ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা লালমনিরহাটের ৩ সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে ডাকবাংলোয় মা-মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু: খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত
Nagad desktop

৫২ বছর বয়সে পরীক্ষা দিয়ে ইংরেজিতে ফেল

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৫, ০৮:৩৭ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৫, ০৯:২৫ পিএম
৫২ বছর বয়সে পরীক্ষা দিয়ে ইংরেজিতে ফেল
দেলোয়ার হোসেন দুলু। ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য দেলোয়ার হোসেন দুলু ৫২ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। আশা ছিল ভালো ফল করবেন। কিন্তু ইংরেজিতে ফেল করায় সেই আশা পূরণ হয়নি। তবে তিনি মনোবল হারাননি। আগামী বছর আবারও তিনি পরীক্ষা দেবেন বলে জানিয়েছেন।

পূরণে দীর্ঘ ৩৩ বছর পর কলম ধরেছিলেন তিনি। তবে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, তিনি  দুঃখজনকভাবে ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। ফলে স্বপ্ন গেছে ভেস্তে। তবু দুলুর মুখে হতাশা নয়, বরং দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে বলেছেন, ‘পরেরবার আবার অংশ নেব এবং পাস করেই দেখাব।’

জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন দেলোয়ার হোসেন দুলু। ১৯৮৫ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় প্রাথমিক বৃত্তি এবং ১৯৮৮ সালে অষ্টম শ্রেণিতে জামনগর দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে জুনিয়র বৃত্তি লাভ করেন। এরপর ১৯৯০ সালে বাগাতিপাড়া কেন্দ্রে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে তৎকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহরাব হোসেনের নির্দেশে তিনি বহিষ্কৃত হন। ঘটনাটি মানসিকভাবে দুলুকে এতটাই ভেঙে দেয় যে সেখানেই তার শিক্ষাজীবনের ইতি ঘটে। তবে ২০২১ সালে ইউপি নির্বাচনে জয়লাভ করে আবারও ফিরে আসে তার হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস। সিদ্ধান্ত নেন জীবনের অপূর্ণ অধ্যায়টি শেষ করতেই হবে। 

এরপর ২০২২ সালে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার উমরগাড়ী দারুল খায়ের দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন এবং এ বছর ওই মাদ্রাসার কারিগরি শাখায় কম্পিউটার ট্রেডে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। সব বিষয়ে ভালোভাবে পাস করলেও ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। তবে এতে তিনি দমে যাননি। জানিয়েছেন, ‘আমার পরিবারের সবাই শিক্ষিত। শুধু আমিই পিছিয়ে ছিলাম। এটাই আমাকে কুঁরে কুঁরে খেত। এবার চেষ্টা করলাম। পরেরবার আরও ভালো করে প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দেব। ইংরেজিতে পাস করেই ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।’ 

এ বিষয়ে জামনগর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘এই বয়সে বই-খাতা নিয়ে আবার বসা, তাও পরীক্ষার হলে, এটা সাহসের পরিচয়। দুলু ভাই দেখিয়ে দিয়েছেন, ইচ্ছা থাকলে বয়স কোনো বাধা নয়।’ এই প্রচেষ্টা আমাদের মনে করিয়ে দেয় জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে নতুন করে শুরু করা সম্ভব, যদি মন থেকে চাওয়া যায়। তার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশহর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- অটোরিকশাচালক মাহবুব (৪৫), অটোরিকশার যাত্রী জোসনা বেগম (৪০) ও তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫)। 

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন জোসনার স্বামী কাউসার (৫০) ও তার মেয়ে আদিবা (৪)। আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বাড়ি জেলার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে।

পুলিশ জানায়, সকালে কসবা থেকে অটোরিকশায় করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সরাইল-বিশ্বরোড যাচ্ছিলেন কাউসার। পথিমধ্যে বিয়াল্লিশহর এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মাছভর্তি পিকআপভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় অটোরিকশার যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ওই তিনজনের মৃত্যু হয়।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই পিকআপের চালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি।

আজিজুল সঞ্চয়/তামান্না রুপা/

লালমনিরহাটের ৩ সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
লালমনিরহাটের ৩ সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা
ছবি: খবরের কাগজ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা ও আদিতমারী উপজেলার পৃথক তিনটি সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জন নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। 

