ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

প্রোডাক্ট ম্যানেজার ও প্রজেক্ট ম্যানেজারের কাজ কী?

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৪, ১২:৩২ পিএম
আপডেট: ০৬ মে ২০২৪, ১২:৩২ পিএম
প্রোডাক্ট ম্যানেজার ও প্রজেক্ট ম্যানেজারের কাজ কী?

প্রোডাক্ট ম্যানেজার ও প্রজেক্ট ম্যানেজার; এ দুটি পদ শুনতে প্রায় একই রকম। এমনকি অনেক সময় সমার্থক শব্দ হিসেবেও এদের ব্যবহার করা হয়। কিন্তু প্রোডাক্ট ম্যানেজার ও প্রজেক্ট ম্যানেজারের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এদের কাজের ক্ষেত্র বেশ আলাদা। একজন প্রোডাক্ট ম্যানেজারের কাজের ব্যাপ্তি প্রোডাক্টের আইডিয়া পর্যায় থেকে শুরু করে একেবারে বাজারজাত করা পর্যন্ত হয়। অন্যদিকে প্রজেক্ট ম্যানেজারের মূল কাজ হচ্ছে নির্ভুলভাবে সময়মতো নির্দিষ্ট বাজেটের ভেতর নির্ধারিত কাজ শেষ করা।

প্রোডাক্ট ও প্রজেক্টের মধ্যে পার্থক্য
প্রোডাক্ট হলো কাস্টমারদের নির্দিষ্ট কোনো সমস্যার নির্দিষ্ট কোনো সমাধান। এটা হতে পারে ধরাছোঁয়া যায় এমন কোনো জিনিস। যেমন- চানাচুর। আবার এটি হতে পারে কোনো অ্যাপ বা সফটওয়্যার কিংবা কোনো সার্ভিস। যেমন- রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পাঠাও একটি প্রোডাক্ট।

প্রজেক্ট হলো এক ধরনের পরিকল্পিত কার্যক্রম। এর বিভিন্ন ধাপের জন্য নির্দিষ্ট সময় ও বাজেট বরাদ্দ থাকে। এর ফলাফলও নির্ধারণ করা হয় আগে থেকে। সে ফলাফল অর্জন করার পর এর সমাপ্তি ঘটে। যেমন- একটি ডাটা সেন্টার তৈরির প্রজেক্ট। ডাটা সেন্টারটি তৈরি হওয়ার পর প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়।

প্রোডাক্ট আর প্রজেক্টের মধ্যে মূল পার্থক্য আরেকভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনের সঙ্গে ও প্রতিযোগিতায় অন্যদের চেয়ে ভালো করার জন্য প্রোডাক্টের মধ্যে নিয়মিত পরিবর্তন আনা খুব স্বাভাবিক। যেমন- আপনার মোবাইল ফোনের অ্যাপগুলোতে কয়েক মাস পরপর নতুন আপডেট নিয়ে আসা হয়। অন্যদিকে প্রজেক্টের ফলাফল একদম সুনির্দিষ্ট। অর্থাৎ বড় ধরনের কোনো প্রয়োজন দেখা না দিলে প্রজেক্টে কোনো পরিবর্তন আনা হয় না। যেমন- নির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে একটি অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের প্রজেক্ট চূড়ান্ত করা হয়। ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনে হয়তো একজন প্রোডাক্ট ম্যানেজার সফটওয়্যারের ডিজাইনে পরিবর্তন আনতে পারেন। কিন্তু প্রজেক্টটির চূড়ান্ত ফলাফল অপরিবর্তিত থেকে যায়- একটি অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার।

প্রোডাক্ট ম্যানেজারের কাজ কী?
বাজারে যতদিন প্রোডাক্ট আছে, ততদিন তার দায়িত্ব প্রোডাক্ট ম্যানেজারের। এ জন্য অনেক সময় প্রোডাক্ট ম্যানেজারকে প্রোডাক্টের সিইও (CEO) বলা হয়ে থাকে।
প্রোডাক্ট ম্যানেজারের মূল দায়িত্ব হচ্ছে প্রোডাক্টের ভ্যালু যথাসম্ভব বাড়ানো। এজন্য তাকে একজন প্রোডাক্ট ব্যবহারকারীর সমস্যা সম্পর্কে জানতে হয়।
একজন প্রোডাক্ট ম্যানেজার ডিজাইন টিমের সঙ্গে বসে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (User Experience) দাঁড় করান। এরপর সে ডিজাইন অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন প্রোডাক্ট তৈরির জন্য। এর বাইরে কাস্টমার সার্ভিস টিমের সাহায্যে তাকে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে হয় প্রোডাক্টের বাজারে গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে তথ্য নিতে।

