ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায় সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬-২০২৭: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা গাজীপুরে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ মিছিল প্রযুক্তির অপচ্ছায়া সড়কে ‘এআই ক্যামেরা’ ও অভিনব ডিজিটাল ডাকাতি বাবা দিবসে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: আমরা কি বাবা-মাকে হারাচ্ছি, নাকি তাদের সঙ্গে সময়ের সংযোগ হারাচ্ছি! ১০ দফা দাবিতে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের মানববন্ধন সোমবার মোহভঙ্গের বাংলাদেশ: যখন বুঝলাম সর্বনাশ হয়ে গেছে অরণ্যের অন্ত্যজ কথা বরিশালে গ্রেপ্তার এড়াতে ছাদ থেকে পড়ে আ. লীগ নেতার মৃত্যু ইরান ম্যাচে বেলজিয়ামের মূল ফোকাস নিজেদের খেলায়: গার্সিয়া কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু গোপনে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বিপ্লব দেব প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র জাহাজডুবির দুঃসহ অধ্যায় শেষে দেশে ফেরা সুনামগঞ্জে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুই উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হাইড্রোলিক হর্নের অত্যাচার ও বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ‘কমল দাদার পাঠশালায়’ আদিবাসী শিশুদের পাশে ফারুক হোসেন একটি ব্রিজের অভাবে থমকে আছে জনজীবন সামাজিক অস্থিরতায় মানবতা হত্যা: প্রতিকার কোথায়? জার্মানির জয়ের নায়ক কে এই ডেনিজ উন্দাভ? অস্ট্রেলিয়ার দাপুটে জয়ে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ বাংলাদেশে সমৃদ্ধি ও বঞ্চনার পাহাড় গ্যালাক্সি ওয়াচে যেভাবে ব্যবহার করবেন গুগল ওয়ালেট শতকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মাসুদ চৌধুরী রিমান্ডে বাজার ছিল যার ঠিকানা, পরিচয় রয়ে গেল অজানা স্বাগতিকদের সিরিজ পরাজয়ে গ্যালারিতে দর্শক ফাঁকা কেন মন্টেরি স্টেডিয়াম পরিষ্কার করলেন জাপানি সমর্থকরা?

ঢাবির চারুকলা ও আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১০:০৪ পিএম
ঢাবির চারুকলা ও আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের চারুকলা ইউনিটের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) এবং ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ)-এর বিবিএ প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) এ ফলাফল প্রকাশিত হয়। চারুকলায় এবার পাসের হার ১৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। মোট ৮৪৫ জনের মধ্যে ৬২২ জন মেয়ে এবং ২২৩ জন ছেলে। অন্যদিকে আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ১২০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

চারুকলা ইউনিটে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আগামী ১৭ থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে এই ওয়েবসাইটেই বিস্তারিত তথ্যের ফরম ও বিষয়ের পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। অন্যদিকে আইবিতে উত্তীর্ণদের ২৯ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিবিএ প্রোগ্রামের অফিসে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। এসময় এসএসসি এবং এইচএসসি সমমানের ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেট বা প্রশংসাপত্র নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের তিনটি সত্যায়িত কপি, গ্রেড শিট/ট্রান্সক্রিপ্ট এবং এসএসসি/ও-লেভেল এবং এইচএসসি/এ-লেভেল উভয় পরীক্ষার সার্টিফিকেট/প্রশংসাপত্র এবং চার কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত রঙিন ছবি সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে।

এর আগে ৪ জানুয়ারি চারুকলা ইউনিটে মোট ১৩০টি আসনের বিপরীতে ৬ হাজার ৯৩ জন ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। সেই হিসেবে আসন প্রতি লড়েন প্রায় ৪৭ জন। অন্যদিকে গত ৩ জানুয়ারি আইবিএ বিবিএ প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১২০টি আসনের বিপরীতে ১০ হাজার ২৭৮ জন ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ভর্তি সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটে দেখতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

আরিফ জাওয়াদ/মাহফুজ

 

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:১৬ এএম
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ
ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আগামী ২২ জুন বর্ণিল আলোকসজ্জায় সেজেছে পুরো ক্যাম্পাস। দিবসটিকে ঘিরে প্রশাসনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও সড়কগুলোতে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে নেওয়া হয়েছে নানা আয়োজন। দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় করা হয়েছে বর্ণিল আলোকসজ্জা এবং পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে চলছে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘চিত্রকৃৎ’ অডিটোরিয়ামের সামনে নান্দনিক আলপনা এঁকে অতিথিদের স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে রঙিন আলোর ঝলকানিতে প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। আলোকসজ্জায় নতুন রূপ পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই স্মরণীয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করতে ছবি তোলায় ব্যস্ত সময় পার করেন। উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ জন শিক্ষার্থী ও ২৬ জন শিক্ষককে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং ৩ জন শিক্ষককে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। গবেষণা, প্রকাশনা ও একাডেমিক উৎকর্ষতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। 

