ঢাকা ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪
Khaborer Kagoj

চাকরিতে আবেদনের সময় যা যা খেয়াল রাখবেন

প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০২৩, ১১:০২ এএম
চাকরিতে আবেদনের সময় যা যা খেয়াল রাখবেন

ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে আমাদের ভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিজ্ঞতা হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু একটি পদের জন্য আবেদনকারী হিসেবে আমাদের প্রতিযোগিতা করতে হয় শত শত প্রার্থীর সঙ্গে। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চাকরির বাজারে টিকে থাকতে হলে শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করলেই হবে না, আপনাকে যথেষ্ট কৌশলী এবং দূরদর্শিতার পরিচয়ও দিতে হবে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন তারেক বিন ফিরোজ।

যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির পদে আবেদন
প্রথমত আপনি কোন ইন্ডাস্ট্রি বা কোন সেক্টরে কাজ করতে আগ্রহী তা বিবেচনা করতে হবে। আপনি কোন ধরনের বা কোন পদে চাকরি করতে চান তা নির্দিষ্ট করে ভাবুন। যেই পদে আবেদন করতে চাচ্ছেন তার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ে দেখুন। সেখানে উল্লেখ করা কাজের বিবরণীর সঙ্গে আপনার দক্ষতা এবং যোগ্যতা মিলছে কি না সে বিষয় যাচাই করুন। কর্মঘণ্টা, লোকেশন, বেতন ইত্যাদি ক্ষেত্রে নিশ্চিত হয়ে তবেই আবেদন করুন।

সিভি এবং কভার লেটার আপডেট করুন
চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে সিভি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়োগকারীর সঙ্গে আপনার সর্বপ্রথম যোগসূত্রের মাধ্যম এই সিভি। সিভির মাধ্যমেই আপনাকে যাচাই করে তবেই পরবর্তী ধাপটির জন্য আপনাকে বিবেচনা করা হবে। তাই একটি নির্ভুল ও তথ্যবহুল সিভি লেখার ব্যাপারে বিশেষ লক্ষ রাখতে হবে। একটি সিভি দিয়ে ভিন্ন পদে আবেদন না করে একেক কোম্পানির চাকরিভেদে ভিন্ন ধরনের সিভি তৈরি করুন এবং সেই অনুযায়ী আপনার যোগ্যতা এবং দক্ষতাগুলো হাইলাইট করুন। সিভির পাশাপাশি আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হলো কভার লেটার। আপনি কীভাবে কোম্পানির জন্য একটি সম্পদ হতে পারেন, এই পদে কাজ করে আপনি কী অর্জন করতে চাচ্ছেন, কেন উক্ত পদে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আপনাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ইত্যাদি কভার লেটারে লিখুন। প্রয়োজনে বিশ্বস্ত কাউকে দিয়ে সিভি এবং কভার লেটারটি পুনরায় চেক করিয়ে নিতে পারেন। একটি আকর্ষণীয় সিভি এবং কভার লেটার আপনাকে নিয়ে যাবে বহুদূর।

সিভিতে রেফারেন্স যুক্ত করুন
চাকরির ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো রেফারেন্স বা সুপারিশ। সিভিতে দুই থেকে তিনজন ব্যক্তির রেফারেন্স যোগ করে নিন। যাকে রেফারেন্স হিসেবে দিতে চান, তাকে এ সম্পর্কে অবগত করুন যাতে কোম্পানি থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি আপনার সম্পর্কে ভালো তথ্য দিতে পারেন। যাদের রেফারেন্স দিতে চান তাদের তথ্য নির্ভুল ও সঠিক কি না তা জেনে নিন।