একজন ভালো প্রোডাক্ট ম্যানেজার সবসময় তার প্রোডাক্টের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য কাজ করেন। প্রয়োজনে সময়মতো প্রোডাক্টের অপ্রয়োজনীয় অংশ খুঁজে বের করে ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিতে হয় তাকে।

প্রজেক্ট ম্যানেজারের কাজ কী?
যেখানে প্রোডাক্ট ম্যানেজারের লক্ষ্য কাস্টমারের কোনো বিশেষ সমস্যার সমাধান করা, সেখানে একজন প্রজেক্ট ম্যানেজার কাজ করেন আরও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে। তার কাজ প্রতিষ্ঠানের অর্থ ও অন্যান্য সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, যা নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে সবচেয়ে কম ঝুঁকি নিয়ে সময়মতো পরিকল্পিত ফলাফল অর্জনে সাহায্য করবে।নির্ধারিত ফলাফল অর্জনের উদ্দেশ্যে একজন প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় ঘটান ও প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ ভাগ করে দেন। বিশেষ করে বড় আকারের উদ্যোগে দক্ষ প্রজেক্ট ম্যানেজারের গুরুত্ব অনেক।

বহু ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট ও প্রজেক্ট ম্যানেজারের কাজ একই রকম হয়। তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতাগুলোতেও বেশ মিল রয়েছে। তাই ছোট প্রতিষ্ঠান বা স্টার্টআপের শুরুর দিকে একজন মানুষ দুই ধরনের দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু বড় মাপের কাজে এটি সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে ভূমিকা রাখেন।

কলি 

 

বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক নিয়োগ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৫৪ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৫৪ পিএম
বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক নিয়োগ

বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কলেজ ও মাধ্যমিক শাখায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

কলেজ শাখায় নবম গ্রেডে প্রভাষক (পরিসংখ্যান) পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পরিসংখ্যান বিষয়ে ন্যূনতম ৩.৪০ সিজিপিএ থাকতে হবে। বয়স অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হতে হবে।

মাধ্যমিক শাখায় ১০ ও ১১তম গ্রেডে আটজন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে আইসিটিতে দুজন, ইংরেজিতে তিনজন, বাংলায় একজন, শিল্প ও সংস্কৃতিতে (নৃত্য) একজন এবং জীবন ও জীবিকায় (মার্কেটিং) একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এসব পদে আবেদনের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম  সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। শিক্ষায় প্রশিক্ষণধারীরা দশম গ্রেড ও প্রশিক্ষণ না থাকলে ১১তম গ্রেডে নিয়োগ পাবেন। বয়স অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হতে হবে।

যেভাবে আবেদন
ডাকযোগে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে। কেবল নির্ধারিত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীরা পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল নম্বর উল্লেখ করে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতীয়তা, অভিজ্ঞতা, চারিত্রিক ও প্রশিক্ষণ সনদপত্র (যদি থাকে) এবং সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি সংযুক্ত করতে হবে। খামের ওপর আবেদনকৃত পদের নাম ও বেতন গ্রেড উল্লেখ করতে হবে।

আবেদন ফি
বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ডিইপিজেড, সাভার, ঢাকার অনুকূলে যেকোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে ৫০০ টাকা মূল্যমানের পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট (অফেরতযোগ্য) করে রসিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: ব্রিগে. জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান (অব.), অধ্যক্ষ, বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ডিইপিজেড, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯।

আবেদনের শেষ সময়: ১ জুলাই, ২০২৪।

কলি

বিদেশি সংস্থায় কাজের সুযোগ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৪৯ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৫২ পিএম
বিদেশি সংস্থায় কাজের সুযোগ

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি ঢাকায় কমিউনিকেশন অ্যাডভাইজার পদে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

পদের নাম: কমিউনিকেশন অ্যাডভাইজার

পদসংখ্যা:

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ, সাংবাদিকতা, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, নৃবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা এ ধরনের বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে কমিউনিকেশন বিভাগে অন্তত ১০ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয়, সরকারের কাঠামোতে নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবশ্যই জানাশোনা থাকতে হবে।

