সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাদা পাথর এলাকায় রাতের বেলা পাথর চুরি করতে বারকি নৌকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে জামায়াত-ছাত্রদল নেতাসহ ৯ জনকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক।
গতকাল বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জের ধলাই নদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রাতে ৯ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দের পর বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা ‘ছাত্র সমন্বয়ক’ পরিচয়ের স্থানীয় শিক্ষার্থী নূর আহমদ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
যোগাযোগ করলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বদিউজ্জামান খবরের কাগজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার পর আটক ৯ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন, কোম্পানীগঞ্জ সদর ওয়ার্ড শাখা জামায়াতের সভাপতি আরিফ হাসান জুবায়ের, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান আহমদ, পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সভাপতি সেলিম মিয়া ও তাদের ৬ সহযোগী। এরা হচ্ছেন- আবু সাঈদ, মো. রাজন মিয়া, দিদার হোসেন, মো. রফিকুল ইসলাম, নাসির মিয়া ও সোলায়মান।
ঘটনা সম্পর্কে জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জে ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারির সঙ্গে সংযোগ করা ধলাই নদ দিয়ে শ শ বারকি নৌকা চলাচল করে। রাতের বেলা এসব নৌকা জড়ো করে চাঁদার বিনিময়ে আসামিরা সাদা পাথর এলাকা থেকে পাথর চুরির পন্থা প্রকাশ করছিলেন। চুরির পাথর বহনকালে বারকি নৌকাপ্রতি চাঁদা ধার্য করে তা উত্তোলন করার সময় বারকি নৌকা শ্রমিকসহ স্থানীয় জনতার নেতৃত্বে বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ৯ জনকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯ জনকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।