ঢাকা ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

রাজবাড়ীতে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:০৮ এএম
রাজবাড়ীতে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা
প্রতীকী ছবি

রাজবাড়ীর পাংশায় আশালতা দাস নামে এক বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। 

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার সরিষার প্রেমটিয়া গ্রামে বৃদ্ধার মরদেহ তার ঘরের বারান্দায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন প্রতিবেশীরা।

নিহতের স্বামীর নাম মৃত সন্তোষ দাস।

জানা যায়, বৃদ্ধা আশালতার দুই মেয়ের অনেক আগেই বিয়ে হয়েছে। তার মেয়ে-জামাই, নাতি-নাতনি সবাই পাংশা শহরে থাকেন। গ্রামের বাড়িতে একাই থাকতেন আশালতা। তার বাড়িতে পুকুর, বাগানসহ এলাকায় মাঠের জমিও রয়েছে। এসব দেখাশোনার জন্য লোক রাখা হয়েছিল। আশালতার দান করা জমিতে এলাকায় বিদ্যালয় ও হাট-বাজার করা হয়েছে। 

বৃদ্ধার প্রতিবেশী স্কুলশিক্ষক দ্বীপক দাস খবরের কাগজকে জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধা আশালতা বাড়িতে একা থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে কাজের লোক ঘরের দরজায় গিয়ে ডাকলে কোনো সাড়া পাননি। পরে অন্য পাশে গিয়ে দেখেন, বারান্দায় বৃদ্ধার মরদেহ পড়ে আছে। বাড়ি, মাঠসহ অনেক কৃষিজমির মালিক তিনি। তবে এলাকায় কারও সঙ্গে তার শত্রুতা ছিল না। এলাকার সবাই তাকে সম্মান করতেন।’

সরিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল আল বাহার বিশ্বাস খবরের কাগজকে বলেন, ‘এলাকায় এটি ঠাকরুন বাড়ি হিসেবে পরিচিত। এই বাড়ির মালিককে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে সেটা খুবই মর্মান্তিক। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’

পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার খবরের কাগজকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।

সুমন/পপি/অমিয়/

মণিপুরি, পাত্র, চা শ্রমিক শিক্ষার্থীরা পেল শিক্ষা উপকরণ

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:০০ এএম
মণিপুরি, পাত্র, চা শ্রমিক শিক্ষার্থীরা পেল শিক্ষা উপকরণ

ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে মণিপুরি, পাত্র ও চা-শ্রমিক সম্প্রদায় কেবল বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি সুরক্ষায় কাজ করছে সিলেট বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘একডো’। ভাষা শেখার সঙ্গে তারা শিক্ষা উপকরণ দিয়ে ১২৫ শিক্ষার্থীকে সহায়তা করেছে তারা। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট সদর উপজেলা হলরুমে এই শিক্ষা উপকরণ বিতরণের আয়োজন করা হয়।  
 
একডোর নির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মীকান্ত সিংহের সভাপতিত্বে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাসরিন আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহযোগী সংস্থা হেয় ভারডেনের মিজ স্টিনা, এলিজাবেথ স্বেলা এবং সিলেট সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিজিত কুমার পাল। 

অনাড়ম্বর ও আন্তরিকতায় পূর্ণ এই অনুষ্ঠানে একডোর নির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মীকান্ত সিংহ বলেন, আমরা সব সময় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সামনে এগিয়ে নিতে কাজ করি। আমাদের বিভিন্ন উদ্যোগে সব সময় সবার সহযোগিতা পেয়েছি। ভবিষ্যতেও সবার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এ অনুষ্ঠানে সংস্থার সহযোগী হিসেবে উপস্থিত বিদেশি নাগরিকদের তিনি ক্ষুদ্র নৃতাত্তিক জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। 

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের শিক্ষা নিয়ে এ ধরনের প্রকল্প অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে ইউএনও বলেন, ‘এ উদ্যোগ নেওয়ার জন্য একডো এবং সহযোগী সংস্থা হেয় ভারডেনকে ধন্যবাদ জানাই। এ প্রকল্পের উপকারভোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করতে হবে।’ তিনি উপস্থিত অভিভাবকদের নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা মাফিক নিজ নিজ সন্তানদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠান শেষে একডো নির্বাহী লক্ষ্মীকান্ত সিংহ খবরের কাগজকে বলেন, ‘অনুষ্ঠানের একাত্ম হওয়া অভিভাবকদের পরামর্শক্রমে একডো চা-বাগান এলাকার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যয়ভার বহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিলেট শহরতলীর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করে এই সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতির সুরক্ষায় একডো পরিচালিত প্রকল্প দীর্ঘমেয়াদি করারও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
 
উজ্জ্বল মেহেদী/জোবাইদা/

রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৯ এএম
রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার
ছবি: খবরের কাগজ

রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা পেলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান। মামলার রহস্য উদঘাটন, গণমুখী পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা, শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য তিনি পিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে জাতীয় পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে এ পদক পরিয়ে দেন।

পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেন। তিনি ২৭তম বিসিএসের একজন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রিফাত/ইসরাত চৈতি/ 

টঙ্গীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৭ এএম
টঙ্গীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
ছবি : খবরের কাগজ