ওয়াস, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার রিসোর্স সেক্টরে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগে সাবলীল হতে হবে। স্ট্র্যাটেজিক ও অ্যানালিটিক্যাল দক্ষতা থাকতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যারের কাজ জানতে হবে। প্রকল্প এলাকা ভ্রমণের মানসিকতা থাকতে হবে।

চাকরির ধরন: দুই বছরের চুক্তিভিত্তিক (নবায়নযোগ্য)

কর্মস্থল: ঢাকা

কর্মঘণ্টা: সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা

বেতন: মাসিক বেতন ১,২৬,৯৪০ থেকে ১,৫৬,৭৬০ টাকা (দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে)।

সুযোগ-সুবিধা: গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, যোগাযোগ ভাতা, উৎসব বোনাস এবং কর্মীর পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ আছে।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের https://jobs.smartrecruiters.com/SNV/743999990592836-communication-advisor এই ওয়েবসাইটে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে I'm interested-এ ক্লিক করে মোটিভেশন লেটারসহ (এক পৃষ্ঠা) সিভি (তিন পৃষ্ঠার বেশি নয়) পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৩ জুন ২০২৪।

পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে চাকরি, পদ ৫০

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৪৬ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৪৮ পিএম
পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে চাকরি, পদ ৫০

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) একাধিক শূন্য পদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে ১৩ ক্যাটাগরির পদে দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (মেশিন ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশন)
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাসসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

২. পদের নাম: বৈজ্ঞানিক সহকারী
পদসংখ্যা: ৪ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগে বিএসসি পাস/বয়ন প্রকৌশলীতে ডিপ্লোমা/ প্রকৌশলীতে ডিপ্লোমা/ দুই বছরের অভিজ্ঞতাসহ বয়ন কোর্সে সার্টিফিকেটধারী হতে হবে।
বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৩. পদের নাম: জুনিয়র মাঠ সহকারী
পদসংখ্যা: ১২ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: কৃষি ডিপ্লোমা/কৃষি সনদ/এইচএসসি (কৃষি) পাস। কৃষি ডিপ্লোমাধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৪. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী
পদসংখ্যা: ৩ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: গ্র্যাজুয়েট পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৫. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: গ্র্যাজুয়েট পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৬. পদের নাম: স্টোর কিপার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৭. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৩ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: সাঁটলিপিতে ইংরেজি ও বাংলায় যথাক্রমে ৬০ ও ৪০ শব্দের গতিসম্পন্ন এবং মুদ্রাক্ষরে ইংরেজি ও বাংলায় যথাক্রমে ৩০ ও ২৫ শব্দের গতিসহ এইচএসসি পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৮. পদের নাম: গুদাম রক্ষক
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: গ্র্যাজুয়েট পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৯. পদের নাম: জুনিয়র ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: কৃষি ডিপ্লোমা/কৃষি সনদ/এইচএসসি (কৃষি) পাস। কৃষি ডিপ্লোমাধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১০. পদের নাম: জুনিয়র ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ২ (অস্থায়ী)
যোগ্যতা: কৃষি ডিপ্লোমা/কৃষি সনদ/এইচএসসি (কৃষি) পাস। কৃষি ডিপ্লোমাধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১১. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৯ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: এইচএসসি পাস। টাইপিংয়ের গতি প্রতি মিনিটে বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ ও ৩০ শব্দ থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১২. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ১ (অস্থায়ী)
যোগ্যতা: এইচএসসি পাস। টাইপিংয়ের গতি প্রতি মিনিটে বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ ও ৩০ শব্দ থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৩. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ১১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: বাস্তব অভিজ্ঞতাসহ পঞ্চম শ্রেণি পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)

বয়সসীমা
৮ জুলাই ২০২৪ তারিখে আবেদনকারীর বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান/শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের http://bjri.teletalk.com.bd/ এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য https://bjri.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bjri.portal.gov.bd/news/d1c3a94c_9dae_4df5_9559_05c2fc972bd8/2024-06-05-03-32-993d29a9968c8e79b5eb5116c421a438.pdf এই লিংকে জানা যাবে।

