ঢাকা ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

পুনরায় আইএসইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল

প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪২ পিএম
পুনরায় আইএসইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল
অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খান। ছবি : বিজ্ঞপ্তি

ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির (আইএসইউ) উপাচার্য পদে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খান। আগামী ৪ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এ পদে নিয়োগ দেন।

গতকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ধারা ৩১ (১) অনুযায়ী অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খানকে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে পুনরায় নিয়োগ পাওয়ায় শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আইএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম মোশাররফ হুসাইন এবং ভাইস-চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষক হিসেবে ড. আব্দুল আউয়ালের ৫০-এর অধিক গবেষণা প্রবন্ধ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ৬০-এর অধিক এমফিল ও পিএইচডি গবেষকের তত্ত্বাবধায়ক ও পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অধ্যাপক ড. খান ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের সাতুরিয়া গ্রামে ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম রুস্তুম আলী খান ও মা মরহুমা ছাহেরা খাতুন। তিনি ১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে ব্যাচেলর অব কমার্স ও ১৯৭০ সালে মাস্টার অব কমার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।

১৯৮৭ সালে অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খান পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত অধ্যাপক হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের অধ্যাপক ও ডিন হিসেবে ১৯৯৭ সালের জুন থেকে ২০০০ সালের জুলাই পর্যন্ত দায়িত্বরত ছিলেন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিন হিসেবে ২০ বছরেরও বেশি সময় অধ্যাপনা করেছেন।

বিজ্ঞপ্তি/সালমান/

বাংলাদেশে কর্মরত চীনাদের জন্য বাংলা ভাষা শিক্ষা কোর্স চালু

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ০৫:০১ পিএম
বাংলাদেশে কর্মরত চীনাদের জন্য বাংলা ভাষা শিক্ষা কোর্স চালু

‘স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং এর উন্নয়নে অবদান রাখা’  প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশে উদ্বোধন করা হলো ‘মিডিয়া ওপেন ডে এবং ব্যবহারিক বাংলাভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স।

মূলত বাংলাদেশে কর্মরত চায়না রেলওয়ের চীনা কর্মকর্তাদের বাংলা ভাষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ (সিআরইসি)।

বুধবার (২৯ মে) সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত চায়না রেলওয়ের ডিভিশন-১ এর সম্মেলনকক্ষে এর উদ্বোধন করা হয়।

এই বাংলা ভাষা শিক্ষা কোর্স উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ইয়াং হুই।

যৌথভাবে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি) ও সিআরইসি।

এর আগে সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে চায়না মিডিয়া গ্রুপ ও চায়না রেলওয়ের বাংলাদেশ নানাবিধ কার্যক্রমের ভিডিওচিত্র এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চায়না রেলওয়ের অবস্থান, সেখানে পরিচালিত কার্যক্রমও তুলে ধরা হয়।

এরপর বাংলাদেশে সিআরইসি’র বেশ কয়েকটি শাখা অফিসের চীন ও বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে চীনে আসন্ন ড্রাগন বোট উৎসব নিয়ে বিস্তার তথ্য উপস্থাপন ও আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের শিক্ষক নিলু আক্তার। 

এরপর উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ড্রাগন বোট উৎসবের জনপ্রিয় খাবার চৌং জি বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপ যৌথভাবে একটি বাংলা গান পরিবেশন করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক প্রোজেক্টের (পিবিআরএলপি) প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন।

সিআরইসির আঞ্চলিক সদর দপ্তরের নির্বাহী ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশে চায়না রেলওয়ে গ্রুপের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ওয়াং হংপোসহ চায়না রেলওয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশের মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

ওয়াং হংপো তার বক্তব্যে বলেন, চায়না রেলওয়ে তার বাংলাদেশে কর্মরত কর্মকর্তাদের জন্য বাংলা ভাষা শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে, এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। এর মাধ্যমে দুইদেশের কর্মকর্তা-কর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ হবে। ফলে কাজগুলো আরও সহজ এবং দ্রুততর ও সুন্দর হবে।