অনলাইন প্রোফাইল আপডেটেড রাখুন
চাকরি খোঁজার প্রক্রিয়া এখন অনেকটাই অনলাইন নির্ভর হয়ে গিয়েছে। এক ক্লিকে আপনি যেমন ইন্টারনেট থেকে কোম্পানির ব্যাপারে জানতে পারবেন, তেমনি নিয়োগকারীও আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ঘুরে জেনে নিতে পারবেন অনেক তথ্য। সুতরাং প্রফেশনাল প্ল্যাটফর্ম যেমন লিংকডইন প্রোফাইল এর তথ্য হালনাগাদ রাখুন। এ ছাড়া অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অর্থাৎ ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার ইত্যাদি প্রোফাইলে যেকোনো ধরনের তথ্য শেয়ার বা প্রচারে সচেতন হোন।

ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নিন
ইন্টারভিউ হচ্ছে প্রার্থী বাছাই করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকরী মাধ্যম। ইন্টারভিউ মুখোমুখি, ফোন, বা অনলাইন- যেভাবেই হোক না কেন, এর জন্য চাই সঠিক প্রস্তুতি। বাসায় বসেই নিতে পারেন এই ইন্টারভিউ পূর্ববর্তী প্রস্তুতি। ওয়েবসাইট বা অন্যান্য সাইট থেকে প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে গবেষণা করে যান। এতে ইন্টারভিউয়ে আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে তা জেনে নিতে সুবিধা হবে আর এতে আপনার একাগ্রতাও প্রকাশ পাবে।

পরিচিতি পর্বে নিজের সম্পর্কে এমন কিছু বলতে চেষ্টা করুন যা সিভিতে লেখা নেই। প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় এমন সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর আগে থেকেই ঠিক করে যান। নিজেকে যোগ্য কেন দাবি করছেন, এর জন্য আপনার কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে কয়েকটি বাস্তব উদাহরণও ঠিক করে রাখুন। নিয়োগকারীরা সাধারণত উত্তরের পাশাপাশি মুখভঙ্গি, বাচনভঙ্গি, বসার ধরন ইত্যাদি বিষয়েও লক্ষ করে থাকেন। তাই ইন্টারভিউ বোর্ডে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী হিসেবে তুলে ধরুন।

পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন
ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার নিয়মানুবর্তিতা আপনার পেশাদারিত্বের প্রথম প্রমাণ দিবে। তাই তাড়াহুড়ো করে নয়, লোকেশন বুঝে সময় নিয়ে ঘর থেকে বের হোন। লোকেশন বুঝতে অসুবিধা হলে গুগল ম্যাপ অথবা কোম্পানির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে আগে থেকেই জেনে রাখুন এলাকাটি এবং সেখানকার ট্রাফিক অবস্থা সম্পর্কে। পরিপাটি ও মার্জিত আউটলুক বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, রুচিশীল এবং ফর্মাল পোশাক পরে যান। চুল, অলংকার এবং জুতার দিকেও মনোযোগ দিন। কী পরে যাবেন তা আগে থেকেই ঠিক করে রাখা ভালো।

দক্ষতা বৃদ্ধি করুন
নতুন নতুন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে একজন মূল্যবান সম্পদে পরিণত হোন। বিভিন্ন অনলাইন ট্রেনিং, সেমিনার, ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করুন। সেখান থেকে আপনি ইন্টারভিউয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি, নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপনের টিপস, নেটওয়ার্কিং এবং অনলাইন টুল ব্যবহার ইত্যাদি নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। যা আপনার পেশাগত উন্নয়নে সাহায্য করবে।

নেটওয়ার্কিং বাড়ান
চাকরি খোঁজা বেশ সময়সাপেক্ষ একটা ব্যাপার, তাই মানসিকভাবে আপনাকে শক্ত থাকতে হবে। কাছের বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সদস্য, শিক্ষক, মেন্টর, পূর্বের অফিসের বস এবং সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। তারা আপনার মনোবল দৃঢ় রাখতে সাহায্য করবে। তাদের কাছে চাকরি এবং ক্যারিয়ার বিষয়ে পরামর্শ চান।

