ঢাকা ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

ডিসির প্রতি দাবি কাপ্তাই হ্রদের খননকাজে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:৩৯ পিএম
কাপ্তাই হ্রদের খননকাজে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের নৌপথগুলো খনন করা হচ্ছে অপরিকল্পিত ও সমন্বয়হীনভাবে। এতে হ্রদে পাহাড়ের টিলা ও বালি পড়ছে। ফলে নৌপথগুলো আবারও ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয় না থাকায় অপচয় হচ্ছে রাষ্ট্রের অর্থের। এজন্য জেলা প্রশাসনকে খননকাজের সমন্বয় করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার রাঙামাটি অঞ্চলের নেতারা। 

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংস্থাটির রাঙামাটি শহরের নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি জানান তারা। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থাটির রাঙামাটি অঞ্চলের চেয়ারম্যান মঈনউদ্দিন সেলিম। বক্তব্য রাখেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, মো. নাজিম উদ্দিন ও আব্দুল্লাহ আল-মামুন।

সংগঠনটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থার কথা বিবেচনায় না নিয়ে সমতলের নদী খননের মতোই কাজ করা হচ্ছে। আবার খনন করা সেই পলিমাটি কাপ্তাই হ্রদেই ফেলা হচ্ছে। এতে শুষ্ক মৌসুমের আগেই নৌপথগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে ছয় উপজেলার ৫ লাখ মানুষকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। এ ছাড়া পানি স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কাপ্তাই হ্রদের মাছের জোগানও কমে যাচ্ছে। আমরা চাই কাপ্তাই হ্রদের ছয়টি নৌপথ পরিকল্পিতভাবে খনন করা হোক। ঢাকা থেকে টেন্ডার করে কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। খননকাজে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কোনো সমন্বয় নেই।’ 

নৌ চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থাটির রাঙামাটি অঞ্চলের চেয়ারম্যান মঈনউদ্দিন সেলিম বলেন, ‘সমন্বয় না করে খননকাজ করছে একেকটা ডিপার্টমেন্ট। আমাদের দাবি হচ্ছে, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে যতগুলো সংস্থা কাপ্তাই লেকের সঙ্গে জড়িত, তাদের নিয়ে কাজগুলো করা হোক। জেলার ৫ লাখ মানুষ এই লেকের ওপর নির্ভরশীল। ছয়টি উপজেলায় আমরা ১০-১২টি পয়েন্ট নির্ধারণ করেছি। এগুলোতে ড্রেজিং করা হলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন সারা বছরই করা যাবে।’

টঙ্গীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৭ এএম
টঙ্গীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
ছবি : খবরের কাগজ

গাজীপুরের টঙ্গীতে মরিয়ম ম্যানশন নামের একটি বহুতল ভবনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে টঙ্গী ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৫টায় আগুন লাগে।  ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট সকাল ৭টায়  আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় ছয়জন সামান্য দ্বগ্ধ হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, টঙ্গী বাজার এলাকায় মরিয়ম ম্যানশন নামের একটি সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি প্রাইভেট ব্যাংক তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। ভবনের বাকি অংশ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গুদাম হিসেবে মালামাল মজুত করেন। বুধবার ভোরে ওই ভবনের চারতলায় আগুন দেখতে পেয়ে নেভানোর চেষ্টা করেন তারা। পরে চারতলায় লাগা আগুন পাঁচতলায় ও ছয়তলায় ছড়িয়ে পড়তে দেখে তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আফরিন ট্রেডার্সের মালিক মো. সোহেল ও মনির হোসেনসহ ১০ ব্যবসায়ী গুদামজাত করা কয়েক কোটি টাকার মালামালের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তারা।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা জোন ৩-এর উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে সাড়ে পাঁচটার দিকে ভবনে আগুন দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ৫টা ৪৭ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে। সবশেষ সকাল ৭টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে জানা যাবে।

ওই ভবনে থাকা ব্যবসায়ী লিখন হোসেন জানান, তিনিসহ ওই ভবনে থাকা ৬ জন আগুনে সামান্য দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন লিটন, রাকিব, সাগর, রোমান ও মনোয়ারুল। তাদের কারও হাত, মাথার চুল ও পা আগুনে সামান্য ঝলসে গেছে। তারা স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

