ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ঠাকুরগাঁও নির্বাচনে ব্যবহার হচ্ছে অবৈধ যান, নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৯:০৬ এএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ০৯:০৬ এএম
ঠাকুরগাঁও  নির্বাচনে ব্যবহার হচ্ছে অবৈধ যান, নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স

মহাসড়কে ট্রাক্টর এবং নসিমন অবৈধ যানবাহন হিসেবেই পরিচিত। ফিটনেসবিহীন এসব গাড়ির নেই কোনো রেজিস্ট্রেশন। কোনো রকম প্রশিক্ষণ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই এসব গাড়ি চালান অধিকাংশ চালক। তবে নির্বাচনের মালামাল আনা-নেওয়া করার সময় বৈধ হয়ে যায় এই ট্রাক্টর ও নসিমন। 

আজ (মঙ্গলবার) দ্বিতীয় ধাপে ঠাকুরগাঁওয়ে হতে যাচ্ছে সদর উপজেলা ও রাণীশংকৈল উপজেলার নির্বাচন। এ কারণে  নির্বাচনি এলাকায় পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনের কাজে ব্যবহৃত সামগ্রী। তবে এসব সামগ্রী পাঠানোর ক্ষেত্রে জেলা নির্বাচন অফিসের এখন প্রধান ভরসা ট্রাক্টর ও নসিমন। আর ভোটকেন্দ্রের দায়িত্ব পাওয়া প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা অবৈধ এসব পরিবহনে রওনা দিচ্ছেন নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে। জেলার দুই উপজেলার ২৫১টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স থেকে শুরু করে অন্যান্য সরঞ্জামের সঙ্গে দায়িত্ব পাওয়া পুলিশ ও আনসার সদস্যদের ভোটকেন্দ্রে পাঠাতেও ব্যবহৃত  হচ্ছে ফিটনেসবিহীন এসব বাহন। 

নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আসলাম নামে আনসার সদস্য বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য নির্বাচন অফিস যদি ভালো কোনো যানবাহনের ব্যবস্থা করত, তাহলে আমাদের জন্য নিরাপদ হতো। সরকারের এরকম গুরুত্বপূর্ণ কাজে আমাদের পাঠানো হচ্ছে এসব যানে। এসব পরিবহনে যাতায়াতে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।’ 

এ বিষয়ে সাংবাদিক মজিবর রহমান খান বলেন, ‘মহাসড়কে নসিমন, ট্রাক্টর চলাচল নিষিদ্ধ। ভোট এলেই এসব অবৈধ যানবাহন বৈধ হয়ে যায়। এসব যানবাহন ঠিকমতো ব্রেক হয় না, যারা চালাচ্ছেন তাদের ঠিকমতো দক্ষতাও নেই। আর চালকদের লাইসেন্স, সেটাও নেই। সে ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে।’ 

লাইসেন্সবিহীন এসব যান এখানে কেন নিয়ে এসেছেন এমন প্রশ্নে ট্রাক্টরচালক মতি রহমান বলেন, ‘আমাদের গাড়ির লাইসেন্স হয় না আর আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই।’ সরকারি কাজে এমন অবৈধ গাড়ি কেন আপনারা নিয়ে এসেছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনের সরঞ্জাম আনা-নেওয়ার কাজে ট্রাক্টর এবং নসিমন ব্যবহার করা হয়। প্রশাসন থেকে আমাদের ডাকা হয়েছে, তাই আমরা এসেছি।’ 

সরকারি কাজে এ ধরনের ‘অবৈধ যান’ ব্যবহারের কারণ জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন অফিসার মনজুরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের প্রায় ৫০০-এর ওপরে গাড়ি লাগবে। জেলায় যেসব বাস-ট্রাকসহ অন্য গাড়ি রয়েছে, সেগুলো দিয়ে আমরা নির্বাচন করতে পারব না। তাই বাস্তবতায় আমাদের অনেক কিছু মানতে হয়।’ 

বকেয়া আদায় না হওয়ায় চমেকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:২৬ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:১১ পিএম
বকেয়া আদায় না হওয়ায় চমেকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
ছবি: খবরের কাগজ

বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।

সোমবার (২৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে মেডিকেল কলেজের একাংশের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী অশোক কুমার চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল ও কলেজের জন্য আলাদা দুটো মিটার রয়েছে। এর মধ্যে কলেজের প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ টাকার মতো বকেয়া রয়েছে। আর বিল বকেয়া থাকায় কলেজের এক অংশের (একাডেমিক ভবন) সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বকেয়া পরিশোধের জন্য গত এপ্রিল থেকে বিভিন্ন সময়ে আমরা তাদের নোটিশ-চিঠি দিয়ে আসছি। একাধিকবার সময় দেওয়া হয়েছে। উনারা কোনো রেসপন্স করেননি। তা ছাড়া এখন জুন ক্লোজিং, তাই আমরাও চাপে আছি।’

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আক্তার খবরের কাগজকে বলেন, ‘সোমবার সকালে পিডিবি আমাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। আমাদের চলতি অর্থবছরের ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। মূল বিল ৭১ লাখ টাকা। সার্ভিস চার্জ, ভ্যাট ও অন্যান্যসহ ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা হয়েছে। আমাদের বরাদ্দ না থাকায় বিল পরিশোধ করা যায়নি। আমরা তাদের কাছে আবেদন করেছি। ফোনেও যোগাযোগ করা হচ্ছে সংযোগের জন্য।’

