ঢাকা ১১ বৈশাখ ১৪৩১, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

মানারাত ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের ৩৬তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৪ এএম
মানারাত ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের ৩৬তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

জমকালো আয়োজনে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের ৩৬তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুলিয়া ক্যাম্পাসের খেলার মাঠে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুছ ছবুর খান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন ও ফার্মেসি বিভাগের প্রধান ড. নারগিস সুলতানা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ইইই বিভাগের প্রধান কেএম আক্তারুজ্জামান, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রধান মো. মামুন উদ্দীন, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ রাকিব আল-মামুন, মো. রেজাউল করিম, রিক্তা বানু, ৩৬তম ব্যাচের অ্যাডভাইসর ড. আহাদ আলী, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আলমগীর হোসেন প্রমুখ। 

‘নৈতিক শিক্ষার অপর নাম জাতির মেরুদণ্ড’ উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুছ ছবুর খান বলেন, ‘পানির অপর নাম জীবন-এ কথাটা সম্পূর্ণ সত্য নয়। সত্য হলো বিশুদ্ধ পানির অপর নাম জীবন। তেমনিভাবে শুধু শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড নয়, নৈতিক শিক্ষার অপর নামই হচ্ছে জাতির মেরুদণ্ড। এই নৈতিকতা শিক্ষাকেই মানারাত প্রধান বিবেচনার বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে।’

তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদেরকে পেশাগত জীবনেও মানারাতের শেখানো নৈতিক শিক্ষাকে ধারণ করে জীবন গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তোমাদেরকে কর্মজীবনে হয়তো বলতে পারে খাদ্যে ভেজাল দিতে অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের মোড়কে নতুন তারিখ বসিয়ে নতুন করে বাজারে ছাড়তে। সেখানে তুমি যদি ওই নির্দেশের প্রতিবাদ করতে পার তবেই মানারাতের শেখানো এই জ্ঞান স্বার্থক হবে।’

সভাপতির বক্তৃতায় বিদায়ী শিক্ষার্থীদেরকে শেকড় ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তোমরা যখন সফলতার আকাশ ছোঁবে, পা যেন মাটিতেই থাকে। শেকড় ভুলে যাবে না। মানারাতের শেখানো জ্ঞানই হলো এই শেকড় তোমাদের।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুছ ছবুর খানকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন ফার্মেসি বিভাগের প্রধান ড. নারগিস সুলতানা চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।

পরে বিদায়ীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পুরাতনদের মাঝে ২৮ তম ব্যাচের মাহমুদুন্নবী রিংকু এবং বর্তমানদের মাঝে ৩৯তম ব্যাচের মোহতাসিম, ৪৩তম ব্যাচের জাহিদ হাসান ও অ্যানি। এছাড়া বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুভুক্তি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন রুকনুজ্জামান ও সজিব আলী।

সবশেষে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুছ ছবুর খান বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট তুলে দেন এবং বিদায়ী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে কেক কাটেন।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে দুপুরের খাবারের বিরতির পর ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান উপলক্ষে জমকালো আয়োজনে সাজানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুলিয়া ক্যাম্পাস।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

যমুনা ব্যাংক ও ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্সের ব্যাংকাসুরেন্স চুক্তি

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৫৫ পিএম
যমুনা ব্যাংক ও ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্সের ব্যাংকাসুরেন্স চুক্তি
ছবি : বিজ্ঞপ্তি

যমুনা ব্যাংক পিএলসি ও ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে একটি ব্যাংকাসুরেন্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে যমুনা ব্যাংক সহজেই বিমা পণ্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারবে।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) যমুনা ব্যাংকের করপোরেট অফিসে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিটি বিমা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে এবং দেশবাসীর সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ঝুঁকি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। 

এ সময় যমুনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মির্জা ইলিয়াছ উদ্দিন আহম্মেদ, ডেল্টা লাইফের প্রধান নির্বাহী আনোয়ারুল হকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তি/সালমান/

ব্যাংক এশিয়ার বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এম এ বাকী খলীলী

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪১ পিএম
ব্যাংক এশিয়ার বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এম এ বাকী খলীলী
এম এ বাকী খলীলী

ব্যাংক এশিয়া পিএলসি’র বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক এম এ বাকী খলীলী। 

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।

তিনি ব্যাংক এশিয়ার একজন স্বতন্ত্র পরিচালক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্সে স্নাতকোত্তর করে ১৯৭৫ সালে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে ১৯৮৭ সালে এমএসসি এবং ১৯৯১ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ বছরের সফল শিক্ষকতা শেষে ২০১২ সালে তিনি অবসরে যান।

অধ্যাপক খলীলী একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আর্থিক খাতের সুপরিচিত বিশেষজ্ঞ।

শিক্ষকতা পেশার বাইরে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম ইন্সস্টিটিউট অব মাইক্রোফাইন্যান্সের নির্বাহী পরিচালক, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের পরিচালক।

অধ্যাপক খলীলী বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক এবং স্কুল অব বিজনেসের ডিন হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

বিজ্ঞপ্তি/অমিয়/

জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার্স ইন্ডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:২৬ পিএম
জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার্স ইন্ডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন
ছবি : সংগৃহীত

জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার্স ইন্ডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (২১ এপ্রিল) জনতা ব্যাংক স্টাফ কলেজ ঢাকা কর্তৃক আয়োজিত ২০ দিনব্যাপী ম‌্যানেজার্স ইন্ডাকশন (ব‌্যাচ ০২/২৪) প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন জনতা ব্যাংক পিএলসির এমডি এন্ড সিইও মো. আব্দুল জব্বার। 

