ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড় শাহরাস্তিতে ১৮ মামলার আসামি ‘সাদা আনোয়ার’ গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ ৬ ঘণ্টা পরে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক কর্মস্থলে গরমে হাঁসফাঁস শাহরাস্তিতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ বৃদ্ধের বিরুদ্ধে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে আসছে ত্রৈমাসিক ব্যবস্থা গোপালপুরে ২ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে নেমেছে পুলিশ ভূঞাপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত ১, মাইকিং করে ফের সংঘর্ষের ঘোষণা পর্যটন খাতে তাপের প্রভাব বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের অধিকাংশ শাখায় কলমবিরতি হয়নি
Nagad desktop

ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৪

প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:৪২ পিএম
আপডেট: ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:২২ পিএম
ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৪
ছবি: খবরের কাগজ

ঠাকুরগাঁওয়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ফারহানা সরকার নামে এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও রোড এলাকার কালিতলায় ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছে।

নিহত ফারহানা সরকার সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের কালিতলা গ্রামের ফরহাদ হোসেনের মেয়ে। সে ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো। পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হয় সে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিবগঞ্জ রোড থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে ঠাকুরগাঁও রোড থেকে আসা একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে অটোরিকশাটি পুরোপুরি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ফারহানা মারা যায়।

কালিতলা এলাকার বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী মো. হাসান আলী বলেন, ‘আমি রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ দেখি ট্রাকটি বেপরোয়া গতিতে আসছে আর বিপরীত দিক থেকে আসছিল অটোরিকশাটি। মুহূর্তের মধ্যেই সংঘর্ষ ঘটে। আমরা দৌড়ে গিয়ে দেখি অটোরিকশার সব যাত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।’

এই দুর্ঘটনায় আহত বাকি চারজন হলেন শিবগঞ্জ এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪০), আকচা ইউনিয়নের আব্দুল আজিজের মেয়ে মুক্তা (৫০), জামালপুর ইউনিয়নের ফুটকিবাড়ি গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে রিদম (১৫) ওপীরগঞ্জ উপজেলার মো. আতিকুর রহমানের ছেলে সাজু ইসলাম (২৪)।

আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রকিবুল আলম চয়ন বলেন, ফারহানাকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। তাদের চিকিৎসা চলছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। একজন স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ দুর্ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই অভিযোগ করেছে, ট্রাক চালকের বেপরোয়া গতি এবং ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তারা সড়কের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছে। এই রাস্তায় এর আগেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আরও প্রাণ ঝরবে।

নবীন হাসান/মাহফুজ/এমএ/

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশহর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- অটোরিকশাচালক মাহবুব (৪৫), অটোরিকশার যাত্রী জোসনা বেগম (৪০) ও তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫)। 

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন জোসনার স্বামী কাউসার (৫০) ও তার মেয়ে আদিবা (৪)। আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বাড়ি জেলার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে।

পুলিশ জানায়, সকালে কসবা থেকে অটোরিকশায় করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সরাইল-বিশ্বরোড যাচ্ছিলেন কাউসার। পথিমধ্যে বিয়াল্লিশহর এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মাছভর্তি পিকআপভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় অটোরিকশার যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ওই তিনজনের মৃত্যু হয়।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই পিকআপের চালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি।

আজিজুল সঞ্চয়/তামান্না রুপা/

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১৯ এএম
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি  আরও ১৯ শিশু
ছবি: খবরের কাগজ

হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও ১৯টি শিশু ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোট ৮৯টি শিশু।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ মার্চ থেকে ৫ জুন সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৮৭১টি শিশু ভর্তি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩টি শিশু। এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৭৩৬টি শিশু। সেখানে এ পর্যন্ত মোট ৪৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

কামরুজ্জামান/আমান

বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল
হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচাতে ব্রয়লার মুরগির শরীরে ঠাণ্ডা পানি স্প্রে করা হচ্ছে। ছবি: খবরের কাগজ

জ্যৈষ্ঠের খরতাপে পুড়ছে পাবনা। প্রখর রোদ, তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কয়েক দিন ধরে চলা এই তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ খেটে খাওয়া মানুষ। গত সোমবার পাবনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ছিল ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৫০ শতাংশে পৌঁছালে গরমের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয়।

এমন অবস্থা গত এক সপ্তাহ ধরে। বাতাসে যেন আগুনের হলকা বইছে। তপ্ত রোদে মাঠে এক বেলার বেশি কাজ করতে পারছেন না কৃষি শ্রমিকরা। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে পাবনায় অসহনীয় ভ্যাপসা গরমের মূল কারণ বাতাসে আর্দ্রতার উচ্চ পরিমাণ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুন জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তখন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫০ শতাংশ। পরদিন মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কমে ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলেও বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪ শতাংশে, যার ফলে গরমের অস্বস্তি আরও প্রকট হয়। সর্বশেষ বুধবার তাপমাত্রা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