আবেদন ফি
অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফি বাবদ ১ নম্বর পদের জন্য ৫০০ টাকা ও টেলিটকের চার্জ ৫৮ টাকাসহ মোট ৫৫৮ টাকা; ২ থেকে ১২ নম্বর পদের জন্য ২০০ টাকা এবং টেলিটকের চার্জ ২৩ টাকাসহ মোট ২২৩ টাকা এবং ১৩ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা এবং টেলিটকের কমিশন বাবদ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
আবেদনের সময়সীমা: ৯ জুন থেকে ৮ জুলাই ২০২৪, বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

কলি

 

টিম ম্যানেজমেন্টের কিছু টিপস

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৩০ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৩০ পিএম
টিম ম্যানেজমেন্টের কিছু টিপস

আপনার টিমের সদস্য যদি ভালোমতো কাজ না করে, তাহলে তা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। টিমের একজন আক্রমণাত্মক সদস্য টিমের কার্যক্ষমতার জন্য হুমকি। হয়তো প্রতিদিনই পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং আপনি জানেন যে আরও খারাপ কিছু হওয়ার আগে আপনাকে কিছু না কিছু করতেই হবে তাকে নিয়ে। এই কঠিন পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন সে সম্পর্কে কিছু টিপস নিচে তুলে ধরা হলো।

আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন
আপনি যদি অবাধ্য কর্মীকে মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে আগে থেকেই সম্ভাব্য পরিস্থিতির বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন। যদি পরিস্থিতি খারাপ হয় তা কতই-বা খারাপ হতে পারে এবং তখন কী কী করা উচিত– এই প্রশ্ন নিজেকে করুন আর দেখবেন আপনি নিজেই কয়েকটি উত্তর পেয়ে যাবেন। এই মোকাবিলার ফলে ওই কর্মী হয়তো নিজেকে গুটিয়ে নেবে বা আরও বেশি অবাধ্য হবে। আপনিও হয়তো আপনার মেজাজ ঠিক রাখতে পারবেন না। যেকোনো কিছুই হতে পারে। সব সম্ভাবনা লিখে রাখুন, তারপর সে অনুযায়ী নিজের প্রত্যাশা নির্ধারণ করে ভয় কাটিয়ে ওই কর্মীর সঙ্গে কথা বলুন।

সহানুভূতি নিয়ে এগিয়ে যান
হতে পারে ওই কর্মী অন্য কোনো কারণে চিন্তিত বা সমস্যার মধ্যে আছে। তার কাছে গিয়ে আন্তরিকভাবে তা জানতে চান, দেখবেন প্রয়োজনীয় আশ্বাস পাওয়ার পর ওই কর্মী তার সব কথাই অকপটে আপনার কাছে তুলে ধরবে। ধীরে ধীরে অবাধ্য কর্মী বাধ্যও হয়ে যেতে পারে।

হাঁটুন আর আলাপ করুন
হাঁটা যেমন শরীরের জন্য উপকারী, ঠিক তেমনি এর অন্যান্য উপকারও আছে। আপনি আপনার অবাধ্য কর্মীর সঙ্গে হেঁটে হেঁটে আলাপ করুন, যেখানে অফিসের কোনো প্রভাব থাকবে না। অফিসের বাইরে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হয়তো নতুন বোধোদয় হতে পারে। এ ছাড়া আলাপের গোপনীয়তাও রক্ষা হবে।

কর্মীর মতামত নিন
কমীর সঙ্গে আলোচনার সময় শুধু কর্মীর অক্ষমতার ওপর জোর দেওয়া সুফল বয়ে আনবে না। কর্মীর ত্রুটির কথা বলতে পারলে আপনাকে আপনার নিজের ম্যানেজমেন্ট স্টাইলের ত্রুটির কথাও বলা উচিত। আর আপনার কর্মীকেও সুযোগ দিন কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় সে বিষয়ে তার মতামত দেওয়ার। একটি সুন্দর ম্যানেজমেন্টই পারে যেকোনো কর্মক্ষেত্রের পরিবেশকে সুন্দর করতে। তাই কর্মী ও ম্যানেজমেন্টের মধ্যে ভালো 
সম্পর্ক থাকা উচিত।

কলি 

ব্যবসায় সফলতা চাইলে  ৯টি বিষয় এড়িয়ে চলুন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:২৮ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:২৮ পিএম
ব্যবসায় সফলতা চাইলে  ৯টি বিষয় এড়িয়ে চলুন
প্রযুক্তি মূল্যবান সময়কে নষ্ট হয় তাহলে তা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়।মডেল: রিমি , ছবি: শরিফ মাহমুদ