শুক্রবার (৫ জুন) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্র খবরের কাগজকে জানান, তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি)-এর অধীন বড়খাতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ১১ জন (৩ পুরুষ ও ৮ নারী) এবং পয়ষট্টিবাড়ী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ১০ জনকে (৫ পুরুষ ও ৫ নারী) বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় বাহিনী। খবর পেয়ে বিজিবি টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে তারা সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেনি।

এদিকে একই দিন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধীন দুর্গাপুর ও দিঘলটারী বিওপির টহলদল সীমান্ত পিলার ৯২৫ ও ৯২৭/৭-এস এর নিকট ভারতীয় সীমান্তে আরও ১২ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে অবস্থান করতে দেখেন। বিজিবি সদস্যরা মাইকিং করে সতর্ক করলে তারা ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় বিচরণ করতে থাকেন।

বিজিবি খবরের কাগজকে জানিয়েছে, এসব ব্যক্তির পরিচয় ও জাতীয়তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে অবস্থান করছেন।

বকুল/থিও

ডাকবাংলোয় মা-মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু: খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৪১ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
ডাকবাংলোয় মা-মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু: খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ
রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয়রা। ছবি: খবরের কাগজ

বরগুনায় জেলা পরিষদের ডাকবাংলো থেকে এক নারী ও তার দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পরদিন রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে শহরের কালীবাড়ি এলাকা থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধও করা হয়। এর আগে হাসপাতালের মর্গের সামনেও বিক্ষোভ হয়।

নিহতরা হলেন জেলা পরিষদের খণ্ডকালীন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ইতি রানী এবং তার দুই মেয়ে আরাধা বিশ্বাস ও অনুরাধা বিশ্বাস।

পুলিশ জানায়, বুধবার বেলা ১১টার দিকে ইতি রানী দুই মেয়েকে নিয়ে ডাকবাংলোতে কাজে যান। পরে তাদের কোনো সাড়া না পেয়ে অন্য কর্মীরা পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে তৃতীয় তলার দুটি কক্ষ থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একটি কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।

ঘটনাস্থল থেকে ঘুমের ওষুধের খালি পাতা ও পানির বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

নিহতের স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, তাদের পরিবারে বড় কোনো বিরোধ ছিল না। তবে কিছু আর্থিক সমস্যা ছিল। 

বিক্ষোভকারীরা বলেন, সরকারি স্থাপনায় এমন ঘটনা উদ্বেগজনক। তারা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার দাবি করেন।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলিম বলেন, ‘ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

মহিউদ্দিন অপু/ আজহার/

চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
ছবি: খবরের কাগজ

চুয়াডাঙ্গা সদরের ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় পূর্বাশা পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় আকিব হোসেন (২৬) নামের এক ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ঘোড়ামারা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আকিব হোসেন চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ইসলামপাড়ার মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা খবরের কাগজকে জানান, ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেই দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস এবং একটি মোটরসাইকেলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী আকিব হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতের পকেটে পাওয়া একটি ভিজিটিং কার্ড থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ওষুধ ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

মিজানুর রহমান /থিও

কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৩০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ফার্নিচার কারখানার শ্রমিকদের জন্য নির্মিত আবাসিক সেড থেকে মো. বাবু (৫৫) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদের উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকার দ্বীন ফার্নিচার কারখানার তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. বাবু দীর্ঘ ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় পান-সিগারেটের ব্যবসা করতেন। প্রতিদিন ব্যবসা শেষে তিনি দ্বীন ফার্নিচারের শ্রমিকদের আবাসিক সেডের তৃতীয় তলায় থাকতেন। ঈদুল আজহার ছুটিতে কারখানার অধিকাংশ শ্রমিক নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় তিনি সেখানে একাই অবস্থান করছিলেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কারখানার দারোয়ান আবাসিক সেড থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে তিনি কক্ষের ভেতরে মো. বাবুকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহতের চাচা আসলাম ভান্ডারী জানান, ছোটবেলা থেকেই বাবু তার কাছে মানুষ হয়েছেন। গত তিনদিন ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে দ্বীন ফার্নিচারে এসে জানতে পারেন, শ্রমিকদের থাকার স্থানে কম্বল মোড়ানো অবস্থায় তার ভাতিজার মরদেহ পাওয়া গেছে। তিনি দাবি করেন, বাবুকে হত্যা করে তার কাছে থাকা টাকা-পয়সা লুট করা হতে পারে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর ঘটনা তিন থেকে চার দিন আগে ঘটেছে। এ কারণে মরদেহ ফুলে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নয়ন/তামান্না রুপা