ঢাকা ৬ বৈশাখ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

বুয়েটে একাধিক বিভাগে চাকরি

প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৪, ১২:০৯ পিএম
বুয়েটে একাধিক বিভাগে চাকরি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিভিন্ন অফিস/বিভাগে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৪টি অফিস/বিভাগে মোট ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি
পদের নাম: প্রোগ্রামার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

পদের নাম: সহকারী লাইব্রেরিয়ান
পদসংখ্যা : ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা

২. বুয়েট-আইসিটি সেল
পদের নাম: হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

পদের নাম: সহকারী হার্ডদওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

৩. ভাইস চ্যান্সেলর অফিস
পদের নাম: সহকারী রেজিস্ট্রার (কো-অর্ডিনেশন)
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা

৪. ডিএইআরএস অফিস

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (তথ্য ও প্রকাশনা), পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা

পদের নাম: সহকারী ইনস্ট্রুমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (সেন্ট্রাল ইনস্ট্রুমেন্ট ওয়ার্কশপ)

পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

পদের নাম: প্রশাসনিক কর্মকর্তা

পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

৫. কেমিকৌশল বিভাগ

পদের নাম: এক্সপেরিমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ার

পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা

৬. ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তর

পদের নাম: মেডিকেল অফিসার (মেডিকেল সেন্টার)
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২৩,০০০-৫৫,৪৭০ টাকা

পদের নাম: হোমিও মেডিকেল অফিসার (মেডিকেল সেন্টার)
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

পদের নাম: প্রশাসনিক কর্মকর্তা

পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

৭. বুয়েট-জিডপাস

পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

৮. ন্যানোমেটেরিয়ালস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

পদের নাম: সহকারী ইনস্ট্রুমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার
পদসংখ্যা : ১ (অস্থায়ী) (সিনিয়র এক্সপেরিমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ার পদের বিপরীতে)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

৯. পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট

পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)  
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

১০. রেজিস্ট্রার অফিস

পদের নাম: প্রশাসনিক কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

পদের নাম: ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম অফিসার

পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

১১. ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজি

পদের নাম: প্রশাসনিক কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

১২. সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট

পদের নাম: প্রশাসনিক কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

১৩. প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়

পদের নাম: অ্যাকাউন্টস অফিসার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)  
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী কাম এস্টিমেটর, পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা

১৪. আহসান উল্লা হল
পদের নাম: পূজারি, পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী), বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা

যেভাবে আবেদন

আগ্রহী প্রার্থীদের https://recruitment.buet.ac.bd/ এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতিটি পদের জন্য আলাদা আলাদা আবেদন করতে হবে। আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ও আবেদনের ফি অনলাইনের মাধ্যমে পরিশোধের প্রক্রিয়া সাইটের ‘Application Guideline’ মেনুতে বর্ণনা করা আছে। অনলাইনে আবেদনের সময় সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণসহ সব সার্টিফিকেট, টেস্টিমোনিয়াল, ট্রান্সক্রিপ্ট/মার্কশিট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং অভিজ্ঞতার সনদের কপি আপলোড করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে এই https://regoffice.buet.ac.bd/wp-content/uploads/2024/03/Officer-post-advt.-21-04-2024.pdf লিংকে।

আবেদন ফি

৯ম গ্রেড বা তদূর্ধ্ব গ্রেড বেতন স্কেলের পদে আবেদনের জন্য ৬০০ টাকা ও ১০ম গ্রেড পদে আবেদনের জন্য ৫০০ টাকা অনলাইনের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২১ এপ্রিল, ২০২৪

কলি

রাজউকের লিখিত পরীক্ষার ফল ও মৌখিকের সূচি প্রকাশ

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৩৭ পিএম
রাজউকের লিখিত পরীক্ষার ফল ও মৌখিকের সূচি প্রকাশ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) রাজস্ব খাতভুক্ত সরাসরি নিয়োগযোগ্য ১৭ ক্যাটাগরির নবম ও দশম গ্রেডের ৯০টি পদের লিখিত (রচনামূলক) পরীক্ষার ফল ও মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। রাজউকের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে লিখিত পরীক্ষার ফল ও মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৭ ক্যাটাগরির পদের লিখিত পরীক্ষা গত ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। চলবে আগামী ৩ জুন পর্যন্ত। মতিঝিলে রাজউক ভবনের কক্ষ নম্বর ৩১৫ (চতুর্থ তলা), মতিঝিল, ঢাকায় এই মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

