ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

স্থপতি হিসেবে গড়ুন নান্দনিক ক্যারিয়ার

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০৬ পিএম
স্থপতি হিসেবে গড়ুন নান্দনিক ক্যারিয়ার

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একজন স্থপতি এবং স্থাপত্যবিদ্যার গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা, একজন স্থপতি অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু ভবন ও এর পারিপার্শ্বিক গঠন কাঠামোর মধ্যকার সমন্বয়ই ঘটান না; বরং তিনি পরিবেশগত দিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা পরিবর্তন থেকে রক্ষা পাওয়ার বাস্তবমুখী দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাসহ অনেক মৌলিক বিষয়ে কাজ করেন।

দেশের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন, বাস্তবমুখী পরিবেশচর্চা ও অর্থনৈতিক কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলনের জন্য স্থপতি এবং স্থাপত্যবিদ্যার ভূমিকা অপরিহার্য। তাই দেশে-বিদেশে এখন স্থপতিদের ব্যাপক চাহিদা। যদিও একটা সময় ছিল যখন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে স্থপতিদের কাজ করানো হতো; কিন্তু সময় বদলেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এখন বাংলাদেশেও স্থপতিরা ভবনের ভেতর-বাইরের নকশা থেকে শুরু করে পুরো কাজের নেতৃত্ব দেন।

পড়াশোনা
স্থাপত্য একই সঙ্গে কলা এবং বিজ্ঞানের সম্মিলিত রূপ। স্থাপত্য বিষয়টি অধিকাংশই প্রযুক্তি, নকশা ও নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এটি একটি সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমানে বুয়েট, রুয়েট, চুয়েট, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাবিপ্রবি, চবি, আহ্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি, এশিয়া প্যাসিফিক, নর্থসাউথ, এআইইউবি, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিসহ সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে অন্তত ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য পড়ানো হচ্ছে।

এগুলোর মধ্যে আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি আইএবির অ্যাক্রিডিটেড। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রথমেই খোঁজ নিয়ে দেখা উচিত যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাচ্ছে সেটির আইএবির অ্যাক্রিডিটেশন আছে কি না। এটি একটি পেশাগত ডিগ্রি এবং উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হওয়ায় বর্তমানে এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষার চাহিদাও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদেশে স্থাপত্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল। তবে এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী মেধাবীদের সহায়তা করার জন্য বিশ্বের সব দেশের বিশ্ববিদ্যালয়েই রয়েছে কিছু স্কলারশিপ প্রোগ্রাম। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রফেসরদের গবেষণা ফান্ড থেকেও অনেক সময় বিভিন্ন দায়িত্বসাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ বহন করা হয়।

সফল স্থপতি  

একজন ভালো এবং সফল স্থপতি হওয়ার প্রধান শর্ত হচ্ছে সৃজনশীল হওয়া। তাকে অবশ্যই দেশ-বিদেশের বড় বড় স্থাপনার নকশা সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে হবে। ক্লায়েন্টের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বুঝে তার সম্পদ ও সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে অত্যাধুনিক প্ল্যান দিতে হবে- যেন তার সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়। ক্লায়েন্টকে কনভিন্স করতে থাকতে হবে ভালো যোগাযোগ দক্ষতা। মনে রাখবেন, উদ্যমী হতে না পারলে এ পেশায় সফল হওয়াটা খুব কঠিন। কাজের মাধ্যমে নিজের প্রতিভাকে ফুটিয়ে তুলতে হবে। প্রতিনিয়ত সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে পারদর্শী হলে তবেই ক্যারিয়ারে সফলতা ধরা দেবে।