শিক্ষার্থীরা জানান, আলোকসজ্জায় ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর মনে হচ্ছে। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আমাদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আমাদের আবেগ ও গর্বের দিন। দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে যে আলোকসজ্জা করা হয়েছে, তা সত্যিই দৃষ্টিনন্দন। রাতে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।’

আরেক শিক্ষার্থী সুহানা নুর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে কেন্দ্র করে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। আলোকসজ্জার কারণে ক্যাম্পাসকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় লাগছে। দিনের তুলনায় রাতের ক্যাম্পাস এখন একেবারেই ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে আলোকসজ্জা উপভোগ করছি এবং ছবি তুলছি।’

নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য ও রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, এবার সাতটি অনুষদের মোট ২২ জন শিক্ষার্থী ও ২৬ জন শিক্ষক ডিনস এ্যাওয়ার্ড ও তিন জন শিক্ষক ভাইস-চ্যান্সেলর পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ভিডিও ডকুমেন্টারি ও অতিথিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও বিকেল থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় পথচলা ও অর্জনগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হবে।

কাউসার আহমেদ/অন্তরা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা
ছবি: খবরের কাগজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৫৫তম ব্যাচ) স্নাতকের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়েরি, ক্লাস ব্যাগ ও বার্ষিক ক্যালেন্ডার দিয়ে বরণ করে নেয়। বিভিন্ন অনুষদের প্রায় দুই হাজার নবীন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন নবীনদের একাডেমিক পড়াশোনা ও গবেষণায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল, নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ রাস্তাসহ নানা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আশা-আকাঙ্ক্ষা জানতে চান এবং যথাসম্ভব সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছ। তোমরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে দেশের যোগ্য মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

এর আগে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং প্রতিটি বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীরা বাহারি রকমের গাছের চারা রোপণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “তোমরা কঠোর প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেধার স্বাক্ষর রেখে দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় ঐতিহ্যের অংশ হতে পেরে এক অনন্য সুযোগ লাভ করেছ। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জায়গা নয়; এটি মুক্তবুদ্ধি চর্চা, সংস্কৃতি এবং আত্ম-আবিষ্কারের এক বিশাল মঞ্চও বটে।”

তিনি আরও বলেন, “এখানে তোমাদের এই নতুন পথচলাকে সফল করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি। আমরা চাই তোমরা শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় শিক্ষিত না হয়ে, একজন মানবিক, নৈতিক ও দায়িত্বশীল সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠো। সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাও, নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলো এবং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে অবিচল থাকো। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন ও মূল্যবোধ মেনে চলে তোমরা এই প্রতিষ্ঠানের সম্মান আরও উজ্জ্বল করবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রবসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

আমান/এএফ

জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ
ছবি: খবরের কাগজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের আগমনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তন সংলগ্ন রাস্তায় এ প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তাদের হাতে ‘একাডেমিক নিপীড়কদের ক্রমাগত দায়মুক্তি দেওয়ায় উপাচার্যকে অভিনন্দন’, ‘জুলাই বিচারের নামে অশ্বডিম্ব পাড়ায় অভিনন্দন’, ‘ভবন নির্মাণ is going well, গবেষণা is no more’সহ বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের প্রচার সম্পাদক সাদিয়া ইমরোজ ইলা বলেন, “বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে শুরু করে একাডেমিক সব কাজেই চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিচারের নামে প্রহসন, একাডেমিক নিপীড়কদের ক্রমাগত দায়মুক্তি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে অপরাধীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত করেছেন। ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার দুই মাস পার হয়ে গেলেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে ন্যূনতম অগ্রগতি নেই। এসব বিশৃঙ্খলার বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনতেই আমরা এ প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করেছি।”

জাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পদ্ধতি থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট উত্তোলন পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা হয়রানি ও অবিচারের শিকার হচ্ছেন। অভ্যুত্থানের পর উপাচার্য দায়িত্ব নিয়েও একাডেমিক কিংবা প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সামান্যতম পরিবর্তন আনতে পারেননি। এই ব্যর্থতার দায় মনে করিয়ে দিতেই আজকের কর্মসূচি। যতদিন শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত না হবে, ততদিন আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”

