ঢাকা ৬ বৈশাখ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

এনসিসি ব্যাংক-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩১ পিএম
এনসিসি ব্যাংক-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর
এনসিসি ব্যাংক-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের গবেষণা প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর

কৃষিখাতে বিশেষ সিএসআর-এর আওতায় এনসিসি ব্যাংক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের “দ্রুত সময়ে পাট পচানো” সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রকল্পে ৯৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সোমবার (১ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য লাউঞ্জে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) এম.শামসুল আরেফিনের উপস্থিতিতে প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক এবং এনসিসি ব্যাংকের এসইভিপি ও কোম্পানি সচিব মো. মনিরুল আলম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। 

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসান, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষক ও ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. হাসিনা খান, প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম এবং এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব আলম, এসইভিপি ও চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এফসিএ এবং সিআরএম বিভাগের এসভিপি এম. শহিদুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এনসিসি ব্যাংকের কৃষি গবেষণায় সহায়তার এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানান। 

“অল্প পানি ব্যবহার করে স্বল্প সময়ে পাটের আঁশ ছাড়ানোর পদ্ধতি” এর মতো একটি জটিল গবেষণা প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য তিনি এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। 

পাটের উৎপাদন ও গুণগতমান বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ রোধ এবং জীববৈচিত্র সংরক্ষণেও এই গবেষণা প্রকল্পটি বিশেষ অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) এম.শামসুল আরেফিন বলেন, এনসিসি ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে। স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান ছাড়াও ইতোমধ্যেই প্রান্তিক পর্যায়ে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রকারের সবজি ও পাটবীজ, সার ও কীটনাশক এবং চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় পাট গবেষণা প্রকল্পে বিশেষ সিএসআরের আওতায় এনসিসি ব্যাংক অর্থায়ন করেছে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য গবেষণা প্রকল্পেও সহযোগিতা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

বিজ্ঞপ্তি/অমিয়/

তিন উৎসবে রঙিন এনআরবিসি ব্যাংক

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:১৬ পিএম
তিন উৎসবে রঙিন এনআরবিসি ব্যাংক
ছবি : সংগৃহীত

এনআরবিসি ব্যাংক নিজেদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ১২ বছরে পদার্পন, বাংলা নববর্ষ বরণ এবং ঈদ পুনর্মিলনী বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপন করেছে। 

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) এই তিন উৎসব উপলক্ষে প্রধান কার্যালয়ের সকল বিভাগ এবং সারাদেশের সকল শাখা-উপশাখায় মতবিনিময় সভা ও  ‘ওয়ান ডিস পার্টি’র আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, এমপি। 

হাইব্রিড পদ্ধতিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আদনান ইমাম এফসিসিএ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক ওলিউর রহমান, এ এম সাইদুর রহমান, লকিয়ত উল্লাহ, মোহাম্মদ নাজিম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এয়ার চিফ মার্শাল (অব.) আবু এসরার, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ড. রাদ মজিব লালন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী  গোলাম আউলিয়াসহ ব্যাংকের  উদ্যোক্তা এবং উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিজেদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছাড়াও বাংলা পঞ্জিকার ১৪৩১ বর্ষকে বরণ এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘ওয়ান ডিস পার্টিতে’ ব্যাংকের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজেদের পছন্দের খাবার রান্না করে নিয়ে এসে সহকর্মীদের সঙ্গে উৎসবে মেতে উঠেন। 

অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, এমপি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানে গড়ে তোলা অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশে ধর্ম যার যার উৎসব সবার। সমগ্র জাতি উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ এবং বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে। এনআরবিসি ব্যাংক আজ ১২ বছর পদার্পন করেছে। এ উপলক্ষে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এনআরবিসি ব্যাংক গ্রামের উন্নয়নে যেভাবে ভূমিকা পালন করছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা বিশ্বাস করি এনআরবিসি ব্যাংকের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যকে সহজ করবে। 

এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল বলেন, এনআরবিসি ব্যাংক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করছে। একেবারে পিছিয়ে থাকা মানুষটিকে এগিয়ে নিতে আমরা ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। আমরা সরকারের গ্রামকে শহরায়ন কর্মসূচির আলোকে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছি। আজ আমরা বাংলা নববর্ষ, ঈদপুনর্মিলনী ও ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এই তিন উৎসব এক সঙ্গে উদযাপন করছি। এনআরবিসি ব্যাংকের মাধ্যমে উৎসবের মতো রঙিন করতে চায় গ্রাম-বাংলার প্রতিটি মানুষের জীবনযাত্রাকে। 

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু বলেন, বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ১১ বছর পার করে ১২ বছরেই বিভিন্ন আর্থিক সূচকে শীর্ষে উঠে এসে নতুন নতুন মাইলফলক স্থাপন করছে এনআরবিসি ব্যাংক। নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন ও শাখা-উপশাখা সম্প্রসারণে সবার শীর্ষে এনআরবিসি ব্যাংক। কোন কোন ক্ষেত্রে আগের প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে এনআরবিসি ব্যাংক। ব্যাংকটি গ্রামের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য গৃহীত কর্মসূচির মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। 

ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আদনান ইমাম এফসিসিএ বলেন, আমাদের নিজস্ব উদ্ভাবন ছিল উপশাখা ব্যাংকিং। উপশাখার মাধ্যমে আমরা প্রান্তিক গ্রাম পর্যন্ত ব্যাংকিং সেবা নিয়ে যেতে পেরেছি। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষদেরকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিনা জামানতে ক্ষুদ্রঋণ দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৮০ হাজার মানুষ এনআরবিসি ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠেছেন। এনআরবিসি ব্যাংক গ্রাম-বাংলার গণমানুষের ব্যাংক। যেখানে বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সম্ভব আমরা সেখানে বিনিয়োগ করছি। ব্যাংকিং সেবাকে মানুষের দৌঁড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আমরা রিয়েলটাইম ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে  দিতে ফিনটেকের উপর জোর  দিয়েছি। আমাদের মূল লক্ষ্য প্রতিবছর ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। 

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল ৫৩ জন প্রবাসী উদ্যোক্তাদের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় এনআরবিসি ব্যাংক। বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ওই বছরের ১৮ এপ্রিল। আলোচ্য সময় ব্যাংকের আর্থিক সূচকগুলো অনেক শক্তিশালী হয়েছে। ২০১৭ সালে আমানত ছিল ৪ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা। ২০২৩ সাল শেষে তা প্রায় ৪ গুণেরও বেশি বেড়ে হয়েছে ১৭ হাজার ৬১৩ কোটি টাকা। এভাবে ঋণ বিতরণ বেড়েছে তিনগুণেরও বেশি। ২০১৭ সালে ঋণ ছিল ৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, আর ২০২৩ সাল শেষে হয়েছে ১৪ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা। ব্যাংকের কর্মীর সংখ্যা ৬১৭ জন থেকে ৬ গুণ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৮৩২ জন। ২০১৭ সালে শাখার সংখ্যা ছিল মাত্র ৬১টি। ২০২৩ সাল শেষে শাখা-উপশাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০০টি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিকাশ অ্যাপে ‘সেন্ড মানি’ এখন আরও সুরক্ষিত, নির্ভুল

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৫১ পিএম
বিকাশ অ্যাপে ‘সেন্ড মানি’ এখন আরও সুরক্ষিত, নির্ভুল
ছবি : সংগৃহীত

গ্রাহকের লেনদেন আরও নির্ভুল ও সুরক্ষিত করতে বিকাশ অ্যাপের ‘সেন্ড মানি’ সেবায় যুক্ত হলো আরও একটি সতর্কীকরণ ধাপ বা ‘ডিসক্লেইমার’। সেভ করা নাম্বারের বাইরে অন্য কোনো নাম্বারে তাড়াহুড়ো করে সেন্ড মানি করার সময় ভুল নাম্বারে টাকা পাঠানোর বিড়ম্বনা এড়াতেই বিকাশ অ্যাপে এই সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

এখন থেকে বিকাশ অ্যাপে সেভ করা নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারে ‘সেন্ড মানি’ করার সময় একটি ‘ডিসক্লেইমার প্রম্পট’ বা সতর্কীকরণ বার্তা দেখা যাবে, যেখানে বলা আছে “নাম্বারটি সঠিক কী না তা অনুগ্রহ করে আবার চেক করুন”। সে অনুযায়ী নাম্বারটি নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী ধাপে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে সেন্ড মানি করলেই ভুল নাম্বারে টাকা পাঠনোর কোনো বিড়ম্বনা থাকেনা। ‘সেন্ড মানি অটো পে’ সেট করার সময় এবং ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’ -তে সেভ করা নাম্বারের বাইরে অন্য কোনো নাম্বার যোগ করার সময়েও এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

এছাড়া আরও কিছু বিষয়ে নজর রাখলে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠানোর কোনো বিড়ম্বনাই থাকেনা –

• নতুন কোনো নাম্বারে সেন্ড মানি করার আগে প্রাপকের সঙ্গে কথা বলে নাম্বারটি নিশ্চিত করে নেওয়া যেতে পারে।

• সেভ করা নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারে সেন্ড মানি করার সময় নাম্বারটি কয়েকবার মিলিয়ে নেওয়া ভালো।

• টাকার পরিমাণ প্রবেশ করার পর টাকার অংক ঠিক আছে কী না তা দেখে নেওয়া দরকার।

• ভুল নাম্বারে টাকা পাঠালে দ্রুত বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭, অফিশিয়াল ওয়েবসাইট/লাইভ চ্যাট অথবা ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করতে হবে।