অমিয়/

বিএসইসি-সিএসই এর উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ০১:০৬ পিএম
বিএসইসি-সিএসই এর উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)-র উদ্যোগে একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

রবিবার (২৬ মে) সিএসইর চট্টগ্রামের প্রধান কার্যালয়ে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ (এএমএল অ্যান্ড সিএফটি) বিষয়ক এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। 

সিএসইর এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এক্সচেঞ্জের সংশ্লিষ্ট সকল স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমদ ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিএসইসি-র এক্সিকিউটিভ ‍ডিরেক্টর (ইডি) মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম। 

এ ছাড়াও কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন এডিশনাল ডিরেক্টর মোহাম্মাদ সিদ্দিকুর রহমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মিথুন চন্দ্র নাথ এবং সিএসইর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এম সাইফুর রাহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ, চীফ রেগুলেটরী অফিসার (সিআরও) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, সিএফএ। 

এ ছাড়াও সিএসইর বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন।

সিএসই-র ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এম সাইফুর রাহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ,  তার উদ্বোধনী বক্তৃতায় বলেন, ‘মানিলন্ডারিং ও টেররিস্ট ফিনান্সিং হচ্ছে জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে জড়িত একটি বিষয়। এর কারণ হচ্ছে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যে লেনদেনসমূহ হয় তার একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড থাকে, আর কোনো দেশের আইনগত কাঠামো কত স্বচ্ছ তার উপর ঐ দেশের কান্ট্রি গ্রেডিং নির্ভর করে। এক্ষেত্রে এটাও দেখা হয় যে সংশ্লিষ্টরা কতখানি নিয়ম কানুন পরিপালন করে এবং সঠিকভাবে করে কিনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘হতে পারে আমরা অনেক ধরণের সংকটের মধ্যে থাকতে পারি, কিন্তু আমাদের লক্ষ্য হবে সব সময় রুটিন কার্যক্রমগুলো পালন করা, এক সঙ্গে এটাও বিবেচনা করতে হবে যে সামান্য অনিয়ম ও বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। রিপোটিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই আইন পরিপালনকে বারডেন হিসেবে না দেখে নিজেকে সব সময় প্রস্তুত রাখতে হবে এবং নিয়মিত ট্রেনিং এর মাধ্যমে নিজেকে উন্নত করতে হবে। রেগুলেটরি কাঠামোর মধ্যে থেকে এই ব্যাপারগুলোকে এড়িয়ে না গিয়ে আমাদের সম্মুখীন হতে হবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই সংযুক্ত থাকি না কেন, মনে রাখতে হবে CAMLCO বা BAMLCO-র কাজগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা আমাদের সরকারের মৌলিক নীতির মধ্যে আছে যে, বাংলাদেশ মানিলন্ডারিং পছন্দ করে না এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। জিরো টলারেন্স ও টেরোরিস্ট ফিনান্সিং এই দুটো বিষয়কে যেহেতু সরকার আইন করে নিষিদ্ধ করেছে তাই আমাদেরও প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে যে, আমরা সঠিকভাবে সব সময় সচেষ্ট থাকবো কোনোভাবেই যেন আমাদের কারণে আমাদের প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের মানিলন্ডারিং এবং সন্ত্রাসী অর্থায়নের কার্যক্রম সংঘটিত না হয় এর জন্য আমরা কিভাবে ভূমিকা রাখবো সেটি হলো আজকের প্রতিপাদ্য বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘এখানে অনেক বিষয়ের মধ্যে দুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-মনিটরিং এবং এনফোর্সমেন্ট। যদি এই দুটি বিষয়কে আমরা যথাযথভাবে পালন করতে পারি তবে একজন ক্যামেলকো/ বামেলকো হিসেবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারব। খেয়াল রাখতে হবে যে, যে কোনো বিষয় শুরুতেই সূক্ষ্ম বিবেচনায় নিয়ে দেখতে হবে। প্রতিটি বিষয় এমনভাবে দেখতে হবে যেন একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর মনে না হয় যে পূর্বেই আরও ভালোভাবে দেখলে অমন হত না। তাই আমাদেরকে কিছুটা সন্ধিৎসু হতে হবে, সন্ধিৎসু এই অর্থে যেন আপাত দৃষ্টিতে যা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে কিন্তু সূক্ষ্ম বিবেচনায় তা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। এ ছাড়া অনুসন্ধান করেই থেমে থাকা যাবে না, এর প্রয়োজনীয় প্রতিকার মানে ব্যবস্থা নিতে হবে। মানিলন্ডারিংকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। কেননা এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সমাজের সাধারণ মানুষ। তাই আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে আপানার কাজ হচ্ছে ছাড় না দেওয়া। যদি ছাড় দেন তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে যার ফলাফল হবে আর্থিক সিস্টেমের ক্ষতি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অপরদিকে, আপনার নেওয়া একটি পদক্ষেপ হতে পারে অন্যদের জন্য উৎসাহের উদাহারন। তবে আপনাদেরকে আরেকটি বিষয়েও যত্নবান হতে হবে তা হল, রিপোটিং লেখা। রিপোটিং লেখাও গুরুত্বপূর্ণ কেননা এর উপরেও নির্ভর করে ব্যবস্থাগ্রহণ। প্রয়োজন হলে এই বিষয়ে সঠিক এবং উপযুক্ত প্রশিক্ষণসমূহ গ্রহণ করতে হবে। আপনাদের সূক্ষ্ম মনিটরিং, স্বচ্ছ রিপোটিং এবং উপযুক্ত ব্যবস্থাগ্রহণ আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সহায়তা করবে।’