কর্মক্ষেত্র

সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপত্যকে পেশা হিসেবে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বলা যায়, বতর্মানে স্থপতিদের কর্মক্ষেত্র অবারিত। আর্কিটেক্ট ফার্ম, রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোতেও তাদের কাজের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। গেমিং ইন্ডাস্ট্রি-থ্রি ডি ভিজুয়ালের ক্ষেত্রে স্থপতিরা সহায়তা করতে পারেন। অ্যানিমেশন ইন্ডাস্ট্রিতেও আর্কিটেক্টদের কাজের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে আর্কিটেক্ট পাস করার পর গ্র্যাজুয়েটরা সৃজনশীল কাজ যেমন- ফিল্ম মেকিং, ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি, অ্যাডভারটাইজিং, ইন্টেরিওর ডিজাইনের কাজেও যুক্ত হচ্ছেন।

এক কথায়, বর্তমানে বিভিন্ন পেশার মধ্যে শীর্ষস্থানীয় হলো স্থাপত্য। এ পেশার সুবিধা হলো কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পাশাপাশি চাইলে নিজেও একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়ে কাজ করা সম্ভব। তবে কোনো স্থপতি যদি নিজের প্রতিষ্ঠান চালু করতে চায়, তাহলে তাকে প্রথমেই ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্ট বাংলাদেশ (আইএবি) থেকে নিবন্ধন করিয়ে নিতে হবে।

তাছাড়া ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার অর্থাৎ, স্থাপত্য বিষয়ে স্নাতক শেষে দুটি পথ সরাসরিই খোলা থাকে- ১. স্থাপত্য বিষয়ে শিক্ষকতা করা; ও ২. পেশাগতভাবে স্থপতি হিসেবে চর্চা শুরু করা। শিক্ষকতার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গাতেই সুযোগ আছে। যেহেতু এখন বাংলাদেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই স্থাপত্য বিভাগ চালু হয়েছে আর সেখানে শিক্ষকের প্রয়োজন, তাই শিক্ষকতার সুযোগও অনেক। তবে এ ক্ষেত্রে একটা পূর্বশর্ত হচ্ছে স্নাতক পর্যায়ের ফলাফল যথেষ্ট ভালো হতে হবে।

আর যারা স্থাপত্য চর্চার দিকে যেতে চায়, তাদের জন্যও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অনেক প্রতিষ্ঠানে সুযোগ আছে। এ ছাড়া সরকারের আরও কিছু সংস্থা আছে, যেমন- রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), এডিএ, সিডিএ, আরডিএ, একইভাবে সিটি করপোরেশন, হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। এসব প্রতিষ্ঠানে স্থপতিদের প্রয়োজন এবং কাজের বেশ সুযোগ রয়েছে।

আয়-রোজগার

একজন আর্কিটেক্ট বা স্থপতি চাকরির শুরুতে ২৫-৩০ হাজার টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। তবে ছয় মাসের মধ্যে তিনি যদি তার কাজের দক্ষতা দেখাতে সক্ষম হন তাহলে তার আয়ের পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেতে পারে। একজন দক্ষ আর্কিটেক্ট মাসে আনুমানিক দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা আয় করেন। তাছাড়া স্থাপত্য পেশায় চাকরির বাইরে ফ্রিল্যান্স কাজ করেও বাড়তি আয়ের সুযোগ থাকে।

কলি

 

চাকরি খোঁজার সহজ উপায়

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:৫৬ পিএম
চাকরি খোঁজার সহজ উপায়

ভালো ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ঠিকভাবে চাকরি খোঁজা বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য। এবারের লেখায় জানুন চাকরি খোঁজার কয়েকটি সাধারণ উপায় সম্পর্কে। জানাচ্ছেন আফসানা আক্তার 

সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিন
চাকরি খোঁজার জন্য সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিনের সহযোগিতা নিতে পারেন। চাকরিপ্রার্থীদের কাছে এটি সবচেয়ে পুরোনো ও বেশি ব্যবহৃত উপায়। প্রতিটি সংবাদপত্রে প্রতিদিন সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরের বহু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহে শুধুমাত্র চাকরির খবরাখবর নিয়েই বেশ কয়েকটি পত্রিকা বের হয়। এগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখলে আপনি কাঙ্ক্ষিত চাকরি অবশ্যই পেয়ে যাবেন।