এদিকে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় দিনভর দাবদাহের পর রাতেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি। তীব্র গরমে ঘাম ঝরছে অবিরাম। বিদ্যুৎচালিত পাখার বাতাসেও স্বস্তি মিলছে না। দুপুরের দিকে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কে মানুষের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষি শ্রমিক ও দিনমজুররা পড়েছেন চরম বিপাকে। বিল গ্যারকা পাড়ের চাষি আবুল হোসেন কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, ‘সকাল ১০টার পর আর মাঠে কাজ করতে পারছি না। অতিরিক্ত গরমে অনেক কৃষক ও শ্রমিক ফসলের মাঠে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ফসল বিক্রির সময় নানা কথা ওঠে, কিন্তু এই কষ্টের দাম কেউ দেয় না।’

সাঁথিয়া উপজেলার কৃষি শ্রমিক বাবু আলী বলেন, ‘যে তাপমাত্রা, তাতে এক বেলা কাজ করাই কঠিন। আমরা দিনমজুর মানুষ, কাজ করতে না পারলে সংসার চলে না।’

তীব্র গরমের প্রভাব পড়েছে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যেও। শহরের কাপড় ব্যবসায়ী সবুজ হোসেন বলেন, ‘ক্রেতারা দোকানে এসে বেশিক্ষণ থাকতে চান না। গরমে অনেক সময় তারা না কিনেই ফিরে যান।’ একই সুর শোনা গেল মুদি দোকানি রফিকুল ইসলামের কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘বেচাকেনা আগের চেয়ে অর্ধেক কমে গেছে।’

তবে এই গরমে চাহিদা বেড়েছে ডাব, শরবত ও হাতপাখার। পাবনার পাঁচমাথা মোড়ের ডাব বিক্রেতা সাইদুল ইসলাম জানান, ভ্যাপসা গরমে ডাব ও ঠাণ্ডা শরবত বিক্রির পরিমাণ অনেক বেড়েছে। জেলার অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র কাশীনাথপুরের হাতপাখা বিক্রেতা আফজাল হোসেন বলেন, ‘গত কয়েক দিনে গরমে অতিষ্ঠ মানুষের কাছে তার হাতপাখা বিক্রি কয়েক গুণ বেড়েছে।’ অন্যদিকে বনগ্রাম বাজারের ওষুধ বিক্রেতা আবু জাফর খান জানান, বাজারে এখন খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ডায়রিয়ার ওষুধের বিক্রি অনেক বেশি। তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চরম বিঘ্নিত হচ্ছে। কাশীনাথপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমন হাসান আক্ষেপ করে বলে, সকাল-বিকেল বা রাতে যখনই পড়তে বসি, তখনই ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হতে হয়। ঘামতে ঘামতে পড়ার টেবিলে বসে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

আতাইকুলার মুরগি ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন জানান, মুরগিগুলো রাতে ছটফট করে। ফলে আমাদেরও জেগে থাকতে হয়। দিনের গরমও মারাত্মক। তাই সব সময় বৈদ্যতিক পাখা চালাতে ও পানি স্প্রে করতে হচ্ছে। বামনডাঙ্গা গ্রামের গো-খামারি আরজু প্রধান বলেন, ‘খামারের গরুকে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচাতে বারবার পানি দিয়ে গোসল করাচ্ছি। পর্যাপ্ত ঠাণ্ডা পানি ও স্যালাইন খাওয়াচ্ছি।’

গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৯ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত
ছবি: খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকেরচাপায় সুলাইমান শিকদার (১১) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া ভূঁইয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান।

নিহত সুলাইমান শিকদার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার তেবাড়িয়া উত্তরপাড়া গ্রামের সেলিম শিকদারের ছেলে।

ওসি জানান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া ভূঁইয়াপাড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পার হচ্ছিল শিশু সুলাইমান। এ সময় দ্রুতগামী একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকচাপা দিলে মারাত্মক আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুলাইমানকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহটি গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আফতাব জিলানী বলেন, 'সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সুলাইমান নামের এক শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়'।

বাদল সাহা/আজহার

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৮ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে
ছবি: সংগৃহীত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস পদ্মায় পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বাসের চালক ও তার সহযোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। 

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে  বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাস থেকে যাত্রী নামানো অবস্থায় ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। 

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, বাস পদ্মায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৩ নম্বর পল্টুন থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাঈম/