, ডকুমেন্টেশন পার্টনার চেকমেট এবং মিডিয়া পার্টনার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। এনগেজমেন্ট পার্টনার হিসেবে আছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব। এ ছাড়া ক্লাব পার্টনার হিসেবে থাকবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ জেলার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩টি ক্লাব। দিনব্যাপী এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সিইও, প্রতিষ্ঠাতাসহ আলোচক হিসেবে আরও ২২ জন অতিথি উপস্থিত থাকবেন।

জবি ইনডোর ক্যারমে চ্যাম্পিয়ন মুনা

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ০৯:১৮ পিএম
জবি ইনডোর ক্যারমে চ্যাম্পিয়ন মুনা
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুবিন আক্তার মুনা। ছবি : সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ইনডোর গেমস ক্যারম প্রতিযোগিতায় (মহিলা একক) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলা বিভাগের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী মুবিন আক্তার মুনা। 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ বিল্ডিংয়ে এ প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা আক্তারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় মুনা। 

চ্যাম্পিয়ন হয়ে মুনা বলেন, চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে আনন্দিত বোধ করছি, গত বছর আন্ত:বিশ্ববিদ্যায় রানার্সআপ ছিলাম, তাই নিজের প্রতি কনফিডেন্স ছিলো, এর সুবাধেই এই ফলাফল করতে পেরেছি।

জবির শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের উপপরিচালক গৌতম কুমার দাস বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা সুযোগ পেলে আরও ভালো করবে, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়ে আরও ভালো করবে এই প্রত্যাশা রাখছি।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ২০ মে ভাষা শহিদ রফিক ভবন চত্বরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া উপকমিটির আয়োজনে শরীরচর্চা শিক্ষা কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় ষষ্ঠ আন্তঃবিভাগীয় ইনডোর গেমস প্রতিযোগিতা-২০২৪ উদ্বোধন করেন উপাচার্য ড. সাদেকা হালিম। এবারের ইনডোর গেমসে দাবা, ক্যারম, টেবিল টেনিসসহ ব্যাডমিন্টন ও টেনিস খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

মুজাহিদ বিল্লাহ/এমএ/

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলে এআইইউবির অ্যাক্রেডিটেশন জমা

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ০৮:২৯ পিএম
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলে এআইইউবির অ্যাক্রেডিটেশন জমা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এআইইউবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছে। 

গত মঙ্গলবার (২১ মে) কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

এ সময় কাউন্সিলের পূর্ণকালীন সদস্য ইসতিয়াক আহমদ ও প্রফেসর ড. গুলশান আরা লতিফা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কাউন্সিল সচিব প্রফেসর একেএম মুনিরুল ইসলাম, অ্যাক্রেডিটেশন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর নাসির উদ্দীন আহাম্মেদসহ অন্যান্য পরিচালক, উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালক এবং কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়টির পক্ষে আবেদন জমা দেন আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. ফারহিন হাসান, সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান নাফিজ আহমেদ চিশতী, সুস্মিতা ঘোষসহ আইকিউএসির অন্য কর্মকর্তারা। বিজ্ঞপ্তি

সালমান/

নানা কর্মসূচিতে উদযাপিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ০৮:০৩ পিএম
নানা কর্মসূচিতে উদযাপিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস
ছবি : খবরের কাগজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগামী ১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে ‘তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা’। 

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত এক সভায় দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

কর্মসূচি অনুযায়ী ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। স্মৃতি চিরন্তন চত্বর থেকে সকাল পৌনে ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা  নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাসহ ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনে পায়রা চত্বরে যাবেন। এরপর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, পায়রা, বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো, কেক কাটা এবং সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং ও উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলোচনা সভায় অংশ নেবেন।

এ ছাড়া ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নীলক্ষেত ও ফুলার রোড থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথ যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ থাকবে। এ সময় বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে উপাচার্য ভবন, কার্জন হল, কলা ভবন ও ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কসমূহে আলোকসজ্জা করা হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে তোরণ নির্মাণ এবং রোড ডিভাইডার ও আইল্যান্ডসমূহ সাজানো হবে।

১৯২১ সালের ১ জুলাই ৮৪৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠার এই দিনটি প্রতিবছর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।