ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

‘নীতি সহায়তার অভাবে বিকশিত হচ্ছে না দেশীয় কসমেটিকস শিল্প’

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৮:১৩ পিএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ০৮:১৩ পিএম
‘নীতি সহায়তার অভাবে বিকশিত হচ্ছে না দেশীয় কসমেটিকস শিল্প’
ছবি : সংগৃহীত

আমদানির বিকল্প ও ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকার পরও দেশীয় কসমেটিকস শিল্পে উল্টো নীতি গ্রহণ রহস্যজনক। কসমেটিকস শিল্পখাতে নীতি সহায়তার পরিবর্তে বাড়তি শুল্ক ও ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। এতে নতুন উদ্যোগগুলো আরও বেশি অসম প্রতিযোগিতার মধ্যে পড়ছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। 

এদিকে কসমেটিকস শিল্প খাতের গুরুত্ব অনুধাবণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন এই শিল্পের নীতি প্রণয়নে চার দফার জোরালো সুপারিশ করেছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সহায়তার নীতি গ্রহণ করা হচ্ছে না। অথচ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই খাতকে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়ে নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। 

সংশ্লিষ্টরা বলেন, নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের কোন মহলের ভূমিকা রহস্যজনক এবং দেশীয় শিল্প বিরোধী। যার কারণে স্থানীয় বিনিয়োগ প্রবল অসম প্রতিযোগিতা ও ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, কোন কোন মহলের শিল্পায়ন বিরোধী মনোভাব কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বর্তমান সরকারের যে অগ্রাধিকার নীতি রয়েছে তার পরিপন্থি।

এ খাতের বাণিজ্য সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার এন্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স️ এন্ড এক্সপোর্ট️ার্স️ বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি) এর কার্যকরী সদস্য মো. মনির হোসেন বলেন, এই খাতে এখনই লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। শুধু সরকারের নীতি সহায়তার অভাবে শিল্পের আকার ও ব্যাপকতা আটকে আছে। আমদানি বিকল্প দেশীয় শিল্পের বিকাশ ঘটলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হয়। কর্ম️সংস্থান ছাড়াও রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জ️ন করা যায়। তাই নীতিনির্ধ️ারণে অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে️ থাকা উচিত স্থানীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা।

তিনি বলেন, বর্ত️মানে কতিপয় মানহীন ও ভেজাল পণ্যের ছড়াছড়ির খবর প্রায়শই দেখা যায়। এসব ভেজাল পণ্য ব্যবহার করে ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন। পড়ছেন বড় ধরণের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। তাই স্থানীয় উৎপাদনকে নীতি সহায়তা দিয়ে মানসম্মত পণ্য ক্রেতাদের জন্য সুলভ করা জরুরি। দেশে গ্লোবাল ব্র্যান্ডের উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রচারণে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি সহজলভ্য করা গেলে এবং সরাসরি কসমেটিকস পণ্যের শুল্কহার বাড়ানো হলে দেশীয় উৎপাদন ও উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে মন্তব্য করেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্যারিফ কমিশন তাদের সুপারিশে উল্লেখ করেছে যে, একজন স্থানীয় উৎপাদনকারীকে প্রতি পিসের একক মূল্যের উপর ১০ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক প্রদান করতে হয়। যার ফলে স্থানীয় উৎপাদনকারীর উপর সম্পূরক শুল্কের প্রভাব অনেক বেশি। কারণ আমদানিকৃত পণ্যের শুল্কায়ন মূল্যের চেয়ে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য মূল্য অনেক বেশি। ভোক্তা বাজার সবার জন্য এক হওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থায় স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের বিনিয়োগ হুমকির সম্মুখীন।

বিশিষ্ট অর্থ️নীতিবিদ ও এনবিইআর এর চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ বলেন, প্রায় তিনশ কোটি ডলারের কসমেটিকস বাজারের শিল্পে বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য বৈষম্যের কারণ হবে। কারণ এই শিল্পের বার্ষি️ক গড় প্রবৃদ্ধির হার সাড়ে ১২ শতাংশ। তাই দেশীয় শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষ️ণে নীতি সহায়তা জরুরি।

বাংলাদেশে কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার সামগ্রীর বার্ষিক বাজার ২১ হাজার কোটি টাকার ওপরে। এই খাত দেশের সম্ভাবনাময় একটি খাত হলেও আমদানিনির্ভর বিদেশি পণ্যের ভিড়ে দেশি কম্পানির পণ্যগুলো অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে। 