লিখিত পরীক্ষায় ১৭ ক্যাটাগরির পদে মোট ৬৭৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এদের মধ্যে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন/এস্টেট ও ভূমি) পদে ৭১ জন; সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রোটোকল) পদে ৮ জন; সহকারী পরিচালক (হিসাব) পদে ১৬ জন; সহকারী পরিচালক (ভূমি ব্যবহার) পদে ৯ জন; সহকারী পরিচালক (পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন) ৫ জন; সহকারী অথরাইজড অফিসার পদে ১৫১ জন; সহকারী স্থপতি পদে ৩১ জন; সহকারী আইন কর্মকর্তা পদে ১৪ জন; সহকারী নগর-পরিকল্পনাবিদ পদে ১১৪ জন; সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ২৮ জন; সহকারী প্রকৌশলী (বৈদ্যুতিক) পদে ১০ জন; উপসহকারী প্রকৌশলী (বৈদ্যুতিক) পদে ৮ জন; উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ৬২ জন; কানুনগো পদে ৮ জন; উপসহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) পদে ১৬ জন; প্রধান ইমারত পরিদর্শক পদে ১০ জন এবং ইমারত পরিদর্শক পদে ১১৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মৌখিক পরীক্ষার সময় আবেদনপত্রে উল্লিখিত তথ্যাদির সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে এবং পরীক্ষা শুরু হওয়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে সত্যায়িত অনুলিপি পরীক্ষার কেন্দ্রে জমা দিতে হবে (সব সত্যায়ন/প্রত্যয়ন প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সম্পাদিত হতে হবে)।

মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রবেশপত্র অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে। অন্যথায় মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। মৌখিক পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখা যাবে না। বিলম্বে হাজির হওয়ার কোনো কারণই কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।

কোনো ক্ষেত্রে যাচিত কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে বা পরবর্তী সময়ে কোনো সময় প্রার্থীর যোগ্যতার ঘাটতি পাওয়া গেলে বা দুর্নীতি/অসত্য তথ্য প্রদান/কোনো জাল সনদ দাখিল/অসদুপায় অবলম্বন/প্রতারণার আশ্রয় নিলে বা সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো শর্তের গুরুতর ঘাটতি/ত্রুটি দেখা গেলে বা প্রদত্ত তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে মৌখিক পরীক্ষার আগে বা পরে যেকোনো পর্যায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

লিখিত পরীক্ষার ফল ও মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সূচি

https://www.rajuk.gov.bd/sites/default/files/files/rajuk.portal.gov.bd/notices/c52fb669_df08_48ae_bcef_0258e2e59026/2024-04-03-12-43-122e3da35a302bd31a82ff10bd199964.pdf এখানে দেখা যাবে।

কলি

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনে চাকরি বেতন ৯৪ হাজার

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৩১ পিএম
ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনে চাকরি বেতন ৯৪ হাজার

ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল লিয়াজোঁ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

পদের নাম: ইন্টারন্যাশনাল লিয়াজোঁ অ্যাসিস্ট্যান্ট, হোম অফিস ইন্টারন্যাশনাল অপারেশনস

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এমএস অফিস অ্যাপ্লিকেশনের কাজ জানতে হবে। হোম অফিস ও এফসিডিও আইটি প্ল্যাটফর্মে টেমপ্লেটস, টেবলস, ডেটাসেটসের কাজ জানতে হবে। উপস্থাপনা ও যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে। সাংগঠনিক দক্ষতা থাকতে হবে। প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাংলা, ইংরেজি ও সিলেটি ভাষায় সাবলীল হতে হবে। দেশ-বিদেশে ভ্রমণের মানসিকতা থাকতে হবে।