আবেদন করা থেকে শুরু করে নতুন চাকরিতে যোগদান পর্যন্ত পদে পদে রয়েছে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ। আপনাকে সব সময় আশাবাদী থাকতে হবে এবং কোনো জায়গায় চাকরি না হলেও ভেঙে পড়বেন না। এ থেকে নতুন কী শিখলেন তা নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। ভালো-মন্দ প্রতিটি অভিজ্ঞতাই আপনাকে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে।

জাহ্নবী

ব্যবসার জন্য পুঁজি যেখানে পাবেন

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০২ পিএম
ব্যবসার জন্য পুঁজি যেখানে পাবেন

ব্যবসা করার জন্য যেমন নিত্যনতুন আইডিয়া দরকার ঠিক তেমনি প্রয়োজন অর্থ। নতুন ব্যবসা কিংবা উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে পুঁজি বা ফান্ডিং জোগাড় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কী পরিমাণ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে এবং সেগুলোর উৎস কী হবে, তা নির্ভর করে ব্যবসার পরিধি এবং ধরনের ওপর। নতুন কোনো উদ্যোগের স্টার্টআপ বা চলমান কোনো ব্যবসায় পুঁজি বা ফান্ডিং জোগাড় করার জন্য রয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় ও কার্যকরী পন্থা। সেগুলো হলো-

১. ব্যাংক ঋণ
পুঁজি জোগাড় করার ক্ষেত্রে ছোট এবং মাঝারি উদ্যোক্তাদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ব্যাংক ঋণ। দেশে এখন অনেকগুলো সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংক বিভিন্ন মেয়াদ ও সুযোগ-সুবিধায় ঋণ দিয়ে থাকে। নিজের ব্যবসার ধরন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংক ঋণ খুঁজে বের করতে হবে। তবে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, শুধু ভালো আইডিয়া থাকলেই ব্যাংক ঋণ পাওয়া যায় না। বরং ব্যাংক ঋণ পেতে কোম্পানির ভালো ট্র্যাক রেকর্ড এবং ক্রেডিট থাকা জরুরি। কোনো স্টার্টআপ ব্যবসার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের ব্যক্তিগত গ্যারান্টির দরকার পড়ে। ব্যাংক ঋণ সাধারণত দুই ধরনের হয়- ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল লোন এবং ফান্ডিং। ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল লোনের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে লাভের মুখ দেখেছে এমন উদ্যোগকে বাছাই করা হয়। অন্যদিকে ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন কিন্তু বাস্তবসম্মত এবং সম্ভাবনাময় ব্যবসায়িক পরিকল্পনাসংবলিত প্রোজেক্টগুলোকে বাছাই করা হয়।

২. সরকারি স্টার্টআপ ফান্ডিং
দেশে বেশ কয়েক বছর ধরেই স্টার্টআপ কালচার শুরু হয়েছে। সরকার বিভিন্ন মেয়াদে নতুন আইডিয়া সংবলিত স্টার্টআপ উদ্যোগগুলোয় বিনিয়োগ করে থাকে। এসব ফান্ডিং পেতে বেশ কিছু স্ক্রিনিং প্রসেস পার করতে হয়। আমাদের দেশে সরকারপ্রদত্ত স্টার্টআপ ফান্ডিংগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ইনোভেশন সার্ভিস ফান্ড, ইনোভেশন ফান্ড, আইসিটি ডিভিশন ফান্ড, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ইত্যাদি।

৩. ক্রাউড ফান্ডিং
সাধারণত ক্রাউড ফান্ডিং বলতে বোঝায় একটি ব্যবসায় অনেক লোকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনিয়োগ। বিভিন্ন পণ্য বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ক্রাউড ফান্ডিং একটি কার্যকরী পন্থা। ক্রাউড ফান্ডিংয়ে যারা টাকা তুলতে সহায়তা করে, তাদের প্ল্যাটফর্ম বলা হয়। অন্যদিকে ক্রাউড ফান্ডে যারা অর্থায়ন করেন তাদের বলা হয় ‘ব্রেইকার’। তাদের প্রদত্ত অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের পুরস্কার, স্বীকৃতি ইত্যাদি দেওয়া হয়। পুরস্কারগুলোর অর্থমূল্যের চেয়ে শুভেচ্ছামূল্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ যেমন- টি-শার্ট, স্টিকার, ধন্যবাদ জ্ঞাপকপত্র ইত্যাদি। প্ল্যাটফর্ম তাদের সেবার বদলে সার্ভিস চার্জ পেয়ে থাকে।