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কমিশনের এক্সকিউিটভি ডিরেক্টর মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মানিলন্ডারিং ও টেররিস্ট ফিনান্সিং যে কোন দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় টেনে আনে। মানিলন্ডারিং এমন একটি পদ্ধতি যা অসৎ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধ অর্থ উপার্জনের উপায় সৃষ্টিতে মূল ভূমিকা পালন করে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও পুঁজিবাজারের উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে সর্বদা সচেষ্ট এবং যে সকল ক্যাপিটাল মার্কেট ইন্টারমিডিয়ারিস রিপোটিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ ও সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০১৩ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাদের রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও তাদের কার্যক্রম তদারকি করে আসছে।’

তিনি বলেন, ‘এই দুই আইন অনুযায়ী রিপোটিং প্রতিষ্ঠানের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন, তদারকিকরণ বিএসইসির উপর ন্যস্ত করা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিএসইসি গত ২০১৪ সালে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়নে প্রতিরোধবিষয়ক এএমএল সিএফটি উইং প্রতিষ্ঠা করেছে এবং আমরা সে অনুযায়ী নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা, সেমিনার, ওয়ার্ক শপ ইতাদি আয়োজন করছি। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে আমরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে এই আইনগুলোর পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যবহার করতে পারবো।’

এডিশনাল ডিরেক্টর মোহাম্মাদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘বিএসইসির কাজ হচ্ছে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ রক্ষা করা এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়ন এবং এই সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা। আজকের আলোচ্য আইন দুটি সম্পর্কে ভালোভাবে শুনবো, জানবো এবং বাস্তবক্ষেত্রে এর সঠিক প্রয়োগ করতে পারি, তবেই আমাদের এই কর্মশালা সার্থক হবে। মনে রাখতে হবে যে, আইন দুটির ভুল ব্যবহার বা অজ্ঞতা দেশের অর্থনীতিকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে। তাই বিএসইসি মানিলন্ডারিং ও টেররিস্ট ফিনান্সিং এর প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।’