চাকরির ধরন: ফুলটাইম, স্থায়ী

কর্মস্থল: ঢাকা

কর্মঘণ্টা: সপ্তাহে ৩৬ ঘণ্টা

বেতন: মাসিক বেতন ৯৪,৭১১ টাকা

সুযোগ-সুবিধা: ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, অসুস্থতাজনিত ছুটি, স্বাস্থ্যবিমা, সপ্তাহে দুই দিন ছুটি, ভ্রমণসহ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা আছে।

আবেদন যেভাবে  করবেন: আগ্রহী প্রার্থীদের

https://fco.tal.net/vx/appcentre-ext/brand-0/spa-1/tmpwid-d7d5_6b54c256-a86f-4bdb-b2be-b2da88522bda/candidate/so/pm/4/pl/1/opp/22495-International-Liaison-Assistant-Home-Office-International-Operations-Grade-AO-Dhaka/en-GB এই লিংকে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে Apply বাটনে ক্লিক করে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১১ এপ্রিল ২০২৪

 

রংপুরবাসীর জন্য সরকারি চাকরির সুযোগ

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ০২:২৪ পিএম
রংপুরবাসীর জন্য সরকারি চাকরির সুযোগ

রংপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও এর অধীন বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে একাধিক পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে পাঁচ ক্যাটাগরির পদে ১৪ থেকে ১৬তম গ্রেডে মোট ১৫৯ জনকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। শুধু রংপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা এসব পদে আবেদন করতে পারবেন।

১. পদের নাম: পরিসংখ্যানবিদ
পদসংখ্যা: ৫
যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান, গণিত অথবা অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
বয়স: অনূর্ধ্ব ৩০ বছর, বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

২. পদের নাম: কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: স্বীকৃত বোর্ড থেকে রেফ্রিজারেশন বা এয়ারকন্ডিশনিং ট্রেডে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পাস।
বয়স: অনূর্ধ্ব ৩০ বছর
বেতন স্কেল: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৫)

৩. পদের নাম: স্টোরকিপার
পদসংখ্যা: ৬
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস
বয়স: অনূর্ধ্ব ৩০ বছর
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)
৪. পদের নাম: স্বাস্থ্য সহকারী
পদসংখ্যা: ১৪৪
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস
বয়স: অনূর্ধ্ব ৩০ বছর
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)

৫. পদের নাম: ড্রাইভার
পদসংখ্যা: ৩
যোগ্যতা: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় পাস হতে হবে। হালকা গাড়ি চালনার বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। অধিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন চালকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)
বয়সসীমা
২৮ মার্চ ২০২৪ তারিখে আবেদনকারীর বয়স সর্বনিম্ন ১৮ এবং সর্বোচ্চ ৩০ বছর। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের http://csrangpur.teletalk.com.bd/ এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য http://csrangpur.teletalk.com.bd/docs/Circular%20CS%20OFFICE.pdf এই লিংকে পাওয়া যাবে।

অনলাইনে আবেদন করতে কোনো সমস্যা হলে টেলিটক নম্বর থেকে ১২১ নম্বরে কল অথবা [email protected] ঠিকানায় ই-মেইলে যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া টেলিটকের জবপোর্টালের https://www.facebook.com/alljobsbdTeletalk ফেসবুক পেজে মেসেজের মাধ্যমেও যোগাযোগ করা যাবে। মেইল/মেসেজের সাবজেক্টে প্রতিষ্ঠান ও পদের নাম এবং ইউজার আইডি ও যোগাযোগের নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

আবেদন ফি
অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফি বাবদ প্রতিটি পদের জন্য ২০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ২৩ টাকাসহ মোট ২২৩ টাকা টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২২ এপ্রিল ২০২৪, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচ ভুল

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ০২:১৪ পিএম
সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচ ভুল
মডেল: রহমান ওয়ায়েজ ও ফারজানা খান মিম, ছবি: শরিফ মাহমুদ