বিশ্বজুড়ে অনেক জনপ্রিয় হলেও ক্রাউড ফান্ডিং একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ ব্যবস্থা। কেননা এতে জালিয়াতির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত রাষ্ট্রগুলো ক্রাউড ফান্ডিংয়ে জালিয়াতি ঠেকাতে প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণমূলক নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশে ক্রাউড ফান্ডিং এখনো সেভাবে জনপ্রিয়তা পায়নি। তবে যেহেতু বর্তমানে বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ব্যবসায় উদ্যোক্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে শিগগির ক্রাউড ফান্ডিং এদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

৪. অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টিং
যখন কোনো উদ্যোক্তা তার ব্যবসার স্টার্টআপের সময় কিংবা চলমান ব্যবসায় আর্থিক সংকটের সময় অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে ব্যবসার অংশীদারত্ব বিক্রির মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে তখন তাকে অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টিং বলে। অংশীদারত্ব কেনার মাধ্যমে যিনি বিনিয়োগ করেন তাকে বলা হয় অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর। সাধারণত অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর উদ্যোক্তার কোনো আত্মীয়, বন্ধু কিংবা পরিচিত শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকেন। ব্যক্তির পাশাপাশি কোনো প্রতিষ্ঠানও অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর হিসেবে বিনিয়োগ করতে পারে। এ ধরনের ফান্ডিংয়ের একটি সুবিধা হলো সহজেই ইনভেস্টর পাওয়া যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে উদ্যোক্তার সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। কেননা, অংশীদারত্ব বিক্রির বিনিময়ে তিনি সঠিক পরিমাণ বিনিয়োগ পাচ্ছেন কি না, সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অন্যদিকে অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টরকে নিজের প্রতিষ্ঠানের পার্টনার হিসেবে গ্রহণ করার পর পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে মতের মিল ধরে রাখাও কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়াতে পারে।