এরপর কমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ নুরুজ্জামান ও মিথুন চন্দ্র নাথ  মানিলন্ডারিং ও  টেররিস্ট ফিনান্সিং এর উপর বিশদ উপস্থাপনা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে সিএসই-র চীফ রেগুলেটরী অফিসার মেহেদী হাসান, সিএফএ বলেন, ‘যে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া উচিত সেটি হলো know your customers/clients বা KYC বা আপনার ক্লায়েন্টকে জানুন। একটি ক্লায়েন্ট সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকা একটি কার্যকরী পদ্ধতি, যার দ্বারা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং তাদের কর্মকর্তরা চিনতে সক্ষম হবেন অর্থ পাচারের প্রচেষ্টাকে বা কারা জড়িত তাদেরকে।’ 

তিনি উপস্থিত সকলকে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লষ্টি সকল নিয়মাবলী মেনে পুজিঁবাজারের ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ জানান। 

তিনি প্রশিক্ষণে উপস্থিত থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানটি শেষ করেন।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহারা/অমিয়/

নজর এখন রূপালী ব্যাংকে, নেতৃত্বের শক্তিতে দুর্দান্ত সাফল্য

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ১২:২৯ পিএম
নজর এখন রূপালী ব্যাংকে, নেতৃত্বের শক্তিতে দুর্দান্ত সাফল্য

খেলাপি আদায়ে দৃষ্টিনন্দন অংক। নতুন একাউন্টের হিড়িক। শাখায় স্বনামধন্য কর্পোরেট গ্রাহকদের আনাগোনা। গত দুই বছরে এসবই ঘটেছে রূপালী ব্যাংকে। ঝানু ব্যাংকার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে আর্থিক খাতে নিজেদের পেশি দেখাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি। রূপালী ব্যাংকের জন্য যোগ্য নেতৃত্ব বাছাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও সরকার প্রধানের দূরদর্শীতার সুফল পাচ্ছে দেশের অর্থনীতি।

খেলাপি ঋণ আদায় থেকে মুনাফা- সর্বত্র ‘ম্যাজিক্যাল ফিগার’। এক বছরে সাড়ে ৫শ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ আদায়ের ঘটনা ঈর্ষণীয় ও অনুকরণীয় অবস্থানে নিয়েছে ব্যাংকটিকে। অবলোপনকৃত খেলাপি ঋণ থেকে চলতি বছরে ৪০ কোটি টাকা আদায় এখন ব্যাংক খাতে চর্চিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি এক বছরে ৮ লাখ নতুন ব্যাংক হিসাব খুলে রেকর্ড সৃষ্টির মাধ্যমে তাক লাগিয়েছে রূপালী। এসবের ফলে ২০২৩ সালে ৭শ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন সামনে বড় কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। যেখানে ২০২২ সালে রূপালী ব্যাংকের মুনাফা হয়েছিল ১শ কোটি টাকা। 

বড় আশার বিষয়, দুর্দান্ত গতিশীলতার মাঝেও ভারসাম্য রক্ষা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে রূপালী ব্যাংকের নেতৃত্ব। যে কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও গত দুই বছরে বিতরণকৃত কোন ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েনি। 

রূপালী ব্যাংকের নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের নিষ্ঠাশীল আনুগত্য ও ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আকাশচুম্বি আস্থার প্রমাণ পাওয়া যায় গত এক বছরে ব্যাংকটির নতুন হিসাব খোলার সংখ্যা বিশ্লেষণে। যেখানে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৫১ বছরে ব্যাংকটির সক্রিয় একাউন্ট ছিল ২২ লাখ, সেখানে এক বছরেই নতুন একাউন্ট যুক্ত হয়েছে ৮ লাখ। বর্তমানে ৩০ লাখ গ্রাহকের রূপালী ব্যাংক জাতীয় সঞ্চয়ের বড় অংশীদারে পরিণত হয়েছে। গত দুই বছরে ৫৩ হাজার কোটি টাকা থেকে ৬৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে ব্যাংকটির আমানত। পাশাপাশি ব্যাংকটিতে লোকসানী শাখা নেই বললেই চলে। মাত্র ৭টি লোকসানী শাখা রয়েছে বর্তমানে যা ইতিহাসে সর্বনিম্ন। 