সরকারের পক্ষে দেশীয় এসব পণ্য জনপ্রিয় করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও সম্পূরক ভ্যাট, অতিরিক্ত শুল্ক আরোপকে বলা যায় এ খাতে অন্যতম বাধা। বর্ত️মানে স্থানীয় উৎপাদন পর্য️ায়ে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্যের তালিকায় রয়েছে ওষ্ঠাধার প্রসাধন, চক্ষু প্রসাধন, হাত, নখ বা পায়ের প্রসাধন, পাউডার, সুগন্ধিযুক্ত বাথ সল্ট এবং অন্যান্য গোসল সামগ্রীসহ সংশ্লিষ্ট প্রসাধন সামগ্রী। 

এই খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, কসমেটিকস ও স্কিন কেয়ার পণ্যের কাঁচামাল আমদানির শুল্ক কমালে দেশীয় বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কেননা এসব কাঁচামালের প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হয়।

দেশীয় পণ্য উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামালের শুল্ক হ্রাস, বিদেশি পণ্য আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি, অবৈধ পথে বাজারে আসা পণ্য ঠেকানো, নকল পণ্য রোধ ইত্যাদি বিষয়ে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিলে বাংলাদেশে কসমেটিকস শিল্পের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

লাইট ক্যাসেল পার্ট️নারস এবং অ্যালাইড মার্কে️ট রিসার্চে️র মতো গবেষণা সংস্থাগুলোর ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের স্কিন কেয়ার বা পারসোনাল কেয়ার শিল্পের আনুমানিক বাজারের আকার ২০২০ সালে ছিল ১ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার। ২০২৭ সালের মধ্যে এর আকার ২ দশমিক ১২ বিলিয়নে পৌঁছাবে বলে আশা করছে তারা। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২৭ সাল পর্য️ন্ত ৮ দশমিক ৫ শতাংশ হারে এই শিল্প বৃদ্ধি পাবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ব্যাংক এশিয়ার বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:২৫ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:২৫ পিএম
ব্যাংক এশিয়ার বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞাপন

ব্যাংক এশিয়ার ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ডিজিটাল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৩ জুন) ব্যাংকের চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী এই সভার সভাপতিত্ব করেন। সভার শেয়ারহোল্ডাররা সভায় ২০২৩ সালের জন্য ঘোষিত ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেন।

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাফওয়ান চৌধুরী ও জাকিয়া রউফ চৌধুরী, বোর্ড নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন, বোর্ড অডিট কমিটি ও বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এম এ বাকী খলীলী, পরিচালক ফারহানা হক, এনাম চৌধুরী, আশরাফুল হক চৌধুরী, মো. আবুল কাসেম, হেলাল আহমেদ চৌধুরী, নাফিস খন্দকার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হোসেন, কোম্পানি সেক্রেটারী এস এম আনিসুজ্জামান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডাররা এবারের সভায় অংশগ্রহণ করেন। 

শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রমের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ২০২৩ সালের হিসাব বিবরণী অনুমোদন করেন।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:১৮ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:১৮ পিএম
ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম
মোহাম্মদ সেলিম

ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়েছেন মোহাম্মদ সেলিম।

ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেওয়ার আগে সাধারণ বিমা করপোরেশনে প্রায় ৩০ বছর চাকরি করেছেন মোহাম্মদ সেলিম। তিনি সাধারণ বিমা করপোরেশনে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং ফাইন্যান্স, হিসাব, রিইন্স্যুরেন্স অ্যাকাউন্ট ও বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে মহাব্যবস্থাপক পদ থেকে অবসর নেন।

দেশের বিমা খাতে প্রায় ৩০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সেলিম সাধারণ বিমা করপোরেশনে চাকরির সময়ে অডিট ও কমপ্লায়েন্স বিভাগ, রিয়াল স্টেট বিভাগ, রিইন্স্যুরেন্স হিসাব বিভাগ, অবলিখন বিভাগ, হিসাব বিভাগ ও বিনিয়োগ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি চট্টগ্রাম জোনাল ইনচার্জ ও ঢাকা জোনাল ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি লোকাল অফিস, শরীফ ম্যানশন শাখা, এসবিসি ভবন শাখা, আদমজী কোর্ট ভবন শাখা ও বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ শাখার ইনচার্জ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

মোহাম্মদ সেলিম নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন এবং ইন্স্যুরেন্স বিষয়ে কম্প্রিহেনসিভ কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমির একজন অ্যাসোসিয়েট ও ন্যাশনাল একাডেমি ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে প্রশিক্ষণ নেন। তিনি অবলিখন ও দাবি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং ইন্স্যুরেন্স ও রিইন্স্যুরেন্স বিষয়ে চীন, শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ/সেমিনারে অংশ নেন।

