ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৪, ১১:১০ এএম
আপডেট: ১৯ মে ২০২৪, ১১:১০ এএম
চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত
ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে পাঁচ বছর আট মাস পর চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। 

শনিবার (১৮ মে) রাতে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু ও সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।’ 

বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর খবরের কাগজকে বলেন, ‘মেয়াদোত্তীর্ণ, কলেজে চলমান বিশৃঙ্খলা ও নানা অনিয়ম এবং সাংগঠনিক নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করায় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে জরুরি সভা আহ্বান করে শিগগিরই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।’ 

দীর্ঘদিন কমিটি না থাকায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট উপদল। ফলে এসব নেতা-কর্মী ক্যাম্পাসে প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তারে নানা বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছেন। এদিকে দীর্ঘদিন পর কমিটি বিলুপ্ত করায় পদপ্রত্যাশী নেতা-কর্মীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মাহমুদুল করিমকে সভাপতি এবং সুভাষ মল্লিক সবুজকে সাধারণ সম্পাদক করে এক বছরের জন্য ২৫ সদস্যের চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ। ২০২৩ সালের ২৯ জুলাই পূর্ণাঙ্গ কমিটি পায় চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ। এতে নতুন করে ৩০ জনকে কলেজ ছাত্রলীগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া নয়টি ডিপার্টমেন্টের কমিটিও ঘোষণা করা হয়।

গত ১৩ মে কলেজের উন্নয়নমূলক কাজে চাঁদাবাজি, কলেজের প্রধান সহকারীসহ কর্মচারীদের ওপর নির্যাতন, কলেজের শিক্ষক বদলিসহ নানারকম বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ কলেজ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।

এ সময় কলেজের বিভিন্ন দেয়াল থেকে সভাপতি-সম্পাদকের ছবিসংবলিত ব্যানার খুলে ফেলা হয়। এ ছাড়া দুজনের ছবি পুড়িয়ে ফেলে বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা।

আবদুস সাত্তার/ইসরাত চৈতী/  

জবি শিক্ষকদের আবারও কর্মবিরতির ঘোষণা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৫:০২ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৫:০৭ পিএম
জবি শিক্ষকদের আবারও কর্মবিরতির ঘোষণা
ছবি: খবরের কাগজ

বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে আবারও কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক সমিতি। 

সোমবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জবি শিক্ষক সমিতি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ ঘোষণা দেয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার ও প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে। এ সময় প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হবে। পরীক্ষা কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে। আগামী ৩০ জুন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি থাকবে। এ দিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচিও পালন করা হবে। তবে এদিনও পরীক্ষা কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১ জুলাই থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালিত হবে। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. শেখ মাশরিক হাসান বলেন, ‘বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে এর আগে আমরা মানববন্ধন ও অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছিলাম। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী একাত্মতা প্রকাশ করে আবার আন্দোলনে যাচ্ছি আমরা।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি গত ৪ জুন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছিল। 

মুজাহিদ/পপি/

ঢাবি সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন বুধবার

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:০৬ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:০৬ পিএম
ঢাবি সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন বুধবার
নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন আগামী বুধবার (২৬ জুন) অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিকেল ৩টায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ অধিবেশন শুরু হবে।

সোমবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, ঢাবি সিনেট চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন এবং অভিভাষণ দেবেন। সিনেট অধিবেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বাজেট উপস্থাপন করবেন।

এ ছাড়া ওই অধিবেশনে উপাচার্যের অভিভাষণ এবং কোষাধ্যক্ষের উপস্থাপিত বাজেটের ওপর সিনেট সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেবেন।

আরিফ জাওয়াদ/সালমান/

ঢাবি শিক্ষকদের ৩ অর্ধদিবস কর্মবিরতির ডাক

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১০:২৩ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:০৭ পিএম
ঢাবি শিক্ষকদের ৩ অর্ধদিবস কর্মবিরতির ডাক

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সম্প্রতি চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’ বাতিলের দাবিতে এবার টানা তিন দিন অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষকরা। তবে পরীক্ষা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

আগামী ২৫ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ওই কর্মবিরতি থাকবে এবং দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রবিবার (২৩ জুন) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। উক্ত তিন দিন কলা ভবনের মূল ফটকে শিক্ষকরা (দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত) অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, চলমান পরীক্ষাসমূহ এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

এর আগেও একই দাবিতে কয়েক দফা কর্মবিরতি পালন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে গত ১৩ মার্চ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, যেসব শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ১ জুলাই তারিখের পর যোগদান করবেন তাদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ‘প্রত্যয় স্কিম’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য বিদ্যমান অবসর সুবিধা সংক্রান্ত বিধিবিধান প্রযোজ্য হবে না।