গাজীপুরের টঙ্গীতে মরিয়ম ম্যানশন নামের একটি বহুতল ভবনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে টঙ্গী ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৫টায় আগুন লাগে।  ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট সকাল ৭টায়  আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় ছয়জন সামান্য দ্বগ্ধ হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, টঙ্গী বাজার এলাকায় মরিয়ম ম্যানশন নামের একটি সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি প্রাইভেট ব্যাংক তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। ভবনের বাকি অংশ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গুদাম হিসেবে মালামাল মজুত করেন। বুধবার ভোরে ওই ভবনের চারতলায় আগুন দেখতে পেয়ে নেভানোর চেষ্টা করেন তারা। পরে চারতলায় লাগা আগুন পাঁচতলায় ও ছয়তলায় ছড়িয়ে পড়তে দেখে তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আফরিন ট্রেডার্সের মালিক মো. সোহেল ও মনির হোসেনসহ ১০ ব্যবসায়ী গুদামজাত করা কয়েক কোটি টাকার মালামালের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তারা।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা জোন ৩-এর উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে সাড়ে পাঁচটার দিকে ভবনে আগুন দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ৫টা ৪৭ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে। সবশেষ সকাল ৭টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে জানা যাবে।

ওই ভবনে থাকা ব্যবসায়ী লিখন হোসেন জানান, তিনিসহ ওই ভবনে থাকা ৬ জন আগুনে সামান্য দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন লিটন, রাকিব, সাগর, রোমান ও মনোয়ারুল। তাদের কারও হাত, মাথার চুল ও পা আগুনে সামান্য ঝলসে গেছে। তারা স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

পলাশ প্রধান/জোবাইদা/

২ মাস পর আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৫ এএম
২ মাস পর আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু
ছবি : খবরের কাগজ

প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর ফের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বন্দর দিয়ে ১৯টি ট্রাকে করে প্রায় ৪৫০ টন ভাঙা পাথর ভারত থেকে আমদানি করা হয়। আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত নির্মাণাধীন চার লেন মহাসড়কের ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড পাথরগুলো আমদানি করেছে। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স খলিফা এন্টারপ্রাইজ আমদানি করা পাথরের ছাড়করণের কাজ করবে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দুই হাজার টন ভাঙা পাথর আমদানির এলসি খোলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ১৯টি ট্রাকে করে ৪৫০ টন ভাঙা পাথর বন্দরে প্রবেশ করে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকি পাথরগুলো চলে আসবে। নির্ধারিত শুল্ক ও মাশুল পরিশোধের পর বন্দর থেকে পাথরগুলো ছাড়করণ শুরু হবে। 

তিনি আরও জানান, দুই মাস পর পাথর আমদানি শুরু হওয়ায় বন্দরে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

আখাউড়া শুল্ক স্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর সর্বশেষ এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানি হয়েছিল। এরপর অন্যান্য পণ্য আমদানি হলেও পাথর আমদানি হয়নি। শুল্ক মাশুল পরিশোধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর ছাড়পত্র দেওয়া হবে।’

জুটন বনিক/জোবাইদা/

সুনামগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী যাত্রাপালা উৎসব শুরু

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৩৮ এএম
সুনামগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী যাত্রাপালা উৎসব শুরু
সুনামগঞ্জে মঙ্গলবার থেকে ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা উৎসব শুরু হয়েছ। ছবি : খবরের কাগজ

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য যাত্রাপালা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সুনামগঞ্জে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী যাত্রাপালা  উৎসব। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে এ যাত্রাপালা উৎসবের শুরু হয়।

যাত্রাপালা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মানবসম্পদ ও উন্নয়ন সাব্বির আহমদ আখঞ্জি। 

জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পৌর মেয়র নাদের বখত, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আবেদীন, সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট যাত্রাশিল্পী রমেন্দ্র কুমার ও বিজীত ভূষণ তালুকদার। 

এ সময় শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে তরুণ থেকে বৃদ্ধ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ যাত্রাপালা দেখতে যান।

বক্তারা জানান, আবহমান কাল থেকে এ দেশের গ্রামে-গঞ্জে, পথে-প্রান্তরে সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত যাত্রাপালার প্রচলন ছিল। বাংলাদেশের সঙ্গে যাত্রাপালা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এটা একটা শিল্প। একটা সময় মানুষ আগ্রহ, আবেগ নিয়ে রাতভর যাত্রাপালা দেখত, হাসত, কাঁদত। তবে বর্তমানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই শিল্প তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে তরুণ প্রজন্মকে এই শিল্পের সঙ্গে পরিচয় করাতে হবে। যাত্রাশিল্পের সঙ্গে দেশের, জাতির, সমাজের, পরিবারের নানা অসংগতি ও দুঃখ সমাধানের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। তাই এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

উৎসবের প্রথম দিন নেত্রকোনা জেলার নবযোগ যাত্রাপালা ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ পরিবেশন করেন।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন সুনামগঞ্জের অপেরা যাত্রাপালা ‘অশ্রু দিয়ে লেখা’ এবং তৃতীয় দিন সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার লোকনাথ যাত্রাপালা ‘মেঘনা বধ’ পরিবেশন করবে।

সুনামগঞ্জ জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল খবরের কাগজকে বলেন, ‘যাত্রাশিল্প প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিলুপ্ত এই সংস্কৃতিকে মূল সংস্কৃতির স্রোতধারায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য তিন দিনব্যাপী এই যাত্রা উৎসবের আয়োজন। যাত্রা বাদ দিয়ে আমাদের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য চিন্তা করা যায় না।’ 

দেওয়ান গিয়াস/পপি/