ইফতেখারুল ইসলাম/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

কুমিল্লায় মায়ের বিরুদ্ধে মেয়েকে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:০৬ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:০৯ পিএম
কুমিল্লায় মায়ের বিরুদ্ধে মেয়েকে হত্যার অভিযোগ
খাদিজা আক্তার

কুমিল্লার বরুড়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক মায়ের বিরুদ্ধে স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২৪ জুন) উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের নলুয়া চাঁদপুর পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খাদিজা আক্তার (১৪) ওই গ্রামের হাওলাদার বাড়ির জুলহাস মিয়া ও খুরশিদা বেগম দম্পতির সন্তান এবং স্থানীয় নলুয়া চাঁদপুর উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘অভিযুক্ত মাকে আটক করা হয়েছে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তাকে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খুরশিদা মানসিক ভারসাম্যহীন। সোমবার সকালে হঠাৎ তার মেয়ের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা গিয়ে দেখে বাড়িতেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে খাদিজা। তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুড়ালের কোপের চিহ্ন আছে। কুড়ালও পড়ে আছে পাশে। এ ঘটনার পর থেকে জ্ঞান হারিয়ে ঘরেই পড়ে আছে মা খুরশিদা।  

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাশেম সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে যতটুকু জানলাম ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে এটা আইনি বিষয়। পুলিশ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’ 

জহির শান্ত/জোবাইদা/অমিয়/

গৌরনদীতে ট্রাকচাপায় নিহত ২

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৫৬ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:১২ পিএম
গৌরনদীতে ট্রাকচাপায় নিহত ২
ছবি : খবরের কাগজ

বরিশালের গৌরনদীতে ট্রাকের চাপায় দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের একজন ভ্যানচালক ও অপরজন মাছ ব্যবসায়ী।

সোমবার (২৪ জুন) ভোরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বাটাজোর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ভ্যানচালক আয়নাল প্যাদা (৬০) এবং গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের মাছ ব্যবসায়ী বরুণ চন্দ্র দাস (৫০)।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল জানান, আজ ভোরে মাছ ব্যবসায়ী বরুণ ব্যাটারিচালিত ভ্যানে মাছ নিয়ে স্থানীয় বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বাটাজোর এলাকায় বরিশালগামী একটি ট্রাক ভ্যানটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বরুণ ও আয়নাল নিহত হন। 

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ট্রাকটি জব্দ করা হলেও চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন।

মঈনুল ইসলাম/অমিয়/

ভাণ্ডারিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় নিহত ২

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৪৬ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:২৮ পিএম
ভাণ্ডারিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় নিহত ২
ছবি: খবরের কাগজ

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় পিকআপের ধাক্কায় দুই পথচারী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও চার পথচারী।

সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ভাণ্ডারিয়া-মঠবাড়িয়া সড়কের দক্ষিণ ইকড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ঝুমাইয়া আক্তার (৩২) ও শিশু হাওয়া (৭)। ঝুমাইয়া ইকড়ি গ্রামের হোসেন সাহেবের স্ত্রী। আর হাওয়া আবু হাসান হাওলাদারের মেয়ে।
আহত চারজন হলেন- ইয়াসিন (৫), মায়া বেগম (৩৫) হাফিজা আক্তার মিষ্টি (২৮) ও হোসেন সাহেব (৩২)। তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ পিকআপচালক তোফায়েল হোসেনকে আটক করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালের দিকে ঝুমাইয়া আক্তারসহ আরও কয়েকজন স্বজনদের চট্টগ্রামের বাসে তুলে দিতে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় মঠবাড়িয়া থেকে আসা বেপরোয়া গতির একটি পিকআপভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অন্তঃসত্ত্বা ঝুমাইয়া বেগম ও শিশু হাওয়া আক্তার নিহত হন। এ সময় আরও চার পথচারী আহত হন।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর পিকআপটি জব্দ এবং চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

ইমন চৌধুরী/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরলেন ১৩ বাংলাদেশি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৩৮ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:১১ পিএম
ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরলেন ১৩ বাংলাদেশি
ছবি : সংগৃহীত

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন পাচার হওয়া ১৩ বাংলাদেশি নারী, পুরুষ ও শিশু।

রবিবার (২৩ জুন) রাত ১০টায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরেন তারা।

ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ এই ১৩ জনকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

দেশে ফেরত আসা ১৩ জন হলেন- বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার রফিক তালুকদার (৫৩) ও তার ছেলে মামুন তালুকদার (২৫), একই জেলার মোল্লারহাট উপজেলার নাজমুল শিকদার (৩৮), খুলনার রূপসা এলাকার রাজু ভূঁইয়া (২৫), একই থানার আফসানা আক্তার (২৩) ও তার ছেলে আমিন (৬) ও মেয়ে ফাতিমা (৪), একই থানার ওমর ফারুক শেখ (২৬), খুলনা সদরের মরিয়ম আক্তার (২৩), নড়াইল জেলার কালিয়া থানার আব্দুস সাত্তার (৫০), খাগড়াছড়ির মাটিরাঙার ফাতেমা (২৮), পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ার ফাহিম হাওলাদার (২) ও মাহীম হাওলাদার (৪)।

বেনাপোল চেকপোস্ট  ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে ফেরত আসা ১৩ বাংলাদেশি নারী, পুরুষ ও শিশুকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মুহিত হোসেন জানান, রবিবার রাতেই তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নজরুল ইসলাম/অমিয়/