চাকরি কিংবা ব্যবসা যাই করেন না কেন, আপনাকে অবশ্যই অন্যের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। কারণ, ভালো সম্পর্ক ছাড়া আপনি আপনার ক্যারিয়ারে সফল হতে পারবেন না বললেই চলে। সবাই চেষ্টা করে মানুষের সঙ্গে খাতির করে নিজের যোগাযোগ বাড়াতে। কিন্তু অল্প কয়েকজন ছাড়া বাকিরা কিন্তু একই ভুল বারবার করে।

নিজের শুভাকাঙ্ক্ষীর সংখ্যা বাড়াতে চাইলে নিচের ব্যাপারগুলো থেকে দূরে থাকুন।

অন্যের জন্য কাজ করুন
সম্পর্ক তৈরি করতে গিয়ে এমন কাউকে আপনার দলে টানতে হবে, যে আপনাকে ভবিষ্যতে সাহায্য করবে। আপনার কথা অন্যদের জানাবে। দীর্ঘমেয়াদে কিছু পাওয়ার জন্যই এই সম্পর্ক তৈরি করা। কিন্তু প্রথমে নিজে কি চান তা বলতে যাবেন না। আসলে আপনার নিজের প্রয়োজন কাউকে বলারই দরকার নেই। আপনার কী দরকার ভুলে গিয়ে আপনি কী দিতে পারবেন, সেদিকে মনোযোগ দিন। সাহায্য করলেই আসল সম্পর্ক আর যোগাযোগ তৈরি হবে। যদি নিজের লাভের জন্য বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করেন, তবে কোনো লাভজনক কিছু করতে পারবেন না। দুই পক্ষের কারও জন্যই এটা ভালো হবে না। যদি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে চান, তবে মনে রাখবেন অন্যের জন্যই আপনাকে কাজ করতে হবে।

উচ্চাকাঙ্ক্ষা
উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা ভালো, তবে সেটা অবশ্যই সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে। আপনি যদি অর্থনৈতিক সেবা প্রদান করেন, তবে নামকরা ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলে খুবই ভালো অথবা ধরেন আপনি কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বিক্রি করেন, তবে ইন্টেলের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা যেমন ভালো তেমনি অসম্ভব।

যখন দুই পক্ষেরই লাভ হয়, তখনই সাধারণত ভালো সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। আপনি ইন্টেল বা নামকরা ব্যাংককে কিছুই দিতে পারবেন না। আপনার উঁচু লেভেলে কানেকশন দরকার, কিন্তু দুই পক্ষের লাভ ছাড়া যোগাযোগ রক্ষা হবে না। আপনাকে যোগাযোগের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এমন কাউকে খুঁজুন যাকে আপনি আপনার জ্ঞান, চিন্তা আর আপনার শুভাকাঙ্ক্ষীদের দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন।

অন্যরা নিজে থেকে আপনার প্রয়োজন বুঝবে
ব্যবসা নিয়ে আপনি খুব বিপদে থাকতে পারেন। হয়তো বড় কোনো কোম্পানির সঙ্গে কাজ করলে আপনার ব্যবসা বেঁচে যাবে। কিন্তু জেনে রাখুন- এটা নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। কেউ এটা নিয়ে চিন্তাও করবে না। এটা সম্পূর্ণই আপনার নিজের সমস্যা। কেউ আপনাকে সাহায্য করবে সেই আশায় বসে থাকবেন না। মানুষ আপনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে পারে, কিন্তু আপনার জন্য সে কাজ করতে বাধ্য নয়। সাহায্য পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যের জন্য কিছু করা। মানুষের খোঁজ নিন, তাদের কিসে সাহায্য লাগবে জেনে নিন।
অন্যের জন্য কাজ করুন, কেবলমাত্র তখনই তারা আপনাকে সাহায্য করবে।

যন্ত্রের ওপর বেশি ভরসা করা
টুইটারের ফলোয়ার আর ফেসবুক বন্ধু অনেক সময়ই কাজে আসে না। কারণ, আপনার টুইট আর ফেসবুকের হোম পেজ আপনার বন্ধুরা খুব কমই দেখে। আসলে এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভরসা নেই।

এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে যোগাযোগের সূত্রপাত হতে পারে, কিন্তু যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য আপনাকে সামনাসামনি গিয়েই কাজ করতে হবে। সহজে আর আটোমেটিক কোনো কিছু দিয়ে ফলপ্রসূ যোগাযোগ খুব বেশিদিন করতে পারবেন না।

সবার সঙ্গে খাতির করা
কিছু কিছু মানুষ আছে যারা নেটওয়ার্ক তৈরি করতে গিয়ে কোচিং সেন্টারের লিফলেটের মতো করে নিজের কার্ড বিলি করেন। সত্যিকার অর্থে নেটওয়ার্ক তৈরি করতে এত সংখ্যায় কার্ড বিলানোর দরকার নেই। আপনি যাকে সাহায্য করতে পারবেন এমন কাউকে খুঁজে বের করুন। ভেবে দেখুন সে আপনাকে ভবিষ্যতে সাহায্য করবে কি না, এরপর নিজের মতো কাজ করুন।

নিজে যাকে চান তার সঙ্গেই খাতির করুন। আর লিস্ট ছোট রাখুন। কারণ অনেক মানুষের সঙ্গে একই সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা সম্ভব নয়।

কলি

স্থপতি হিসেবে গড়ুন নান্দনিক ক্যারিয়ার

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০৬ পিএম
স্থপতি হিসেবে গড়ুন নান্দনিক ক্যারিয়ার

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একজন স্থপতি এবং স্থাপত্যবিদ্যার গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা, একজন স্থপতি অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু ভবন ও এর পারিপার্শ্বিক গঠন কাঠামোর মধ্যকার সমন্বয়ই ঘটান না; বরং তিনি পরিবেশগত দিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা পরিবর্তন থেকে রক্ষা পাওয়ার বাস্তবমুখী দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাসহ অনেক মৌলিক বিষয়ে কাজ করেন।

দেশের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন, বাস্তবমুখী পরিবেশচর্চা ও অর্থনৈতিক কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলনের জন্য স্থপতি এবং স্থাপত্যবিদ্যার ভূমিকা অপরিহার্য। তাই দেশে-বিদেশে এখন স্থপতিদের ব্যাপক চাহিদা। যদিও একটা সময় ছিল যখন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে স্থপতিদের কাজ করানো হতো; কিন্তু সময় বদলেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এখন বাংলাদেশেও স্থপতিরা ভবনের ভেতর-বাইরের নকশা থেকে শুরু করে পুরো কাজের নেতৃত্ব দেন।

পড়াশোনা
স্থাপত্য একই সঙ্গে কলা এবং বিজ্ঞানের সম্মিলিত রূপ। স্থাপত্য বিষয়টি অধিকাংশই প্রযুক্তি, নকশা ও নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এটি একটি সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমানে বুয়েট, রুয়েট, চুয়েট, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাবিপ্রবি, চবি, আহ্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি, এশিয়া প্যাসিফিক, নর্থসাউথ, এআইইউবি, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিসহ সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে অন্তত ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য পড়ানো হচ্ছে।

এগুলোর মধ্যে আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি আইএবির অ্যাক্রিডিটেড। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রথমেই খোঁজ নিয়ে দেখা উচিত যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাচ্ছে সেটির আইএবির অ্যাক্রিডিটেশন আছে কি না। এটি একটি পেশাগত ডিগ্রি এবং উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হওয়ায় বর্তমানে এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষার চাহিদাও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদেশে স্থাপত্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল। তবে এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী মেধাবীদের সহায়তা করার জন্য বিশ্বের সব দেশের বিশ্ববিদ্যালয়েই রয়েছে কিছু স্কলারশিপ প্রোগ্রাম। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রফেসরদের গবেষণা ফান্ড থেকেও অনেক সময় বিভিন্ন দায়িত্বসাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ বহন করা হয়।