উক্ত প্রশিক্ষণ কোর্সে জনতা ব্যাংকের বিভিন্ন গ্রেডের ২৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংক স্টাফ কলেজের ডিজিএম-স্টাফ কলেজ ইনচার্জ আহমাদ মুখলেসুর রহমান এবং অন্যান্য নির্বাহী ও অনুষদ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জনতা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির শুভেচ্ছা

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪৫ পিএম
জনতা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির শুভেচ্ছা
মো. নূরুল ইসলাম মজুমদারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির কার্যকরি সদস্যরা

বরাবরের মতো আবারও ব্যাংকিং সেক্টরে শীর্ষ পদে পদোন্নতি পেয়েছেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান ও চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির অর্থ সম্পাদক মো. নূরুল ইসলাম মজুমদার। 

সোমবার (২২ এপ্রিল) এ উপলক্ষে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও এনসিসি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ-আল-কাফি মজুমদারের নের্তৃতে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কার্যালয়ে সংগঠনের কার্যকরি কমিটির সদস্যরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। 

সংগঠনের সমন্বয়ক ও পূবালী ব্যাংকের কর্মকর্তা এস এম হাবিব মহসিন সুধনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও অগ্রণী ব্যাংক অগ্রণী দুয়ারয়ের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এ কে এম শহিদুল হক খন্দকার, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন খান, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মতিঝিল শাখার ব্যবস্থাপক মো. শামছুর রহমান মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও পূবালী ব্যাংকের কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক ও ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ, জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক ও মো. আমিনুল ইসলাম, সিটিজেন ব্যাংকের কর্মকর্তা এস এন ইউসুফসহ সংগঠনের অনান্য সদস্য।

মো. নূরুল ইসলাম মজুমদার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শুভপুর ইউনিয়নের পাশাকোট গ্রামের এক  সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। চট্রগাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা মজুমদার ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সাইন্সে উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি দি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (আইবিবি) এর ‘ডিএআইবিবি’ ডিপ্লোমাধারী। 

গত ৯ এপ্রিল তাকে সরকারের অর্থ মন্ত্রনণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। 

তিনি ১৯৯৯ সালে সিনিয়র অফিসার হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। চাকরি জীবনে তিনি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক, প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগসহ ইনফরমেশান অ্যান্ড টেকনেলজি (আইটি) বিভাগের প্রধান হিসেবে গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে জনতা ব্যাংক চীফ এক্সিকিউটিব অফিসের অনলাইন বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

পেশাগত কাজের অংশ হিসেবে তিনি শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, ইউএই, সৌদি আরব, ওমান, সিংগাপুর, ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। 

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

ড. মুহম্মদ ইকবালের ৮৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:১৬ পিএম
ড. মুহম্মদ ইকবালের ৮৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
ড. মুহম্মদ ইকবালের ৮৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়েছে

কবি ও দার্শনিক ড. মুহম্মদ ইকবালের ৮৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (২১ এপ্রিল) সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী প্রফেসর ডক্টর এম শমসের আলী, প্রখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার, প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান।

সমাপণী বক্তব্য রেখেছেন প্রফেসর ড. মো. মাহমুদুল হাসান।

আলোচনা সভার সঞ্চালনায় ছিলেন ইকবাল গবেষক আবদুল কাদের জিলানি। 

ইকবাল সম্পর্কে ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘ইকবাল আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। তার আগে দীর্ঘ দিন ধরে স্থবিরতা চলছিল। ইকবালের খুলে দেওয়া চোখকে একশো বছর ধরে আমরা অনেক বিস্তৃত করেছি।’ 

প্রফেসর ড. শমশের আলি বলেন, ‘মূলত জার্মানিতে থাকা অবস্থাতেই ইকবালের মধ্যে রিকনস্ট্রাকশন লেখার তাড়না এসেছিল।’ 

দার্শনিক ফরহাদ মজহার বলেন, ‘ইকবালের দাবি ছিল, আমাদেরকে জাতি প্রশ্নটাকে ভাবতে হবে উপলব্ধির দিক থেকে। উম্মাহ ধারণায় ভূখণ্ডকেন্দ্রিক বিভাজন চলবে না। তাঁর উত্থাপিত এই জিজ্ঞাসা দর্শনে এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে, যাকে আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি।’

ড. মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘মাত্র দুই বছর ১০ মাসের মধ্যে ইকবাল ক্যামব্রিজ থেকে ডিগ্রি নেন। লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি করেন, মিউনিখ থেকে পিএইচডি করেন এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে আরবি পড়ান। আর এ সবই করেছেন মাত্র দুই বছর ১০ মাসের মধ্যে। এ থেকেই বুঝা যায় তার সক্ষমতা।’

ড. মুহম্মদ ইকবাল কেবল উপমহাদেশে নয়, সারা বিশ্বে স্বতন্ত্র জীবন দর্শনের জন্য পরিচিত। তার কবিতা, দর্শন-উপলব্ধি, চিন্তা-চেতনা, বক্তৃতা ও লেখনীর মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের সমাজ, সংষ্কৃতি ও রাজনীতির বিষয়গুলো মূর্ত হয়েছে। 

এই দার্শনিক ১৯৩৮ সালের ২১ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। 

তার বইগুলো হলো- আসরারে খুদি, রুমুয-এ বেখুদি, রিকনস্ট্রাকশন অব রিলিজিয়াস থট ইন ইসলাম, পায়ামে মাশরিক, ডেভেলপমেন্ট অব মেটাফিজিকস্ ইন পারসিয়া প্রভৃতি। 

বিজ্ঞপ্তি/পপি/