সম্প্রতি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২০২৩ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় ব্যাংকের ইপিএস সমন্বিতভাবে দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ৬১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৩৫ পয়সা হয়েছে এবং এককভাবে তিন গুণের বেশি বেড়ে ৪৫ পয়সা থেকে ১ টাকা ১৭ পয়সা হয়েছে। 

পাশাপাশি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক ২৭ টাকা থেকে বেড়ে ১১০ টাকা ৩২ পয়সা হয়েছে। ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত সময়ে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৮৯ পয়সায়। 

এক সময়ে পিছিয়ে পড়া ব্যাংকটির বর্তমান অগ্রগতির কারণ হিসেবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা। বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মাঠ পর্যায় থেকে প্রধান কার্যালয়- ৩৪ বছরের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। ১৯৯০ সালে ব্যাংকটিতে অফিসার হিসেবে যোগ দিয়ে ২০২২ সালের আগস্ট থেকে প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

আল-আরাফাহ্ ব্যাংক-ইকোটেক অর্গানিক গার্ডেনের চুক্তি স্বাক্ষর

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ১২:১২ পিএম
আল-আরাফাহ্ ব্যাংক-ইকোটেক অর্গানিক গার্ডেনের চুক্তি স্বাক্ষর
ছবি: বিজ্ঞাপন

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ও ইকোটেক অর্গানিক গার্ডেন লিমিটেড এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

সোমবার (২৭ মে) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) শাব্বির আহমেদ। 

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহমুদুর রহমান ও ইকোটেক অর্গানিক গার্ডেন লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাহিদুল ইসলাম চাকলাদার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এ চুক্তির ফলে এআইবিপিএলসি-এর ‘এআরডিপি’ এবং ইকোটেক অর্গানিক গার্ডেন লিমিটেডের ‘কৃষিছাতা’ সম্মিলিতিভাবে কৃষি ফসল উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতাসহ দেশের কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান চৌধুরী, বগুড়া জোনাল হেড ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আ ন ম মফিদুল ইসলাম, এআরডিপি প্রধান মো. মাহমুদ রিয়াদ, ইকোটেক অর্গানিক গার্ডেন লিমিটেড ও কৃষিছাতার বিজনেস কোঅর্ডিনেটর কৃষিবিদ এস এ এম সানোয়ার হোসেন এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ʻবেস্ট ক্লাইমেট ফোকাস ব্যাংক ইন বাংলাদেশʼ অ্যাওয়ার্ড পেল ব্যাংক এশিয়া

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ১১:৫১ এএম
ʻবেস্ট ক্লাইমেট ফোকাস ব্যাংক ইন বাংলাদেশʼ অ্যাওয়ার্ড পেল ব্যাংক এশিয়া
ছবি: বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ২০২০ ও ২০২১ সালে অসামান্য টেকসই রেটিং অর্জনের ফলস্বরূপ এবার ʻবেস্ট ক্লাইমেট ফোকাস ব্যাংক ইন বাংলাদেশʼ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ২৪তম জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানী সম্মেলন ও গ্রীন এক্সপো-২০২৪ এ বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রোস্টারের হাত থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন ব্যাংক এশিয়ার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট তাহমিদুর রশীদ। 

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডিশ রাষ্ট্রদূত অ্যালেক্স বার্গ ভন লিন্ডে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. সীতেশ চন্দ্র বাছাড় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। 

ইউএসএআইডি, স্রেডা, ইডকল ও বিএসআরইএ-এর  সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সস্টিউট অব এনার্জি ও গ্রীনটেক ফাউন্ডেশন যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

এ অ্যাওয়ার্ডটি টেকসই প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া, নৈতিক অনুশীলনের উপর জোর দেওয়া এবং সবুজ আর্থিক উদ্যোগকে বেগবান করার জন্য ব্যাংক এশিয়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/