৫. ভেঞ্চার ক্যাপিটাল
সাধারণত কোনো ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম বা কোম্পানি দ্বারা গঠিত হয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড বা তহবিল। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যসংবলিত (যেমন আইটি, আইটিইএস, বায়োমেডিকেল ইত্যাদি) তহবিল যেখানে বড় বড় প্রতিষ্ঠান কিংবা বিত্তশালীরা দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করেন। একটি ভেঞ্চার ফান্ডের সময়কাল সাধারণত ৫-১৫ বছর হয়ে থাকে। এই পুরো তহবিলের দেখাশোনা ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম করে থাকে যার বিনিময়ে তারা ব্যবস্থাপনা ফি নিয়ে থাকে। ভেঞ্চার ফান্ডে যারা বিনিয়োগ করেন তাদের লিমিটেড পার্টনার বা এলপি বলা হয়। অন্যদিকে যারা এই ফান্ড ব্যবস্থাপনা করে থাকে তাদের জেনারেল পার্টনার বা জিপি বলে। ভেঞ্চার ফান্ড থেকে বিভিন্ন উদ্যোগে বিনিয়োগের ব্যাপারটি ভেঞ্চার ফার্ম নিয়ন্ত্রণ করে। বিনিয়োগ সাধারণত দীর্ঘ মেয়াদের হয় (৩ থেকে ৮ বছর)। বিনিয়োগ প্রধানত সাধারণ শেয়ার ও আংশিক পুঁজির (কোয়াসি ইক্যুইটি) মাধ্যমে করা হয়। মেয়াদ শেষে অথবা সুবিধাজনক সময়ে ভেঞ্চার ফার্ম সেই শেয়ার বিক্রি করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে লাভ বা লোকসান যেকোনো কিছুই হতে পারে। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল একটি উদ্যোগের বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থায়ন করে- (১) সিড বা বীজ পর্যায়, যখন ব্যবসা উদ্যোক্তার মনে আইডিয়া আকারে থাকে (২) প্রাথমিক পর্যায়, যখন উদ্যোক্তা ব্যবসা শুরুর জন্য কাজ শুরু করেছে কিন্তু বিক্রয় বা সেবা প্রদান শুরু হয়নি (৩) সম্প্রসারণ পর্যায়, যখন বিক্রি শুরু হয়েছে কিন্তু কোম্পানি লাভ করছে না এবং (৪) বর্ধিষ্ণু পর্যায়, যখন কোম্পানি ভালো আয় বা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশে পরিচিত ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মধ্যে আছে, লংকা বাংলা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, এথেনা ভেঞ্চার এবং ইক্যুইটি লিমিটেড, বিডি ভেঞ্চার, ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, বিডি ভেঞ্চার লিমিটেড, মসলিন ক্যাপিটাল লিমিটেড, ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল লিমিটেড ইত্যাদি।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল দিয়ে বিশ্বের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলো আজকের পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ, স্ন্যাপ ডট ইনক, কিং ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট, যা ক্যানডি ক্রাশ সাগা গেমটি তৈরি করেছে—এরা সবাই ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মাধ্যমেই নিজেদের ব্যবসায় অর্থসংস্থান করেছে।

নতুন উদ্যোক্তাদের উচিত হবে, ব্যবসায় অর্থসংস্থানের জন্য ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জোগান নিশ্চিত করা।

৬. ক্ষুদ্রঋণ
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি বিভিন্ন এনজিও, যেমন গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা বাংলাদেশ ইত্যাদি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের আওতায় ঋণ দিয়ে থাকে। তারা মূলত তৃণমূল পর্যায়ে এমন উদ্যোক্তাদের খুঁজে বের করে, যাদের জন্য ক্ষুদ্রঋণই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষুদ্রঋণের অর্থ একসঙ্গে পাওয়া যায়। অন্যদিকে পরিশোধ করতে হয় ভেঙে ভেঙে। তাই, অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই ক্ষুদ্র ঋণ অর্থসংস্থানের জনপ্রিয় মাধ্যম।

জাহ্নবী

 

যেসব কারণে নষ্ট হতে পারে ক্যারিয়ার

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০০ পিএম
যেসব কারণে নষ্ট হতে পারে ক্যারিয়ার

প্রত্যেক মানুষই চায় একটি সুন্দর ও সফল ক্যারিয়ার। তবে শুধু চাইলেই হবে না। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক কর্মপরিকল্পনা। ক্যারিয়ার গড়ে তোলা অনেকটা কাচ দিয়ে পিরামিড সাজানোর মতো। এখানে প্রতিটি কাজ করতে হয় সতর্কতার সঙ্গে। কোনো একটি কাজে ভুল হলে তা সম্পূর্ণ বিষয়টিকে চুরমার করে দিতে পারে। আর এক্ষেত্রে যেসব কাজ আপনার ক্যারিয়ার নষ্ট করতে পারে, তেমন পাঁচটি বিষয় তুলে ধরা হলো এ লেখায়।

১. অতিরিক্ত আশ্বাস ও কম কাজ
কাজের ক্ষেত্রে আপনি যদি প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত আশ্বাস দেন তাহলে সে অনুযায়ী কাজও করা প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলে তা ধ্বংস করতে পারে আপনার ক্যারিয়ার। তাই কাজ যতটুকু করতে পারবেন ঠিক ততটুকুই আশ্বাস দিন।