জব পোর্টাল
ইন্টারনেটের কল্যাণে চাকরি খোঁজার কাজ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। বর্তমানে দেশে চাকরি খোঁজার বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট রয়েছে। এগুলোর কল্যাণে আপনি এখন পছন্দের ক্যাটাগরিতে কিংবা প্রতিষ্ঠানে চাকরি খুঁজতে পারবেন কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই।

প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট
যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ওয়েবসাইটেও পরিবর্তন আনছে।  বর্তমানে বহু প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে চাকরির জন্য আলাদা সেকশন রয়েছে। আপনার যদি পছন্দের কোনো প্রতিষ্ঠান থাকে, তা হলে সে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে খোঁজ নিতে পারেন।

লিংকডইন
পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগেরমাধ্যম লিংকডইনের মাধ্যমে চাকরি খোঁজার প্রক্রিয়া খুব সহজ। এক্ষেত্রে বড় একটি সুবিধা হলো, নিয়োগদাতারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায় সময় দক্ষ কর্মী খুঁজে থাকেন। তাই আপনার যদি কাজের অভিজ্ঞতা ভালো হয় আর প্রয়োজনীয় দক্ষতাগুলো থাকে, তা হলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তবে এর জন্য আপনার প্রোফাইল ঠিকভাবে গোছানো থাকা জরুরি।

নেটওয়ার্কিং
আপনার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক কিংবা পরিচিত যেকোনো মানুষের মাধ্যমে চাকরির খবর আসতে পারে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে এ কারণে বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাজীবীদের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গঠন করা জরুরি। কারণ, তারাই আপনাকে সঠিক কাজের সন্ধান দিতে পারে।

 কলি

 

কোস্ট ফাউন্ডেশনে কাজের সুযোগ, বেতন ৯০ হাজার

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:৪৯ পিএম
কোস্ট ফাউন্ডেশনে কাজের সুযোগ, বেতন ৯০ হাজার

বেসরকারি সংস্থা কোস্ট ফাউন্ডেশন জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি কক্সবাজারে স্ট্রেনদেন দ্য প্রোটেকটিভ এনভায়রনমেন্ট ফর দ্য চিলড্রেন অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্টস অব রোহিঙ্গা ক্যাম্পস অ্যান্ড হোস্ট কমিউনিটিস ইন কক্সবাজার ডিস্ট্রিক্ট প্রকল্পে প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে একজনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত সিভির ফরম্যাট পূরণ করে ই-মেইলে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

পদের নাম: প্রজেক্ট ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। কোনো বেসরকারি সংস্থায় চাইল্ড প্রোটেকশন প্রোগ্রামে অন্তত দুই বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। রোহিঙ্গা রেসপন্সে চাইল্ড প্রোটেকশন প্রোগ্রামে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও কেস ম্যানেজমেন্টে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নেতৃত্বের সক্ষমতা থাকতে হবে। কম্পিউটারে দক্ষতাসহ এমএস অফিস অ্যাপ্লিকেশনের কাজ জানতে হবে। যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে।
বয়স: ৩০ থেকে ৪০ বছর
চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক
কর্মস্থল: উখিয়া, কক্সবাজার

বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: মাসিক বেতন ৯০,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এ ছাড়া ইন্টারনেট ও মুঠোফোন বিলসহ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।

আবেদন যেভাবে আগ্রহী প্রার্থীদের https://hotjobs.bdjobs.com/jobs/coastfound/coastfound56.htm এই লিংক থেকে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে হবে। একই লিংক থেকে নির্ধারিত সিভির ফরম্যাট ডাউনলোডের পর তা পূরণ করে পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবিসহ [email protected] এই ঠিকানায় ই-মেইল করতে হবে। সাবজেক্টে পদের নাম উল্লেখ করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৫ মে ২০২৪।

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে চাকরি

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:৪৭ পিএম
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে চাকরি

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সম্প্রতি অস্থায়ীভাবে ১০টি পদে মোট ৪৮ জনকে নিয়োগের https://bkkb.gov.bd/ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে পদগুলোয় যোগ্যতা পূরণসাপেক্ষে যোগ দিতে পারবেন যে কেউ। অনলাইনে পদগুলোর জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ৩১ মে পর্যন্ত।