মোহাম্মদ সেলিম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

বিজ্ঞপ্তি/সালমান/

সোসাইটি ফর স্যোসাল সার্ভিস ও ব্র্যাক ব্যাংকের এমপ্লয়ি ব্যাংকিং চুক্তি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
সোসাইটি ফর স্যোসাল সার্ভিস ও ব্র্যাক ব্যাংকের এমপ্লয়ি ব্যাংকিং চুক্তি
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ব্যাংক ও সোসাইটি ফর স্যোসাল সার্ভিস (এসএসএস) এমপ্লয়ি-এর মধ্যে ব্যাংকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোসাইটি ফর সোসাল সার্ভিস একটি স্বনামধন্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান। 

ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এমপ্লয়ি ব্যাংকিং এ কে এম শাহাদুল ইসলাম এবং সোসাইটি ফর স্যোসাল সার্ভিসের নির্বাহী পরিচালক আবদুল হামিদ ভূঁইয়া রবিবার (২৩ জুন) টাঙ্গাইলের এসএসএসের প্রধান কার্যালয়ে তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।    

এই চুক্তির অধীনে সোসাইটি ফর স্যোসাল সার্ভিসের কর্মকর্তারা ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে স্যালারি অ্যাকাউন্ট, মাল্টি-কারেন্সি ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ঋণসুবিধা, ডিপিএস এবং ফিক্সড ডিপোজিটসহ ব্যাংকের এমপ্লয়ি ব্যাংকিংয়ের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। ব্র্যাক ব্যাংকের সহজ এবং আন্দদায়ক ব্যাংকিং সুবিধা তাদের দেবে অন্যরকম এক ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা। 

এসএসএস-এর পরিচালক (এইচআরডি ও অ্যাডমিন) মাহবুবুল হক ভূঁইয়া এবং ব্র্যাক ব্যাংকের রিজিওনাল হেড– ঢাকা নর্থ ও ময়মনসিংহ তানভীর রহমান, হেড অব এমএফআই অ্যান্ড এগ্রিকালচার ফাইন্যান্স তাপস কুমার রায়, রিলেশনশিপ ম্যানেজার, এমএফআই ফাইন্যান্স উম্মে হাবিবা এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  

করপোরেট পেশাজীবীদের চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের জন্য বিস্তৃত সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত উন্নত এবং আনন্দদায়ক রিটেইল ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দেওয়ায় ব্র্যাক ব্যাংক যে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই চুক্তিটি তার-ই প্রতিফলন। 

প্রসঙ্গত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের অর্থায়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার ভিশন নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি. ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে, যা এখন পর্যন্ত দেশের অন্যতম দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী একটি ব্যাংক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ‘BRACBANK’ প্রতীকে ব্যাংকটির শেয়ার লেনদেন হয়। ১৮৭টি শাখা, ৪৫টি উপশাখা, ৩৩০টি এটিএম, ৪৫৬টি এসএমই ইউনিট অফিস, ১,০৮০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ৮ হাজারেরও বেশি মানুষের বিশাল কর্মীবাহিনী নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক কর্পোরেট ও রিটেইল সেগমেন্টেও সার্ভিস দিয়ে আসছে। ব্যাংকটি দৃঢ় ও শক্তিশালী আর্থিক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে এখন সকল প্রধান প্রধান মাপকাঠিতেই ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষে অবস্থান করছে। আঠারো লাখেরও বেশি গ্রাহক নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক বিগত ২২ বছরেই দেশের সবচেয়ে বৃহৎ জামানতবিহীন এসএমই অর্থায়নকারী ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নিয়মানুবর্তিতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

এবি ব্যাংকের পুলহাট উপশাখার উদ্বোধন

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৫:৫৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:০০ পিএম
এবি ব্যাংকের পুলহাট উপশাখার উদ্বোধন
ছবি : বিজ্ঞপ্তি

দিনাজপুর পৌরসভার পুলহাট সড়কে এবি ব্যাংকের পুলহাট উপশাখা উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (২৩ জুন) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজাল এ উপশাখাটির উদ্বোধন করেন।

এ সময় ব্যাংকের অন্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তি/সালমান/

মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ক্যাশ ম্যানেজমেন্টবিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৩:৫৪ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৩:৫৪ পিএম
মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ক্যাশ ম্যানেজমেন্টবিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞাপন

মার্কেন্টাইল ব্যাংকে সম্প্রতি ‘ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড জেনারেল ব্যাংকিং অপারেশন্স’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আয়োজিত প্রশিক্ষণে ব্যাংকের ২১টি উপশাখার ৪২ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণটি উদ্বোধন করেন ব্যাংকের চীফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার তাপস চন্দ্র পাল।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট ও সাধারণ ব্যাংকিং কার্যক্রম বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা ও সার্কুলার যথাযথভাবে পালনের জন্য অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ফ্যাকাল্টিদের পাশাপাশি ব্যাংকের অপারেশন্স ডিভিশনের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন। 

প্রশিক্ষণটি সঞ্চালনা করেন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল জাভেদ তারিক।

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/