পলাশ প্রধান/জোবাইদা/

২ মাস পর আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৫ এএম
২ মাস পর আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু
ছবি : খবরের কাগজ

প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর ফের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বন্দর দিয়ে ১৯টি ট্রাকে করে প্রায় ৪৫০ টন ভাঙা পাথর ভারত থেকে আমদানি করা হয়। আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত নির্মাণাধীন চার লেন মহাসড়কের ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড পাথরগুলো আমদানি করেছে। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স খলিফা এন্টারপ্রাইজ আমদানি করা পাথরের ছাড়করণের কাজ করবে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দুই হাজার টন ভাঙা পাথর আমদানির এলসি খোলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ১৯টি ট্রাকে করে ৪৫০ টন ভাঙা পাথর বন্দরে প্রবেশ করে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকি পাথরগুলো চলে আসবে। নির্ধারিত শুল্ক ও মাশুল পরিশোধের পর বন্দর থেকে পাথরগুলো ছাড়করণ শুরু হবে। 

তিনি আরও জানান, দুই মাস পর পাথর আমদানি শুরু হওয়ায় বন্দরে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

আখাউড়া শুল্ক স্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর সর্বশেষ এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানি হয়েছিল। এরপর অন্যান্য পণ্য আমদানি হলেও পাথর আমদানি হয়নি। শুল্ক মাশুল পরিশোধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর ছাড়পত্র দেওয়া হবে।’

জুটন বনিক/জোবাইদা/

যুবককে হত্যা : ক্ষোভে আসামিদের ঘরে আগুন

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:২০ এএম
যুবককে হত্যা : ক্ষোভে আসামিদের ঘরে আগুন
ছবি : খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদক কারবার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মো. মোরসালিন ভূঁইয়া হত্যা মামলার আসামি মো. আব্দুল্লাহর বাড়ির তিনটি বসতঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশের পাহারার মধ্যেই আসামি আব্দুল্লাহ, সেলিম ও শহিদুলের তিনটি ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে পরিবারসহ পলাতক থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভায়।

নিহত মোরসালিন উপজেলার মনিয়ন্ধ ইউনিয়নের মিনারকোট গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে। গত রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মো. আব্দুল্লাহর বাড়ি খেকে মোরসালিন ভূঁইয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে আব্দুল্লাহ পরিবার নিয়ে পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহতের বড় ভাই আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করে আখাউড়া থানায় একটি মামলা করেন। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ আব্দুল্লাহ ও তার সহযোগীর কাছে মোরসালিন ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে বাড়িতে ডেকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যার পর তাকে তালাবদ্ধ ঘরে ফেলে তারা পালিয়ে যায়। নিহত ও অভিযুক্তরা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। মাদকের টাকা দেনা-পাওনার বিরোধেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। অভিযুক্ত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদকসহ অন্তত ১৬টি মামলা আছে। মোরসালিনের বিরুদ্ধে আছে চারটি মামলা। তবে তারা সবাই একসঙ্গেই চলাফেরা করত বলে জানা যায়।

মনিয়ন্ধ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল আলম চৌধুরী দীপক বলেন, ‘আগুন লাগার বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে কে বা কারা লাগিয়েছে সেটি বুঝতে পারছি না।’

আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ একটু সরে অন্যদিকে যাওয়ার সুযোগে আগুন জ্বালিয়ে তিনটি ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে জানার চেষ্টা চলছে। তবে হত্যাকাণ্ড ঘটানো পরিবারটির ওপর এলাকাবাসীরও ক্ষোভ ছিল। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে। আগুন লাগার ঘটনায় অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুটন বনিক/জোবাইদা/

নারায়ণগঞ্জে শিশু চুরি মামলায় ২ নারীর যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:২৫ এএম
নারায়ণগঞ্জে শিশু চুরি মামলায় ২ নারীর যাবজ্জীবন
ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জে ১১ মাস বয়সী শিশু চুরির মামলায় দুই নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
 