পদের নাম ও পদসংখ্যা
১। সহকারী পরিচালক-২, গ্রেড-৯  
২। সহকারী প্রোগ্রামার-১, গ্রেড-৯
৩। সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার-১, গ্রেড-৯
৪। পরিবহন কর্মকর্তা-১, গ্রেড-১০
৫। কম্পিউটার অপারেটর-৪, গ্রেড-১৩
৬। হিসাবরক্ষক-৯, গ্রেড-১৩
৭। ক্যাশিয়ার-১, গ্রেড-১৪
৮। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক-১৮, গ্রেড-১৬
৯। ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর-৯, গ্রেড-১৬
১০। গাড়িচালক-২, গ্রেড-১৬

আবেদনের যোগ্যতা
প্রতিটি পদে আবেদনের জন্য আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বয়সসীমা আলাদা। পদভেদে আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বয়সসীমার শর্তাবলি জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে।

চাকরিতে আবেদনের বয়স
প্রার্থীর বয়স ৩১ মে তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা /শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদনের বিস্তারিত জানা যাবে  https://bkkb.gov.bd/ এই লিংক থেকে।

কলি

 

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়োগ

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:২৮ পিএম
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়োগ

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই হাসপাতালে ৬ ক্যাটাগরির পদে ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে ৮৫ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা। সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন গতি ইংরেজিতে ৭০ শব্দ ও বাংলায় ৪৫ শব্দ এবং কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৩০ শব্দ ও বাংলায় ২৫ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

২. পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের ন্যূনতম গতি এবং স্ট্যান্ডার্ড অ্যাপটিটিউড টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৩. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৪
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৪. পদের নাম: ইনস্ট্রুমেন্ট কেয়ারটেকার
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল বা মেকানিক্যাল ট্রেডে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৫. পদের নাম: রিসিপশনিস্ট
পদসংখ্যা: ২
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। ই-মেইল, স্ক্যানার, ফ্যাক্স ও টেলিফোন চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৬. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৭৬
যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)
যেসব জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন: মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ী, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, বরিশাল জেলা ছাড়া অন্য সব জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন। তবে সব জেলার প্রতিবন্ধী ও এতিম প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

বয়সসীমা
১৩ জুন ২০২৪ তারিখে আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীর ক্ষেত্রে বয়স অনূর্ধ্ব ৩২ বছর। বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনির ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের http://kgh.teletalk.com.bd/ এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য https://kgh.gov.bd/ এই লিংকে জানা যাবে।

আবেদন ফি
অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফি বাবদ ১ থেকে ৫ নম্বর পদের জন্য ২০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ২৩ টাকাসহ মোট ২২৩ টাকা এবং ৬ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা: ১৬ মে থেকে ১৩ জুন ২০২৪, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

 কলি

অফিসের পরিবেশ কি আপনার জন্য উপযুক্ত?

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:২৫ পিএম
অফিসের পরিবেশ কি আপনার জন্য উপযুক্ত?
অফিসের পরিবেশ কর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক, উৎসাহজনক হওয়া উচিত। মডেল: তাম্মি, রহমান ওয়ায়েজ, ছবি: শরিফ মাহমুদ

কর্মক্ষেত্র হচ্ছে এমন একটি জায়গা, যেখানে কর্মীরা পেশাগত কাজ করেন। আর এই কর্মক্ষেত্র বা অফিসে কাজের পরিবেশ বলতে এমন কিছু উপাদানের সমন্বয়কে বোঝানো হয়, যেগুলো অফিসের কর্মীদের শরীর ও মনের ওপর প্রভাব ফেলে। এই উপাদানগুলোর মধ্যে পড়তে পারে অফিসের নিয়মনীতি, কোম্পানির এইচআর পলিসি, কোম্পানির মূল্যবোধ, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি (ইন-হাউস পলিটিক্স), কর্মীদের মাঝে অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক (এমপ্লয়ি রিলেশন), কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা, অবকাঠামোগত বিভিন্ন দিক, যেমন- বসার চেয়ার থেকে বাথরুমের পরিস্থিতি ইত্যাদি।