সুরক্ষিত এই সেন্ড মানি সেবার পাশাপাশি এই মুহূর্তে বিকাশ গ্রাহকরা মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, মার্চেন্ট পেমেন্ট, অ্যাড মানি, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফি পরিশোধ, ই-টিকেটিং, ডোনেশন, বিদেশ থেকে রেমিটেন্স গ্রহণ, ইন্স্যুরেন্স ও মাইক্রোফাইন্যান্স এর পেমেন্ট, ডিজিটাল ন্যানো লোন ও সেভিংসসহ নানান সেবা ব্যবহার করছেন। এভাবেই নতুন নতুন উদ্ভাবনী সেবা আনার মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল লাইফস্টাইল অ্যাপে পরিণত হয়ে বিকাশ গ্রাহকের প্রতিদিনকার লেনদেনে আরও স্বাধীনতা ও সক্ষমতা আনার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৩৬ পিএম
পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ১৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গত ১৭ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে হাইব্রিড পদ্ধতিতে (শারীরিক উপস্থিতি ও ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে) অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনিরউদ্দিন আহমদ।

সভায় পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পরিচালক আজিজুর রহমান, মোস্তফা আহমদ, আয়শা ফারহা চৌধুরী, রুনা ফৌজিয়া হাফিজ, আহমেদ সালাহ্ সাত্তার, আসিফ এ চৌধুরী, শাহীনুজ্জামান ইয়াকুব, ড. শাহ্দীন মালিক, মোহাম্মদ আলী এবং পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ্ ও মহাব্যবস্থাপক মো. শাহ্ আলম উপস্থিত ছিলেন। 

এ সময় পূবালী ব্যাংকের সিএফও ও মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ লিটন মিয়া এফসিএ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

এনসিসি ব্যাংক-ব্রির মধ্যে গবেষণা চুক্তি

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৫১ পিএম
এনসিসি ব্যাংক-ব্রির মধ্যে গবেষণা চুক্তি
এনসিসি ব্যাংক কৃষিখাতে বিশেষ সিএসআর-এর আওতায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউটের (ব্রি) ‘প্রিলড ইউরিয়া এপ্লিকেটর’ কৃষি যন্ত্রের উন্নয়ন সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রকল্পে ৯০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দেবে। 
 
বুধবার (১৭ এপ্রিল) এনসিসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) এম শামসুল আরেফিনের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. মো. শাহজাহান কবীর এবং এনসিসি ব্যাংকের এসইভিপি ও কোম্পানি সচিব মো. মনিরুল আলম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। 
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব আলম, মো. রাফাত উল্লা খান ও মো. জাকির আনাম, এসইভিপি ও চীফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এফসিএ, এসইভিপি ও সিআইও মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, এসভিপি ও মানবসম্পদ বিভাগ প্রধান সৈয়দ হাসনাইন মামুন, সিআরএম বিভাগের এসভিপি এম. শহিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউটের ফার্ম মেশিনারিজ ও পোস্ট হারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগের পিএসও ড. গোলাম কিবরিয়া ভূঞা, প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ও সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং এসও মিজানুর রহমান।
 
মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর এনসিসি ব্যাংকের কৃষি গবেষণায় সহায়তার এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানান। 
 
ধানের জমিতে ৩০ শতাংশ সাশ্রয়ে ইউরিয়া সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ‘প্রিলড ইউরিয়া এপ্লিকেটর’ কৃষি যন্ত্রের উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য তিনি এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। 
 
এছাড়া এ যন্ত্র ব্যবহার করে মাটির গভীরে সার প্রয়োগ করা যাবে, যা গ্রীণ হাউজ গ্যাসের উদগীরণ কমাতে সাহায্য করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
 
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) এম. শামসুল আরেফিন বলেন, ‘এনসিসি ব্যাংক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়া ছাড়াও ইতোমধ্যেই প্রান্তিক পর্যায়ে প্রায় ১৫ হাজারের অধিক কৃষকের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও পাট বীজ, সার ও কীটনাশক এবং চারা গাছ বিতরণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ধানের জমিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কৃষি যন্ত্রের উন্নয়নের গবেষণা প্রকল্পে বিশেষ সিএসআর-এর আওতায় এনসিসি ব্যাংক অর্থায়ন করছে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য গবেষণা প্রকল্পেও সহযোগিতা করবে বলে আশা রাখছি।’
 
বিজ্ঞপ্তি/পপি/

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নরসিংদী শাখা নতুন ঠিকানায়

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০১:২৮ পিএম
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নরসিংদী শাখা নতুন ঠিকানায়

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নরসিংদী শাখা নতুন ঠিকানায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এর শুভ উদ্বোধন করা হয়। 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ঢাকা উত্তর অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান মো. মাহবুবুল হাসানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক মো. খায়রুল আলম। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জন মো. মজিবর রহমান। 

আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের শাখা নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন ও গবেষণা বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এবং বিভাগীয় প্রধান মো. মফিজুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। 

বিজ্ঞপ্তি/পপি/