আমানউল্লাহ/এএইউ

চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে জাবির কর্মচারীদের অবস্থান

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:১১ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে জাবির কর্মচারীদের অবস্থান
ছবি: খবরের কাগজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কর্মরত কর্মচারীরা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টা থেকে নতুন প্রশাসনিক ভবনের নিচে প্রায় ৫০ জন কর্মচারী অবস্থান করেছেন।

প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দৈনিক মজুরিতে কাজ করে আসা এসব কর্মচারীদের মধ্যে অনেকেই ৯ থেকে ১৪ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ১১৭ জন কর্মচারী রয়েছেন। জ্যেষ্ঠরা ২০১৩ সালে এবং সর্বশেষ ২০১৭ সালে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সময় আন্দোলনকারীরা ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও, লড়াই করো’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’, ‘আমাদের দাবি মানতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কর্মচারীরা জানান, মাত্র ১৬,৫০০ টাকা বেতনে সংসার চালানোই কষ্টকর। কোনো লিখিত ছুটি, বোনাস বা অন্যান্য সুবিধা নেই। সন্তানের লেখাপড়া ও চিকিৎসার মতো মৌলিক প্রয়োজনগুলোও তাদের কাছে বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রশাসন চাকরি স্থায়ীকরণের আশ্বাস দিলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

শহিদ ফেলানি খাতুন হলের হল অ্যাটেনডেন্ট মো. আবু রায়হান বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক মজুরিতে কাজ করে যাচ্ছি। বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কিছুই হয়নি। সম্প্রতি ১৫ জন গার্ডের যে সার্কুলার হয়েছে, সেখানকার বয়সসীমা আমাদের অনেকেরই পার হয়ে গেছে। এতদিন স্থায়ী করার কথা বলে এখন আবেদন করতেও পারছি না।”

অবস্থান কর্মসূচির একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে। সুফিয়া কামাল হলের হল অ্যাটেনডেন্ট মোহাম্মদ নাইম বলেন, “আমাদের জানানো হয়েছে, শুরুতে ব্যানারে তারেক রহমানের ছবি থাকায় উপর মহলে গোয়েন্দা সংস্থার নেগেটিভ ধারণা হয়েছে। এজন্য প্রশাসন লিখিত ক্ষমাপ্রার্থনা চেয়েছে।”

তিনি আরও জানান, প্রশাসন এখন তাদের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অথচ নিয়োগের সময় সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছিল এবং ইউজিসি অনুমোদিত সিন্ডিকেটে অনুমোদন হয়েছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, “ইঙ্গিতে বলা হচ্ছে আমাদের নিয়োগ অবৈধ। এটা আমাদের জন্য পরোক্ষ হুমকি। ন্যায্য দাবি তুললেই যদি চাকরিটাও চলে যায়, তাহলে আমরা কোথায় দাঁড়াব? এতদিন কেন বলা হয়নি যে চাকরি অবৈধ? শুধু আশ্বাসই দেওয়া হয়েছে।”

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে আগামী রবিবার থেকে আরও তীব্র ও লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

আমানউল্লাহ/ এএফ

কিউএস র‍্যাঙ্কিংয়ে আবারও দেশসেরা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম
কিউএস র‍্যাঙ্কিংয়ে আবারও দেশসেরা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস ২০২৭-এ আবারও বাংলাদেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)। এবারের র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি ৯০১–৯৫০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় এক ধাপ অগ্রগতি নির্দেশ করে।

এ বছর বিশ্বের ১,৫০৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়নের আওতায় এনে র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে কিউএস। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নির্ধারণে এটি বিশ্বের অন্যতম স্বীকৃত সূচক হিসেবে বিবেচিত। একাডেমিক সুনাম, কর্মসংস্থান সক্ষমতা ও স্নাতকদের অর্জন, শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক সুযোগ-সুবিধাসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হয়।

র‍্যাঙ্কিংয়ে অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যার পরেই রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। সরকারি ও বেসরকারি—উভয় ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে পর্যায়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অবস্থান তৃতীয়। একই সঙ্গে এটি দেশের সর্বোচ্চ স্থানপ্রাপ্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অবস্থান বজায় রেখেছে।

এনএসইউর উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অবস্থান ধরে রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার প্রতিফলন। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, গবেষণা এবং বৈশ্বিক সম্পৃক্ততায় আরও উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করবে।”