সাধারণভাবে এই উপাদানগুলোর সমন্বয়কে আমরা কর্মক্ষেত্রে বা অফিসে কাজের পরিবেশ বলতে পারি। এগুলো একসঙ্গে একটি অফিসের কাজের পরিবেশ তৈরি করে। এগুলোর কম প্রয়োগ, অতি প্রয়োগ কিংবা এক বা একাধিক উপাদানের অনুপস্থিতি কর্মক্ষেত্রে বা অফিসে কাজের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে।

কর্মীদের জন্য কাজ করার পরিবেশ অনুপ্রেরণাদায়ক, উৎসাহজনক এবং শান্ত হওয়া উচিত। সমালোচনার মধ্যে কাজ করা, চরম চাপ কখনোই যুক্তিযুক্ত নয়। তাই আপনার সবসময় এমন লক্ষণের দিকে নজর দেওয়া উচিত। অফিসে প্রথমদিন কাজ করতে গিয়েই আপনি কিছু বিষয় বুঝতে পারবেন। যদিও এক দিনেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। তবু শুরুতেই কিছু ধারণা পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

প্রথম দিনই একাকিত্ব বোধ করেন
অফিসে প্রথম দিনই আপনার নতুন সহকর্মী এবং ব্যবস্থাপকের উচিত এমন কিছু করা যাতে আপনি স্বাগত বোধ করেন। নতুন কাজগুলোতে আপনাকে তাদের সঙ্গে নেওয়া উচিত। প্রথম দিনেই যদি একা বোধ করেন তাহলে নতুন অফিস সম্পর্কে সতর্ক হোন। যদি আপনার কর্মক্ষেত্র তাদের নতুন কর্মীকে প্রথম দিনেই যত্ন না করে, তাহলে বুঝে নেবেন সেখানে সমস্যা আছে।

অপেশাদার আচরণ
যদি দেখেন সহকর্মীদের মধ্যে ই-মেইল, চ্যাট এবং এমনকি কথা বলার সময়ও প্রচুর কটূক্তি এবং অভদ্র আচরণ চলছে, তাহলে বুঝে নেবেন আপনার বস কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের আচরণ বন্ধ করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেন না এবং এটাই তাদের কাছে স্বাভাবিক। কাজেই নতুন অফিস সম্পর্কে আপনার হয়তো আরেকটু ভেবে দেখা দরকার।

ব্যক্তিগত বিষয়ে আলোচনা
গসিপ আপনার কর্মক্ষেত্রে চারপাশে ছড়িয়ে পড়লে তা মোটেই ভালো লক্ষণ নয়। কর্মক্ষেত্রে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকা উচিত নয়। গসিপ এবং গুজবকে চারপাশে উড়তে না দিয়ে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

অন্য কাজ করতে হচ্ছে 
আপনি যে চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন, চাকরি পাওয়ার পর দেখা গেল আপনাকে আসলে অন্য কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে। এমন কোনো কাজ আপনাকে করতে হচ্ছে, যার সঙ্গে আপনার আবেদন করা কাজটির কোনো মিলই নেই। আপনার প্রত্যাশিত চাকরির বদলে যদি সম্পূর্ণ আলাদা কোনো চাকরি করতে দেওয়া হয় তবে সতর্ক হোন। হতে পারে এটি আপনার জন্য উপযুক্ত নয়।

পরের দিন নিয়ে ভয়
আপনি যদি প্রথম দিনে আপনার কাজ শেষ করেন এবং পরবর্তীতে কী ঘটবে তা নিয়ে মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, তবে এই চাকরি আপনার জন্য মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়। আপনার প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তিতে ব্যাপক ঘাটতি থাকলে সতর্ক হোন। অতিরিক্ত চাপ কিংবা দুশ্চিন্তা নিয়ে কাজ করা আপনার জন্য যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে।

 কলি