সফল স্থপতি  

একজন ভালো এবং সফল স্থপতি হওয়ার প্রধান শর্ত হচ্ছে সৃজনশীল হওয়া। তাকে অবশ্যই দেশ-বিদেশের বড় বড় স্থাপনার নকশা সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে হবে। ক্লায়েন্টের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বুঝে তার সম্পদ ও সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে অত্যাধুনিক প্ল্যান দিতে হবে- যেন তার সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়। ক্লায়েন্টকে কনভিন্স করতে থাকতে হবে ভালো যোগাযোগ দক্ষতা। মনে রাখবেন, উদ্যমী হতে না পারলে এ পেশায় সফল হওয়াটা খুব কঠিন। কাজের মাধ্যমে নিজের প্রতিভাকে ফুটিয়ে তুলতে হবে। প্রতিনিয়ত সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে পারদর্শী হলে তবেই ক্যারিয়ারে সফলতা ধরা দেবে।

কর্মক্ষেত্র

সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপত্যকে পেশা হিসেবে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বলা যায়, বতর্মানে স্থপতিদের কর্মক্ষেত্র অবারিত। আর্কিটেক্ট ফার্ম, রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোতেও তাদের কাজের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। গেমিং ইন্ডাস্ট্রি-থ্রি ডি ভিজুয়ালের ক্ষেত্রে স্থপতিরা সহায়তা করতে পারেন। অ্যানিমেশন ইন্ডাস্ট্রিতেও আর্কিটেক্টদের কাজের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে আর্কিটেক্ট পাস করার পর গ্র্যাজুয়েটরা সৃজনশীল কাজ যেমন- ফিল্ম মেকিং, ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি, অ্যাডভারটাইজিং, ইন্টেরিওর ডিজাইনের কাজেও যুক্ত হচ্ছেন।

এক কথায়, বর্তমানে বিভিন্ন পেশার মধ্যে শীর্ষস্থানীয় হলো স্থাপত্য। এ পেশার সুবিধা হলো কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পাশাপাশি চাইলে নিজেও একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়ে কাজ করা সম্ভব। তবে কোনো স্থপতি যদি নিজের প্রতিষ্ঠান চালু করতে চায়, তাহলে তাকে প্রথমেই ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্ট বাংলাদেশ (আইএবি) থেকে নিবন্ধন করিয়ে নিতে হবে।

তাছাড়া ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার অর্থাৎ, স্থাপত্য বিষয়ে স্নাতক শেষে দুটি পথ সরাসরিই খোলা থাকে- ১. স্থাপত্য বিষয়ে শিক্ষকতা করা; ও ২. পেশাগতভাবে স্থপতি হিসেবে চর্চা শুরু করা। শিক্ষকতার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গাতেই সুযোগ আছে। যেহেতু এখন বাংলাদেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই স্থাপত্য বিভাগ চালু হয়েছে আর সেখানে শিক্ষকের প্রয়োজন, তাই শিক্ষকতার সুযোগও অনেক। তবে এ ক্ষেত্রে একটা পূর্বশর্ত হচ্ছে স্নাতক পর্যায়ের ফলাফল যথেষ্ট ভালো হতে হবে।

আর যারা স্থাপত্য চর্চার দিকে যেতে চায়, তাদের জন্যও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অনেক প্রতিষ্ঠানে সুযোগ আছে। এ ছাড়া সরকারের আরও কিছু সংস্থা আছে, যেমন- রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), এডিএ, সিডিএ, আরডিএ, একইভাবে সিটি করপোরেশন, হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। এসব প্রতিষ্ঠানে স্থপতিদের প্রয়োজন এবং কাজের বেশ সুযোগ রয়েছে।

আয়-রোজগার

একজন আর্কিটেক্ট বা স্থপতি চাকরির শুরুতে ২৫-৩০ হাজার টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। তবে ছয় মাসের মধ্যে তিনি যদি তার কাজের দক্ষতা দেখাতে সক্ষম হন তাহলে তার আয়ের পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেতে পারে। একজন দক্ষ আর্কিটেক্ট মাসে আনুমানিক দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা আয় করেন। তাছাড়া স্থাপত্য পেশায় চাকরির বাইরে ফ্রিল্যান্স কাজ করেও বাড়তি আয়ের সুযোগ থাকে।

কলি