আরিফ জাওয়াদ/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজ প্রযুক্তি ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ভর্তির পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ পিএম
প্রযুক্তি ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ভর্তির পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাদানকল্পে পরিচালিত প্রযুক্তি ইউনিট, গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট এবং রাজধানীর অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষার উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছুদের বিষয় ও কলেজ পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবাসাইটের মাধ্যমে ওই পছন্দক্রমের ফরম পূরণ করতে পারবেন। 

রবিবার (২৩ জুন) ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজ, প্রযুক্তি ইউনিট ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট এর পাশকৃত শিক্ষার্থীদের বিষয় ও কলেজ পছন্দক্রম পূরণ করার সময়সীমা আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

জানা যায়, ভর্তি সংশ্লিষ্ট ওয়েব সাইটে (https://collegeadmission.eis.du.ac.bd) গিয়ে প্রার্থীর ভর্তির প্রাথমিক আবেদনের বিস্তিারিত ফরম ও শিক্ষার্থীর ভর্তিযোগ্য বিষয়সমূহের পছন্দক্রম ফরম অবশ্যই সর্তকতার সাথে অনলাইনে পূরণ করতে হবে। পছন্দক্রম ফরম পরবর্তীতে কোনো অবস্থাতেই আর পরিবর্তন করতে পারবে না।

উল্লেখ্য, ঢাবি অধিভুক্ত রাজধানীর কলেজগুলো হলো, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

অন্যদিকে প্রযুক্তি ইউনিট অধিভুক্ত কলেজগুলোর ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রযুক্তি ইউনিটের অধীনে ৬টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১টি টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট। ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মধ্যে ৩টি সরকারি কলেজ এবং ১টি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং টেক্সটাইল রিলেটেড ২টি বেসরকারি কলেজ। 

এবং গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে একটি সরকারি কলেজ ও বাকি পাঁচটি বেসরকারি কলেজ রয়েছে। ঢাবি অধিভুক্ত গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ক কলেজগুলো হলো, গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স, বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকনমিক্স কলেজ, ময়মনসিংহ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, আকিজ কলেজ অব হোম ইকনমিক্স এবং বরিশাল হোম ইকনমিক্স কলেজ।

আরিফ জাওয়াদ/এমএ/

ছাত্রীদের অঙ্কনে সাজল বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০১:৩৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০১:৩৬ পিএম
ছাত্রীদের অঙ্কনে সাজল বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল

পড়াশোনার তাগিদে মাতৃস্নেহ ত্যাগ করে শহরে ছুটে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নিজেদের বাড়ি ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলই শিক্ষার্থীদের কাছে নিরাপদ আবাসস্থল। এখানেই তারা নিজেদের সুখ-দুঃখ একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেন। আবাস্থলের কক্ষগুলোও গাঁয়ের ঘরগুলোর মতো আপন হয়ে ওঠে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা নিজেদের আপন বাড়ি থেকে দূরে থাকলেও তাদের কাছে হল হয়ে ওঠে আরও একটি বাড়ি আরও একটি নতুন পরিবার।

এই বাড়িকে তাই নিজেদের মতো করেই তুলি-রঙে সাজিয়ে রাখেন তারা। নিজেদের কল্পনাগুলোকেই নানাভাবে তুলে ধরেন। নিজ বাড়ির বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে সাজসজ্জাকে ঘিরে থাকা আগ্রহ-উৎসাহ, আনন্দকে নতুন পরিবারের জন্য নিংড়ে দেন তারা। নতুন বাড়িকে নিয়েই তৈরি হয় কল্পনার নতুন নতুন পটচিত্র। বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে নতুন নতুন থিম তৈরি করে হলের ফ্লোরগুলোকে তুলি-রং, রং-বেরঙের কাগজ দিয়ে সাজান শিক্ষার্থীরা। প্রতিবছর উৎসব অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিজেদের ফ্লোরগুলোতে আল্পনায়, দেয়ালচিত্রে নতুন রঙের মহল তৈরি করেন। সবাই মিলেই কাজগুলোকে ভাগাভাগি করে নেন। ক্ষণিকের জন্যই অঙ্কন শিল্পীর দায়িত্ব নিজেরাই নিয়ে নেন।

সবার নিজের কাছে থাকা পানির বোতল, বাটি ইত্যাদিই যেন রংযুদ্ধের বাহন হিসেবে সঙ্গী হয়। এগুলোতে রং নিয়েই তুলি দিয়ে নিজেদের ফ্লোর সাজানোয় অংশ নেন। নিজেদের এই সরঞ্জামাদি নিয়েই কয়েকদিনের মধ্যেই নিজেদের ফ্লোরকে সাজানো সম্পন্ন করেন। প্রতিবার নতুন বছর আসে, রং পুরোনো হলেও নতুন করে আবারও নিজের স্মৃতিগুলোকেই যেন মনে করতে চান, নতুন কোনো রঙের আঁচড়ে আরও একবার।

কলি