ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

জনতা ব্যাংকের ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ: পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০:০৭ এএম
জনতা ব্যাংকের ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ: পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
ছবি: খবরের কাগজ

প্রতারণা, অসদাচরণ, বিশ্বাসভঙ্গ ও একে অপরের সহযোগিতায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচি জনতা ব্যাংক তামাই শাখার ভল্ট থেকে ৫ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তাসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মামলার আসামিরা হলেন বেলকুচি জনতা ব্যাংক তামাই শাখার ব্যবস্থাপক আল আমিন (৪২), সহকারী ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম (৩৪), সাবেক ক্যাশ অফিসার মো. খালেদ ইউনুস (৩১), অফিসার রাশিদুল হাসান (৩৪), ক্যাশ অফিসার শাহ মখদুম উদ্দৌলা (২৯)।

গত সোমবার দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাহফুজ ইকবাল বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন। গতকাল বুধবার বিকেলে দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. খাইরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

অভিযোগপত্রে জানা যায়, গত ২০ মার্চ জনতা ব্যাংক তামাই শাখায় অডিট করা হয়। অডিটের সময় ক্যাশ ভল্টের ৫ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ক্যাশ লেনদেনে সন্দেহ দেখা দিলে গত ২৪ মার্চ আবারও তামাই শাখায় উপস্থিত হয়ে লেনদেনের সব কিছু অডিট করা হয়। এ সময় ক্যাশ ভল্টে ৫ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা হিসাব গড়মিল পাওয়া যায়। পরে ২৪ মার্চ ব্যাংকটির এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম তামাই শাখার ব্যাংকের ম্যানেজারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক, সহকারী ব্যবস্থাপক ও অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তারা কোনো যথাযথ উত্তর দিতে পারেননি। পরে তাদের বিরুদ্ধে বেলকুচি থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে ওইদিন রাতে পুলিশ তাদের আটক করে এবং আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। 

এ ব্যাপরে দুদকের উপপরিচালক মো. খাইরুলর হক বলেন, ‘গ্রাহকের ও ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জনতা ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এরপর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চরে আটকেপড়া ৮০ দর্শনার্থীকে উদ্ধার করল নৌ-পুলিশ

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১:০৬ পিএম
চরে আটকেপড়া ৮০ দর্শনার্থীকে উদ্ধার করল নৌ-পুলিশ
ছবি : খবরের কাগজ

ঈদে ঘুরতে এসে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনা নদীতে জেগে উঠা দুর্গম আব্দুল্লাহ চরে আটকেপড়া ৮০ দর্শনার্থীকে উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। শনিবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জরুরি সেবা নম্বর-৯৯৯ মাধ্যমে ফোন পেয়ে আটকেপড়া নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৮০ দর্শনার্থীকে তিনটি ট্রলারে উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বড়খেরী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফেরদৌস আহমেদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘শনিবার বিকেলে বিভিন্ন এলাকার দর্শনার্থীরা মেঘনা নদীর দুর্গম আব্দুল্লাহ চরে ঘুরতে যান। রামগতি উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে এ দ্বীপের দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি। নদীর স্রোতের কারণে ঘুরতে যাওয়া দর্শনার্থীদের মধ্যে অনেকেই আটকা পড়েন। সে সময় তাদের মধ্য থেকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। ৯৯৯ থেকে আমাদের বিষয়টি জানানো হয়। আমরা জরুরি ভিত্তিতে স্পিডবোট, ট্রলার এবং বড় নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখান থেকে আটকেপড়া ৮০ জনকে উদ্ধার করি। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।’

রফিকুল/সালমান/

 

বৈশাখের আলপনায় রঙিন হাওরের ১৪ কিলোমিটার সড়ক

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৪০ পিএম
বৈশাখের আলপনায় রঙিন হাওরের ১৪ কিলোমিটার সড়ক
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের ১৪ কিলোমিটার সড়কে আঁকা হয়েছে আলপনা। ছবি : খবরের কাগজ

আলপনার রঙে রাঙানো হয়েছে কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলের ১৪ কিলোমিটার সড়ক। গিনেজ বুকে নাম লেখাতে মিঠামইনে জিরো পয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার সড়কে আঁকা হয়েছে আলপনা। 

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ‘আলপনায় বৈশাখ-১৪৩১’ উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

হাওরাঞ্চলে সবচেয়ে দীর্ঘ আলপনা দেখতে বৈশাখের প্রথম দিন ভিড় জমিয়েছেন অনেক মানুষ। বিকেলে অলওয়েদার সড়কে পর্যটকদের পদচারণায় আলপনা দেখাই যায়নি। হাজার হাজার মানুষ এই আলপনা দেখতে ভিড় জমান মিঠামইন জিরো পয়েন্ট ও অষ্টগ্রামের কাস্তল জিরো পয়েন্টে। দুপুরের তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে অনেকেই আসেন একনজর আলপনা দেখার জন্য।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ, খুলনা, ঢাকা এই তিন ঐতিহ্যবাহী জেলায় শিল্পীর তুলিতে বৈশাখের মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং একইসঙ্গে বিশ্বরেকর্ড গড়ার অনবদ্য প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয়েছে বৈশাখের আলপনা উৎসব। বাঙালির আবহমান ও সমৃদ্ধশালী সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার লক্ষ্যেই হাওরাঞ্চলে ‘আলপনায় বৈশাখ-১৪৩১’ উৎসব। এই সড়কে আলপনা আঁকার পর বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গিনেস বুকে নথিভুক্ত করার উদ্যোগ নেবেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদি, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অফিসার তাইমুর রহমান, বার্জার পেইন্টস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুপালী চৌধুরী, এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইরেশ জাকের।

এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড এ উৎসবের আয়োজন করে। 

এর আগে শুক্রবার (১২ এপ্রিল) মিঠামইনে আলপনা অঙ্কন উৎসবের প্রথম দিনের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন এশিয়াটিক-সিক্সটির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান হারুন অর রশীদ, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ প্রমুখ।

তাসলিমা/সালমান/

সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৩ শ্রমিকের

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:১০ পিএম
সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৩ শ্রমিকের
ছবি : সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের গুটমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন আলম (২৬) ও চুনু (২৫)। তাদের বাড়ি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায়। নিহত অন্যজনের পরিচয় জানা যায়নি।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহাগ রানা জানান, উপজেলার গুটমা গ্রামের বাসিন্দা আহাদ আলীর বাড়িতে নির্মাণাধীন একটি সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নামেন তিন শ্রমিক। কাজ করা অবস্থায় ট্যাংকের ভেতরেই তাদের মৃত্যু হয়। তবে কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। ধারণা করা হচ্ছে, ট্যাংকের ভেতরে অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেপটিক ট্যাংক ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সালমান/

নাবিক সাব্বিরের পরিবারে বইছে ‘ঈদের’ আনন্দ

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩১ পিএম
নাবিক সাব্বিরের পরিবারে বইছে ‘ঈদের’ আনন্দ
নাবিক সাব্বির হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

মুক্তিপণ দিয়ে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছ থেকে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ ও ২৩ নাবিককে মুক্ত করা হয়েছে। নাবিকদের মুক্তির খবরে তাদের পরিবারে বইছে আনন্দ। দুদিন আগে ঈদ উদযাপিত হলেও তাদের কাছে মনে হচ্ছে, আজই যেন তাদের ঈদ। 

মুক্তি পাওয়া ২৩ নাবিকের একজন সাব্বির হোসেন। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামে। 

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সাব্বিরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার পরিবারে আনন্দের বন্যা বইছে। 

ছেলের মুক্তির খবরে তার মা সালেহা বেগম খবরের কাগজকে বলেন, ‘ছেলে বন্দি হওয়ার পর থেকে পরিবারে কোনো আনন্দ ছিল না। দুই দিন আগে ঈদ গেল, পরিবারের কেউ সেই আনন্দে ছিল না। কিন্তু আজ সাব্বিরের খবর পাওয়ায় খুব ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে আজই আমাদের ঈদের দিন। পরিবারের সবার মুখে আজ হাসি ফুটেছে।’

সাব্বিরের বোন মিতু আক্তার বলেন, ‘এক মাস পর যখন ভাইয়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বললাম মনে হলো দুনিয়ার সব সুখ আমাদের পরিবারের মাঝে এসেছে। এই একটা মাস পর মনে হলো ভাইকে আবার ফিরে পেলাম। আমরা এখন অনেক আনন্দে আছি।’ 

তার বাবা হারুনুর রশীদ বলেন, ‘কখনো চিন্তাই করিনি ছেলের সঙ্গে আবার দেখা হবে, কথা হবে। কিন্তু আজ কথা বলে খুবই ভালো লাগছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।’ 

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান খবরের কাগজকে বলেন, ‘স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আমি কথা বলে খোঁজ-খবর নিচ্ছি। সাব্বির তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে। পরিবারের সবাই ও আমরাও অনেক আনন্দিত।’ 

এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি গত ১২ মার্চ ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে। ওই জাহাজের ২৩ নাবিককে জিম্মি করা হয়। জাহাজটি কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। 

জুয়েল/সালমান/

শ্রীমঙ্গলে বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:২৮ পিএম
শ্রীমঙ্গলে বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ
শ্রীমঙ্গলে শেখ রাসেল শিশু উদ্যানের মুক্তমঞ্চে অনুশীলন চক্রের আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন। ছবি : খবরের কাগজ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সূর্য ওঠার পরপরই শহরের শেখ রাসেল শিশু উদ্যানের মুক্তমঞ্চে ‘অনুশীলন চক্র’ আয়োজিত বর্ষবরণ উৎসবে আবাহনী সংগীতের মাধ্যমে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানায় উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী শ্রীমঙ্গল শাখা।

পরে অনুশীলন চক্রের আয়োজনে বণার্ঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে।

এদিকে সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ।

শোভাযাত্রায় শহরের বিভিন্ন স্কুল, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। তারা বিভিন্ন রঙের প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, মুখোশসহ যুক্ত হন। 

শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সেখানেও বর্ষবরণের অনুষ্ঠান হয়। সেখানে গান পরিবেশন করে উদীচী, কচিকাঁচার মেলাসহ স্থানীয় সংগঠনগুলো। 

এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়।

নববর্ষ উপলক্ষে শহরের শেখ রাসেল শিশু উদ্যানে পাঁচ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে অনুশীলন চক্র।

শুভ/পপি/