আপনি যদি সফল উদ্যোক্তা হতে চান তাহলে আপনাকে পণ্যের উদ্ভাবন, উন্নয়ন এবং বাজারজাতকরণের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। আপনার পণ্যকে উদ্ভাবনীমূলক হতে হবে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান দেবে। দামে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং অন্যান্য পণ্যের তুলনায় সহজে ব্যবহারযোগ্য হতে হবে। এতসব করার সময় আপনার লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে। অনেক সময় লক্ষ্য স্থির রাখতে গিয়ে অনেকেই হোঁচট খেয়ে থাকে। অনেকেই এমন কিছু করে বসেন যাতে করে সময় নষ্ট হয়ে ব্যবসার আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। ব্যবসায় সফলতা চাইলে নিচের ৯টি বিষয় এড়িয়ে চলুন।

অনলাইনে সময় নষ্ট করবেন না 
প্রযুক্তি মানুষকে স্বস্তি দেয়। কিন্তু তার কারণে যদি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট হয় তাহলে তা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়। ফেসবুকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া, মোবাইলে গেমস খেলা ও বিনা প্রয়োজনে চ্যাটিং করে আমরা সময় নষ্ট করি। এগুলো বাদ দিন, দেখবেন কাজ করার জন্য আপনার হাতে অনেক সময় থাকবে।

নিজেকে নয়, পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে মনোযোগ দিন
অনেকেই নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে গিয়ে সময় নষ্ট করেন। নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে নয়, বরং পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে মনোযোগ দিন। পণ্যের গ্রাহকদের গুরুত্ব দিন। কারণ, গ্রাহকই আপনার পণ্য তথা ব্যবসাকে সফল করে তুলবে।

পুরো কাজ একসঙ্গে করুন
অর্ধেক কাজ করে তা ফেলে রাখবেন না। যারা একটু একটু কাজ করে তাদের তুলনায় যারা একবারেই একটি কাজ শেষ করতে পারে তারাই সফল হয়।

অপ্রয়োজনীয় কাউকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করবেন না
ব্যবসার সাফল্যের জন্য নেটওয়ার্কিং গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তা নতুন সম্পর্ক তৈরি করতে সাহায্য করে। তবে অপ্রয়োজনীয় কাউকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করে লাভ নেই। মনে রাখবেন, একটি সত্যিকারের পরিচয় হাজারটা যথেচ্ছ পরিচয়ের চেয়ে উত্তম।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলোয়ার খোঁজা বন্ধ করুন
আপনি যদি সেলিব্রেটি হয়ে থাকেন তাহলে ঠিক আছে, অন্যথায় এটি করে সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। আপনি ভালো কাজ করলে আপনার ফলোয়ার এমনিতেই বেড়ে যাবে।

সঠিক পরিশ্রমই ভাগ্যবদল করতে পারে
লটারির টিকিট কিনে ভাগ্যবদল হওয়া শুধু সিনেমাতেই সম্ভব। বাস্তবে এটা প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার। আপনি যদি ভাবেন লটারির টিকিট কিনে রাতারাতি সবকিছু হয়ে যাবে তাহলে আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

অন্যদের সাহায্য করুন
অন্যদের কাছে সাহায্য চেয়ে সময় নষ্ট করবেন না। এটি না করে বরং আপনি তাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারেন সেটা ভাবুন। এর মাধ্যমেই নতুন সম্ভাবনা ধরা দেবে। শুধু নিজের কথা না ভেবে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসাই সফল মানুষের কাজ।

আইডিয়ার পেছনে অতিরিক্ত সময় দেবেন না
যদি আপনার আইডিয়া কাজে না আসে তাহলে এর পেছনে অতিরিক্ত সময় দেবেন না। বরং একটি সমস্যা বা চাহিদা নিয়ে কাজ শুরু করুন। শুরুতেই সমাধান বা উদ্ভাবন নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। আগে লক্ষ্য ঠিক করুন কী নিয়ে কাজ করতে চান, তারপর অন্য কিছু।

ইতিবাচক অনুপ্রেরণা সন্ধান করুন 
দিশা হারিয়ে ফেললে ইতিবাচক অনুপ্রেরণার সন্ধান করুন। আপনার কাজে আগ্রহ না থাকলে সময় নষ্ট না করে অন্য কাজে মন দিন। সমস্যা মোকাবিলা করুন। নিজের সমস্যা নিজে সমাধান করুন।

কলি