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল এ রায় দেন। এ সময় সাজাপ্রাপ্ত দুই নারীর মধ্যে একজন উপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- হাসিনা বেগম ওরফে হাছনা (৪৫) ও সেতারা বেগম (৬০)। তাদের মধ্যে সেতারা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বন্দর উপজেলার রেললাইনের বাসিন্দা মৃত অলিউল্লাহর স্ত্রী। আর হাছনা টাঙ্গাইলের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণীতে আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, ২০০৮ সালের ৩ আগস্ট  নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় সজীব নামে ১১ মাসের শিশু চুরির অভিযোগে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা হয়। মামলাটি করেন নলুয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা স্বপন শেখের স্ত্রী পারুল আক্তার। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ৩১ জুলাই বাড়ি থেকে শিশুটি চুরি হয়ে গেছে। পরে পুলিশের চেষ্টায় শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুই নারীকে আটক করে পুলিশ।  তদন্তে বেরিয়ে আসে শিশুটিকে বিক্রি করার জন্য চুরি করে হাছনা ও সেতারা। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর পর মামলাটি বিচারিক আদালতে যায়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিব উদ্দিন আহমেদ জানান, শিশু চুরির মামলা তদন্ত কর্মকর্তাসহ সাতজনের সাক্ষ্য শেষে আদালত রায় দিয়েছেন। রায়ে দুই নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলা চলাকালে জামিনে বেরিয়ে পলাতক হয় হাছনা।  তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বিল্লাল হোসাইন/ইসরাত চৈতি/ 

চট্টগ্রামে তৃতীয় আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন বৃহস্পতিবার

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:২৩ এএম
চট্টগ্রামে তৃতীয় আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন বৃহস্পতিবার
ছবি: খবরের কাগজ

‘ফিউচার জেনারেশন রিসার্চ’-এর ওপর ভিত্তি করে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দিনব্যাপী ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন’। চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজ ও চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল নার্সিং কলেজের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। 

সম্মেলনে ১০৪টি গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হবে। এর মধ্যে ৮১টি অরিজিনাল রিসার্চ পেপার। তার মধ্যে ৩১টি গবেষণাপত্র (সিআইএমসি-১৬টি, সিআইডিসি-৬টি ও সিআইএনসি-৯টি)। গত দুই বছরে এ প্রতিষ্ঠানের গবেষণা সেলের তত্ত্বাবধানে এসব গবেষণা পরিচালিত হয়েছে।

এবারের সম্মেলনে দেশের নামকরা চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছে ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও এক ঝাঁক গবেষক। এরই মধ্যে সম্মেলনে ছয় শতাধিক অংশগ্রহণকারী রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন। সব মিলে এক হাজারের অধিক চিকিৎসকের সমাগম ঘটবে এবারের সম্মেলনে। গবেষণাপত্র উপস্থাপন ছাড়াও থাকবে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের আলাদা পোস্টার উপস্থাপন প্রতিযোগিতা, কালচারাল অনুষ্ঠান। 

আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সায়েন্টিফিক সেশনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল খান। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম এমপি। 

এ ছাড়া অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটো মিঞা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক বায়জিদ খুরশিদ রিয়াজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির ডিন ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শাহেনা আকতার, বেসিক ও প্যারা ক্লিনিক্যাল সায়েন্সের ডিন ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম উপস্থিত থাকবেন।

এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষণা।’ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও মেডিকেল বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ। মোট ২৩ জন দেশ ও বিদেশের প্রথিতযশা চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।

সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণীয় ‘ফিউচার জেনারেশন রিসার্চ’ সেশন। চট্টগ্রামে অবস্থিত সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোর কারিকুলামের আলোকে তৃতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের জন্য আরএফএসটি প্রোগ্রামে পরিচালিত গবেষণা থেকে বাছাই করা এ অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ গবেষণাগুলো ছাত্রছাত্রীরা উপস্থাপন করবেন। এর মধ্য দিয়ে আগামীর গবেষকরা কীভাবে গড়ে উঠছে সে বিষয়ে একটি স্বচ্ছ ধারণাও পাওয়া যাবে। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেডিকেল কলেজ পরিচালনা কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি ও সম্মেলন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন সবুজ। 

সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. টিপু সুলতান, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক মো. আমির হোসেন, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দন্ত অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আকরাম পারভেজ চৌধুরী, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো.আলী হোসাইন, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহিকুল জাব্বার, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রুবি দত্ত। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালউদ্দিন মো. রেজা, সেক্রেটারি দেব দুলাল ভৌমিক।

ইফতেখারুল ইসলাম/ইসরাত চৈতি/