২. পরিবর্তনে তাল মেলানো
নতুন নতুন আইডিয়া প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করবেই। নতুন বিষয়কে আয়ত্ত করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি এসব বিষয়ের সঙ্গে তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি প্রাচীনপন্থি বলে চিহ্নিত হবেন। ফলে আপনার ক্যারিয়ারের উন্নতির সম্ভাবনা কমে আসবে। একটা সময় ক্যারিয়ার ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে।

৩. ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে দুশ্চিন্তা 
ভবিষ্যতে কী হবে সেটা চিন্তা না করে ক্যারিয়ারের বর্তমান অবস্থাতেই মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ভবিষ্যৎ অবস্থার পরিবর্তনে যদি আপনি আগেই ভীত হয়ে যান এবং নতুন অবস্থানে যেতে অনাগ্রহী হন তাহলে তা ক্যারিয়ারকে ধুলায় মিশিয়ে দিতে পারে।

৪. সমস্যা চিহ্নিতকারী বনাম সমাধানকারী
যেকোনো কাজে সমস্যা থাকবেই। অনেকেই এসব সমস্যা চিহ্নিত করতে পারে। কিন্তু সমাধান করতে পারাতেই মূল দক্ষতার পরিচয়। এক্ষেত্রে আপনি যদি প্রতিষ্ঠানের বহু সমস্যা চিহ্নিত করতে পারেন কিন্তু সমাধান করতে না পারেন তাহলে তা আপনার জন্য মোটেই ভালো ফলাফল আনবে না।

৫. আত্মতুষ্টিতে ভোগা
কোনো প্রতিষ্ঠানে ভালোভাবে কাজ করা মানে ক্রমাগত গতিশীল হয়ে থাকা। আপনি যদি আত্মতুষ্টিতে ভোগেন এবং আর নতুন কোনো অবস্থান গ্রহণ করতে আগ্রহী না হন তার অর্থ আপনি আপনার কাজে যথেষ্ট মনোযোগী নন। এ অবস্থা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য মোটেও ভালো কিছু নয়।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে

জাহ্নবী

কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি পেতে যা করবেন

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৫৭ এএম
কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি পেতে যা করবেন

কর্মক্ষেত্রে নিজের কাজ ঠিকমতো করতে পারলে পদোন্নতি পাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে অনেকেই আছেন যারা কঠোর পরিশ্রম করেন ঠিকই কিন্তু সে অনুযায়ী ফল পান না। আবার অনেকেই অতিরিক্ত পরিশ্রম না করেও উন্নতি করে ফেলেন। কর্মক্ষেত্রে এমন অবস্থা দেখে অনেকেই হতাশায় ভুগে থাকেন। তবে হতাশ হলে চলবে না। মনে রাখতে হবে এর পেছনেও অনেকগুলো কারণ রয়েছে। নিজের অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করে নতুন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে আপনিও কর্মজীবনে সাফল্য পেতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি পাওয়ার জন্য যে ৫ অভ্যাস প্রয়োজন সেগুলো হলো-

লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যান
প্রতিষ্ঠানের সফল কর্মীরা একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যান। লক্ষ্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা নিয়মিত অগ্রগতি মূল্যায়ন করে থাকেন। আপনিও এ কাজটিই করুন। আপনার কাজের নিয়মিত অগ্রগতি যখন প্রতিষ্ঠানের চোখে পড়বে তখন নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত হবেন।

ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলুন
কর্মক্ষেত্রে সফলতা পেতে চাইলে সব সময় ইতিবাচক মনোভাব রাখুন। সফল কর্মীরা সব সময় এ কাজটিই করে থাকেন। তারা কখনো নেতিবাচক কিছু নিয়ে পড়ে থাকেন না। কোনো বিপত্তি এলেও সেগুলো মোকাবিলা করার মানসিকতা রাখেন। তাদের এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তারা কর্মজীবনে সফল হয়ে ওঠেন। তাই কর্মক্ষেত্রে সফল হতে গেলে এ ধরনের মনোভাব গড়ে তুলতে হবে।

যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ান
কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য যোগাযোগ দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যোগাযোগ দক্ষতা না থাকলে কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি পেতে হলে আপনাকে ভালো শ্রোতা হতে হবে। অন্যদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা কর্মীদের তাদের সহকর্মী এবং ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে, যা কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্য একটি ভালো সুযোগ।

নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখুন
কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি পেতে চাইলে সব সময় নতুন কিছু শেখা জরুরি। শেখার আগ্রহ না থাকলে কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়া কঠিন। যারা নতুন কিছু গ্রহণ করতে পারে না তারা সাধারণত কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি পান না। তাই কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করতে চাইলে যেকোনো বিষয়ে আপ টু ডেট থাকতে হবে। এর পাশাপাশি নতুন কিছু শেখার মানসিকতাও থাকতে হবে।

উদ্যোগ নিন, কাজ করুন
যারা উদ্যোগ নিতে পছন্দ করেন তাদের ভাগ্যে পদোন্নতি শব্দটি বারবার ধরা দেয়। এ ধরনের কর্মীরা কী করতে হবে এসব নিয়ে কোনো নির্দেশনার অপেক্ষা না করে নিজ থেকেই উদ্যোগ নিয়ে কাজ করেন। এসব মানুষকে সবাই পছন্দ করে থাকেন। তাই নিজের মধ্যে এ ধরনের মানসিকতা আনতে হবে।

জাহ্নবী

টিআইবিতে কাজের সুযোগ

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৫৬ এএম
টিআইবিতে কাজের সুযোগ

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বাংলাদেশে পার্টিসিপেটরি অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট করাপশন: টুওয়ার্ডস ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (পিএসিটিএ) প্রকল্পে কর্মী নিয়োগ দেবে সংস্থাটি। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

পদের নাম: ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর-প্রকিউরমেন্ট
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: বিজনেস, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এ ধরনের বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টে ডিপ্লোমা/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। প্রকিউরমেন্ট/অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে অন্তত ছয় বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে অন্তত তিন বছর জাতীয়/আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থায় সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগে সাবলীল হতে হবে। ইআরপি সফটওয়্যার ও এমএস অফিস অ্যাপ্লিকেশনের কাজ জানতে হবে।
চাকরির ধরন: ফুল টাইম
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: মাসিক বেতন ১,৩৭,৫৫০ টাকা। সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আছে।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের টিআইবির ক্যারিয়ার-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের https://career.ti-bangladesh.org/job/169 এই লিংক থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে Apply Now বাটনে ক্লিক করে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।

জাহ্নবী

পূবালী ব্যাংকে বড় নিয়োগ পদ ৫৪০

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৫৪ এএম
পূবালী ব্যাংকে বড় নিয়োগ পদ ৫৪০

পূবালী ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটি ডেপুটি জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এ পদে মোট ৫৪০ জনকে নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ব্যাংকটি।

পদের নাম: ডেপুটি জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ)
পদসংখ্যা: ৫৪০
যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। এসএসসিতে জিপিএ ৫–এর মধ্যে অন্তত ৩.৫০ এবং এইচএসসিতে জিপিএ–৪ থাকতে হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সিজিপিএ ৪–এর স্কেলে অন্তত ৩ থাকতে হবে। কোনো ব্যাংকে অন্তত দুই বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে।
বয়স: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে সর্বোচ্চ ৩২ বছর
কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে
বেতন: মাসিক বেতন ৩৭,৮০০ টাকা।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের পূবালী ব্যাংকের চাকরিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের https://vacancy.pubalibankbd.com/ এই লিংক ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য https://www.pubalibangla.com/pdf/Career_Opportunity_2024.pdf এই লিংকে জানা যাবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।